স্টার্ট আপ কেস স্টাডি ফ্লিপকার্ট - Lipi Sd & Razib Ahmed

Filpkart .

পরিচিতি

Filpkart ভারতের সবচেয়ে এখন বড় অনলাইন মার্কেটপ্লেস । বর্তমানে যারা লাইফ স্টাইল প্রোডাক্ট, ইলেকট্রনিক্স হোম অ্যাপ্লায়েন্স, বই,জুয়েলারি, ফার্নিচার স্পোর্টস সরঞ্জাম এবং বিউটি প্রোডাক্ট অনলাইনে বিক্রি করছে। সম্প্রতি তারা অফলাইন গ্রোসারি স্টরে দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।

বর্তমানে কোম্পানিটি মার্কেট ভ্যালুয়েশন ২১ বিলিয়ন ডলার । তাদের বার্ষিক আয় 5 থেকে 10 বিলিয়ন বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ফ্লিপকার্ট এর বর্তমান কর্মীসংখ্যা ১০০০০ +। কোম্পানিটি হেডকোয়ার্টার্স ভারতের ব্যাঙ্গালুরু শহরে। এলেক্সা রেংকিং অনুযায়ী ফ্লিপকার্ট হল টপ টেন ভিজিটরস ওয়েবসাইট।

টাইমস অফ ইন্ডিয়া তথ্য অনুসারে পৃথিবীর মধ্যে টপ পাঁচটি প্রাইভেট স্টার্ট আপ গুলোর মধ্যে একটি হলো ফ্লিপকার্ট। কোম্পানিটির বর্তমান মালিকানা ওয়ালমার্টের এবং বর্তমান সিইও হলেন কল্যান কৃষ্ণমূর্তি। যিনি আগে Myntra এবংjabong.com এ দায়িত্বরত ছিলেন।

ইতিহাস

ফ্লিপকার্ট এর পথ চলা শুরু হয়েছিল 2007 সালে সচিন বন্সাল এবং বিনিবাজার এর হাত ধরে। তারা দুজনে ছিলেন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি দিল্লির ছাত্র এবং অ্যামাজনের প্রাক্তন কর্মী। প্রথম দিকে কোম্পানিটির মূল উদ্দেশ্য ছিল এবং মূল বিজনেস পয়েন্ট ছিল অনলাইনে বই বিক্রি করা। 2008 সালের দিকে তাদের সার্ভিস কোয়ালিটি এবং কাস্টমার ফিডব্যাকের জন্য প্রতিদিন তারা 100 টি অর্ডার রিসিভ করতেন। 2010 সালের দিকে ফ্লিপকার্ট বেঙ্গালুরু বেস্ট সোশ্যাল বুকস ডিসকভারি We read কে lulu.com রূপান্তর করে ।

2011 সালের দিকে ফ্লিপকার্ট ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশনের জন্যMime360.com এবং এবং ডিজিটাল কনটেন্ট লাইব্রেরী বলিউড পোর্টাল Chakpak নিয়ে আসে।

2012 সালের ফেব্রুয়ারীতে কোম্পানিটি DRM ফ্রি অনলাইন মিউজিক স্টোর Flyte চালু করে। কিন্তু সার্ভিসটি বেশিদিন মার্কেটে টিকে থাকতে পারেনি কারণ মিউজিক ওয়েবসাইটের কম্পিটিশন এর জন্য । পরিপ্রেক্ষিতে 2013 সালের দিকে সেবাটি বন্ধ করে দেওয়া হয় ।

2012 সালের মে মাসে ফ্লিপকার্ট letsbuy অনলাইন ইলেকট্রনিক্স রিটেইলার হিসেবে কাজ শুরু করে। 2014 সালের মে মাসে ফ্লিপকার্ট myntra নামে একটি ফ্যাশন রিটেইলার চালু করে এবং সেখানে 20 বিলিয়ন রুপি বিনিয়োগ করে। এটি আসলে ফ্লিপকার্ট একটি সাবসিডিয়ারি অনলাইন কোম্পানি হিসেবে কাজ শুরু করে। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তারা ফ্যাশন সাইটের দিকে বেশ ফোকাস করে এবং ন্যাশনাল এবং ইন্টারন্যাশনাল ব্র্যান্ডগুলোকে একসাথে করে জনগণকে সেবা দেবার চেষ্টা করে।

