part 1
আড্ডা পোস্ট ২২ আগস্ট ২০১৯।
বিষয়বঃ ই-কমার্স কী এবং এর প্রয়োজনীয়তা, বাংলাদেশে ই-কমার্সের প্রসার যেভাবে ঘটলো।
উই এর গ্রুপে আমাদের প্রথম আড্ডা পোস্টে সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানাচ্ছি।
— with Razib Ahmed.
Md. Saiful Islam
ই-কমার্স প্রকারভেদ
প্রাথমিকভাবে ই-কমার্সকে মূলত চারটি ভাগে ভাগ করা যায়
১, Business to Business
২, Business to Consumer
৩, Consumer to Consumer
৪, Consumer to Business
Md. Saiful Islam
ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য প্রথম কাজ হচ্ছে সাইটের নাম ঠিক করা। আর এই নামে ডোমেইন খালি আছে কি না তা দেখা। একটি সুন্দর ডোমেইন নাম নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিষ্ঠান পরিচিতি পাবে এই নামেই। যদি পেশাদারত্বের সঙ্গে সাইট তৈরি করতে চান, তবে অবশ্যই নতুন নাম নির্বাচন করতে হবে।
Afrin Jahan Rotna
বিশ্বের ১০ টি সেরা ই কর্মাস কোম্পানি হচ্ছে
অ্যামাজন.কম,
জে ডং মল,,
ওয়াল মার্ট ষ্টোরস ইংক
ই বে ইংক
অটো গ্রফ
আলিবাবা গ্রপ হোল্ডিং লিমিটেড
সিনোভা এনভি
টেস্কো
রাকুতেন
বেস্ট বাই।
Lipi Sd
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ই-কমার্সের জন্য বিশাল মার্কেট রয়েছে প্রতিটি ক্ষেএে। কারন ট্রেডিশনাল ব্যবসায় সাথে ই-কমার্সের সংমিশ্রণ আরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আমাদের দেশের জন্য সবচেয়ে বড় যে দিক বেকার সমস্যার সমাধান করা যাবে৷ সাথে দেশের অর্থনীতি প্রবৃদ্ধি সহ সময়ের সাথে তাল মিলাতে আমাদের সাহায্য করছে ই-কমার্স।
MD Saim Hossain Sohel
(২) ই- কমার্স কত প্রকার ও কী কী?
উওরঃ ই- কমার্স বিভিন্ন রকমের হয়ে
থাকে। নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. বিজনেজ- টু- বিজনেজ (B2B)।
২. বিজনেজ- টু- কনজিউমার (B2C)।
৩. কনজিউমার- টু- কনজিউমার (C2C)।
৪. বিজনেজ- টু- গভার্নমেন্ট (B2G)।
৫. গভার্নমেন্ট- টু- গভার্নমেন্ট (G2G)।
৬. গভার্নমেন্ট- টু- সিটিজেন (G2C) ইত্যাদি।
Imran Hossen
সময়ের সাথে সাথে মানুষ এর চাওয়া পাওয়ার ধরন বদলে যায় এটাই সাভাবিক। ই-কমার্স এখন সময়ের সবচেয়ে বড় একটা প্রয়োজনীয় বিষয়।ই-কমার্স আছে বলেই কোন পন্যের সম্পর্কে ধারনা আপনি ফিজিক্যাল স্টোর এ যাওয়ার আগেই পেয়ে যাচ্ছেন।মার্কেট এ গিয়ে নতুন নতুন পন্যের খোজ খবর নেয়া কি এখন আদো সম্ভব? না কখনই না এত সময় কই
Saikat Hasan Kabbo
ই-কমার্স হচ্ছে ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই বিজনেস।অর্থাৎ,ইন্টারনেটের মাধ্যমে পন্য ক্রয়-বিক্রয় করাকে ই-কমার্স বলা হয়।
বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ শর্ট-কার্ট রাস্তা খোঁজে।তারা বাজারে গিয়ে কোনো পন্য কিনতে চায় না।অনেকে সময়ের কারণে বা অন্য অসুবিধার কারনে।তাছাড়া অনেকে টাকা ছুরি কারণেও বাজারে যেতে চায় না।ই-কমার্স তাদের জন্য আর্শিবাদস্বরুপ।ই-কর্মাসের মাধ্যমে এখন যেকোনো পন্য ক্রয় করা যায় ঘরে বসে।তাছাড়া পন্যের নাম,দাম,সাইজ এগুলো উল্লেখ থাকে বলে সহজেই অনেকগুলো পন্য দেখে পছন্দ করে পন্য ক্রয় করা যায়।ঘরে বসে পন্য ক্রয় করা যায় বিধায় সময় ব্যয় সাশ্রয় হয়।এখানে টাকা চুরির কোনো ভয় নেই।তাই যে কেউ যেকোনো সময় পন্য ক্রয় বা বিক্রয় করতে পারে।আমাদের জীবনে ই-কর্মাসের গুরুত্ব অপরিসীম।ভবিষৎতে এর প্রসার আরও অধিক বৃদ্ধি পাবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই
শেষ প্রহর
ই-কমার্স হচ্ছে ইলেকট্রনিক্স কমার্স। যেটা অনলাইন সম্পর্কিত। অনলাইনের মাধ্যমে ই- কমার্সের যাবতীয় কার্য সম্পাদন করা হয়। বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ বিধায়, সবকিছুই অনলাইন মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। ই-কমার্স তথা ইলেকট্রনিক্স কমার্সের মাধ্যমে আমরা ঘরে বসেই সকল ধরনের সুবিধা পেয়ে থাকি। যেকোন সময় যেকোন ধরনের পণ্য খুব সল্প সময়ের মাধ্যমে ঘরে বসেই সেবা পেয়ে থাকি ই- কমার্সের মাধ্যমে।
শেষ প্রহর
ই- কমার্সের মাধ্যমে পণ্যদ্রব্য কেনাকাটায় একদিকে যেমন সময়ের সাশ্রয় হয়েছে অন্যদিকে ঝুকিও কমেছে। রাস্তার ব্যবধান কমেছে ই- কমার্সের মাধ্যমে। ই- কমার্সের কল্যাণে মানুষ টাকা চুরির হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে। রাস্তায় জ্যামে পড়ার ভয় নাই, এছাড়াও পছন্দমত ঘরে বসেই পণ্য দ্রব্যাদির রং পছন্দ করতে পারছে। ই- কমার্সের কল্যাণে বিশ্ব হয়েছে আজ হাতের মুঠোই।
শেষ প্রহর
ই- কমার্সের প্রসার ব্যাপক হারে বাড়ছে। যদিও ই- কমার্সের উদ্ভাবন অনেক আগে থেকেই তবে আগে এর প্রচার বেশি জনপ্রিয় ছিলনা। মানুষ এখন শিক্ষিত হয়েছে সেই সাথে তাল মিলিয়ে বাড়ছে জনসংখ্যা। দেশকে দারিদ্রমুক্ত করতে ই- কমার্সের অবদান অপরিসীম। ই- কমার্সের মাধ্যমে বেকারত্ব লাঘব হয়েছে সেই সাথে বহু লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছে এতে দেশ উন্নতির শিখরে উন্নিত হচ্ছে।
শেষ প্রহর
যদিও গ্রাম- অঞ্চলে এর প্রসার বেশি জনপ্রিয় নয়। তবে গ্রামের মানুষ ও এখন শিক্ষিত হয়েছে,, গ্রামের রাস্তা- ঘাট ও উন্নত হচ্ছে।। অতএব, আগামী ২২ সালের মধ্যে এর প্রসার বহু মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে। তবে, বর্তমানে বাংলাদেশে ই- কমার্সের প্রসার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।।। এর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা ও অর্জিত হচ্ছে। এতে করে দেশ দারিদ্রমুক্ত দেশ হতে অগ্রসর হয়েছে।
আড্ডা পোস্ট ২২ আগস্ট ২০১৯।
বিষয়বঃ ই-কমার্স কী এবং এর প্রয়োজনীয়তা, বাংলাদেশে ই-কমার্সের প্রসার যেভাবে ঘটলো।
উই এর গ্রুপে আমাদের প্রথম আড্ডা পোস্টে সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানাচ্ছি।
— with Razib Ahmed.
