Razib Ahmed > e-Commerce Association of Bangladesh (e-CAB)
আলিবাবা আমাজনের পক্ষে বিপক্ষে কমেন্ট এর পোস্ট এটি। পক্ষে হলে কেন? বিপক্ষে কেন?
February 20, 2017 at 2:11 AM · Public
Arifur Rahman Echchhe
আমি আলিবাবা আমাজনের পক্ষে। তারা আসলে দেশের ছোট উদ্দোক্তাদের অনেক উপকার হবে। আমি আলিবাবা ছোট উদ্দোক্তাদের কাছে থেকে দেশীয় পণ্য নিতে পারে।
MH Maruf
বাংলাদেশে আলিবাবা আতঙ্ক
বাবারে বাবা আলিবাবা !!!!!!
কিছু ইক্যাব সমালোচনাকারী প্রচার করছে আলিবাবা আসলে ইক্যাব মেম্বারদের বাত্তি নিভে যাবে
আমি বলি কি!!!! আসছে তো ? আসতে দিন
ছোট উদোক্তাদের ভঁয় পাবার মত কিছু হবে না
কারন গুলি আমার যা মনে হয় ।
চায়নার ক্ষুদ্র শিল্পের প্রোডাক্ট যে সারা দুনিয়া দখল রেখেছে আর পিছনে আলিবাবার অনেক অবদান
একজন লোক ২৩ বিলিয়ন ডলার লাভ করলে কত হাজার বিলিয়ন মোট বানিজ্য হয়েছে সেটা ভাবার বিষয় । মজার বেপার হ্ল ওরা দক্ষিন এশিয়ার আসেনাই আমার মনে হয় ওদের এক্সপোর্ট এর বাজার যাতে আমরা দখল করতে না পারি । তার মডেল ফলো করলে চায়না কিভাবে লাভবান হবে প্রথম দিকে জ্যাক মা কিভাবে সরকারি বারান্দায় ধরনা দিয়েছেন সেটা ইউটিউব এ দেখা যায় , আর আমাদের ছিল তথ্য চুরির বিষয়ে আতঙ্ক ।নইলে ......।।
১/ এখন যেমন ৩০০/৫০০ কোটি টাকার বাজার ওরা ওপারেশন শুরু করলে সেটা ৫০০০ কোটি টাকার মত হতে বেশি সময় নেবে না ।
২/ প্রান্তিক উৎপাদনকারি বেড়ে যাবে ,
৩/ ক্ষুদ্র শিল্পের উৎপাদনকারি রপ্তানি করতে পারবেন মানে আলিবাবা কে দিয়ে ক্রেতা খুজে পাবেন
৪/ গোছানো একটা পরিবেশ পাবেন। উত্থান পতন কম হবে।
৫/ ই ট্রেড এ মানুষের আস্থা বহুগুন বেড়ে যাবে ।
এর শুফল কারা পাবে ভাবুন
কারো কাছে তথ্য থাকলে শেয়ার করবেন প্লিজ
তবে যারা ৫০ টাকার মাল ২৫০ টাকা বেচবেন, বিভিন্ন ভাবে কাস্টমার হয়রানি করবেন, তাদের হবুডুবু খাবার কারন বড় কোম্পানি হবে না এটা জানি
Tanji Rahman
আগামি ৫ বছরের আগে বিদেশি কোন কোম্পানিকে বাংলাদেশের মার্কেটে বিসনেস করতে দেয়া উচিৎ হবে না -এটা নিতান্তই আমার মতামত। যখন বাংলাদেশের ছোট ছোট কোম্পানি গুলো একটু একটু করে সামনের দিকে যাচ্ছে, বাংলাদেশের অনলাইন মার্কেট যখন প্রসারিত হচ্ছে ঠিক তখনি আমাজন, আলিবাবা''র আগমন কেন? তারা কেন আরও আগে আসেনি? আসলে শুরুতেই কেও কস্ট করতে চাই না। ......বিষয়টা দেখার অপেক্ষায় আছি।
Rakib Khan
এরা আসলে আমাদের অনেক উপকার হবে। আমি আমার আমেরিকা জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। আপনরা ফেসবুক বা অন্য মাধ্যমে যা সেল করেন তার থেকে কয়েক হাজার গুন বেশি সেল করতে পারবেন। কত লোকের কর্মসংস্থান হবে তা এখন কল্পনা করতে পারবেন না। আমার তরফ থেকে সুস্বাগতম।
Narayan Das Tapan
আমাদের দেশে প্রতিবছর ১ কোটিরও বেশি মোবাইল সেট আমদানি হয়I 'স্যামসং' আর 'হুয়াই' -এর মতো কোম্পানির বিশাল মার্কেট আমরাI আমরা কিন্তু এই বিরাট মার্কেটকে আমরা বিশাল কর্মসংস্থান তৈরিতে ব্যবহার করতে পারতাম এই সকল গ্লোবাল কোম্পানিকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার শর্ত আরোপ করেI ভারত, ইন্দোনেশিয়া সহ পৃথিবীর অনেক দেশ তা করেছেI একই ভাবে আমরা যদি মনে করি আমাজন, আলিবাবা এই দেশে আসা উচিত যাতে আমাদের গ্রাহকরা ভালো সেবা পায়, তাহলে আমরা নিজেদের এই বিশাল মার্কেট তাদেরকে খুলে দেবার আগে কেননা কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেই না যাতে ক্রেতারাও উপকৃত হয় আর উদ্যোক্তাদের স্বার্থও সংরক্ষিত থাকে -
* আমাজন বা আলীবাবাকে বাংলাদেশে ব্যবসা করতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে বাংলাদেশে কোম্পানি খুলতে হবে
* দেশে নির্দিষ্ট অংকের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান করলেই তাদেরকে ব্যবসা করার অনুমতি দেওয়া হবে
* শুধুমাত্র মার্কেটপ্লেস তৈরী করার অনুমতি দেওয়া হবে (আমাজন ভারতে শুধু মার্কেটপ্লেস করার অনুমতি পেয়েছে) যাতে স্থানীয় অনলাইন উদ্যোক্তারা তাদের পণ্য বিক্রির সুযোগ পায় ----- (ফাহিম মাসরুর)
Mridha Saiful Islam Sujan
পক্ষে। দেশীয় ইকমার্স শিল্পের অগ্রগতি ও মানোন্নয়নে শক্ত প্রতিদ্বন্দী কোম্পানিদের বিকল্প নেই। আছে নতুন বৈদেশীক বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরীর মাধ্যমে অর্থনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনা। সাধারণের জন্য ইকমার্সের সুফল পৌছাতেও ভালো ভালো কোম্পানিদের এদেশে আসা জরুরি। শিক্ষা ক্ষেত্রেও ইকমার্স বানিজ্য করে নিতে পারবে সময়োপযোগী অবস্থান। তাই নিঃসন্দেহে আমি এর পক্ষ্যে অবস্থান নিচ্ছি। আশা করি অর্থনীতিকে সচল দেখতে চান এমন যে কেউই আমার সাথে একমত হবেন নির্দ্বিধায়। ধন্যবাদ!
