ফেসবুকের মাধ্যমে যত বৈধ উপায়ে টাকা উপার্জন করা যায় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা

ফেসবুকের মাধ্যমে যত বৈধ উপায়ে টাকা উপার্জন করা যায় সেসব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।  

১। সবচেয়ে সোজা উপায় হল পেইজ খুলে কিছু বিক্রি করা- এফ কমার্স। তবে এখন পেইজের পাশাপাশি গ্রুপে এবং প্রফাইলেও পোস্ট দিয়ে বিক্রি হচ্ছে। পেইজের রিচ অনেক কমে যাচ্ছে।

২। যে ফেইসবুকে আপনি কিছু সেল করে ইনকাম করতে চাচ্ছেন সেখানে আপনি কতটা সময় দেন, ফেইসবুক সম্পর্কে কতটা জানেন?

৩। ফেইসবুকের মাধ্যমে কিছু শেখানো- এটিও জনপ্রিয় হবে আগামী এক বছরে।

সব সময় সব কাজের গ্রহণযোগ্যতা থাকে। এজন্য সর্বোপরি থাকতে হবে লেগে থাকার মত মন-মানসিকতা ও ধৈর্য। আমরা খুব সহজেই সাফল্যকে পেতে চাই কিন্তু সে মোতাবেক কাজ করতে চাইনা।

যেকোনো ভালো কাজের জন্য সাধনা প্রয়োজন। তাই নির্দিষ্ট ব্যক্তির লক্ষ্যকে ঠিক করে ধীরে ধীরে নিজেকে সময় দেওয়াটাই আমার কাছে বেস্ট মনে হয়। একটু একটু করে নিজেকে পারদর্শী করে তুলতে পারা যায়। নিজেকে বোঝা যায় এবং নিজেকে কিভাবে এবং কোন দিকে মোড় নেওয়ায় সম্ভব তাও একটা সময় কাজ করতে করতে খুঁজে পাওয়া যায়।

আসলেই ফেসবুকের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করে আয় করা যায়।

এখন অসংখ্য ছোট ছোট গ্রুপ তৈরি হয়েছে, এসব ছোট ছোট গ্রুপে নিয়মিত সময় দিলে অসংখ্য মানুষের কাছে নিজেকে এবং নিজের পণ্যেরর পরিচিতি বাড়ানো যায়। এসব গ্রুপের মাধ্যমে অনেকের খুব ভালো সেল হচ্ছে, পরিচিতি ও তৈরি হচ্ছে

ফেসবুকে এখন অসংখ্য প্রডাক্ট আমরা দেখতে পাই, যেসব প্রোডাক্ট এর নাম হয়তো আগে আমার মত অনেকেই শোনেন নি কিন্তু সেগুলো। প্রচারের মাধ্যমে ভালো চাহিদা তৈরি হচ্ছে, তাই চাহিদা পূর্ণ পণ্য খুঁজে বের করে আনলে এবং প্রচার করলে অবশ্যই ভালো আয় করা সম্ভব।

ফেইসবুক এ কাজ করা এত সহজ না যারা ভালো মানের কনটেন্ট লিখতে পারেন এবং ভালো ফটোগ্রাফি করে পণ্য উপস্থাপন করতে পারেন, তারাই সবসময় ভাল সাড়া পান, তাই কনটেন্ট লেখায় পারদর্শিতা অর্জন করতে চাইলে ১০ মিনিট রাইটিং প্রজেক্ট প্র্যাকটিস করা উচিত।

ফেসবুক হলো, এখন বিজনেস এবং পড়াশোনা এর জোন। তাই এখানে চাইলেই আমরা আমাদের দক্ষতা কে কাজে লাগিয়ে উপার্জন এর উপায় বের করা যায়

বেশিরভাগ নারী উদ্যোক্তারা, হয় কাপড় নিয়ে কাজ করছেন, না হয় খাবার নিয়ে কাজ করছেন। দুটোতেই বেশ ভালো সাড়া পাওয়া যায় কারণ ফেসবুকে এগুলোর চাহিদা অনেক বেশি।

আমরা ফেইসবুকের মাধ্যমে আমরা পড়াশোনা করে নিজের দক্ষতা অর্জন করেও টাকা আয় করতে পারি।

কারণ ফেইসবুকে পড়ালেখা করে বিজনেস করার জন্য দক্ষতার দরকার।

আমরা আমাদের পণ্য গুলোকে সুন্দর করে ফটোগ্রাফি করে আমাদের নিজের প্রোফাইলে পোস্ট দিয়েও প্রচার করতে পারি।

তাতে করেও টাকা আয় করা সম্ভব এবং বৈধ।

ফেসবুকের মাধ্যমে নিয়মিত কনটেন্ট রাইটিং করার জন্য পড়াশুনার অভ্যস্ততা খুব প্রয়োজন। বিভিন্ন ওয়েবসাইট সার্চ করে জানা দক্ষতা,, কোন কিছু সার্চ করে জেনে নিজের ভাষায় লেখার ক্ষমতা অবশ্যই থাকতে হবে।

ডিজিটাল গ্রুপে স্যারের নির্দেশনা এই ১০ মিনিট রাইটিং পোস্ট চর্চা সবচেয়ে বেশি অন্যতম। যা খুব সহজে নিজের ভাষায় লেখা দক্ষতা অর্জন করতে পারা যায়।

নিজের পণ্যের উপস্থাপনা নিজেকেই তৈরি করা উচিত। নানান উপায়ে পণ্য নিয়ে পড়াশোনা করা, পণ্যের ফটোগ্রাফি জানা, কনটেন্ট রাইটিং সব কিছুই আমাদের জেনে কাজে নামা উচিত।