MD Saim Hossain Sohel
ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা
ওয়েবসাইট তৈরির পর এর নিরাপত্তার দিকে দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। যে প্লাটফর্মেই ওয়েবসাইট তৈরি করা হোক না কেন প্রথমে এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। হোস্টিং-এর সঙ্গে CDN Service ব্যবহার করতে হবে। Max CDN প্রিমিয়ামের মধ্যে বেশ ভালো। তবে CloudFlare -ও ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া, নিরাপত্তার স্বার্থে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। এর পাশাপাশি Site Lock সার্ভিস এবং ওয়ার্ডপ্রেস Security প্লাগইনটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
MD Saim Hossain Sohel
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)
ই-কমার্স সাইটটিকে ওয়েবসাইট অনুসন্ধানের প্রথম দিকে নিয়ে আসার জন্য এসইও সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন। কারণ, সাইটটিতে যতো বেশি ভিজিটর বাড়ানো যাবে ততো বেশি পণ্য ক্রয়-বিক্রয় বাড়ানো সম্ভব হবে। যেসব পণ্য ক্রয় ও বিক্রয় করা হবে তার চাহিদা নিরূপণ করে পণ্য সামগ্রীর একটি তালিকা প্রণয়ন করতে হবে। পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য প্রচার মাধ্যম বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, জাতীয় ও স্থানীয় প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমকে বেছে নেওয়া যেতে পারে।
MD Sohel Rana
ই-কমার্স এর মাধ্যমে লাখোপতি হওয়া সম্ভব। তবে তার জন্য প্রয়োজন যথেষ্ট পরিশ্রম, সততার সাথে আপন কাজে মনোনিবেশ এর আগে। প্রচুর পরিমানে অধ্যয়নের মাধ্যমে জ্ঞান ও নেটোয়ার্ক বাড়ানো। কারন,আপনার আশেপাশের মানুষ গুলাই আপনার আগামীদিনের ক্রেতা। তাই ভালো নেটোয়ার্ক এর জুড়ি নাই।বাস্তব লাইফে। চোখ হতে হবে সচল। মাথা ঠান্ডা রেখে কাস্টমার হ্যান্ডেল করা। প্রোডাক্ট রিভিউ ভালো মানের হওয়া। ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজ যার মাধ্যমেই ব্যবসা পরিচালনা করবেন কিনা। আপনাকে বিশ্বস্ততা অর্জন করতে হবে। তাহলেই ভালো কিছু করা সম্ভব অনলাইনের মাধ্যমে
Mohammad Amir
ই কমার্স কে সাধারন মানুষ তেমন অাগে জানতনা,রাজিব ভাই দিন রাত পরিশ্রম করে সফলভাবে প্রতিষ্টা করেছে,যাতে ছোট ছোট উদ্যোক্তারা এগিয়ে অাসতে পারে সে সুযোগের ব্যবস্থা রেখেছেন।মিম অাপু, অাবুল খায়ের,মহান ভাইদের নাম না বলিলে ভুল হবে,উনারা অনেক সাপোর্ট দিয়েছেন রাজিব ভাই কে।।ইক্যাব এর ব্লগগুলি সবার স্টাডি করা দরকার,অনেক কিছু জানার অাছে।
Mohammad Amir
অামরা প্রবাসীবাজার.কম নামে একটি অনলাইন শপিং চালু করতে যাচ্ছি, অামাদের টার্গেট হচ্ছে যাতে প্রবাসীর পরিবার নিশ্চিন্তে অনলাইন শপিং করতে পারে সেটার ব্যবস্থা করা।ইনশাল্লাহ শীগ্রই চালু হবে
Afrin Jahan Rotna
বাংলাদেশে ই কর্মাস ক্রেতারা মূলত শহর কেদ্রীক, ৮০ % ক্রেতা ঢাকা, গাজিপুর, চট্টগ্রাম, এদের মধ্যে ৩৫% ঢাকা, ৩৯ % চট্টগ্রাম, ১৫% গাজিপুর বা অন্য দূটি শহর নারায়ণগঞ্জ, আর একটি সিলেট।
আড্ডা পোস্ট ২২ আগস্ট ২০১৯।
বিষয়বঃ ই-কমার্স কী এবং এর প্রয়োজনীয়তা, বাংলাদেশে ই-কমার্সের প্রসার যেভাবে ঘটলো।
উই এর গ্রুপে আমাদের প্রথম আড্ডা পোস্টে সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানাচ্ছি।
— with Razib Ahmed.
Shakiba
আমি কিছু সময় আগে জানিতে পারছি যে আরো দুপ্রকার ই-কমার্স আছে।
1.Government to consumer
2.consumer to Government.
