সল্প বাজেটে স্টাট-আপ ব্যবসার কাস্টমার বাড়া্নোর উপায়- Jannat Kader Chowdhury‎

Jannat Kader Chowdhury‎
June 4, 2018

আপনি একটি স্টাট-আপ কোম্পানী শুরু করলেন, অবশেষে আপনার স্বপ্ন সত্যি হল এবং আপনি ও অনেক বেশী খুশী। ধরুন আপনি শুরু থেকেই আপনার ব্যবসায়ে কিছু কাস্টমার পেয়ে গেলেন। কিন্তু এই অল্প কাস্টমার থেকে কি করে অনেক বেশী কাস্টমার পাবেন ? হ্যাঁ মার্কেটিং করে হয়ত আপনি অনেক বেশী কাস্টমারকে আপনার ব্যবসায় সম্পর্কে কে জানাতে পারবেন কিন্তু এটা খূবই ব্যয়বহুল পদ্ধতি হবে একটি নতুন স্টাটআপ ব্যবসায়ের জন্য।
চলুন জানা যাক সল্প বাজেটে কি করে একটি স্টাট-আপ ব্যবসায়ের কাস্টমার বাড়া্নো যাবে-

১।ব্যান্ড ভেল্যু বৃদ্ধিঃ আপনার ব্যান্ড কে এমন ভাবে স্থাপন করতে হবে যে -কে আপনি? আপনার ব্যবসায় কি সুবিধা দিবে? কিভাবে আপনার ব্যান্ড অন্যদের তুলনায় আলাদা, আপনার কোম্পানী কি ধরণের সেবা প্রধান করবে, কেন কাস্টমার আপনাকে বিশ্বাস করবে ইত্যাদি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা কাস্টমারকে দিতে হবে । যেহেতু আপনার ব্যবসায় টি নতুন ,সে ক্ষেত্রে এসকল বিষয় গূলোর দিকে অনেক সময় দিতে হবে ব্যান্ড ভেল্যু বৃদ্ধির জন্য। আরেকটি বিষয় হল প্রতিটি কাস্টমারের মেসেজের প্রতিউত্তর সুন্দরভাবে দিতে হবে এতে করে কাস্টমারের মনে আপনার কোম্পানী সম্পর্কে পজিটিভ ধারনা সৃষ্টি হবে। মনে রাখতে হবে যে – Customer Is always right.
২। ওয়ার্ড অফ মাউথ পদ্ধতিঃ যখন আপনার ব্যান্ড কাস্টমারের মাঝে পজিটিভ ধারনা সৃষ্টি করতে পারবে তখন আপনার কাস্টমার সংখ্যা দিগুন হারে বৃদ্ধি পাবে। কেননা যখন একজন কাস্টমার আপনার পন্য বা সেবার ব্যবহারে সন্তুষ্টি হবে তখন তারা আপনার পন্য বা সেবা সম্পর্কে অন্যদের কে ও বলবে, যাকে বলা হয় ওয়ার্ড অফ মাউথ মার্কেটিং। এর মাধ্যমে আপনার লয়্যাল বা বিশ্বস্ত কাস্টমারের সংখ্যা বেড়ে যাবে এবং তারা আজীবন আপনার পন্য বা সেবার মার্কেটিং নিজ থেকেই করে যাবে।
৩।সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনঃ যে কোন ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ধরুন আপনার সাইটি অনেক বেশী আকর্ষণীয় এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি কিন্তু আপনি যদি আপনার গুরুত্বপূর্ণ কাস্টমারের কাছে না পৌঁছাতে পারেন তাহলে আপনি স্টাট-আপ ব্যবসায়ে সফল বা লাভবান হতে পারবেন না। সেজন্য একজন এসইও এক্সপার্ট নিয়োগ করতে হবে যাতে করে আপনার কোম্পানী গুগলে প্রথম দিকে থকে এবং যে কোন কাস্টমার সার্চ করলেই আপনার কোম্পানী কে পেয়ে যায় এবং কোম্পানী সম্পর্কে সঠিক ধারনা পায় । যার ফলে সহজেই কাস্টমারের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানো যায়।
৪।সোসাল মিডিয়ার ব্যবহারঃ বর্তমানে মানুষ সোসাল মিডিয়ায় খুবই একটিভ ।ফেইসবুক , টুইটার, ইন্সট্রোগ্রাম ইত্যাদি হল ভাল ও সহজ মাধ্যম যা একসাথে অধিক সংখ্যক কাস্টমারের কাছে পৌছানোর সম্ভব। তাই আপনার পেইজের প্রতিটি পোস্ট ও কমেন্ট গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে এবং কাস্টমার আপনার পন্য বা সেবাকে কি করে মুল্যয়ন করছেন সেগুলো যথাযথ ভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে। এতে করে ক্রেতা সন্তুষ্টি বৃদ্ধি পাবে কেননা কাস্টমার মনে করবে আপনার কোম্পানী কাস্টমারকে সর্বোচ্চ মুল্য দিচ্ছে।
৫।লিংক বা নেটওয়ার্ক স্থাপন : আপনার ব্যবসায়ের সাথে সম্পারকৃত আভ্যন্তরীন ও বহিরাগত যেমন- কাস্টমার, শেয়ারহোল্ডার, কর্মী, স্প্লাইয়ার, রিটেইলার ইত্যাদি সবার সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । এর ফলে আপনি তাদের কাছ থেকে বাড়তি সুযোগ-সুবিধা পাবেন এবং আপনি আপনার স্টাট-আপ ব্যবসায় কে সল্প সময়ে বড় করতে পারবেন ও ক্রেতা ধরে রাখা সহজ হবে।
source: সল্প বাজেটে স্টাট-আপ ব্যবসার কাস্টমার বাড়া্নোর উপায়

No comments:

Post a Comment