Nagib Mahfuz Plabon
ভালোই হবে। যেসব সেলার এতোদিন গ্রাহকদের বলদ মনে করতেন, তারা সাইজ হবেন।
কারণ, আলিবাবা/অ্যামাজন মার্কেটপ্লেস, তারাও সেলারদের থেকে নিয়েই মিডিয়াম হিসেবে সেল করবে। সেক্ষেত্রে জবাবদিহিতার বিষয় থাকবে। উলটা পালটা করলে Dispute/Complain খেয়ে তক্তার মত সোজা হয়ে যাবে সেলাররা। এটা অনেক দরকার।
৬০০% প্রফিট মার্জিনও একটা লিমিটে আসবে। ১০০ টাকার প্রোডাক্ট ভুং-ভাং বুঝায়ে ৫০০/৬০০ টাকা দাম ধরা !
Mahfuz Rahman
দেশের স্বাথে এবং কমসংস্থান এর কারনে আমি পক্ষে দেশ পাবে ট্যাক্স এবং বাডবে কমসংস্থান আমি পক্ষে
Narayan Das Tapan
কর্মসংস্থান হবে সাথে লবিং ও হবে। যোগ্যতা সম্পন্ন দক্ষ মানুষ গুলো কি কাজ করার সুযোগ পাবে ?
Mahfuz Rahman
ইনটানি এর সুযোগ দিতে হবে যেমন টা দিয়ে থাকে অন্যান্য কম্পেনি এবং এ রকম একটি আইনও হতে পারে
কারন কাজের অথবা ইনটানি সুযোগ না থাকলে অভিজ্ঞ হবে কি করে ???
Tanvir Akhter
আমাজন বা আলিবাবার পক্ষে বিপক্ষে বলার আগে এটা জানা জরুরী যে তারা আদৌ কি বাংলাদেশে আসছে নাকি ডাক বিভাগ তাদের পন্য বিদেশ থেকে এনে বাংলাদেশে বিক্রি করবে।অনেকে আছেন যারা খুশিতে উল্লাসিত যে আমাজন,আলিবাবা বাংলাদেশে আসলে দেশে হাজারো লোকের কর্মসংস্থান হবে,প্রান্তিক উৎপাদনকারি বেড়ে যাবে,যারা ৫০টাকার মাল ২৫০ টাকায় বিক্রি করে তারা শায়েস্তা হবে,তাদের মাধ্যমে দেশের ক্ষুদ্র শিল্পের উৎপাদনকারিরা রপ্তানি করতে পারবে দেশের ৫০০কোটির বাজার ৫০০০ কোটিতে রূপান্তরিত হবে,কম্পিটিশন বাড়বে ও দেশের ই কমার্সের প্রভূত উন্নতি হবে ইত্যাদি ইত্যাদি।এখানে আমার বক্তব্য হচ্ছে তারা যদি বাংলাদেশে না এসে ডাকবিভাগের মাধ্যমে বিদেশ থেকেই তাদের পন্য বিক্রি করে তাহলে দেশের যারা খুশিতে উল্লাসিত এই ভেবে যে আলিবাবা তাদের পন্য নিয়ে বিদেশে রপ্তানি করবে হাজার হাজার কর্মসংস্থান হবে তাহলে কি তাদের আশায় গুড়েবালি নয় কি??ডাক বিভাগ তো শুধু তাদের পন্য আমদানি করে বিক্রি করবে দেশের রপ্তানিকারক দের পন্য রপ্তানির ঠেকা কে নিবে??কোথাও আবার পোল খুলে ভোট চাওয়া হয়েছে আর তাতে একটি অপশন রয়েছে আলিবাবা আমাজনের সাথে মিলে ব্যবসা করবে এই টাইপর একটা অপশন আার তাতেই সিংহভাগ ভোট পড়েছে।যদি আলিবাবা আমাজন দেশে না এসে ডাক বিভাগ কে দিয়ে তাদের পন্য বিক্রি করে তাহলে তাদের সাথে মিলে কাজ কিভাবে করবে আর হাজারো কর্ম সংস্হান কিভাবে হবে আর দেশের পন্য তাদের মাধ্যমে কিভাবে বিক্রি করবে????এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়া গেলে তারপর বুঝতে পারতাম কোন পক্ষটা আমরা নিবো।দয়া করে অভিজ্ঞ জনেরা বিষয় টা একটু ক্লিয়ার করবেন কি????!!
Mahfuz Rahman
Tanvir Akhter যদি তারা শুধু বাংলাদেশে তাদের পণ্য বিক্রয় এর চিন্তা ভাবনা নিয়ে আসতে চায় বেশি টিকে থাকতে পারবে না,
কিন্তু দেখা গেছে আমরা অনেকটা আমদানিমূলক বেবসার কথা এবং চিন্তা করে থাকি যা কিনা আমাদের জন্যই ক্ষতি এই কারণেই দেশীয় পণ্য ও মেধার অবমূল্যয় হয় এবং আর্থিক দিক থেকে দেশ অনেক ক্ষতির মুখে পড়ে যা কিনা একটি দেশের আর্থিক অবস্থান থেকে শুরু করে এবং উদ্যোক্তা পর্যায়ে প্রভাব পড়ে
আপনি এই গ্রুপ এই দেখবেন বেশিরভাগ আলোচনা হচ্ছে পণ্য আমদানি নিয়ে, যদি আমাদের সদিচ্ছা, আন্তরিকতা, দেশভক্তি, দেশ নিয়ে চিন্তা করি তাহলে দেশীয় পণ্যকে সবার আগেই অগ্রধিকার দেয়া উচিত এবং দেশি পণ্যকে রপ্তানিমূলক অবস্থানে নিয়ে যাবার চেষ্টা করা উচিত, উদহারণ স্বরূপ পার্শবর্তী দেশে কত ভাগ পণ্য পাবেন অফ হোক আর অনলাইন হোক তারা আমদানিকৃত পণ্য বিক্রয় করে থাকে ??? তাদের দেশীয় পণ্যকে সবার আগেই অগ্রাধিকার দিয়া থেকেই এই জন্য তারা আজ অর্থনৈতিক দিক অনেকটা এগিয়ে
Anas Emon
আমি পক্ষে আছি, কারন ই-কমার্স জগতে আমাজান ও আলিবাবা টোপে আছে, আর আমাদের দেশে এই দুইটি বড় ই-কমার্স ব্রান্ড আসলে আমরা অনেক সুযোগ সুবিধা ও ভাল কিছু শিখতে পারবো আশা করি।
Thawhid BD
বেশি কিছু বলব না, শুধু এই টুকু বলব এতদিন এত কষ্ট করে যেই প্লাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে তার সুফলটুকু সম্পূর্ণ ভোগ করবে তারা।
.
একজন অনলাইন ক্রেতা হিসাবে চিন্তা করে দেখুন আপনি একই প্রোডাক্ট কার কাছ থেকে কিনবেন আলিবাবা .কম থেকে নাকি আলিতৌহিদ.কম থেকে ??????????? কাকে আগে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করবেন? আমাজন.কম কে নাকি সুন্দরবন.কম কে ???????????
.
প্রতিযোগিতার দোহাই দিয়ে শুধু দেশীও শিল্প (দেশি ই- কমার্স ) কে শুরুতেই ধংস করা হচ্ছে। ৫ বছরের বাচ্চার সাথে ২৫ বছরের দৌড় প্রতিযোগিতা !!!!!!!