তবে এই দুটি সম্পর্কে আমার ভাল ধারণা নাই।কেউ এক্টু বুঝায়া দিলে ভাল হতো
MD Saim Hossain Sohel
ওয়েবসাইট তৈরির জন্য প্লাটফর্ম নির্ধারণ
ডোমেইন ও হোস্টিং ক্রয় করার পর সুন্দর ও সহজ একটি ওয়েবসাইট তৈরির দিকে নজর দিতে হয়। ওয়েবসাইট তৈরির জন্য বাংলাদেশে অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে ই-কমার্স ওয়েবসাইট ঘরে বসেই নিজের মেধা ও সৃজনশীলতা দিয়ে তৈরি করা যায়। ওয়েবসাইট তৈরির সেরা কয়েকটি সহজ উপায় তুলে ধরা হলো:
উকমার্স: এটি একটি ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন। নবাগতরা খুব সহজেই এটি ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করতে কোনো কোডিং ডাটাবেজ লাগে না। শুধুমাত্র প্লাগইন-টি অ্যাকটিভ করলেই ই-কমার্স এর সকল সুবিধা পাওয়া যায়।
ম্যাজেন্টো: বর্তমানে ই-কমার্স সাইটের জন্য ব্যবহৃত সিএমএসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ম্যাজেন্টো। এটি একটি ফ্রি ওপেন সোর্স সিএমএস। এটি জেন্ড ফ্রেমওয়ার্কে তৈরি করা হয়েছে। এই সিএমএসটিতে রয়েছে ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরির জন্য সময়োপযোগী নানা ধরনের ফিচার। ম্যাজেন্টোর অনেক ফ্রি ও প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগইন রয়েছে। কেউ ইচ্ছা করলে ফ্রি ম্যাজেন্টো থিম এবং প্লাগইন দিয়ে ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন।
জেন-কার্ট: ওপেন সোর্স স্টোর ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে যে সিএমএসটি সেটি হলো জেন-কার্ট।
ওএস-কমার্স: ওপেন সোর্স কমার্স বা ওএস-কমার্সের জনপ্রিয় শীর্ষ অনলাইন স্টোর ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ওএস-কমার্স।
প্রেস্তাশপ: সম্পূর্ণ ফ্রি একটি ওপেন সোর্স সিএমএস। প্রেস্তাশপ এর যাত্রা শুরুর অল্প কিছু দিনের মধ্যেই বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে। এর মূল আকর্ষণ হলো ডিজাইন, যা অন্য কোনো সিএমএস-এ তেমনটা দেখা যায় না।
ওপেন-কার্ট: সহজে ব্যবহারযোগ্য এবং আকর্ষণীয় ডিজাইনের ওপেনসোর্স শপিংকার্ট সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে ওপেন-কার্ট অন্যতম।
ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরিতে ওয়ার্ডপ্রেসের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। এর মাধ্যমে ইচ্ছা মতো যেকোনো ডিজাইনের ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। এছাড়া, ওয়ার্ডপ্রেসের ব্যবহার খুবই সহজ এবং একমাত্র পাওয়া যায় কাস্টমাইজ করার ব্যপক সুবিধা। সহজে ব্যবহারের জন্য ওয়ার্ডপ্রেসের উকমার্স, ম্যাজেন্টো, জেন-কার্ট, ওপেন-কার্ট অন্যতম। তবে কেউ যদি সহজেই ব্যবসা পরিচালনা করতে চান তাহলে Woocommerce অথবা Open Cart ব্যবহার করাই ভালো।
ওয়ার্ডপ্রেসের নিচের প্লাগইনগুলো ব্যবহার করে খুব সহজেই ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়:
1. Woocommerce Plugin (https://www.woothemes.com/woocommerce/)
2. Cart66 Lite Plugin (http://cart66.com/)
3. eShop Plugin (http://quirm.net/eshop-2/)
4. Jigoshop Plugin (https://www.jigoshop.com/)
5. WP E-Commerce Plugin (https://wpecommerce.org/)
6. Shopp Plugin (https://shopplugin.net/)
আড্ডা পোস্ট ২২ আগস্ট ২০১৯।
বিষয়বঃ ই-কমার্স কী এবং এর প্রয়োজনীয়তা, বাংলাদেশে ই-কমার্সের প্রসার যেভাবে ঘটলো।
উই এর গ্রুপে আমাদের প্রথম আড্ডা পোস্টে সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানাচ্ছি।
— with Razib Ahmed.
