এফিলিয়েট মার্কেটিং এ মার্চেন্ট এফিলিয়েট মার্কেটারকে একটা নিদিষ্ট পরিমান কমিশন দিয়ে থাকে । যখন কোন ক্রেতা একজন এফিলিয়েট মার্কেটার থেকে সেবা বা পন্য ক্রয় করবেন তখনি কমিশন দেয়া হবে ।
ড্রপশিপিং ব্যবসায়ে আপনাকে কমিশন নিয়ে কাজ করতে হবে না ।নিজে মার্চেন্ট হয়ে ড্রপশিপিং করতে পারবেন। ড্রপশিপারকে ভাল সাপ্লায়ার খুজে বের করতে হবে । ভাল সাপ্লায়ার খুজে বের করার পর তাদের পন্য ড্রপশিপিং করতে পারেন । আমি এখন দেখাবো কিভাবে ড্রপশিপিং শুরু করতে পারেন ।
আমাজন মার্চেন্ট একাউন্ট-
আমাজনে মার্চেন্ট একাউন্ট করতে হবে । আপনার যখন কোন পন্য বা সেবা বিক্রি হয়ে যাবে আপনার কাছ থেকে ৮%-১২% মত কমিশন কেটে নিবে ।
আমাজন থেকে ক্রেতা যখন কোন পন্য ক্রয় করবেন তখন ক্রেতার শিপিং ঠিকানার সব তথ্য সাপ্লায়ারকে দিত্তে হবে । সাপ্লায়ার তখন আপনার পন্য ক্রেতার কাছে পাঠিয়ে দিবে । ক্রেতা জানবে পন্যটি আপনে পাঠিয়ে দিয়েছেন।
ড্রপশিপিং কিভাবে কাজ করে-
ড্রপশিপিং এবং এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রায় একই । কিন্তু ড্রপশিপিং কমিশন নিয়ে না ।এখানে পন্যের দাম নিজে ঠিক করতে পারবেন । যখন ক্রেতা আপনার স্টর থেকে পন্য ক্রয় করবে তখন আপনে সে ক্রয়কৃত ইনভয়েস সাপ্লায়েরকাছে পাঠাবেন । সাপ্লায়ার আপনার হয়ে ক্রেতার কাছে পন্য পাঠাবে । সারা বিশ্বের মানুষ এখন আলি-এক্সপ্রেসকে ব্যবহার করে থাকে । ড্রপশিপিং করার ক্ষেত্রে ।আমাজনে যেহেতু লক্ষ লক্ষ ক্রেতা রয়েছে এবং তারা এখানে পেমেন্ট করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করে ।
ভাল মানের সাপ্লায়ার খুজে বের করতে হলে সাপ্লায়ের রেটিং এবং রিভিও দেখতে হবে ।ই-বে তে একইভাবে মার্চেন্ট একাউন্ট তৈরি করে ড্রপ্সহিপিং করতে পারবেন ।
শপি-ফাই-
ড্রপশিপিং করার জন্য শপি-ফাই অন্যতম একটা মাধ্যম । এখানে আপনাকে কমিশন দিতে হবে না । মাসিক প্লান কিনতে হবে । তিনটা প্লান থেকে আপনার সুবিধার প্লানটা কিনে ব্যবহার করতে পারবেন । সহজেই আপনার একটা স্টর তৈরি করে ফেলতে পারবেন । আপনাকে মার্কেটিং করার এবং নিজের স্টর করার সুব্দিহা দিবে শপি-ফাই । আমার কাছে শপি-ফাই বেস্ট মনে হয় ড্রপশিপিং করার জন্য ।
এইবার আসা যাক, কিভাবে নিজের আলাদা একটা স্টর তৈরি করতে পারবেন । এই সকল ঝামেলা এবং কমিশন নিয়ে যদি আপত্তি থাকে । নিজে একটা স্টর করে ড্রপশিপিং করতে পারেন । এখানে কমিশন বা মাসিক চার্জ দিতে হবে না । শুরু করার আগে, ডোমেইন নাম এবং হস্টিং করে নিজে নিজে শুরু করতে পারবেন । খরচ কম হলেও আপনাকে ওয়েবসাইট কিভাবে পরিচালনা করতে হয় সে বিষয়ে জানতে হবে । ডমেইন হোস্টিং বাবদ যা খরব হবে ততটুকুই লাগবে । নিজের ওয়েবসাইট এবং হোস্টিং এর জায়গা থাকলে অনেক টাকা সঞ্চয় করতে পারবেন ।
নিজে যদি ওয়েবসাইট পরিচালনা করতে না পারেন তাহলে আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ড্রপশিপিং প্লাতফ্ররম হল শপি-ফাই । সেখানে আপনারকে স্টোর দেয়া হবে । ব্লগ করার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে ।
বিষয়টা নিয়ে সাধারন কিছু লিখলাম । এখন সারাংশে আসা যাক, ড্রপশিপিং ব্যবসায় আপনাকে ইনভেন্টরি লাগবে, পন্য কিনে রাখতে হবে না । আপনাকে শুধু ভাল কয়েকজন সাপ্লায়ের খুজে বের করতে হবে । উক্ত সাপ্লায়ারের পন্য বা সেবা আপনার মার্চেন্ট একাউন্ট বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রমোট করতে পারবেন । সাপ্লায়ার পন্য সরাসরি ক্রেতার কাছে পৌছে দিবে । ড্রপশিপিং এখন এফিলিয়েট মার্কেটিং কে ছাড়িয়ে গিয়েছে ।
ড্রপশিপি করতে-
-কোন সাপ্লায়ার ভাল খুজে বের করুন
-পন্যের দাম মার্কেট রিসার্চ করুন এবং আপনার একটা খুচরা মুল্য দিয়ে দিন ।
-সাপ্লায়ার যে পন্য মার্কেটিং করছেন সেটা স্টকে আছে নাকি সে বিষয়ে খেয়াল রাখুন ।
-ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে বিশদজ্ঞান থাকতে হবে
Source-
Dropshipping
No comments:
Post a Comment