ই-কমার্সের প্রকারভেদ

Md. Rabiul Islam
বিষয়: ই-কমার্সের প্রকারভেদ ।

অনলাইন পণ্য বা সেবা ক্রয় বিক্রয়ের উপর ভিত্তি করে ই-কমার্স কে চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যায় । যেমন-

এক, B2B : বিজনেস টু বিজনেস বা ব্যবসা থেকে ব্যবসা। একাধিক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লেনদেন হলে তাঁকে বিটুবি বলে। যেমন মনে করেন আলাউদ্দিন ভাইয়ের ওকেশপবিডি পণ্য কিনলো আলিবাবা থেকে। আবার মনে করেন যে আপনি একটি ই-কমার্স সাইট বানিয়ে নিলেন কোন ডেভেলপারের থেকে অনলাইনে । এটাও বিটুবি ই-কমার্সের অন্তর্ভুক্ত।

দুই, B2C: বিজনেস টু কনজিউমার বা ব্যবসায়ীর সাথে ভোক্তার সরাসরি লেনদেন । যেমন মনে করেন আমি কোনো ই-কমার্স সাইট থেকে কোনো পণ্য কিনলাম । এটি হলো হলো বিটুসি ই-কমার্স ।

তিন, C2B : কনজিউমার টু বিজনেস বা ভোক্তার সাথে ব্যবসায়ীর সম্পর্ক। যেমন পণ্য বা সেবা বিক্রয়ের পর ব্যবসায়ীরা ক্রেতার থেকে রিভিউ আশা করে।

চার; C2C: কনজিউমার টু কনজিউমার বা ভোক্তা থেকে ভোক্তা । যেমন বিক্রয়ডটকম একটি প্লাটফর্ম যেখানে এটি শুধু একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। পণ্য কেনা বেচা করে অন্যরা।

এছাড়াও দুই প্রকারের ই-কমার্স আছে

B2G : বিজনেস টু গভ:মেন্ট বা ব্যবসা থেকে সরকার। সরকারি বিভিন্ন জিনিসপত্র কেনা।

C2G: কনজিউমার টু গভার্নমেন্ট বা ভোক্তা থেকে সরকার । সরকারি বিভিন্ন ফি ট্যাক্স ইত্যাদি অনলাইনে প্রদান করা।

এই ছিল এখন কার মত ই-কমার্সের প্রকারভেদ নিয়ে কিছু কথা।

source- ই-কমার্স

No comments:

Post a Comment