Sabbir Lycan
ভাই Nagib Mahfuz Plabon "বাংলাদেশের ম্যাক্সিমাম ই-কমার্স ধান্দা করে বেড়ায় এটা যদি সত্যি হয় তা হলে প্রতিদিন এত সেল কি ভাবে হয় ,এত নতুন কাস্টমার কি ভাবে আসে আপনার কথা কি ১০০ % রাইট ভাই .? এক -দুই জন কে দিয়ে "বাংলাদেশের ম্যাক্সিমাম ই-কমার্স " সাথে তুলনা করবেন না ..!!!!
Arafat Siddiki
অভিজ্ঞতা কম তাই বিস্তারিত বলতে পারছিনা, তবে যাই কিছু হউক দেশীয় কোম্পানি গুলো টিকবে কি করে সে চিন্তা করা উচিত, কে আসলো কে গেলো তা নিয়ে এতো মাতামাতি করার কি আছে, আশাকরি কতৃপক্ষ দেশীয় কোম্পানি গুলোর কথা মাথায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন।
Tanvir Akhter
আমাজন বা আলিবাবার পক্ষে বিপক্ষে বলার আগে এটা জানা জরুরী যে তারা আদৌ কি বাংলাদেশে আসছে নাকি ডাক বিভাগ তাদের পন্য বিদেশ থেকে এনে বাংলাদেশে বিক্রি করবে।অনেকে আছেন যারা খুশিতে উল্লাসিত যে আমাজন,আলিবাবা বাংলাদেশে আসলে দেশে হাজারো লোকের কর্মসংস্থান হবে,প্রান্তিক উৎপাদনকারি বেড়ে যাবে,যারা ৫০টাকার মাল ২৫০ টাকায় বিক্রি করে তারা শায়েস্তা হবে,তাদের মাধ্যমে দেশের ক্ষুদ্র শিল্পের উৎপাদনকারিরা রপ্তানি করতে পারবে দেশের ৫০০কোটির বাজার ৫০০০ কোটিতে রূপান্তরিত হবে,কম্পিটিশন বাড়বে ও দেশের ই কমার্সের প্রভূত উন্নতি হবে ইত্যাদি ইত্যাদি।এখানে আমার বক্তব্য হচ্ছে তারা যদি বাংলাদেশে না এসে ডাকবিভাগের মাধ্যমে বিদেশ থেকেই তাদের পন্য বিক্রি করে তাহলে দেশের যারা খুশিতে উল্লাসিত এই ভেবে যে আলিবাবা তাদের পন্য নিয়ে বিদেশে রপ্তানি করবে হাজার হাজার কর্মসংস্থান হবে তাহলে কি তাদের আশায় গুড়েবালি নয় কি??ডাক বিভাগ তো শুধু তাদের পন্য আমদানি করে বিক্রি করবে দেশের রপ্তানিকারক দের পন্য রপ্তানির ঠেকা কে নিবে??কোথাও আবার পোল খুলে ভোট চাওয়া হয়েছে আর তাতে একটি অপশন রয়েছে আলিবাবা আমাজনের সাথে মিলে ব্যবসা করবে এই টাইপর একটা অপশন আার তাতেই সিংহভাগ ভোট পড়েছে।যদি আলিবাবা আমাজন দেশে না এসে ডাক বিভাগ কে দিয়ে তাদের পন্য বিক্রি করে তাহলে তাদের সাথে মিলে কাজ কিভাবে করবে আর হাজারো কর্ম সংস্হান কিভাবে হবে আর দেশের পন্য তাদের মাধ্যমে কিভাবে বিক্রি করবে????এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়া গেলে তারপর বুঝতে পারতাম কোন পক্ষটা আমরা নিবো।দয়া করে অভিজ্ঞ জনেরা বিষয় টা একটু ক্লিয়ার করবেন কি????!!
Zahid Hasan
আসলে খুবই ভালো হবে, অন্তত দেশিয় বাটপার গুলা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে, নাম বলব না দেশিয় অনেক নামকরা ইকমারস সাইট থেকে কেনার খুব বাজে অভিজ্ঞতা আছে, এক পণ্য দেখিয়ে আরেক পণ্য, ১ টাকার জিনিশ ৫ টাকায় সেল দেয়া, বাজে কোয়ালিটি ইত্যাদির কারনে দেশিয় সাইট থেকে কেনা বাদ দিয়েছি। দেশের টাকা দেশের টাকা করে তো আর নিজের টাকা জলে ফেলব না, ভালো প্রোডাক্ট আর ন্যায্যমূল্য রাখলে ক্রেতা এমনিতেই পাবেন, অ্যামাজন, আলিবাবা সমস্যা হবেনা। ^_^
Zahid Hasan
এছাড়া অনেক পণ্যই আমি দেশিয় সাইট এ পাইনা, সেক্ষেত্রে বাইরে থেকে আনাতে হয়, যেটা কস্টলি আর সময় বেশি লাগে, আপাতত এই ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবো।
Mahfuz Rahman
যদি তারা শুধু বাংলাদেশে তাদের পণ্য বিক্রয় এর চিন্তা ভাবনা নিয়ে আসতে চায় বেশি টিকে থাকতে পারবে না,
কিন্তু দেখা গেছে আমরা অনেকটা আমদানিমূলক বেবসার কথা এবং চিন্তা করে থাকি যা কিনা আমাদের জন্যই ক্ষতি এই কারণেই দেশীয় পণ্য ও মেধার অবমূল্যয় হয় এবং আর্থিক দিক থেকে দেশ অনেক ক্ষতির মুখে পড়ে যা কিনা একটি দেশের আর্থিক অবস্থান থেকে শুরু করে এবং উদ্যোক্তা পর্যায়ে প্রভাব পড়ে
আপনি এই গ্রুপ এই দেখবেন বেশিরভাগ আলোচনা হচ্ছে পণ্য আমদানি নিয়ে, যদি আমাদের সদিচ্ছা, আন্তরিকতা, দেশভক্তি, দেশ নিয়ে চিন্তা করি তাহলে দেশীয় পণ্যকে সবার আগেই অগ্রধিকার দেয়া উচিত এবং দেশি পণ্যকে রপ্তানিমূলক অবস্থানে নিয়ে যাবার চেষ্টা করা উচিত, উদহারণ স্বরূপ পার্শবর্তী দেশে কত ভাগ পণ্য পাবেন অফ হোক আর অনলাইন হোক তারা আমদানিকৃত পণ্য বিক্রয় করে থাকে ??? তাদের দেশীয় পণ্যকে সবার আগেই অগ্রাধিকার দিয়া থেকেই এই জন্য তারা আজ অর্থনৈতিক দিক অনেকটা এগিয়ে
Rakib Khan
আলীবাবার নিজস্ব কোন পণ্য নেই
Mahfuz Rahman
Rakib Khan ভাই নিজেস্ব পণ্য দিয়া বর্তমান সময়ে খুব কম সংখক ইকমার্স কোম্পানি বেবসা করে.....বিদেশী পণ্যই আপনকে দিবে
Rakib Khan
আলীবাবা একরা মার্কেট প্লোস। হাজার হাজার ব্যবসায়ী তৈরি হবে।
Rakib Khan
এখানে আলোচনা দেশী বা বিদেশী পণ্য নিয়ে নয়।
Mahfuz Rahman
Rakib Khan ১০০ এর মধ্যে ৮০ ভাগ অনলাইন অর্ডার হবে বিদেশী পণ্যের.....দেশীয় পণ্যের নয় আমাদের প্রেক্ষাপটের.....কথা বললাম....এগুবো কি করে ?
