একটি স্টার্ট আপ শুরু করা সহজ কিন্তু তা স্কেল-আপ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া অনেক বেশী চ্যালেঞ্জিং। বেশীরভাগ সময় স্টার্ট আপ বৃদ্ধি বা বড় করার জন্য এক্সটা ইনভেস্টমেন্টের প্রয়োজনের হয় এবং সেই সাথে প্রতি্যোগিতামূলক মার্কেটে টিকে থাকার জন্য কতগুলো কৌশল অনুসরন করতে হয়।
আপনার স্টার্ট-আপকে স্কেল-আপে নেওয়ার জন্য নিম্মের ৪ টি কৌশল খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে-
১) দ্যা পাওয়ার অফ ওয়ার্ড ওফ মাউথঃ বেশীরভাগ স্টার্ট-আপ গুলো শুরু থেকেই মার্কেটিং এ অনেক টাকা ব্যয় করে। কিন্তু বড় বড় মার্কেটিং এর থেকেও ওয়ার্ড ওফ মাউথের শক্তি অনেক বেশী কার্যকরী। আর সেজন্য শুরু থেকেই আপনাকে আপনার ক্রেতাদের সাথে ভাল সম্পর্কে গড়ে তুলতে হবে যাতে করে কাস্টমারের মনে আপনার বা আপনার কোম্পানী সম্পর্কে পজিটিভ ধারনা সৃষ্টি হয়। তখন তারা আপনার কোম্পানী পন্য বা সেবা সম্পর্কে অন্যদের কে পজিটিভ ধারনা দিবে এবং পরবর্তীতে আপনি অনেক নতুন কাস্টমার পাবেন যারা আপনার লাইফ টাইম ভেল্যু কাস্টমার (আজীবন কাস্টমার) হয়ে যাবে। আপনি যদি আপনার কাস্টমারকে ভাল পন্য ও সেবা প্রদান করেন তাহলে তারা আপনার কাছে বার বার আসবে পন্য বা সেবা গ্রহন করার জন্য।
২) ইনফ্রাকচার বা কাঠামোর উন্নয়নঃ আপনার স্টার্ট -আপের কাস্টমার বৃদ্ধি মানেই সফল স্কেল-আপ নয়। আপনাকে আপনার স্টার্ট -আপের ইনফ্রাকচার বা কাঠামো গুলোকে এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে করে প্রতিটি কাস্টমার আপনার কাছ থেকে পজিটিভ ফিডব্যাক পায়। আপনাকে মিনিমাম কোয়ালিটি সম্পন্ন পন্য বা সেবা সার্ব করতে হবে এবং সেগুলো নিয়ে তাদের কোন অভিযোগ আছে কিনা বা আপনার স্টার্ট আপের ইনফ্রাকচার ও ম্যানেজমেন্টে কোন ঝামেলা থাকলে সেগুলো নিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করতে হবে যাতে করে কোম্পানির যে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে তা অর্জন সহজ হয়।এতে করে আপনার স্টার্ট – আপের বৃদ্ধি সহজ হবে।
৩) আউটসোর্স এবং অটোমেটঃ একটি স্টার্ট আপে নানা রকম কাজ করতে হয়। বিশেষ করে ইনকিউবেশন বা এক্সিলেটর প্রোগ্রামগুলোতে অংশগ্রহন করলে এক্সটা কাজের চাপ অনেক বেড়ে যায় এবং অনেক সময় হয়ত আপনি বা আপনার টিম মেম্বারদের জন্য সকল কাজ করা কঠিন হয়ে যায়। সেজন্য আপনাকে অনেক সময় জটিল বা ছোট ছোট অনেক কাজের জন্য পার্ট – টাইম কর্মী নিয়োগ করতে হতে পারে। ফলে আপনার আপনার কাজগুলো সহজেই করতে পারবেন এবং আপনি ও আপনার টিমের সদস্যরা সরাসরি কোম্পানির ইন্ড গোলের দিকে সরাসরি ফোকাস করতে পারবেন। তাছাড়া আপনাকে ও টিমের সদস্যদের কে কাজের প্রতি সবসময় ডেডিকেটেড থাকতে হবে এবং প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যেতে হবে কীভাবে স্টার্ট – আপ কে আরো বড় করা যায়।
৪)সঠিক টিম নির্বাচনঃ বেশীরভাগ স্টার্ট – আপ ব্যর্থ হয় যোগ্য বা উপযুক্ত টিমমেম্বারের বাছাইয়ের কারনে।একটি ভাল টিমের মাধ্যমে খারাপ সময়েও সুনিদিস্ট গোল বা লক্ষ্য অনুযায়ী কাজ করা যায়।তাছাড়া আপনার স্টার্ট- আপে টিমের সদস্যরা ছাড়াও অনেক লোকদের নিয়োগ করতে হয় সেজন্য কর্মী নিয়োগে অনেক বেশী সতর্ক থাকতে হবে। আপনাকে অনেক ভেবে চিন্তে সেলফ মোটিভেটেড , ইনোভেটিভ ও সুদক্ষ লোকদের বাছাই করতে হবে যাতে করে আপনার ব্যবসায়কে সহজেই স্কেল-আপে নিয়ে যাওয়া যায়।
No comments:
Post a Comment