ই-কমার্সে ফেসবুক মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ কেমন?

Lipi Sd  with Razib Ahmed 

নিত্য নতুন বিষয় শিখতে আমরা সবাই পছন্দ করি।আমিও এর ব্যতিক্রম নয়।

ফেসবুক

একটি অতি সাধারণ নিত্য ব্যবহারকারি বিষয় এখন। সকল শ্রেনী পেশার মানুষের কাছে ভ্যাচুয়াল জগতে সবার সাথে যোগাযোগ বজায় রাখার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম বর্তমান সময়ে। ফেসবুক অফিসিয়াল পেইজের তথ্য মতে, প্রতিদিন ফেসবুক ব্যবহারকারির সংখ্যা ১.৫৬ বিলিয়ন এবং মাসিক হিসেবে সংখ্যাটা ২.৩৮ বিলিয়ন একটিভ ইউজার।

২০০৪ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হয় ফেসবুকের পথ চলা। ২০০৭ সালে নভেম্বরে ফেসবুক নতুন একটি ফিচার যুক্ত করে যার নাম এড প্ল্যাটফর্মস এবং পেইজ । বলা যায় সেখান থেকে ফেসবুক মার্কেটিং এর যাএা শুরু হয়। কারণ এড এর সাথে মার্কেটিং বিষয়টি গভীর ভাবে সম্পৃক্ত।

এবার আসি ফেসবুক মার্কেটিং বিষয়টি কি?

এখনও পর্যন্ত পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক। ফেসবুক অনলাইন মার্কেটিং এর ও সবচেয়ে বড় ডিজিটাল চ্যানেলে পরিনত হচ্ছে দিন দিন। তারই সুবাদে ফেইসবুক পেইজ আমরা ব্যবহার করছি। মূলত আমরা ফেসবুক পেইজকে বিজনেস পেইজ হিসেবে ব্যবহার করি

এই পেইজটিতে সাধারণত আপনার অনলাইন সেবা বা পন্যের প্রমোশনের জন্য যে এড ক্যাম্পেইন চালানো হয় তাকেই ফেসবুক মার্কেটিং বলা হয়।

ফেসবুক মার্কেটিং এর বর্তমান অবস্থা

বর্তমানে দেশে ৫০০০০ ফেসবুক পেইজ রয়েছে যারা,ই-কমার্স ব্যবসায়র প্রসার ঘটাছে ( সূত্রঃ দ্যা ডেইলি স্টার)। প্রতিটি ই-কমার্স সাইটকে মাসে ৮০০০-১০০০ ডলার খরচ করতে হয় ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য যার বেশির ভাগটায় যায় ফেইসবুক মার্কেটিং এ।

কেন প্রয়োজন ফেসবুক মার্কেটিং ই-কমার্সের জন্য?

পূর্ব কথা গুলো পড়ে আশা করি বুঝতে পারছেন ই-কমার্সের জন্য কতটা প্রয়োজন। ১৮কোটি মানুষের দেশে ৫৪.৮%লোক ইন্টারনেট সুবিধা ভোগ করছে যার মধ্যে মোট জনসংখ্যার ৪.২% লোক ফেসবুক ব্যবহার করছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর মধ্যে আপনার টার্গেট কাস্টমারদের কাছে অনলাইনে সহজে পৌছে যাবার মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক ব্যবহার করে।মানে আপনার বিজনেস পেইজটির মাধ্যমে ফেসবুক এড ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে।

এখানে একটা,কথা বলা ভাল পার্সোনাল ফেসবুক আইডি ফেন্ডশিপ বজায় রাখার জন্য আর ফেসবুক পেইজ মানে বিজনেস পেইজ আপনার ফ্যান অর্থাৎ আপনার কাস্টমার এঙ্গেজম্যান্ট বাড়ানোর জন্য।

ধন্যবাদ সবাইকে। —
source
ই-কমার্সে ফেসবুক মার্কেটিং এ ভবিষ্যৎ কেমন

No comments:

Post a Comment