2014 সালের ফেব্রুয়ারিতে ফ্লিপকার্ট মটোরোলা মোবাইলিটিকে তাদের পার্টনার হিসেবে যুক্ত করে মোটো জি স্মার্টফোনের রিটেলার সাপ্লাই হিসেবে কাজ শুরু করে। স্মার্ট ফোনটির বাজার বিক্রি বৃদ্ধি পাওয়ায় পরবর্তীতে তারা মোটো ই ফোনটির পার্টনার হিসেবে কাজ শুরু করে। ফোনটির বিক্রির বাজার এত বিজি ছিল যে তাদের একসময় অর্ডার নেওয়া স্টপ করে দিতে হয়। 2014 সালের জুলাই মাসে শাওমি এম আই থ্রি এরো পার্টনার হিসেবে অনলাইনে বিক্রি বৃদ্ধির কাজটি করে। মজার বিষয় হলো স্মার্টফোনটি মাত্র 10 হাজার পিস অনলাইনে ছাড়ার পর 5 সেকেন্ডের মধ্যেই স্টক আউট হয়ে যায়। ফলে ফ্লিপকার্ট কে সেই সময় ফোনটির বিক্রি বন্ধ করতে হয়েছিল। এভাবে তারা রেডমি ওয়ান এর এবং রেডমি নোট বাজারে নিয়ে আসে 2014 সালের শেষের দিকে এবং মাইক্রোম্যাক্স এক্স হোয়াই ইউ ইউনিকন 2 2017 সালের দিকে বাজারে নিয়ে আসে।

2014 সালের অক্টোবের 6 তারিখে কোম্পানিটির অ্যানিভার্সারি এবং দেওয়ালী উৎসব এর সময় ফ্লিপকার্ট একটি বড় সেলস সার্ভিস ইভেন্ট প্রোমোট করেছিল যার নাম ছিল বিগ বিলিয়ন ডে। সেই দিনটিতে কোম্পানিটি 100 মিলিয়ন মার্কিন ডলার সেল করেছিল 10 ঘণ্টার মধ্যে। এবং বিষয়টা নিয়ে সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়া সহ বিভিন্ন ট্যাবলেট গুলোতে শিরোনামে ছাপা হয়েছিল।

2015 সালের মার্চের দিকে ফ্লিপকার্ট ওয়েবসাইটে মোবাইল বিক্রি বন্ধ করে দেয় ফলে তারা মোবাইলের অ্যাপ সার্ভিসটি চালু করে। কিসে মাসের দিকে তাদের আর একটি ওয়েবসাইট mantra.comএ টেন পার্সেন্ট বিক্রি কমে আসে এবং ধীরে ধীরে তাদের পারফরম্যান্স খারাপ হতে থাকে। পরে তারা ফ্লিপকার্ট লাইট নামে একটি অ্যাপ সেবা চালু করে।

2015 সালের এপ্রিল মাসে ফ্লিপকার্ট দিল্লী বেস্ট মোবাইল মার্কেটিং অটমেশন ফরমেট দিকে মনোনিবেশ করে এবং তারা বিভিন্ন রকম টেকনোলজি নিয়ে গবেষণা শুরু করে মোবাইল সার্ভিস টি আরো ভালো করার জন্য। সে বছরই বিগ বিলিয়ন ডে তে তারা তিনশত মার্কিন ডলার ফ্যাশন প্রোডাক্ট বিক্রি করেছিল। একই বছরে ডিসেম্বরে তারা ম্যাপ মাই ইন্ডিয়া বেশির ভাগ শেয়ার কিনে নেয়।

2016 সালের দিকে ফ্লিপকার্ট অনলাইন ফ্যাশন রিটেইলারjabong.com থেকে রকেট ইন্টারনেট জন্য 70 মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ইউ পি আই মোবাইল পেমেন্ট স্টার্ট আপ ফোন পে তে বিনিয়োগ করে। 2017 সালের জানুয়ারি মাসে ফ্লিপকার্ট টাইনি স্টিপ নামে একটি স্টার্টআপে 2 মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে। একই বছরের এপ্রিল মাসে ই বাই ঘোষণা দেয় ফ্লিপকার্ট এর সাবসিডিয়ারি হিসেবে কাজ করবে। ফ্লিপকার্ট এখানে 500 মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্যাশ ইনভেস্টমেন্ট করে কোম্পানিতে ।এভাবে তারা ইন্টারন্যাশনাল এভাবে কাজ করে। 2017 সালের জুলাই মাসে ফ্লিপকার্ট স্ন্যাপডিল কে অফার করে 700 থেকে 800 মিলিয়ন মার্কিন ডলারে তাদের কোম্পানিটি বিক্রি করার জন্য কিন্তু স্ন্যাপডিল 1 বিলিয়ন মার্কিন ডলার দাবি করা ফ্লিপকার্ট অফারটি বাতিল করে।