MD Saim Hossain Sohel
এ অংশে বাংলাদেশে ই-কমার্সের কিছু জনপ্রিয় সাইট উল্লেখ করা হলো:
1. রকমারি.কম
2. ক্লিকবিডি
3. বিক্রয়.কম
4. এখনি.কম
5. হটঅফারবিডি.কম
6. প্রিয়শপ.কম
7. উপহারবিডি
8. ই-বে
9. আমাজন
10. ইজিটিকেট
11. আইটিবাজার২৪
উন্নততর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আলিবাবা ডটকম নামের সাইটটি সারা পৃথিবীতে সেবা দিয়ে চলেছে। সেদিন হয়তো খুব বেশি দূরে নয় যেদিন আমাদের যেকোনো পণ্যও ই-কমার্সের কল্যাণে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের ক্রেতাই ঘরে বসে অর্ডার দিতে পারবেন। দ্রুত সময়ের মধ্যেই সেই পণ্য পৌঁছে যাবে ক্রেতার ঠিকানায়; লেনদেনেও থাকবে না কোনো অনিয়ম বা ভোগান্তি।
Neymar de Silvah
সকল দিক বিবেচনা করে ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে
১. ব্যবসা - ব্যবসা
২. ব্যবসা - সরকার
৩. গ্রাহক - গ্রাহক
৪. গ্রাহক -সরকার
MD Saim Hossain Sohel
ই-কমার্স চালুর জন্য করণীয়
ই-কমার্স তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। আমাদের দেশে এর সম্ভাবনা অনেক। ই-কমার্সের সুবিধা হলো এখানে পুঁজি লাগে কম। ইচ্ছাশক্তি, সৃজনশীলতা ও পরিশ্রমই ই-কমার্স ব্যবসার সবচেয়ে বড় পুঁজি। এই ব্যবসা পরিচালনার জন্য অনেক মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। ব্যবসায়ী, খুচরা বিক্রেতা, সেবাদাতা, ব্যাংক, নীতি নির্ধারক, থার্ড পেমেন্ট প্রসেসর এবং সর্বোপরি, ক্রেতা বা ভোক্তাদের ই-কমার্সের মাধ্যম হিসেবে গণ্য করা হয়। এসব মাধ্যমকে এক প্ল্যাটফর্মে এনে আর্থিক লেনদেন কার্যক্রম পরিচালনাই হচ্ছে ই-কমার্স। এই ব্যবসা চালুর জন্য গ্রাউন্ড ওয়ার্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে ব্যবসায়িক মডেলসহ ব্যবসা পরিচালনার একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।
পরিকল্পনায় কৌশলগত যেসব বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে:
১. ওয়েবসাইট তৈরি;
২. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও);
৩. প্রোডাক্ট বা কনটেন্ট মার্কেটিং;
৪. ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ডিং;
৫. প্রচার মাধ্যমের সহায়তা গ্রহণ;
৬. বিজ্ঞাপন;
৭. ছবি তোলা ও অডিও-ভিডিও এবং তা আপলোড করার দক্ষতা;
৮. পণ্যটি সম্পর্কে লেখা ও আকর্ষণীয় শিরোনাম তৈরির দক্ষতা;
৯. প্রোডাক্ট বা কনটেন্ট এর চাহিদা নিরূপণের জন্য গবেষণা বা সার্ভে;
১০. পেমেন্ট গেটওয়ে হিসেবে ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা;
১১. পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা;
১২. ভোক্তার সঙ্গে অটোমেইলে কানেক্টিভিটি।
MD Saim Hossain Sohel
ওয়েবাসাইট তৈরি
ই-কমার্স বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন একটি নাম। ই-ক্যাব এর গৃহীত পদক্ষেপের কারণে ধীরে ধীরে নতুন উদ্যোক্তা তথা ব্যবসায়ীগণ ই-কমার্স এর সঙ্গে জড়িত হচ্ছেন। ই-কমার্সে সফল একজন ব্যবসায়ী হতে গেলে প্রথমে অবশ্যই একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। কারণ, ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই ই-কমার্স পরিচালিত হয়। ওয়েবসাইট তৈরি করতে যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো হলো:
1. ডোমেইনের নাম পছন্দ করা;
2. হোস্টিং ও ডোমেইন ক্রয়;
3. ওয়েবসাইট তৈরির জন্য প্ল্যাটফর্ম নির্ধারণ;
4. ওয়েবসাইট তৈরি এবং এর নিরাপত্তা।
ডোমেইনের নাম
