Raju Ahmed
#Digital_marketing- Part One
ডিজিটাল মার্কেটিং কি -
১৯৭১ সালে রে টমলিনসন ইমেইল পাঠানোর মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং উন্মেচন করেছিলেন। তখন তিনি বিভিন্ন মেশিনে ফাইল আদান-প্রদান করেছিলেন। ১৯৯০ সালে ডিজিটাল মার্কেটিং শব্দটি সবার সামনে মুদ্রিত হয়। অনেক সুবিধার কারনে ডিজিটাল মার্কেটিং দিন দিন প্রসার লাভ করতে থাকে। বর্তমান বিশ্বের প্রায় সকল দেশ ইন্টারনেট সংযোগের অধিভুক্ত । যার কারনে বর্তমান যুগকে ইন্টারনেটের যুগ বলে আখ্যায়িত করে হয়। সাধারনভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং সংজ্ঞায়িত করা হয় ।
ইন্টারনেট বা ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে কোন পণ্যের বা সেবার প্রচারকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে । অন-লাইন মার্কেটিং, ওয়েব মার্কেটিং, ইন্টারনেট মার্কেটিং ডিজিটাল মার্কেটিং এর অর্ন্তভুক্ত।
দিনে দিনে ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশল, সংজ্ঞা পরিবর্তিত হচ্ছে এবং নতুন নতুন কৌশল আবিস্কারের মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে সহজ । তাই পরের সংজ্ঞাকে উপযুক্ত সংজ্ঞা বলা কঠিন বিষয়। সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন,কনটেন্ট মার্কেটিং এফিলিয়েট মার্কেটিং, পিপিসি মার্কেটিং, সিপিএ মার্কেটিং, সিপিএম মার্কেটিং, ব্যানার আডভার্টাইজিং, পডকাস্টিং, ব্লগিং, সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং ইত্যাদি ডিজিটাল মার্কেটিং ।
টিভিতে বিজ্ঞাপন, বিল-বোর্ড এইগুলো হল ট্রেডিশনাল মার্কেটিং । এইগুলোকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলা হয় না ।
কেন ডিজিটাল মার্কেটিং-
ডিজিটাল মার্কেটিং মাধ্যমে একটা পণ্যের বা সেবার প্রচারকে খুব সহজে এবং দ্রুত ভুক্তার কাছে পৌছানো যায় । একজন ভুক্তার কাছে কোন পন্যের বা সেবার মান তখনই সর্বশ্রেষ্ট হবে, যখন প্রচারকে ভালভাবে প্রসারিত করতে পারবেন। ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মধ্যে শুধুমাত্র কনটেন্ট মার্কেটিং থেকে আয় হবে ৪০০ বিলিয়ন ডলার।
ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে একজন ক্রেতাকে ২৪ ঘন্টা সেবা দেয়া সম্ভব। ক্রেতার একটা পন্য বা সেবা কেনার বিশ্লেষন করা সম্ভব, যা ট্রেডিশনাল মার্কেটিং দিয়ে এত সহজে এবং কম সময়ে সম্ভব নয়।
ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে ক্রেতার আচরনবিধি কেমন, কার্যকারিতা কোথায় বেশি, কোথায় কম সেটা নিমিষেই বের করা সম্ভব। ইতিবাচক এবং নেতিবাচকের ফিডব্যাকের কারনে সহজেই পন্যের বা সেবার প্রতিষ্টাতা মানের বা কোয়ালিটির উপর সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে সক্ষম হয়, কোথায় পন্যের অভাব রয়েছে ।
কম খরচে এবং কম সময়ে একটা পন্যের বা সেবার মানকে অধিক সংখ্যাক ক্রেতার কাছে পৌছানো সম্ভব। এতে ক্রেতার সময় নষ্ট না করে ইন্টারনেট থেকে নিজের পছন্দের পন্যের বিবরণ, সুযোগ-সুবিধা দেখে নিতে পারে। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে একটা পণ্য তখন ভুক্তার কাছে সম্ভব হয় যখন পণ্যের মান অন্য প্রস্তুতকারি থেকে উন্নত মানের হয়। ইন্টারনেট মার্কেটিং এর মাধ্যমে সেটা সহজেই তুলে ধরা সম্ভব হয়।
উপরের সকল তথ্যের উপরে নির্ভর করে বর্তমানে সকল ব্যবসার প্রচার ডিজিটাল মার্কেটিং দিকে ধাবিত হচ্ছে । এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে যত দ্রুত ডিজিটাল দেশে রূপান্তিত হবে । ট্রেডিশনাল মার্কেটিং থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুবিধার কারনে সকল ব্যবসা এক সময় ডিজিটালের দিকে ধাবিত হবে এই বিষয়ে কোন সন্দেহ
নেই।
আগামীকাল এই বিষয়ের উপর কিছু প্রশ্ন পোস্ট কপ্রা হবে। যার যা আইডিয়া আছে সবাই মন্তব্য করবেন। এখানে সবাই রাজা, সবাই সমান!
source
ডিজিটাল মার্কেটিং কি -
No comments:
Post a Comment