ব্যবসায় লাগাতার লোকসান হচ্ছে না, কিছুতেই লাভের মুখ দেখছে না, এ অবস্থায় করণীয় কী তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
কোন কাজে নিয়মিত হৃদয় দিয়ে চেষ্টা করলে ব্যার্থ হবার সুযোগ নাই,,সেখানে ব্যার্থ হলেও শেখার থাকে।
অভিজ্ঞতা থেকে আমরা সবচেয়ে বেশি শিখি,উদ্যোক্তাকে তার পূর্ব অভিজ্ঞতার আলোকে নতুন করে পরিকল্পনা করতে হবে.
লাগাতার একটি বিজনেস লস মানে উদ্যোক্তার মনে নেগেটিভ ইফেক্ট পরা,সেক্ষেত্রে তাকে মনবল দৃঢ় রেখে সমস্যা সমাধানে হি করণীয় সে বিষয়ে পড়াশোনা, বিশেষজ্ঞদের মতামত নিতে হবে।
গোঁড়ামি থেকেও এমন লাগাতার লস হতে পারে, উদ্যোক্তা নিজের ভালোলাগা থেকে কোন কাজ শুরু করতেই পারে কিন্তু ক্রেতা সেভাবে নিচ্ছে না,,,তখন পছন্দে অাংশিক বিশেষ ক্ষেত্রে পুরোপুরি পরিবর্তন আনতে হবে।
দিনশেষে ক্রেতার উপরই নির্ভর করছে একজন উদ্যোক্তার সফলতা।
এক ছেলে পরীক্ষায় কিছুতেই পাশ করছে না,হুজুরের থেকে তাবিজ নিল।তারপরেও লাগাতার ফেল করছে তখন তাবিজ খুলে দেখতে চাইল কি লেখা আছে, লেখা ছিল'' পড়িলেই পাশ করিবে""
বিজনেস মানেই ক্যাবল পণ্যের কেনাবেচা বুঝায় না,বিজনেস নিয়েও পড়াশোনা করতে হয়।
একসময় ব্যাবসায়ীর ছেলে ব্যাবসায়ী হত,,তাদের জেনেটিক ভাবে বিজনেস এর লেসন পেত কিন্তু বর্তমান সময় সবার ব্যাক গ্রাউন্ড বিজনেস পরিবার থেকে না।
একটি বিজনেস সফল হবার জন্য অনেক খুঁটিনাটি সূক্ষ্ম বিয়ষ থাকে যা বোঝার জন্য ব্যাবসায়ীকে দক্ষ হতে হয়।
খুব সুন্দর এবং শিক্ষনীয় টপিক এ আশা করি সবাই খুব ভালো ভাবে লিখবে
আমি ছাড়া😭
এক্ষুনি বাহিরে যেতে হবে কাজে তাই লিখার প্রচন্ড ইচ্ছে থাকায় ও পারছি না😭
লাগাতার লস হলে উদ্যোক্তাকে স্থীর থেকে তার কাজের প্রতিটি ধাপ বিশ্লেষণ করতে হবে,,,,একটি বিজনেসে অনেকগুলো পার্ট থাকে এক জায়গায় গ্যাপ থাকলে তা অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করে।
মানব দেহে এক স্থানে সংক্রামিত হলে তার প্রভাব পুরো শরীরে পরে।
একটি বিজনেস পরিকল্পনা থেকে শুরু করে তা ইমপ্লিমেন্ট পর্যন্ত যে চেইন অব কমান্ড থাকে তার প্রতিটি ধাপে সমস্যা থাকলে তা সমাধান করতে হবে
পণ্যের প্রেজেন্টেশন এর পাশাপাশি পণ্যের জন্য প্যাকেজিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ক্রেতা এই দিকে লক্ষ্য রাখেন না।
এটি মোটেও ঠিক সিদ্ধান্ত নই।
তাই আমাদের এই দিকে খেয়াল রেখে কাজ করাতে গুরুত্ব ফিতে হবে।
কাজ সঠিকভাবে করতে পারলে নিজের ই লাভ হবে.
পণ্যের পরিবর্তনে লস হবার সম্ভবনা কমাতে সাহায্য করে। শাড়িতে ব্লক,হাতের কাজের চাহিদা সব সময ধরে রাখা যায় না,,সেক্ষেত্রে ওড়না,সেলোয়ার-কামিজ, ওয়াস পিছে ডাইভার্ট করলে লাগাতার লস থেকে উত্তরন করা সহজ হয়।
শাড়ির ক্রেতা ১০ জন হরে থ্রিপিচ এর ক্রেতা ১০০ হতে বাধ্য যদি সঠিকভাবে কাজ করা যায়.
ব্যাবসায় লাগাতার লস হচ্ছে,,,ধারাবাহিক ভাবে লস হলে অবশ্যই কিছু নির্দিস্ট কারন অাছে
ব্যাবসায়ীকে আগে সেই সমস্যা গুলো ডিটেক্ট করতে হবে।
অনেক বেশি মজুত করলেও লাগাতার লসের কারন হতে পারে।যেমন হ্যান্ডলুম, দেশি শাড়ির চাহিদা ডে বাই ডে বাড়ছে,,সোর্সিং ভালো পেয়েছেন,পর্যাপ্ত ক্যাপিটাল অাছে তাই অনেক মাল মজুদ করলেন।
যেই পরিমান মজুদ আছে তার সিকিভাগ মার্কেট চাহিদা উদ্যোক্তা তৈরী করতে পারে নাই,স্বাভাবিক ভাবেই তার অনেকদিন যাবে এই মজুদ শেষ করতে,, এক পর্যায়ে লসে সেল করতে বাধ্য হবে.
