বর্তমান যুগে ইকমার্স
Sabina Yeasmin is with Razib Ahmed
4 April 2018
বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ব্যবসা বানিজ্য ব্যাপক প্রসার লাভ করেছে। বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশের বেশির ভাগ মানুষ পড়াশুনা শেষ করে বেকার জীবনযাপন করছে যারা সরকারি চাকরি না পেয়ে ব্যবসার মাধ্যমে নিজেদের আয়ের সংস্থান করে নিচ্ছে। বাংলাদেশের মত স্বল্পোন্নত দেশে ব্যবসা বানিজ্যের রয়েছে ব্যাপক হাতছানি। পন্য ক্রয় এবং সরবরাহের প্রচুর সুযোগ সুবিধা থাকায় ব্যবসায় রয়েছে সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের ছড়াছড়ি।
আর ব্যবসার এই সম্ভাবনাকে আরো গতিশীল করেছে ই কমার্স। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে ব্যবসায় আমুল পরিবর্তন নিয়ে এসেছে ই কমার্স।
আমরা সবাই অবশ্যই কম বেশি ই কমার্স সম্পর্কে জানি। চলুন আবার নতুন করে কিছু জেনে নেই। ই কমার্স হচ্ছে ইলেকট্রনিক কমার্স। ব্যবসার জগতে ই কমার্স বা ইলেকট্রিক কমার্স ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। ই কমার্স বলতে অনলাইনে ব্যবসা পদ্ধতিকে বোঝায়, যেখানে অনলাইনের মাধ্যমে পন্য ও সেবার আদান প্রদান করা হয়। সেই হিসেবে ই কমার্সকে আমরা টেলিকমিউনিকেশন এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও লেনদেনের বিশাল এক নেটওয়ার্ক বলতে পারি। ব্যবসায় ই কমার্স এর উন্নয়নের ফলে আমরা ঘরে বসেই পন্য ও সেবা পেতে পারি, ই কমার্সে যেকোনো প্রতিষ্টানের সরবরাহকৃত সব পন্য ঘরে বসেই দেখতে পারি। পন্যের মান সম্পর্কিত সব তথ্য জানতে পারি। পন্য দেখে পছন্দ অনুযায়ী অর্ডার করতে পারি। বর্তমানে ইন্টারনেটের যুগে ই কমার্স বলতে শুধু পন্য দ্রব্য অনলাইনে বা ইন্টারনেটে ক্রয় বিক্রয়কেই বুঝায় না। অনলাইনে বা ইন্টারনেটে পন্য ও সেবা প্রদানের উৎকর্ষতা, অনলাইন প্রসেসিং ডেভেলপমেন্ট, মার্কেটিং ব্যবস্থাপনার প্রসার, এবং বিশ্বের ইন্টারনেট ই কমার্স কমিউনিটি গঠনকে বুঝানো হয়। মোটকথা ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহার করে ক্রেতা তার চাহিদা অনুযায়ী দ্রব্য পছন্দের পর অর্ডার করা, বিক্রেতা তার পন্য বিক্রয়ের অর্ডার, অর্ডার অনুযায়ী পন্য বা সেবা প্রদান করে ক্রেতার কাছ থেকে পন্যের মুল্য পরিশোধ ইত্যাদি সম্পাদন করাকেই ই কমার্স বলে। ই কমার্স ইন্টারনেট ভিত্তিক সব ধরনের ব্যবসায়িক লেনদেনের সাথে সরাসরি জড়িত। ই কমার্সে নির্দিষ্ট ইলেকট্রিক মাধ্যকে ব্যবহার করে কম্পিউটারের প্রোগ্রামের সাহায্যে তথ্যের আদান প্রদান করা হয়। কিন্তু ই কমার্সে তথ্যসমুহ একটি নির্দিষ্ট মান বা স্ট্যান্ডার্ড বজায় রেখেই আদান প্রদান করে। ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভোক্তা ও বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করে। সেবা ও পন্যের লেনদেনের উপর ভিত্তি করে ই কমার্সে চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যায় :
১) ব্যবসা থেকে ব্যবসা
২) ব্যবসা থেকে ভোক্তা
৩) ভোক্তা থেকে ব্যবসা
৪) ভোক্তা থেকে ভোক্তা।
সোর্সঃ বর্তমান যুগে ইকমার্স
No comments:
Post a Comment