Rakib Khan
বাংলাদেশী সাইটগুলি কি শুধু দেশী পণ্য বিক্রি করে?
Mahfuz Rahman
Rakib Khan আমাজন এবং আলিবাবা কে অবশই আমরা স্বাগত জানায় এই কারণেই ট্যাক্স এবং কর্মসংস্থান এর জন্যদেশের আর্থিক উন্নয়নের জন্য
কিন্তু
ভাই দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে বেশি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার পণ্য যদি আলিবাবা এবং আমাজন সরাসরি দেশের বাহিরে এক্সপোর্ট করার জন্য পলিসি এবং আগ্রহী হয় তখন এটার সুফল পাবে দেশ ও জনগণ, শুধুই কি বিদেশী পণ্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে আমরা আমদানি নির্ভর বেবসা করবো অথবা ক্রেতা শুধুই কি আমদানি নির্ভর পণ্যের উপর নির্ভরশীল থাকবে ?
Noman Haider
আমি পক্ষে, কারন খালি মাঠে গোল দিয়ে মজা নেই । আর শক্ত প্রতিপক্ষ ছাড়া খেলা জমে না । আমি লক্ষ্য করেছি, বাংলাদেশের সিংহভাগ ই- কমার্স ব্যবসায়ী গন মনে করেন ই- কমার্স ব্যবসায় খুবি সহজ এবং রাতারাতি বড়লোক হওয়ার পথ । Traditional ব্যবসায় একটি মুদি দোকানদার যে পরিমান মূলধন এবং ঝুকি পূর্ণ সময় নির্ধারণ করে নামে তার ১০ ভাগের ১ ভাগ ও ই- কমার্স ব্যবসায়ী গন নামে না । তারা মনে করে একটা ই- কমার্স সাইট কোন রকম বানিয়ে কিছু পন্য নিয়ে ব্যবসা শুরু করে দেব । কিন্তু তারা ভাবনায় কখন তাদের টার্গেট ক্রেতা কারা এবং তাদের কাছে কিভাবে পৌছাতে হবে এবং ব্যবসা শুরু প্রথম তিন মাস , তারপরের ছয় মাস এবং বাকি এক বছর কি ব্যবসা করবে না করবে তা পরিকল্পনা না করেই নামে। আর ফলাফল দ্রুত পতন। যদিও ইদানিং কালের ই-ক্যাব এর উদ্যোগে এখন সম সাময়িক বিষয়ের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে । যদ্বারা নতুন এবং প্রশক্ষিত উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে । কিন্তু তাদের মূলধন এবং পরিকল্পনা ঘাটতি তাদের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে । তাই বহিরাগত ব্যবসায়ীরা আমাদের দেশে প্রবেশ করলে আমাদের ভয়ের সম্মুখীন হতে হবে। কিন্তু যারা বুদ্ধিমান তারা যা শেখার, যা বুঝার বুঝে নেবে । বাঙালি জাতি যুদ্ধে, ক্রিকেটে জয়ী হয়েছে কৌশলে ঠিক এই ব্যবসাতেও জয়ী হবে কৌশলে । জানুন, দেখুন, শিখুন, বুঝুন, অনুশীলন করুন, প্রয়োগ করুন এবং জয়ী হউন , জয়ী হই।
Faisal Khan Sumon
যদি তারা সরাসরি অপারেশন করে তব দুইটা বিষয় ঘটবে......
১. তাদের ই কমার্স কে জনপ্রিয় করার জন্য অনেক বিনিয়োগ করবে যাতে করে প্রান্তিক মানুষও ই কমার্সের বিষয়ে আগ্রহী হয় কেনাকাটার জন্য। এছাড়াও ব্যবসার সুবিধার জন্য তারা পেমেন্ট বা ডেলিভারি সিস্টেম অনেক নতুন কিছু আনবে এটা ভালো দিক।
২. কোয়ালিটি ইনশিউর করে শুধুমাত্র এমন দেশীয় ই কমার্স প্রতিষ্ঠান গুলাই ঠিকে থাকবে বাকিরা স্রোতে হারিয়ে যাবে। তাতে অনেক তরুণ আশাহত হবে।
Murad Ahamed
যদি তারা সরাসরি অপারেশন করে তব দুইটা বিষয় ঘটবে......
১. তাদের ই কমার্স কে জনপ্রিয় করার জন্য অনেক বিনিয়োগ করবে যাতে করে প্রান্তিক মানুষও ই কমার্সের বিষয়ে আগ্রহী হয় কেনাকাটার জন্য। এছাড়াও ব্যবসার সুবিধার জন্য তারা পেমেন্ট বা ডেলিভারি সিস্টেম অনেক নতুন কিছু আনবে এটা ভালো দিক।
২. কোয়ালিটি ইনশিউর করে শুধুমাত্র এমন দেশীয় ই কমার্স প্রতিষ্ঠান গুলাই ঠিকে থাকবে বাকিরা স্রোতে হারিয়ে যাবে। তাতে অনেক তরুণ আশাহত হবে।
Asad Zaman
globalization এর যুগে কাউকে আটকাইতে পারবেন না। Inida আমাদের থেকেও সরংরক্ষণ বাদী, তারাও আটকাইতে পারেনাই। কিন্তু কিছু কৌশল অবলম্বন করে দেশীয় উদ্যোক্তাদের কম্পিট করার সক্ষমতা সরকার/ইনস্টিটিউশন করে দেয়। যেমন snapdeal , myntra যারা ইন্ডিয়া amazoner সাথে ভালো কম্পিটি করছে। আমি মনে করে ইক্যাব যেই পলিসি করছে তাতে এগুলো কাবার করেছে।
তারা আসলে কি সুবিধা হবে? তারা যেখানে যায় সেখানে টোটাল eco system ডেভেলপ করে নেয়, এটা আমাদের ইকমার্সকে অনেক হেল্প করবে।
Taeef Najib
অবশ্যই পক্ষে। প্রথমত, ক্রেতা হিসেবে আমি এই মার্কেটপ্লেস গুলোকে দেখতে চাই। দ্বিতীয়ত, ইকমার্সের সাথে জড়িত বলে চাই বড় কোম্পানীগুলো তাদের বড় অংকের প্রোমোশনাল বাজেটের মাধ্যমে ইকমার্সকে এদেশে আরো জনপ্রিয় করে তুলুক। সবশেষে, একজন বাঙ্গালী এবং বাংলাদেশী হিসেবে চাই আলিবাবার মাধ্যমে বাংলাদেশী সেলাররাও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানী করুক। জঙ্গলে বাঘ থাকলে যে অন্যরা না খেয়ে মরে তা কিন্তু না। সবারই মার্কেট থাকে। দেশীয় ইকমার্স বলতে তো শুধু আলিবাবা থেকে কম দামে পণ্য কিনে এনে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করা না। বরং বড় কোম্পানীগুলোর কারণে এখন আমরা আরো বেশি মাথা খাটাবো প্রোডাক্ট এবং নিশ সিলেক্ট করার সময়।
Saif Uddin Saiful
প্রতিযোগিতায় দেশীয় সাইটগুলো টিকে থাকবে না হাজারো তরুণ হতাশায় ভুগবে । দেশের ই-কমার্সের জন্য বিশেষ নীতিমালা প্রণয়ন করে গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করলে দেশের কোটি টাকা বিদেশে যাবে না।
Saif Uddin Saiful
প্রতিযোগিতায় দেশীয় সাইটগুলো টিকে থাকবে না হাজারো তরুণ হতাশায় ভুগবে । দেশের ই-কমার্সের জন্য বিশেষ নীতিমালা প্রণয়ন করে গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করলে দেশের কোটি টাকা বিদেশে যাবে না।
Tanjim Morshed Bhuiyan
আলবাবা থেকে প্রোডাক্ট কিনে ঠকিনি। পছন্দ না হলে, টাকাও ফেরত পেয়েছি।
অন্যদিকে আমাদের দেশের থেকে কিনে বেশ কয়েকবার লোকসান হয়েছে।
ক্রেতার কথা চিন্তা করলে কম্পিটিশন দরকার।
Monir Hossain
আম্যাজন ও আলিবাবা ডট কম এদের আগমন বাংলাদেশের ই কমার্স ব্যবসায় কে আরও গতিশীল করবে।প্রতারক ই-কমার্স ব্যবসায়ী নামক ধান্দাল গুলা ধান্দা গুটিয়ে পালাবে।
S M Mehdi Hassan
এখানে বিতর্কের যে মূল ইস্যু-
অ্যামাজন বা আলিবাবা কিভাবে ব্যবসা করবে এদেশে?