কোনো প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট তৈরির জন্য সুন্দর একটি ডোমেইন নাম পছন্দ করতে হবে। কারণ, ই-কমার্স পরিচালনায় নাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। গ্রাহকরগণ সাধারণত পণ্যের নামের সঙ্গে সেই প্রতিষ্ঠানের নামটি কল্পনা করে অনলাইনে অনুসন্ধান করে থাকে। এ ক্ষেত্রে কিওয়ার্ডের ওপর নির্ভরশীল ডোমেইনগুলোই সার্চইঞ্জিন প্রদর্শন করে। তবে ডোমেইন নাম ঠিক করতে গেলে খেয়াল রাখতে হবে সেটি যেন খুব দীর্ঘ না হয়। এক্ষেত্রে ৪-১০ অক্ষরের ডোমেইন নামই ভালো।
ডোমেইন ও হোস্টিং ক্রয়
হোস্টিং বলতে বুঝায় ওয়েবসাইটের ভার্চুয়াল স্টোরেজে যাবতীয় ডাটা/ইমেজ/ভিডিও ইত্যাদি জমা বা সঞ্চিত রাখা। হোস্টিং বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। যেমন: Shared Hosting, Cloud Hosting, VPS Hosting, Dedicated Hosting প্রভৃতি। ডোমেইন হোস্টিং একই কোম্পানি থেকে না নেওয়াই ভালো। তবে বিশ্বস্ত হলে এক্ষেত্রে কথা ভিন্ন। কারণ, কোনো কারণে যদি ডোমেইন প্রোভাইডার ডোমেইনটি নিয়ে যায় তাহলে কত বড় লস হবে তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। এ ক্ষেত্রে ডোমেইন ও হোস্টিং ক্রয়ের জন্য বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হলো গোড্যাডি। ডোমেইন সাধারণত ৭৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১২০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যায়। কোম্পানিভেদে এর দাম ভিন্ন হতে পারে। ডোমেইন এক বছরের জন্য নেওয়া হয় এবং বছর শেষে রিনিউ করতে হয়। বাংলাদেশে সাধারণত ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১৮০০০ টাকায় হোস্টিং পাওয়া যায়। হোস্টিংয়ের ক্ষেত্র Shared Hosting এর দাম সবচেয়ে কম হলেও ই-কমার্সের জন্য Cloud Hosting-ই সবচেয়ে ভালো।
এম.এ. মেহেরাজ
ই কমার্স মানেই ই ইলেকট্রনিক কমার্স।
এর মাধ্যমে অনলাইনে কেনাকাটা, পেমেন্ট, নিলাম, ইত্যাদি সম্পন্ন করা যায়।
এর প্রয়োজনীয়তা অসীম।
জনজীবনে সময়ের অপব্যবহার কে এটি কমিয়ে দিয়েছে অনেকাংশে।
যেমন আগে টিকেট বা পণ্য কিনতে ঘণ্টা লস হতো এখন ইচ্ছেমতো সময়ে পণ্য ওয়ার্ডার দিয়ে তা কোন ঝুটঝামেলা ছাড়াই পাওয়া যাচ্ছে। সময় সাশ্রয় হয়।
Parsa Ahmed
যে সব মহিলারা চাকরি করতে আগ্রহী নয় তারা ঘরে বসেই ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসা করতে পারে।
Rumana Islam
ই কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসা করলে ব্যবসায়ীর initial capital বা প্রারম্ভিক মূলধন traditional business এর চাইতে অনেক কম লাগে। বিশেষ করে office expense, rent এইসব avoid করা যায়
Mojidul Islam
ই-কমার্স হওয়াতে অনেক যুবক ও মেয়েদের কর্মর সুযোগ হয়েছে। আগামীতেও হবে
Ghashful Ghashful
ই-কমার্স বা ইলেক্ট্রনিক কমার্স একটি প্রযুক্তিনির্ভরআধুনিক ব্যবসা পদ্ধতি ।কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বিশেষত ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পন্য বা সেবা মার্কেটিং,বিক্রয়, ডেলিভারি, ব্যবসা সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি করাই হচ্ছে ই-কমার্স।
Saiyeda Tahsin
ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা কি?
Mehjabin Srabon
Saiyeda Tahsin আপনি যখন কোন পন্যর জন্য অর্ডার করবেন তখন সেটা বিক্রেতা নিজ দায়িত্বে আপনার বাসায় হোম ডেলিভারি করে পন্য পৌঁছিয়ে দিবে।
Saiyeda Tahsin
পণ্য ডেলিভারি করা হয় কিভাবে?
Tariqul Islam
Saiyeda Tahsin কুরিয়ার কোম্পানির মাধ্যমে
Shakiba
আমার মতে এর মাধ্যমে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ই লাভবান হয়।ক্রেতার অনেক সময় বেচে যায়।বিক্রেতার মূলধন কম হলে ও নিজের পণ্য সম্পর্কে গ্রাহক কে জানাতে পারে।
MD Sheikh Barkat Ali