ব্যবসা শুরুর পরে ভালো সার্ভিস না দিতে পারলে ব্যবসাতে সফলতা লাভ করা যায়না।
লসের সম্মুখীন হতে হয় আমাদের।
এক্ষেত্রে আমাদের লসের থেকে বাঁচার জন্য ভালো সার্ভিস প্রদান করা।
ব্যবসাতে ভালো সার্ভিস প্রদান মানেই সাফল্য আনা।.
ব্যবসায় লাগাতার লসের সম্মুখীন হওয়ার অন্যতম কারন বাজার এনালাইসিস না করা।
বাজার বা মার্কেটে কেমন পণ্যের চাহিদা আছে তা জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ভালো কিছুর সাফল্য আনতে গেলে আমাদের সবসময় বাজার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জ্ঞান রাখতে হবে।
এতে লাভের সুযোগ বাড়বে.
ব্যবসাতে লসের সম্ভাবনা বেশি থাকে সঠিক পরিকল্পনার অভাবে।
সঠিক পরিকল্পনা আমাদের কাজকে সহজ করে দেয়।
সময়কে কাজে লাগাতে গেলে অবশ্যই সঠিক পরিকল্পনার দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক পরিকল্পনা করে কাজ করাতে লাভের সম্ভাবনার সুযোগ আসবে।
সৃজনশীলতা আনয়ন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যবসাতে সফলতা আনতে গেলে আমাদের সবসময় বিচক্ষণতার দিকে ফোকাস করতে হবে।
সময়ের সাথে সাথে অনেক ব্যাপার অন্তর্ভুক্ত হয়,
সেদিকে লক্ষ্য রেখে কাজ করাতে গুরুত্ব দিতে হবে।
নেটওয়ার্কিং গ্যাপের কারনে লস হতে পারে, একজন উদ্যোক্তাকে ক্রেতা,পণ্যের যোগান দাতা, বিজনেস রিলেটেড সকল পক্ষের সাথে সুসম্পর্ক থাকতে হবে।
এতে করে বিভিন্ন দিক থেকেই তার কাজ স্মুথ থাকে,তাঁতীদের সাথে ভালো সম্পর্ক থাকলে সোর্সিং এ সুবিধা হয় আবার কোন পরিবর্তন হলে তারাই নক করবে
সকল পক্ষের সাথে ভালো সম্পর্ক থাকলে লস মোকাবিলা করা সহজ হয.
ব্যাবসায়ে লাগাতার লস, হলে উদ্যোক্তাদার উদাসীনতা কারন একটি বিজনেসে লাগাতার লস মানে উদ্যোক্তা সাংগঠনিক কাজে দক্ষ নন।
হতে পারে তার অজ্ঞতা না হয় উদাসীনতা।
উদ্যোক্তা অবশ্যই অনেক ব্যাস্ত সময় পার করেন,তার কাজ ক্রেতার সন্তুষ্টি অর্জনে শতভাগ এর্ফোট দেয়া,, কিন্তু ক্রেতার সাথে যোগাযোগ রক্ষায় বিলম্ব করলে তা অবহেলা পর্যায়ে চলে যায
ক্রেতাকে সব সময় অগ্রাধিকার দিতে হবে.
বাচ্চাদের জন্য অর্ডার করা ফ্রক হোমডেলিভারি হল বৃষ্টির পানিতে ভিজে,,,,প্যাকেজিং এ পলি না থাকায় বৃষ্টিতে ভিজে যায়।ডেলিভারি ম্যান এর কোন দায়বদ্ধতা নেই তার কাজ পৌঁছে দেয়া তিনি তাই করেছেন।
উদ্যোক্তার ব্যাস্ততা দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারনে ক্রেতা অসন্তোষ, প্যাকেজিং এমন অবহেলা কখনোই কাম্য নয়.
বিজনেস খরচ দুই রকম
স্থায়ী খরচ--যেমন মেশিন, ভারি যন্ত্রপাতি,,
অস্থায়ী খরচ--কাঁচামার,মজুরী,,
অস্থায়ী খরচের অর্থায়ন করতে না পারলে স্থায়ী খরচ অকেজো হয়ে যায়,,এক্ষেত্রে প্রডাকশন বন্ধ মানে লস,,
এ সময় লস করে হলেও প্রডাকশ চালিয়ে নেয।
কারন ভ্যারিয়াবেল কস্ট এর ফিক্সড কস্টের ব্যালেন্স করে।
অনেক সময় লসে সেলে করেও ব্যাবসায়ীরা টিকে থাকার জন্য কাজ করে যায়.
দেখা যায় বিক্রেতার ভালো আচরণ ক্ষমতা না থাকার কারনে ক্রেতা পায়না।
ভালো ক্রেতা আনতে গেলে অবশ্যই আচরণ ভালো হতে হবে।
একটি ভালো আচরণ ক্রেতার কাছে ভালো বার্তা পৌঁছে দেয়।
আমাদের সুনির্দিষ্ট চিন্তাভাবনা আমাদের কে এগিয়ে রাখতে সাহায্য করে।
No comments:
Post a Comment