2017 সালের ইন্ডিয়াতে মোবাইল স্মার্ট ফোনের শিপমেন্ট শেয়ার অনলাইনে 51 পারসেন্ট গিয়ে দাঁড়ায়। যেখানে অ্যামাজন এর কাছে ছিল মাত্র 33 শতাংশ শিপমেন্ট শেয়ার। 2017 সালের একুশে সেপ্টেম্বর বিগ বিলিয়ন ডে তে 1.3 মিলিয়ন স্মার্ট ফর তারাবি কি করেছিল 20 ঘন্টায়। যেখানে 2016 সালের দিকে বিগ বিলিয়ন ডে তে মোট স্মার্টফোন বিক্রির পরিমাণ ছিল 2.5 মিলিয়ন।

ওয়ালমার্ট এর সাথে যুক্ত হওয়া

2018 সালে মে মাসের 4 তারিখে সবচেয়ে বড় খবরটি ছিল আমেরিকার রিটেল চেয়ে কোম্পানি ওয়ালমার্টের ফ্লিপকার্ট এর সাথে যুক্ত হওয়ার। মূলত অ্যামাজন এর সাথে ইন্ডিয়ার মার্কেটে বীট করার জন্যই ওয়ালমার্টের ফ্লিপকার্ট এর সাথে যুক্ত হওয়া। সেজন্যই ফ্লিপকার্ট এর ৭৭% শেয়ার কিনে নিয়েছিল ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে এবং তারা ৯ তারিখে অফিশিয়ালি ভাবে ঘোষণা করে ফ্লিপকার্ট এর সাথে যুক্ত হওয়ার খবর। তার কিছুদিন পরে ম্যানেজমেন্টের ভুল বোঝাবুঝির জন্য ফ্লিপকার্ড এর অন্যতম co-founder সচিন বন্সাল কোম্পানিটি ছেড়ে দেন। মূলত এখানে ওয়ালমার্টের প্রেসিডেন্ট ডগ ম্যাকমিলিয়ন চেয়ে ছিলেন চটকদার ভাবে কোম্পানিটির বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য। যা অনেকটা তাদের এতদিনের ডোমেস্টিক বিজনেস এর সাথে সাংঘর্ষিক ছিল।

2018 সালের মেয়ের 11 তারিখে আমেরিকার সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের হস্তক্ষেপে ওয়াল মার্ট কোম্পানিটির বেশির ভাগ শেয়ারের মালিকানা হওয়ায় সমস্ত কার্যক্রম নিজেদের মতো করে পরিচালনা শুরু করে। সেই বছরই ই বাই তাদের যুক্তি অনুযায়ী ফ্লিপকার্ট এর সাথে ডোমেস্টিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এবং তাদেরকে 1.1 বিলিয়ন মার্কিন ডলার ফেরত দেয়। পরবর্তীতে এই বাই নতুন ভাবে ইন্ডিয়াতে তাদের সেবা চালু করে কারণ কোম্পানিটি বুঝতে পেরেছিল ইন্ডিয়ার মার্কেটে ই-কমার্সের জন্য অনেক সম্ভাবনা রয়েছে বিশেষ করে ডোমেস্টিক মার্কেটগুলোতে। সফট ব্যাংক ও ওয়ালমার্টের 20 পার্সেন্ট শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছিল কোন রকম বিক্রয় চুক্তি বন্ধ না করে। 2018 সালের 18 আগস্ট ওয়াল-মার্ট 2 বিলিয়ন ইকুইটি ফান্ড দেয় ফ্লিপকার্ট কে।

সেই বছরের নভেম্বরের 13 তারিখে ফ্লিপকার্ড সিও বিনি বন্সাল রিজাইন করেন কিছু পার্সোনাল ইস্যু দেখিয়ে। ওয়ালমার্ট সে বিষয়গুলো নিয়ে ইনভেস্টিগেশন করছে তার বিরুদ্ধে।

ব্যবসায়িক গঠন

2014 সালে 25 শে নভেম্বর এর লিডিং মিডিয়া আউটলেট এর রিপোর্ট অনুযায়ী
ফ্লিপকার্ট বেশ জটিল বিজনেস স্ট্রাকচার ফলো করেছিল। যার মধ্যে নয়টি ফার্ম অন্তর্ভুক্ত ছিল ।কিছু সিঙ্গাপুরের কিছু ইন্ডিয়ার ছিল।

ফান্ডিং

ইনিশিয়াল এভাবে co-founder রা চার লক্ষ রুপি খরচ করে তাদের ওয়েবসাইটটি ডেভলপ করার জন্য পরবর্তীতে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল এস এল ইন্ডিয়া থেকে ফান্নিং রাইস করে তারা 1 মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং টাইগার গ্লোবাল থেকে 10 মিলিয়ন মার্কিন ডলার 2010 সালে ও 2011 সালে 20 মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