বর্তমানে পরেযুক্তির যুগে মানুস ঘরে বসেই যে কঁন পন্য কিনচে ফলে সময় ও শ্রম অনেক বেচে যাচ্জে এই শ্রম অন্য কাজে ব্যবহার করতে পারছে
Mehjabin Srabon
বর্তমান প্রযুক্তির ব্যবহার করে ঘরে বসে এ ব্যবসা করা যায়। উপযুক্ত অভিজ্ঞতা থাকলে যে কোন ব্যক্তি ঘরে বসে এ ব্যবসা চালু করতে পারে।
Razib Ahmed
ই-কমার্সে দেশে গত ৫ বছরের ইতিহাসের প্রায় প্রতিটা দিন আমার চোখের সামনে দেখা।
MD Sheikh Barkat Ali
অনলািনের মাধ্যমে পন্য কেনা বা বেচারকেই মূলত আমরা ই-কমার্স বলব।
অনলাইনে যে কোন প্রকার ব্যবসা করাই ই-কমার্স
Rabeya Akter
তবে ব্যবসা শুরু করার আগে সব জেনে বুঝে পদক্ষেপ নিলে সফলতার দ্বার খুলে যায়। সাথে পরিশ্রমী মনোভাবের প্রয়োজন
Kaniz Ilma
যারা বাইরে কাজ করতে আগ্রহী নয় বা বাইরে কাজ করতে পারেন না তাদের জন্য ই কর্মাস একটি বিশাল সুযোগ নিজেকে আত্ন নির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলার
Aeysha Siddika
একটি দেশের উন্নতি ও কর্মসংস্থানের জন্য ই-কর্মাস এর কোন বিকল্প নাই।ডিজিটাল প্রযুক্তির বিকাশ,ইন্টারনেট এর উদ্ভব এবং টাকার বাইরেও ইলেকট্রনিক বিনিময়ে বাণিজ্যেরও একটি বিশেষ পরিবর্তন হয়েছে।এই ইলেকট্রনিক মাধ্যমকেই ই-কর্মাস বলে।
২০১১-২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ এ ই-কর্মাস এর প্রসার হয় । মোবাইল বা কার্ড ছাড়াও ই-কর্মাস এ আরো একটি বিল পরিশোধ রয়েছে যেটি হলো ক্যাশ অন ডলিভারি (COD)
ই-কর্মাসে দুই ধরনের প্রতিষ্ঠান লক্ষ করা যায়।আমরা অনেকেই পএ-পএিকায় টিভিতে এই ধরনের ওয়েবসাইট দেখেছি হয়তো কেউ কেউ পণ্য ক্রয় করছি,
বর্তমানে বই থেকে শুরু করে , খাবার,এবং বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী ইত্যাদি ই-কর্মাস এর মাধ্যমে বেচাকেনা হচ্ছে। এর প্রয়োজনীয়তাও অনেক বর্তমান যুগে।
ধন্যবাদ
MD Saim Hossain Sohel
বাংলাদেশে ই-কমার্সের সুযোগ
বিশ শতকের শেষ ভাগে উন্নত দেশগুলোতে ডিজিটাল বিপ্লব শুরু হলেও একুশ শতকে এসে তা উন্নয়নশীল অধিকাংশ দেশে ছড়িয়ে পড়ে। তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তির বিস্ময়কর এই সম্প্রসারণ বিশ্বে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আধুনিকতা ও নতুন মাত্রা নিয়ে এসেছে - যা ই-কমার্স নামে সমধিক পরিচিত। বাংলাদেশে ২০০৯ সাল থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অভিযাত্রায় তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তির সুবিধা শহর ও গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ায় ই-কমার্স সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি ই-কমার্স সাইটে অনলাইনে কেনাকাটার বিষয়টি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তৃণমূলের মানুষও ধীরে ধীরে এতে সম্পৃক্ত হতে শুরু করছে। সারা দেশে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি) রয়েছে। এই ইউডিসিগুলোতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে অভিজ্ঞ প্রায় দশ হাজার উদ্যোক্তা রয়েছেন। তাঁরা খুব সহজেই গ্রামীণ এবং শহরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে ই-কমার্স বা ই-বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারেন। এদের কেউ কেউ এরই মধ্যে ই-কমার্স পরিচালনা শুরু করেছেন। এ থেকে বাড়তি আয়ও করছেন তাঁরা। গ্রামের কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য নিয়ে প্রতিদিন কষ্ট করে বাজারে যেতে হয়। কিন্তু তাদের এসব পণ্য ইউডিসির ই-শপ সেন্টারে এসে বিক্রি করলে তারা অবশ্যই লাভবান হবেন। কারণ, ই-শপ সেন্টারে ক্রেতা ও বিক্রেতার মাঝে কোন মধ্যসত্ত্বভোগী নেই।
Gulam Kibria
আমার একটা ইচ্ছে, আমি ই-কমার্সে একটা গরুর ফার্মের সেবা প্রদান করবো!