অ্যামাজন আলিবাবা আসলে দেশীয় ই-কমার্স সেক্টরের উন্নয়ন ব্যাহত হবে কিনা?
অ্যামাজন আলিবাবা আসলে দেশীয় ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হবে কিনা ?
দেশে রপ্তানির বদলে আমদানি বেশি হবে কিনা এবং তার ফলে আমাদের অর্থনৈতিক সমস্যা হবে কিনা?
এই যে ব্যাপারগুলো এগুলো আসলে ই-কমার্স পলিসির সাথে বেশি জড়িত। অ্যামাজন বা আলিবাবা বাংলাদেশের ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে কতটা প্রাধান্য বিস্তার করতে পারবে তা আসলে নির্ভর করছে আমাদের কি পলিসি আছে তার উপরে। ভারতে যেমন সুনির্দিষ্ট পলিসি তৈরি করেছে। কোন কোন ক্ষেত্রে শতভাগ বিদেশী বিনিয়োগ করা যাবে ই-কমার্সে? অনলাইনে কোন কোন পদ্ধতিতে বিদেশী প্রতিষ্ঠানগুলো বিক্রী করতে পারবে? দেশীয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর কি হবে?
মোবাইল ফোনের সময়ে আসলে এই ব্যাপারটি খুবই স্পষ্টভাবে এসেছে-
ভারতের উদাহারণ দেই, ১৯৯৪ সালে ভারত তাদের টেলিকম পলিসি নিয়ে আসে এবং সেখানে টেলিকমিউনিকেশনের মালিকানা, সেবা সহ বিভিন্ন বিষয়ে উল্লেখ করা হয়। এখানে দেশী-বিদেশী টেলিকম প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জয়েন্ট ভেঞ্চারের কথা উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম প্রতিষ্ঠান ও বিদেশী টেলিকম প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জয়েন্ট ভেঞ্চারের কথা বলা হয়। বলা হয় যে বিদেশী প্রতিষ্ঠান গুলোর ৪৯% স্টেইক হোল্ডার হবে এবং পলিসি মেকিং করবে সরকার সেখানে তাদের প্রভাব থাকবে না। এই ব্যাপারগুলোর কারণে ভারতে বিদেশী মোবাইল প্রতিষ্ঠানের এত দাপট নেই।
অন্যদিকে আমি ইন্টারনেটে খুঁজে দেখলাম যে আমাদের দেশে ১৯৯৮ সালে টেলিকম পলিসি হবার পরে সেটা নিয়ে আর কোন কাজই হয় নি।
আজকে টেলিকম সেক্টরের অবস্থা দেখেন? সেখানে বিদেশী প্রতিষ্ঠানের দাপট। সরকার এখন চাইলেও নড়তে পারে না। তাই এখন সবচেয়ে বেশি যেটা দরকার তা হচ্ছে পক্ষে বিপক্ষে চেচামেচি না করে একটা ভাল পলিসি তৈরি করার এবং সেখানে এই বিষয় গুলো নিশ্চিত করা যে-
বিদেশী ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে কিভাবে ব্যবসা করবে?
বাংলাদেশের ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের স্বার্থরক্ষা কিভাবে হবে?
জয়েন্ট-ভেঞ্চার হলে কিভাবে হবে?