যারা ভাল কনটেন্ট লিখতে পারেন, তাদেরকে অনেকে কাজে নিয়োগ দেন অর্থাৎ পেইজে বা ওয়েবসাইটে কনটেন্ট লেখার জন্য সেসব কনটেন্ট রাইটার কে নিয়োগ দেন। এতে করে কনটেন্ট লেখায় যারা দক্ষ থাকেন তাদের টাকা আয় করার সুযোগ হয়।

আমরা অনেকেই মনে করি বিজনেস মানেই পণ্য কেনা-বেচা। আসলে এই ধরনের চিন্তা ভাবনায় খুব সহজেই একটি ব্যবসাকে অনেকদূর পর্যন্ত এগিয়ে নেওয়া যায়না।

ফেসবুক সম্পর্কে এছাড়াও এফ কমার্স ভিত্তিক যাবতীয় বিষয়াদির উপর ভালোভাবে পড়াশোনা করতে পারার মাধ্যমেও দক্ষতা অর্জন করতে পারতে হয়।

একজন f-commerce ব্যবসায়ীকে একটি পেজ পরিচালনা করার জন্য পারদর্শিতা থাকতে হবে।

এছাড়াও কাস্টমার হ্যান্ডেলিং, দ্রুত অ্যান্সার দিতে পারা, বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় কাস্টমারদের সাথে কথা বলতে পারা দক্ষতা ও থাকতে হয়।

নিয়মিত লেখাপড়ার মধ্য দিয়ে তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজের পরিচিতি বৃদ্ধি করতে হয়। এছাড়াও যে বিষয়টি সম্পর্কে একজন ব্যক্তি পারদর্শী হবেন,, সে বিষয়ে নিয়মিত কন্টেন্ট দিলে একটা সময় ফেসবুকের মাধ্যমে পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং তৈরি হয়। যা পরবর্তীতে কোন উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে যেমন আয়ের সুযোগ হয় তেমনি ফেসবুকের মাধ্যমেই অডিয়েন্সের কাছে পৌছানো যায়।

অনেকোই অফলাইনে বিজনেস নিয়ে অনেক ধরনের কাজে ব্যস্ত থাকেন বিশেষ করো উদ্যোক্তারা। যারা মাঝারি উদ্যোক্তা তারা এই দিকে বেশি ঝামেলায় থাকেন তাই দেখা যায় অধিকাংশ সময় পেইজ মেইনটেইন এর জন্য এডমিন বা এডিটর রাখতে হয়।

আর যারা অনলাইন নিয়ে জানেন তারা অন্যের পেইজের দায়িত্ব নিয়েও বৈধ আয় করতে পারেন।

হাতে তৈরি গহনা চাহিদা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকে খুব সুন্দর সুন্দর হাতে তৈরি গহনা বানাচ্ছেন এবং এগুলো খুব ভালো সাড়া ফেলেছে।

আমরা বিভিন্ন বেনোভলেন্ট ইভেন্ট বা অনুষ্ঠারের জন্য বা কাজের জন্য ফান্ড রেইজিং এর কাজ টি করে ফেসবুকের মাধ্যমে আয় করার সুযোগ করে নিতে পারি। কেননা তার মাধ্যমে আমরা আমাদের ইভেন্ট এর জন্য সন্তোষজনক ভাবে অর্থ সংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়।

ফেসবুকে বর্তমানে মার্কেটপ্লেস অনেক জনপ্রিয়। এখানে যে কেউ তার প্রোডাক্ট লিস্ট করে দেখাতে পারে। এতে প্রথম দিক টাকা না আসলেও পরবর্তীতে মোটামুটি ভালোই সেল করা যায়৷

এখন অনেে ধরনের ব্লগার দেখতে পাওয়া যায়,

~ ফুড ব্লগার

~ দর্শনীয় স্থান নিয়ে ব্লগ

~ বাংলাদেশের এর বিভিন্ন প্রকৃতিল সৌন্দর্য নিয়ে ব্লক

~ এছাড়া নিজেদের ব্যক্তিগত টপিকেও ব্লগ করেন অনেক যেমনঃ ঘুরতে যাওয়া,খাওয়া দাওয়া, ইত্যাদি।

অনেকে হোমমেড সাবান তৈরি করছেন, এগুলো বেশ ভালো চাহিদা দেখতে পেলাম। কারণ বাজারে যেসব সাবান আছে সেগুলো বেশিরভাগই চর্বি জাতীয় সাবান বা ক্ষারযুক্ত সাবান। তাই হোমমেইড সাবান গুলোর বেশ চাহিদা তৈরি হয়েছে।

ফেসবুকে যারা সব সময় সেল পোস্ট দেন, তারা কখনো টিকে থাকে না। টাকা আয় করা দূরে থাক। সেজন্য সেল পোস্ট বাদ দিয়ে শিক্ষামূলক কনটেন্ট লিখতে হবে, উপকারী কন্টেন্ট বা স্টোরি টেলিং তুলে ধরলে খুব ভালো সাড়া পাওয়া যায় সহজেই।

ফেসবুকে বিভিন্ন তথ্যবহুল কন্টেন্ট লিখে নিজের পণ্যের প্রচারনা করা যেতে পারে। তথ্যবহুল কন্টেন্ট গ্রাহকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে অনেকটা সহায়ক।

একটি ই-কমার্স পেজের ওয়েবসাইট গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তাই যারা ফেসবুকের মাধ্যমে পড়াশোনা করে আর্টি সংক্রান্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে জানবেন,, তারা একটি ওয়েবসাইট খুব সহজেই করে দিয়ে আয়ের সুযোগ তৈরি করে নিতে পারেন।

No comments:

Post a Comment