#সাইবার_নিরাপত্তার_জন্য_করনীয়_বর্জনীয়ঃ
১) লগইন করুন, কাজ শেষ হয়ে গেলে লগআউট করুন। কম্পিউটার বন্ধ করুন।
২) আপনার ডিভাইসের অটো লক অপশন চালু রাখুন।
৩) আপনার সাথে কোন নায়ক/নায়িকার মিল আছে,কিংবা ৩০ বছর পর আপনাকে কেমন দেখাবে এই জাতীয় লিংকে কখনোই ঢুকবেন না।
৪) আপনার সোশাল মিডিয়া বা মেইল পাসওয়ার্ড চায় এই ধরনের লিংকে কখনোই ঢুকবেন না।
৫) সোশাল মিডিয়ার আই ডি দিয়ে অন্য কোন অ্যাপস সাইন ইন করবেন না। প্রয়োজনে ইমেইল এড্রেস দিয়ে সাইন আপ করে সাইন ইন করা যেতে পারে।
৬) অপরিচিত কোন মেইল বা লিংকে কোনক্রমেই ঢোকা যাবে না।
৭) আপনার ফেইসবুকের টাইম-লাইন/ ট্যাগিং সেটিংস ঠিক করতে হবে, অন্য কেউ কিছু লিখে আপনার ওয়ালে যাতে পোস্ট না দিতে পারে। রিভিউ ট্যাগস চালু করে দিন।সিকিউরিটি এন্ড লগইন অপশনে যেয়ে দেখুন- অপরিচিত কোন ডিভাইস থেকে লগইন হয়েছে কিনা। হলে ঐ ডিভাইসটি লগআউট করে দিন।
৮) বেশীর ভাগ সোশাল মিডিয়ায় টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন অপশন আছে। চালু করে দিন।টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনে আপনার নিরাপত্তা বহু গুন বেড়ে যায়।
৯) আপনার ডিভাইসটিতেও লগইন করুন এবং অপশন থাকলে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করে দিন।
১০) ফাইন্ড মাই ফোন অপশন চালু রাখুন।
মোবাইল হারিয়ে গেলে অন্য ডিভাইস থেকে ডাটা ডিলিট করে দিতে পারবেন।
১১) মোবাইল,কম্পিউটার, মেইল, ওয়াইফাই ইত্যাদির পাসওয়ার্ড কোন কিছু সন্দেহ হলে বা তিন মাস অন্তর পরিবর্তন করুন।
১২) আপনার ডিভাইসে কোন অন্তরঙ্গ ছবি রাখবেন না। যে কোন সময় আপনার মোবাইল ফোনটি হারিয়ে যেতে পারে, কিংবা যে কোন সময় আপনার বন্ধু-বান্ধব আপনার কম্পিউটারে ঢুকে আপনার ছবি চুরি করে নিয়ে আপনাকে কিংবা আপনার প্রিয়জনকে ব্ল্যাক-মেইল করতে পারে।
১৩) লোকেশন/অবস্থান জনিত ছবি/পোস্ট আপডেট দেয়া থেকে বিরত থাকুন।
১৪) লটারিতে টাকা বা গাড়ী জিতেছেন, কিংবা আমেরিকা ও ইউরোপ থেকে এফবি/টুইটার বা অন্য কোন সোশাল মিডিয়ার একাউন্ট হোল্ডার কোন ব্যক্তির লোভনীয় কোন মেইলের ফাঁদে পা দেয়া যাবে না।
১৫) অপরিচিত নাম্বার হতে যদি আপনার কোন তথ্য চায় যেমন-এনআইডি নাম্বার, জন্ম তারিখ সহ অন্যান্য তথ্যাদি তাহলে সেই কলটি বর্জন করুন। অপরিচিত কাউকেই নিজের কোন তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
১৬) কোন মোবাইল ফোন অপারেটরের অপরিচিত নাম্বার হতে ফোন করে আপনাকে যদি জানায় যে, সে কাষ্টমার কেয়ার সেন্টার হতে ফোন করেছে, তাদের সার্ভারের সমস্যার কারণে আপনার মোবাইল ফোনটি কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে হবে- এই ধরনের কোন কথাবার্তা শুনবেন না।
১৭) কোন অপরিচিত নাম্বার হতে মিস কল আসলে তা ব্যাক করা যাবে না; এতে আপনার নাম্বার ক্লোন হতে পারে।
১৮) যেকোনো সফটওয়ার বা অ্যাপস এ ঢোকার সময় যদি আপনার তথ্য বা এক্সেস চায়, সেখানে না ঢোকাই শ্রেয়।
১৯) সব সময় শক্তিশালী পাসওয়ার্ড, যেমন-সংখ্যা. অক্ষরের লোয়ার কেস, আপার কেস, এবং চিহ্নের সমন্বয়ে তৈরি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
২০) বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের জন্য বিভিন্ন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং ব্যবহারকারীর নাম এবং পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করে এমন স্বয়ংক্রিয় লগইন ফিচার ব্যবহার করা এড়িয়ে যান।
২১) +১১১১ অথবা +২২২২২ এই জাতীয় ফোন নাম্বার হতে ফোন রিসিভ করা থেকে বিরত থাকুন।
২২) আপনার মোবাইলে/ ইমেইলে কোন কোড নম্বর আসলে, সেই কোড অন্য কেউ ফোন করে চাইলে কোন অবস্থাতেই দেয়া যাবে না।
২৩) কম্পিউটারে এন্টি ভাইরাস এবং ইন্টারনেট সিকিউরিটির পাইরেটেড ভার্সন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
২৪) অ্যাপ স্টোর বা প্লে স্টোর ছাড়া কোন থার্ড পার্টি বা দোকান থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করবেন না।
২৫) ভিপিএন ব্যবহার করুন।
২৬) অনলাইনে ব্যাংকিং করার সময় পাবলিক ওয়াই-ফাই বা পাবলিক কম্পিউটার ব্যবহার করবেন না।
২৭) অনলাইন লেনদেন করার সময়, ওয়েবসাইটের লক চিহ্নটি সন্ধান করুন বা ওয়েবসাইট ঠিকানাটির শুরুতে "https://" দেখুন, উভয়ই নির্দেশ করে যে সাইট এবং আপনার লেনদেন নিরাপদ।
২৮) ব্যক্তিগত, আর্থিক, ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ডের তথ্য সরবরাহ করার আগে, আপনি একটি খ্যাতনামা এবং প্রতিষ্ঠিত বিক্রেতার সাথে লেনদেন করছেন কিনা তা নিশ্চিত করুন।
২৯) আপনার সন্তানদের সাথে কথা বলুন। নিশ্চিত করুন যে তারা জানে তারা এমন ইভেন্টের মুখোমুখি হতে পারে যা তাকে বা তার পরিবারকে হয়রানিতে ফেলতে পারে।
৩০) ফেক আইডি বা খারাপ কিছু নজরে আসলে রিপোর্ট করুন।
৩১) যদি আপনি বিশ্বাস করেন যে আপনি সাইবার-ক্রাইমের শিকার হয়েছেন, তাহলে পুলিশকে অবগত করুন
সচেতনতা বৃদ্ধিতে পোস্টটি শেয়ার করুন।
source: সাইবার নিরাপত্তার জন্য করনীয় বর্জনীয়
No comments:
Post a Comment