অনলাইনে আমদানি-রপ্তানি সম্পর্কিত ব্যাপার।
সবশেষে আমি অ্যামাজন, আলিবাবা আসার পক্ষে কারণ এতে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং তখন অনেক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বাধ্য হবে ভাল পণ্য ও সেবা দিতে। যারা খালি অনলাইনে জিনিস বেচতে এসেছে, পণ্যের মান, সেবা এসব নিয়ে কোন চিন্তাই নেই, তারা টিকবে না।
শরীফ নওয়াজ
আমি এখন প্রযন্ত ৩ বার অনলাইন থেকে কিনাকাটা করেছি তাও বাংলাদেশ এর সবচেয়ে নামকরা ই কমার্স সাইট থেকে কিন্তু কস্টের কথা হচ্ছে মান এতো নিন্ম মানের তা আর বলে বোঝানো যাবে না, দামের কথা নাই বা বললাম!! তাদের ভালো হবার জন্য হলেও আলিবাবা আসা দরকার
Jafor Saleh
অ্যামাজন আলীবাবা দুটার পক্ষ এবং বিপক্ষে রয়েছি ।
১. পক্ষ হল কোয়ালীটি সম্পর্ন প্রোডাক্ট পাওয়া যাবে এবং প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা ০.০১% কাষ্টমার সন্তুষ্টি হবে তা সত্য ।
২. বিপক্ষ: বাংলাদেশি উদ্যোক্তাগন ক্রমাশয় আগ্রহ হারাতে থাকবে। কারণ বাঙ্গালী এমনিতেই বিদেশি প্রোডাক্টাের উপর অনেক এট্রাক্টিভ । উদহারন: কিছুদিন পূর্বে পাঞ্জাবী ক্রয় করতে গিয়েছি সেখানে পাকিস্তানি আর ইন্ডিয়ান পাঞ্জাবীটাই বেশি বিক্রয় হয় বাংলাদেশীটা তুলনামূলক কম।ফারফিউম ক্রয় করতে গিয়েছি সেখানে ফ্রন্স, ইউএসএ, সৌদি আরবের গুলো বেশি চলে। বর্তমানে গার্মেন্টস ব্যবসা এবং অন্যান্য ব্যবসায়িদের এমনিতে ডিলেডালে অবস্থায় চলছে, তারপরেও অনেক উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশ অনেককিছু তৈরি করার দিকে ঝুকি নিচ্ছে কিন্তু অ্যামাজন, আলীবাবা আসলে নতুন কিছু তৈরির ঝুকি অনেকটাই কমে যাবে। বর্তমানের তুলনায় কর্মসংস্থান অনেকটাই কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।
যাহোক সমস্যা ধরে নিলে সমস্যা বাড়তে থাকে আসার পরে বুঝা যাবে কত ধানে কত চাউল।
তবে সরকার ইচ্ছা করলে বাংলাদেশি পন্যের তুলনায় ভ্যাট একটু বাড়িয়ে নিতে পারেন । এবং বাংলাদেশে তৈরিকৃত প্রোডাক্টের উপর ভ্যাট কমিয়ে নিতে পারেন। এতে উভয়ে লাভবান হবেন ।
Rashad Turjo
বাংলাদেশে সুবিধা করতে পারবে না,কারন এখানে পোলাপান টিউসুনি সেরে এই ব্যবসাই নামসে।তারাতারি টাকা কেস করার জন্য পাইকারী দামে প্রোডাক্ট সেল করছে। আমাজন জেই দাম দিবে পুলাপান গুলা তাদের থেকেউ কম রেটে মাল বেচঁবে।
Khurshid Zaman
সরকার লাভবান হবেন। কিন্তু ছোট ছোট ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রচুর মার্কেটার তৈরি হবে, প্রচুর ব্রোকার তৈরি হবে। কিন্তু, আমাদের নিজস্ব বলয়ে কোন বড় ই-কমার্স সাইট গড়ে উঠবেনা। গোটা ভারত আমাজনের পায়ের নীচে পরে আছে ওরা আইটিতে এতো এক্সপার্ট হওয়ার পরেও। আর আমরা..
S.M. Rasel
নদী খুরে, কুমীর নিয়ে আসছি আমরা। এর ফলাফল আসার পর বুঝতে পারবেন।
Kamrul Hassan Babu
দেশিয় এক দুইটার বেশী প্রতিসঠান এই মার্কেটে থাকবে না।
Tahmina Ferdous
আমরা যারা Creative Designing e আছি তাদের জন্য খুব ভালো। কিনতু যারা Import Business করছে তাদের জন্য সর্বনাশ।
Ashik Khan
অসম প্রতিযোগিতা শুরু হবে
S.M. Rasel
এই প্রতিযোগিতায় আমাদের এখন টিকে থাকা অসম্ভব। এখনো সময় আসে নাই। ছোট মাছ বড় না হতেই কি , বড় মাছের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে পারে? আসলে কিছু কিছু ব্যক্তি নিজের সার্থের জন্য এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। যা হইছে হইছে এখন ই কমার্স এ বিদায় জানানো পালা।
Md Saifullah Sujon
অ্যামাজন বা আলিবাবা বাংলাদেশে আসলে হয়তো ইকমার্স এর প্রসার ঘটবে,কিন্তু দেশীয় সাইট গুলো ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।আমরা যারা নতুন তাদের অনেকেই অঙ্কুরে বিনষ্ট হবে,হয়তো কেউ টিকে থাকবে।তবে দেশীয় বাজারে যে একটি হাওয়া বইবে তা হলফ করে বলা যায়।
Farhad RaYhan Fahad
আমার মতে alibaba এই দেশে আসলে এদেশে বিক্রেতা খুজে পাওয়া যাবে না ।
প্রতিটা ecommerce ব্যবসায়ীকে ভাংগা থালা নিয়ে ভিক্ষা করতে হবে।
এখন কমেটি যা আসা করতেছে সে আসাতো পুরুন হবেইনা বরং তার উলটোটা হবে।সে সময় আর কিছু করার থাকবে না। তখন দেশীয় ecommerce ব্যবসায়িদের জন্য কিছু একটা করতে চাইলেও করতে পারবে না।তখন চোখে মরিচ দিয়ে কানতে হবে।
Taslim Hossain
অবশ্যই আমি পক্ষে । বাজারে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করতে না পারলে, অনাদের কে ব্যবসা করতে বলে কে? তার চেয়ে ভালো কাঁচা বাজারে আলু-পটল বিক্রি করা।
Tanzeela Omi
যদি তারা সরাসরি ক্রেতা কে পন্য দেয়।তাহলে ক্রেতা এর জন্য ভালো হবে। ব্যবসায়ী এর জন্য না। নতুন উদ্যোক্তা আর আসবেনা। পুরানো রাও থাকবেনা। ৮০% ই কমার্স ব্যবসাই হোলো চায়না মাল ইম্পোরট করে এনে ব্যবসা। সেটা কসমেটিক্স,জুয়েলারি, ইলেক্ট্রনিক বা ম্যাটেরিয়াল। তাদের বিলিয়ন ডলার মার্কেট এর সাথে অসম্ভব কারো টিকে থাকা। সরাসরি তাদের থেকে পন্য নিতে পারলে কেউ দেশি সাইট থেকে পন্য নিবেনা। বাংগালি এম্নিতেই বিদেশী প্রীতি তে আক্রান্ত।
আর দেশি নতুন/পুরাতন কারো পক্ষেই সম্ভব না তাদের মত উন্নত সার্ভিস +দাম কম দেওয়া। একি সাথে ক্যাশ অন কুরিয়ার কোম্পানি গুলোও সেস হবে।কারন এত ই কমারস সাইট থাকবেনা।
সুবিধা : দেশের কতিপয় বড় সাইট টিকে থাকবে।আড়ং,বাটা, লা মোড,হস্তশিল্প গুলো।
যারা দেশের বাইরে পন্য দিতে চান। তাদের লাভ হবে। কিন্তু আমাদের দেশে কয়টা প্রডাক্ট এই বা আছে যা আমরা সাপ্লাই দিতে পারব।আমরাই তো ডিপেন্ড করি চায়না/জাপান/থাইল্যান্ড /ইন্ডিয়া এর উপর। সেখানে আলিবাবা এমাজন আছে কারন তাদের প্রডাক্ট তারা বাইরে দিচ্ছে ৯০%.
