কয়েকটি দেশে স্টার্ট আপ কালচার- Jannat Kader Chowdhury

কয়েকটি দেশে স্টার্ট আপ কালচার - Jannat Kader Chowdhury -জান্নাত কাদের চৌধুরী
start up culture in some countries- 

কিছু দেশ স্টার্ট -আপ ব্যবসায়ের উপর অধিক গুরুত্ব দিয়েছে যার কারনে অনান্য দেশের তুলনায় সেসকল দেশে স্টার্ট-আপ ব্যবসায় করা কিছুটা সহজ ।সম্প্রতি আমেরিকায় এক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে সবচেয়ে ভাল ভাল দেশের স্টার্ট -আপ ব্যবসা কে তুলে ধরেছে কতগুলো ফ্যাক্টরের উপর ভিত্তি করে যেমন- দক্ষ ও শিক্ষিত কর্মী বা উদ্যোক্তা, লিগ্যাল ফ্রেমওয়ার্ক ,মূলধনের সহজপ্রাপ্যতা, কর্ম পরিবেশ , অর্থনীতিক অবস্থা ইত্যাদির উপর।
চলুন জানা যাক স্টার্ট-আপ ব্যবসায়ে কোন কোন দেশ গুলো উপরের সারিতে অবস্থানে করছে-

জার্মানিঃ ইউরোপের মধ্য সবচেয়ে বড় এবং পৃথিবীর চতুর্থ বড় অর্থনীতির দেশ হল জার্মানি । জার্মানি হল স্টার্ট -আপ ব্যবসায়ের জন্য সবচেয়ে উপযোগী দেশ যেখানে উচ্চ শিক্ষিত কর্মশক্তি এবং স্টাট-আপের ঊপর বিভিন্ন ধরনের বন্ধুত্বপূর্ণ নীতিমালার একটি স্বচ্ছ পরিবেশ গড়ে উঠেছে ।জার্মানিতে কিছু ব্যবসায়ের হাব গড়ে উঠেছে যেমন –বারলিন,ফ্রাঙ্কফ্রুট,হামবারগ ইত্যাদি শহরে কয়েশ স্টার্ট আপ-আপ ব্যবসায় রয়েছে ।জার্মানির সরকার অনেক সহজ সহজ পদ্ধতি স্ট্যান্ডাড নৈতিকতা, ও বিভিন্ন রকম নীতিমালা স্থাপন করেছে যেন যে কেও সহজেই নতুন ভেঞ্চচার শুরু করতে পারে । আর সে কারনে তারা এই তালিকায় সর্বপ্রথমে রয়েছে।

জাপানঃ জাপান কে বলা হয় ব্যবসায়ের স্বর্গভুমি যেখানে ঐতিহ্যগত ভাবে ঝুকিহীন ও নিত্য নতুন উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক পরিবেশ গড়ে উঠেছে ।জাপানিরা অনেক বেশী পরিশ্রমী এবং তারা বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কর্পোরেশনে কাজ করতে বেশী স্বাছন্দ্য বোধ করে তাই তাদের ব্যবসায়ের ডিল গূলো দীর্ঘমেয়াদী হয়। বর্তমানে জাপানে নানা রকম ইনকিউভেটর প্রোগ্রাম, বিভিন্ন রকম ফান্ডিং এবং ভাল নেটওয়ার্কিং থাকার কারনে তাদের স্টার্ট- আপ ব্যবসায় গূলো দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে।সেজন্য দিন দিন তাদের অর্থনীতি আরও বেশী শক্তিশালী হচ্ছে।

আমেরিকাঃ আমেরিকা এমন একটি সতন্ত্র দেশ যেখানে যে কেও সহজেই স্টাট-আপ ব্যবসায় করতে পারে।এদেশের বেশীর ভাগ মানুষই স্বাধীন ভাবে চলতে চায় যার কারনে তারা স্টার্ট-আপ ব্যবসায়ে বেশী জড়ায়। মূল লক্ষনীয় বিষয় হল আমেরিকার মানুষ ঝুকি নিতে পছন্দ করে এবং তারা নতুন নতুন ব্যবসায়িক অবিজ্ঞতা অর্জন করতে পছন্দ করে।বর্তমানে আমেরিকার আইটী স্টার্ট -আপ গূলো বেশী সফল।এখন আমেরিকায় টিম ওয়ার্কের দিকে বেশী গুরুত্ব দিচ্ছে কেননা তাদের বেশীর ভাগ আইটি স্টার্ট -আপ গুলো সফল হচ্চে টিম ওয়ার্কের মাধ্যমে ।

যুক্তরাজ্যঃ যদিও ব্রেক্সিট ইস্যুর কারনে এখন যুক্তরাজ্যে ট্রেড নিয়ে কিছুটা আশঙ্খা দেখা দিয়েছে কিন্তু অনেকে উদ্যোগতা আবার একে ভাল ভাবে দেখছে কেননা এখন সহজে বাজারে অনুপ্রবেশ এবং স্ট্রং বা শক্তিশালী ব্যবসায়িক কমিউনিটি হওয়ার কারনে এখন স্টার্ট -আপ ব্যবসায়ের জন্য একটি উপযুক্ত পরিবেশ সৃস্টি হয়েছে। এখন যুক্তরাজ্য সরকার বিভিন্ন স্টার্ট-আপ কোম্পানীকে বেশী করে নানা রকম ফান্ড সরবারহ করছে যেন একটি শক্ত অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে ওঠে।

সুইজারল্যান্ডঃ সাধারণত প্রাকৃতিক সম্পদের অভাব থাকার কারনে সুইজারল্যান্ডে্র ব্যবাসায়ীরা দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকছে রিসার্চ এবং ডেভেলপমেন্টের পরিবর্তে। সুইজারল্যান্ডে এমন একটি দেশ যেখানে ব্যাংকিং এবং অর্থনীতির উপযুক্ত জায়গা এবং ঐতিহ্যগত ভাবে সেখানে ফান্সসিয়াল সেক্টর গূলো শক্ত অবস্থানে রয়েছে। এখন সুইজারল্যান্ডে্র বিশ্লেষকরা ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং ব্লকচেইনের উপর স্টার্ট--আপ কোম্পানী গড়ে তোলার দিকে মনযোগী হয়েছে। তাছাড়া বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক পরিবেশ এবং বাণিজ্যের সহজল্যভতা থাকার কারনে তাদের স্টার্ট-আপ ব্যবসায় গুলো দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
source: কয়েকটি দেশে স্টার্ট আপ কালচার - start up culture in some countries

No comments:

Post a Comment