আপনার কি ইচ্ছে 😁
Suraiya Munmun Shapla
আজকাল ফার্মের ব্যবসা অনেক ভালো মানের ব্যবসা। তবে ফার্ম দেয়ার আগে অবশ্যই গবাদি পশু পালনের বিভিন্ন দিক সহ যদি সম্ভব হয় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে কোর্স করে নিবেন।
Afrin Jahan Rotna
ই কর্মাস এ পুঁজি কম লাগে
Röwshön Ârâ
ই কমার্স এর ব্যবসার জন্য কম্পিউটার আর উন্নত মানের ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে
Urme Saha
কোন দোকান ভাড়ার প্রয়োজন হয় না
MD Saim Hossain Sohel
ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা
ওয়েবসাইট তৈরির পর এর নিরাপত্তার দিকে দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। যে প্লাটফর্মেই ওয়েবসাইট তৈরি করা হোক না কেন প্রথমে এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। হোস্টিং-এর সঙ্গে CDN Service ব্যবহার করতে হবে। Max CDN প্রিমিয়ামের মধ্যে বেশ ভালো। তবে CloudFlare -ও ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া, নিরাপত্তার স্বার্থে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। এর পাশাপাশি Site Lock সার্ভিস এবং ওয়ার্ডপ্রেস Security প্লাগইনটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
Ashik Al Mamun
ই-কমার্স ব্যবসায় সব থেকে মজার ব্যাপার হল আপনি একটি ফেসবুক পেজ থেকে শুরু করতে পারেন। এতে করে প্রথম দিকে প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিস ব্যতীত অন্যান্য পারপার্সে ইনভেস্টমেন্ট কম লাগে
Mohammad Amir
প্রেজেন্টেশনটা অনেক জরুরি,প্রোডাক্টস ডিটেইলস ভালভাবে দেওয়া,গ্রাহককে ঠকানোর অভ্যাস পরিত্যাগ করা।।কম মুনাফায় বেশি ব্যবসা হয় ও স্থায়ীত্ব থাকে।
MD Sohel Rana
বাংলাদেশে এই খাতকে এগিয়ে নিতে সরকার এখন ফান্ডিং এর দিকে নজর দিচ্ছে। আর শহরের বেশিরভাগ ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসা কে অনলাইন কেন্দ্রিক করে ফেলেছে। সবাই এখন যথেষ্ট সচেতন হচ্ছে। ঢাকার শহরের জ্যাম থেকে বাচার জন্য হলেও মানুষ এখন ঘরে বসেই পছন্দের পন্য বা খাবার পেতে চাচ্ছে
Md Imran Tahir
ই- কমার্স হলো অনলাইন ভিত্তিক লেনদেন । অর্থাৎ ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পন্য ক্রয় বা বিক্রয় করাকে ই-, কমার্স বলে
Ghashful Ghashful
ই-কমার্স এর জন্য প্রতিযোগিতা মূলক পরিবেশ, প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা, দক্ষ ম্যানেজমেন্ট, মার্কেট স্ট্র্যাটেজি ইত্যাদি থাকতে হবে ।অন্যথায় ভোক্তার আগ্রহ হ্রাস পাবে ।
Md Al Amin Hossen
ওয়েবসাইট সৌন্দর্যময় হলে কাস্টমার বেশি আকৃষ্ট হবেন।
Parsa Ahmed
ই-কমার্সের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। যারা ইচ্ছাকৃত ভাবে বা অনিচ্ছাকৃত ভাবে চাকরি করতে পারেনা তারা তারা বাসায় বসে তাদের সুবিধা মতো ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসা করতে পারে।এবং কেউ চাকরির পাশাপাশিও ব্যবসা করতে পারে।
Afrin Jahan Rotna
UNCTAD ১৩০ টি দেশের ই কর্মাস B2CE Commerce Index প্রস্তুত করেছেন।
Kabbo Kotha
আসলে আমি কসমেটিকস আর পোশাক কিনে কয়েকবার ঠকেছি।
আমি অনলাইন ব্যবসায়ীদের কাছে সৎ হওয়ার জন্য অনুরোধ করবো
Mehjabin Tanny
ই কমার্স বর্তমানে মেয়েদের আত্মকর্মসংস্হানের বড় প্লাটফর্ম।
Imran Hossen
লোকাল যেসব পন্য গুলো এতদিন অবহেলিত ছিল এমনকি আমরা জানতাম ও না যে এসব অসাধারন পন্য আমাদের দেশে আছে,তা এখন আমার আপনার বাসার দরজায় চলে আসছে কেবলি ই-কমার্স আছে বলে।
Shamsun Nahar
এখন ইকমার্সের জন্য দেশের যে কোন জায়গা থেকে সবজিনিস প্রায় সংগ্রহ করা যায়। যা আগেই ভাবাই হয়নি কখনো
Imran Hossen
ই-কমার্স আসার মাধ্যমে কত নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে।আগের হিসেবেই ৫০ হাজার এর বেশি আর এখন হয়ত অনেক বেশি। বিশেষ করে নারীরা একটা নতুন দার পেয়েছে সংসারে ও দেশের অর্থনিতিতে অবদান রাখতে।
Ibrahim Khalil
বর্তমানে শহর থেকে গ্রামাঞ্চলে পর্যন্ত একটি কমন শব্দ শুনা যায়.তা হল ই-কমার্স
No comments:
Post a Comment