নরডিক দেশ ( যেমন সুইডেন) এ বেশিরভাগ আলিবা
Tahmina Ferdous
একটা সময় ছিল ইনডিয়ান চ্যানেল এর against এ সবাই। তাদের নাটক দেখলে, আমাদের programs কেউ দেখবে না । আমার বাসায় ডিশ থাকতেও তো দেখি না । যেটা ভালো তা ভিড় এর মধ্যেও ভালো। দেশীও products এর উদ্যোগ বাড়বে। এটা একটা possitive দিক।
Anwarul Azam
আলিবাবা, আমাজনের পক্ষে কারণ তারা আমাদের দেশে এসে যে শুধু বিদেশী পণ্যই বিক্রয় করবে তা কিন্তু নয়। বরং তারা আমাদের দেশীয় পণ্যও বিক্রয় করবে
Muhammad Rashed
আমার ধারনা, সাময়িক একটা ধাক্কা আসবে, কিন্তু আমরা যদি আমাদের দেশী ইউনিক প্রডাক্ট নিয়ে কাজ করতে পারি, কে জানে হয়তো আমরাই আমাজন ও আলিবাবার পার্টনার হয়ে আমাদের প্রডাক্ট ডেলিভারী করতে পারবো আমাদের দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে।
Rokib Khan
অ্যামাজন এ থাকবে না এমন প্রোডাক্ট দিতে পারলে আপনার মার্কেটের কাছে অ্যামাজন পারবে না। ভেবে দেখুন কোন প্রোডাক্ট টা অ্যামাজনে নেই!! =D
Emdadul Hoque Parvez
দেশীয় ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা রাস্তায় বসে যাবে, দেশে এন্টারপ্রিনিওর তৈরি হবেনা,এন্টারপ্রেনিউর হওয়ার সাহস ও করবেনা
Rifat Hasan Khan
ই-কমার্স কে বুম করানোর জন্য আমাদের সামনে চমৎকার দুটি মডেল আছে, একটি চায়না আর একটি ভারত। দুটিদেশ সম্পূর্ন ভিন্ন দুটি মডেল নিয়ে কাজ করে বেশ সফল। চায়না বিদেশি সব কম্পানির জন্য দরজা সবসময় বন্ধ রেখে নিজেরাই বিশ্ব্মানের সাইট দাড়াকরিয়েছে, শুধু আলিবাবা না, টপ ২০০ সাইটে ওদের আরো কিছু ই-কমার্স সাইট আছে। অন্য দিকে ভারত বৈশ্বিক সাইট গুলোর জন্য রাস্তা খোলা রেখেছে ঠিকই, কিন্তু অত্যন্ত চাতুরতার সাথে বৈশ্বিক সাইট গুলোকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছে। এখন আমাদের কি করা উচিৎ তা আমাদের পলিসি মেকারদেরই ভালো বোঝা উচিৎ। সরকার চাইলেই এখন এই শিল্পের প্রতি দরদ আছে, এই শিল্প বোঝে এমনলোকদের সাথে কথা বলতে পারে, এবং শেষমেষ সব বিবেচনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে পারে।
Nazrul Islam
কেউ পক্ষে কেউ বিপক্ষে, এক এক মানুষ এর চিন্তা ভাবনা এক এক রকম,তাই যুক্তির ক্ষেত্রে ও মতামত ভিন্ন ভিন্ন আসবে স্বাভাবিক,যারা ভয় পাচ্ছেন তাদের নিশ্চয়ই দূর্বলতা আছে,বাংলাদেশে যারা ই-কমার্স মার্কেটিং করছেন,এখানে অনেক সমস্যা আছে,নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ,অতিরিক্ত মূল্য নেয়া,অনেকেই আবার প্রতারনার সাথে ও জড়িত,আলিবাবা ও আমাজান এর মত কোম্পানি বাংলাদেশে আসলে উনারাই তো ভয় পাবেন তাই না..?
Hanif Mahmud
এই দুই বছর জান প্রান দিয়ে চেষ্টা করে ই-কমার্স কে আমার মত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি যারা আজ এই দেশের মানুষের কাছে পরিচিত করেছে সেই সুযোগটা কাজে লাগাবে বাহিরের কম্পানি! আমাদের তৈরি করা মাঠে গোল দিবে তারা!! আর আমরা না থাকলে ই-ক্যাব বলেন ডেলিভারি প্রতিষ্ঠান বলেন এদের কাজ কি? সতরাং pack your bag as soon as possible
Ariful Islam
চক বাজার থেকে ১০০ টাকা দিয়া কিনে ১০০০ টাকা আর বিক্রি করতে পারবে না। যারা genius business করছে তারা থাকবে, বাকিরা (৯৫%+) পালাবে।
Helal Hossen
আলিবাবা & আমাজন নিয়ে এতো ভয় পাওয়ার বিশেষ কোন কারন আমি দেখি না, কারন বড় অর্গানাইজেশন এর সাথে কাজ করার ফলে আমাদের অভিজ্ঞতা, কৌশলগত জ্ঞান, এবং পন্যের গুনগত মান সম্পর্কে ভালো ধারনা পাব, অন্য দিকে ই-কমার্স উদ্যগক্তারাও পন্যের গুনগত মান আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে তুলনা করতে পারবে, যার ফলে নতুন উদ্ভাবন সম্ভাবনার দ্বার উম্মোচিত হওয়ার সুযোগ থাকে আন্তর্জাতিক বাজারে।
আচ্ছা কেউ কি বলতে পারেন -আলিবাবা বা আমাজন তাদের সব প্রোডাক্ট কি ম্যানুফেকচারিং করেন নাকি সোরসিং ও করেন?
যদি ম্যানুফেকচারিং করে তাহলে আমাদের বর্তমান ই- কমার্স উদ্যগক্তারা তাদের থেকে প্রোডাক্ট সোরসিং / তাদের থেকে ও ভালো মানের প্রোডাক্ট উৎপাদন করে প্রতিযোগিতামুলক ভাবে টিকে থাকতে পারেন। আবার আমাজন / আলিবাবা ই-ক্যাব সদস্য থেকে ও প্রোডাক্ট সোরসিং করতেওতো পারে।
আর ই-ক্যাব মেম্বার হোক বা না হোক এরা আজকে বা কালকে অন্য কোন উপায়ে হলেও যদি আমাদের দেশের কাষ্টোমার এরেঞ্জ করতে পারে তখন সব ই- কমার্স এক সাথে আওয়াজ দিয়ে ও আমাজন -আলিবাবা দের মত কোম্পানির কিছু করা সম্ভব নাও হতে পারে। তার চাইতে আমরা তাদের সাথে খন্ডকালীন (কিছু মাস / ববছর এর জন্য) চুক্তিনামা করে ফেলতে পারি, এতে তাদের ব্যাবসায়িক কৌশল,প্রযুক্তিগত ব্যাবহার থেকে ও আমরা অনেক কিছুই জানতে পারবো।
আরে ভাই কক্সবাজার এ অনেক হোটেলই তো আছে, সবাই -ই ব্যবসা করছে, আবার নতুন হোটেল ও হচ্ছে তাতে কারো ব্যাবসা কিন্তু বন্ধ হয়ে যায় নি। বরং এরা প্রতিযোগিতামুলক হওয়ার কারনে ক্রেতাসাধারণ ও নিরাপত্তা দুটোই ভালো হচ্ছে।
Noyim Osman
যেইকোনো ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি বাংলাদেশ মার্কেটে আসলে লোকালাইজ করে ফিল্ড এ নামতে হবে। এটাই ট্রু এন্ড ফ্যাক্ট। আদারওয়াইজ ৪/৫ বছর লস গুনতে হবে। এর পর বাধ্য হয়ে লোকালাইজ ই করবে। বাংলা ফিল্ড বড়োই আজব , এইখানে ফরেন খায় না বস। .. বুঝতে হপে
