সামাজিক বিক্রয় দক্ষতা নিয়ে আলোচনা-

 সামাজিক বিক্রয় দক্ষতা নিয়ে আলোচনা-


সোশ্যাল সেল স্কিল বৃদ্ধির জন্য কন্টেন্ট গুরুত্বপূর্ণ

কন্টেন্ট এর মাধ্যমে ক্রেতা পণ্যের ডিটেইলস তুলে ধরবেন।

পণ্য তৈরীর প্রসেস ( আংশিক) উপকরন, উপকারীতা ব্যাবহার বিধি ঐতহ্য এই সব বিষয়ে ক্রেতাকে আগ্রহী করবে।

পণ্যের গুণাগুন,দাম সব কিছু ছাপিয়ে তা ক্রেতার চাহিদা পূরনে কতটুকু সক্ষম সে বিষয়ে উদ্যোক্তাকে সচেতন থাকতে হবে।

পণ্যের কোয়ালিটি থেকে পণ্যের ব্যাবহারের দিকে ফোকাস দিতে হবে

একটি উদ্যোগে কর্মী সন্তুষ্ট থাকলে নিজ দায়িত্বেই পণ্যের প্রচার করে, তাই তাদের সাথে ভালো সম্পর্ক করতে হবে।

সঠিক পারশ্রিক দিতে হবে।কর্মী সন্তুষ্ট থাকলে প্রডাকশন ভালো হবে।বেতন মিনিমাইজ করার ধান্দার চেয়ে সেল বৃদ্ধির জন্য প্রচেষ্টা চালানা উচিত।

কর্মী সন্তুষ্ট থাকলে তাদের প্রডাকশন এবিলিটি বৃদ্ধি পাবে।

অনলাইন দ্রুত সেল বৃদ্ধির অাশা করা যাবে না,নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করার বিষয়ে বেশি ফোকা দিতে হবে।

একজন দক্ষ ব্যাক্তি দশ ঘন্টারকাজ এক ঘন্টায় করার ক্ষমতা রাখে, সেল পুরো বছর জুরে হবার দরকার নেই একমাসে পুরো বছর কাভার করা যায়।

সোশ্যাল মিডিয়া বিনোদন এর জায়গা এটা মানতেই হবে।আমরা স্যারের শিক্ষার্থী তাই এত পড়াশোনা করি হাসিমুখে ঘন্টার পর ঘন্ট গ্রুপে স্টাডি করে কাটাই।

একজন ক্রেতা যখন ফেইসবুক পণ্য কিনতে আসবে তার এত পড়াশোনা করতে ভালো লাগবে না এটাই স্বাভাবিক।

পণ্যের বর্ণনা নিয়ে অনেক বেশি তথ্য একটি কন্টেন্ট এ যুক্ত করা ঠিক না।ইতিহাস পড়তে কেউ পছন্দ করে না।

পণ্যের ইতিহাস তুলে ধরার সময় প্রঞ্জলতা বজায় রাখতে হবে,,এক সাথে সব তথ্য ইনক্লুড না করে সিরিজ অাকারে লিখতে হবে।

সোশাল সেলিং স্কীল টা বাড়াতে হলে অবশ্যই সেলার কে যোগাযোগ দক্ষতা অর্জন করতে হবে।। যোগাযোগ দক্ষতা থাকা মানেি যো সেল উদ্দেশ্য তা কিন্তু নয়।।

মানুষের সাথে যোগাযোগ ভাল থাকলে সম্পর্কে ভাল হয়।। বন্ডিং বারে।। তখব এক সময় না এক সময় সে অবশ্যই কাস্টমারে পরিনত হতে পারে।

সেলিং স্কীল বাড়াতে তে হলে অনেক সময় লসও গুনতে হয়।। স্যার সব সময় বলেন বিজনেস করতে হলে প্রথম অবস্থায় লাভের চিন্তা করলে হয় না।। প্রথম ১০০ পন্য ডেলিভারি ফ্রি দিতে হবে।।

লস টা সাময়িক হলেও পরবর্তী সময়ের জন্য খুব ভাল

দায়িত্বশীল আচরণ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইন উদ্যোক্তারা ওযান ম্যান আর্মী।

তারা একাই সব কাজ করে কিন্তু সমস্যা হল, দূর্ঘটনা যে কোন সময় হতে পারে,,উদ্যোক্তার অসুস্থতা বা অন্য কারনে এক্টিভ থাকা অক্ষম হলে পরিবারের সাহায্য ডেলিভারি করতে হবে।

তাও যদি সম্ভব না হয় ক্রেতাকে জানাতে হবে বর্তমান পরিস্থিতির কথা সেক্ষেত্রে কাস্টমার ডিটেইলস রেজিস্ট্রি খাতায থাকবে,,যাতে করে যে কেউ নক করতে পারে।

স্টোরি টেলিং এর গুরুত্ব একজন উদ্যোক্তার জন্য অনেক বেশি।

আপনি যখন সোশ্যাল সেলিং স্কিল ডেভেলপ করতে চাইবেন তখন আপনাকে নিজের কন্টেন্ট লেখার জন্য স্টোরিটেলিং এর প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।

আপনি যখন গল্প আকারে আপনার পণ্য সম্পর্কে কোন তথ্য উপস্থাপন করবেন তখন অবশ্যই আপনাকে সেটা মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারবে খুব সহজে।

মানুষের কাছে নিজেকে এবং নিজের পণ্যকে গ্রহণযোগ্য করে তোলার জন্য স্টোরিটেলিং এর কোনো বিকল্প নেই। এইভাবে আপনি নিজের সৃজনশীল চিন্তা ভাবনা দিয়ে স্টোরি টেলিং এর মাধ্যমে টার্গেট কাস্টমারের মন জয় করতে পারেন এবং এক্ষেত্রে নিজেকে পারদর্শী করে তুলতে পারেন।

সোশ্যাল সেলিং স্কিল হলো আমরা আমাদের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে মানুষের সাথে একটি সুন্দর সম্পর্ক তৈরী করে নিজের পণ্য তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার যে দক্ষতা অর্জন করতে পারি সেটা।

আমরা যদি এই সোশ্যাল স্কিল অর্জন করতে পারি তাহলে সেটা আমাদের বিজনেসকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়তা করে।

বিজনেস করতে গেলে অবশ্যই দক্ষতার প্রয়োজন পড়ে।

তেমনি এই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে বিজনেস আরো অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

সার্পোটিভ মনোভাব সোশ্যাল সেল বৃদ্ধি করে,২৫ তারিখে রবিন ভাইয়ের ইভেন্টে প্রায় সবাই ুদ্যোক্তা যারা একে অপরের ক্রেতা হয়েছেন

সমজাতীয় পণ্য নিযে কাজ করা সত্ত্বেও একে অপরের পণ্য ক্রয় বিক্রয়।

উদূোক্তাদের মধ্যো পণ্য কেনাবেচা করে একে অপরকে সার্পোট করছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় তাতের মত উদ্যোক্তাদের সহজেই পরিচিতি বৃদ্ধি পায়,তাদের সেল বৃদ্ধি পায়।

 ওয়ার্ড অব মাউথ মার্কেটিং সবচেয়ে কার্যকরী। আর এটি অর্জনের জন্য আমাদেরকে পজিটিভ মাইন্ডেড হতে হবে। ক্রেতাদের নিয়ে সমালোচনা টোটালি এভয়েড করতে হবে এবং অবশ্যই তাদের নিয়ে পজিটিভ আলোচনা করতে হবে। খুব ভালো একটি পয়েন্ট তুলে ধরেছেন আপু।

No comments:

Post a Comment