Sabrina Munia
আলিবাবা এবং আমাজন যদি আমাদেরকে মাকেট প্লেস দেয় তা হলে আমরা যারা ই কমাস্ ব্যবসা করি তাদের জন্য ভালো হবে ।আবার তারা যদি নিজেরাই সরাসরি ক্রেতার কাছে পণ্য দেয় তাহলে বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে আমার মনে হয়।তবে প্রতিযোগিতা তো থাকবেই ।
Masud Parvej
মুক্ত বাজার অর্থনিতিতে কাউকে আটকে রেখে কেও বেবসা করা কঠিন। so ওরা আসলে সত্যিকারের বেবসায়িদের ক্ষতি হওয়ার আশংকা নেই।
Helal Uddin
আলিবাবা আমাজন আসলে বাজার তৈরি হবে। অসাধু ব্যবসায়ী থাকবেনা। রেপ্লিকার দামে মানুষ অরিজিনাল পন্য পাবে। স্বাগতম ই কমার্স এর দুই ভাই।
Kazi Zahir
ওদের কাছ থেকে ব্যবসা করার ষ্টাইলটা শিখতে ওদের এদেশে আসা দরকার। কেউ হয়ত বলবেন- গুগল ঘেঁটে ষ্টাইল আমরা শিখে নিয়েছি। তাদের বলব আপনারা ষ্টাইল শিখেছেন- সততা, সময়ানুবর্তিতা, গ্রাহক সেবা এখনো শিখেন নি। তাই প্রাক্টিক্যাল ক্লাসের জন্য আমাজন, আলীবাবাকে বাংলাদেশে স্বাগতম।
Jenny Islam
দেশে যারা ব্যবসা করছে তারা স্টক করে তারপর সেটা সেল করে আগেরদিন অর্ডার করলে পরেরদিন বাসায় চলে আসে। সেই সুবিধা থাকলে যারা এখন ভালো ব্যবসা করছে তারা সেভাবেই করতে পারবে বলে আমার মনে হয়। আর যারা একটা প্রোডাক্টের অর্ডার দিয়ে ধৈর্য ধরে ১ মাস বসে থাকতে পারে তারা এইসব সাইট থেকে কম দামে কিনবে। তবে দেশের ব্যবসায়ীরা যারা একটা জিনিসের অর্ডার নিয়ে সেগুলো বিদেশ থেকে আনার মত প্যারা নিয়ে আমাদের ২দিনের মধ্যে ডেলিভারি দেন তাঁদের এই কষ্টের দাম দেয়া উচিৎ। একটা নতুন সম্ভবনা উঁকি দিলে আগের সব শেষ হয়ে যায় না। আরও কত কিছু করা যায় সেইসব নতুন নতুন দিক মানুষ দেখতে পায়। হতাশ না হয়ে বরং যারা ব্যবসা করছে তাঁদের আরও মানুষকে আকর্ষণের জন্য প্ল্যান করা উচিৎ।
শেষ রাত
আমাজন আলিবাবা হলো বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের খেলোয়ার। আর আমাদের ই-কমার্স সেক্টর টা কেবল দাড়াতে শিখতেছে। এখনই যদি এতো বড়ো কম্পিটিশনে পড়ে যায়। তাহলে অঙ্কুরেই বিনস্ট হয়ে যাবে দেশীয় ব্যাবসায়ীদের সপ্ন
Mamun Hasan
যে সমস্ত দেশ আমাদের অবস্থানে থেকে এমাজন বা আলিবাবাকে তাদের দেশে ঢুকতে দিয়েছিল, তাদের অবস্থা কি হয়েছে? তার একটা বিশ্লেষণ উপস্থাপন করলেই ত হয়। অযথা আর কারো মনে অযাচিত কোন শঙ্কা থাকবে না তাহলে। তখন সকলেই নিশ্চিত করেই জানতে পারবে আমাদের ভাগ্যে কি জুটতে যাচ্ছে? ধন্যবাদ।
Hossain Md Awlad
ভবিষ্যৎ চিন্তা করে বললে, আমি amazon alibaba-র পক্ষে।
কারন এখনকার ইকমারস উদ্যোক্তাদের এদের থেকে শেখার অনেক কিছু আছে। উদাহরণ- ১ম হলো ক্লাইন্ট রিলেশন বারানো/ customer value, product Value/price, Best services, Cost management, product Stock management, After delivery service, product collection, picking up best product for customers, time management, and etc.
দুঃখের বিষয়, আমাদের দেশের প্রায় অধিকাংশ ইকমারসের এমনি দশা যে, এই point গুলা ignore করে যায়।
আর এমন অবশ্যই হবে না যে, amazon alibaba দেশের বাইরে থেকে product collect করে এদেশে বিক্রি করবে। তারা maximum/প্রায় সব product এদেশ থেকে collect করবে। এক্ষেত্রে ভালো মানের product এসব platform এ ভালোই বিক্রি হবে।
price management এর ব্যপারে তারা কিছু প্রতিযোগিতা মূলক পদ্ধতি অবলম্বণ করে। এটা অন্যদের অবশ্যই আগে শিখা জরুরি ছিল। দুঃখ, কেউ তা জানে বলে আমার মনে হয় না।
alibaba তো অনেক আগে থেকেই আমাদের দেশে কাজ করা শুরু করেছিল (b2b) গুলশান অফিস। কয়জন মানুষ জানে। so সবার জানার পরিধি বারাতে হবে।
একটা ভালো percentage মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। তারা কোম্পানির কাছ থেকে structural strategical knowledge gather করতে পারবে।
Moreover, amazon alibaba আমাদের দেশের ইকমারসের মার্কেটিং লেভেল্টা আরো boost করবে। কারন গত কয়েকদিন আগে একটা প্রতিবেদন পরেছিলাম, দেশের প্রায় maximum মানুষ এখন phone চালায়। এর মধ্যে ৪০% মানুষ ইন্টারনেট চালায়, এর মধ্যে ২০% মানুষ ইকমারস সাইটে ঘাটাঘাটি করে, এর মধ্যে ৩%-৫% মানুষ ইকমারস থেকে product order করে। এখন কথা হইলো, অনেক তো সময় হইলো, আরো মানুষরে তো technology এর উপর ভরশা করাইতে হবে। তো এই boost টা কে দিবে? আমাদের দেশীয় সাইট? যদি হ্যা মনে করেন তাহলে বলবো, sorry ভাই।
আমাদের দেশীয় খুব ২/১ টা সাইট ছাড়া আর কারো পক্ষে এই boost দেয়ার capability নাই। এইক্ষেত্রে, Money fact. শুধু দেশীয় সাইটের উপর ভরশা করলে আমাদের technological growth percentage আরো কমে যাবে। মানে বাংলায় বললে দুনিয়া 3G চালালে আমরা চালাই ১জি, তারা 5G চালালে আমরা চালাই ৩জি...(রুপক অর্থে)
আশা করি আমার কথা বুদ্ধিমানরা বুঝতে পারবেন।
আর যদি আজাইরা না বুইঝা বলি, তাহলে বল্বো, আমি বিপক্ষে :p ... :v :v :v
source: আলিবাবা আমাজনের পক্ষে বিপক্ষে আলোচনা
No comments:
Post a Comment