2012 সালের দিকে 100 মিলিয়ন মার্কিন ডলার তারা ফান্ডিং রাইস করে এম আই এস এবং আই সি ও এন আই কিউ ক্যাপিটাল থেকে। কমিটি ঘোষণা দেয় 2013 সালে জুলাইয়ের 10 তারিখে 200 মিলিয়ন মার্কিন ডলার তারা যুক্ত করে ছিল বহিরাগত বিনিয়োগকারী থেকে।
২০১৩ সালের কোম্পানিটি জানায় 2012 13 অর্থবছরে তাদের দুই দশমিক 8 1 বিলিয়ন রুপি হয়েছিল এবং তারা 160 মিলিয়ন রুপি রাইস করেছিল প্রাইভেট ইকুইটি ইনভেস্টর কাছ থেকে।

2013 সালের অক্টোবরে ফ্লিপকার্ড রিপোর্ট করে যে তারা 160 মিলিয়ন মার্কিন ডলার ইনভেস্টমেন্ট পেয়েছে ড্রাগণ ইউর ইনভেসমেন্ট গ্রুপ থেকে।

2014 সালের 26 শে মে ফ্লিপকার্ড ঘোষণা দেয় 210 মিলিয়ন মার্কিন ডলার ইউ আরে মিনে নার্স জি এস টি গ্লোবাল থেকে তারা ফান্ড রাইজ করেছে। একই বছর ডিসেম্বরে তারা 700 মিলিয়ন মার্কিন ডলার ফ্রাইড রাইস করা। 2015 সালের মে মাসের দিকে কিছু বহিরাগত ইনভেস্টমেন্ট ওর কাছ থেকে তারা 750 মিলিয়ন মার্কিন ডলার ফাইড রাইস করে এবং টোটাল ফাজের ভার্শন দাঁড়ায় 15 বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

2017 সালে এপ্রিলে ফ্লিপকার্ট 1.4 বিলিয়ন মার্কিন ডলার ফ্রাইড রাইস করে পরবর্তীতে ভ্যালুয়েশন দাঁড়ায় 11 দশমিক 6 বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ই ভাই মাইক্রোসফট এবং ট্রেন সেন্ট ছিল তারই অনুসারে আগস্টের 10 তারিখে ধরে 17 সালে সফট ব্যাংক ভিশন ফান ইন টেস্ট করেছিল 2.5 বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর মার্কেট প্লেস ফ্লিপকার্ট বিনিয়োগ করে তাদের ইন্টারন্ট সেবায় ভালো গতি আনার জন্য।

আইনগত সমস্যা

2012 সালের নভেম্বরে the Enforcement Directorate তদন্ত শুরু করে ফ্লিপকার্ট এ বিশাল ফরেন ইনভেসমেন্ট নিয়ে এবং সে বছর তা নিয়ে বেশ ঝামেলা হয়েছিল। 2014 সালে Enforcement Directorate বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে যে , তারা ফরেন এক্সচেঞ্জ নীতিমালা ভঙ্গ করেছে। দিল্লি হাইকোর্ট সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ফ্লিপকার্ট কে অবজারভেশনে রাখে। 2016 সালে পাবলিক ইন্টারেস্ট এর মামলা তাদের নামে হয় এবং দিল্লি হাইকোর্ট রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া কে ফরেন ইনভেসমেন্ট পলিসি খবরা-খবর সম্পর্কে জানতে চেয়ে রুল জারি করে।

2016 সালে জানুয়ারিতে দা ডিপার্টমেন্ট অফ ইন্ডাষ্ট্রিয়াল পলিসি এন্ড প্রমোশন পয়সা করে যে তাদের মার্কেটপ্লেস অনলাইন রিটেইল মডেলে কোন প্রকার সমস্যা খুঁজে না পাও। একই বছরে ফেব্রুয়ারি মাসে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নান্দা তথ্য প্রদান করেন যে মাদ্রাস এফডিএ ফ্লিপকার্ট এর বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিবে অনলাইনে ঔষধ বিক্রি করার জন্য কোন প্রকার লাইসেন্স ছাড়া।

তাছাড়া বিভিন্ন সময় ফ্লিপকার্ট কে তাদের কর্মী নিয়েও বেশ আইনি ঝামেলা পোহাতে হয়েছে এবং সেই পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের সেবায় তারা বিভিন্ন রকম ইনোভেশন আনার চেষ্টা করেছে। যেমন 2016 সালে এক্সিকিউটিভ অফিসারনাম Nanjuda swmmy একজন কাস্টমার কে মার্ডার করেছিলেন পণ্যের মূল্য পরিশোধ না করে। পরবর্তীতে সেই লোকটির নাম অনুসারে ফ্লিপকার্ট একটি উদ্যোগ প্রজেক্ট Nanjuda চালু করে। মূলত এই সেবাটি এক্সিকিউটিভ দের জন্য যে কোন উপকারে বাজে সিতে সেবা প্রদান করত। তাছাড়াও 2015 সালের দিকে তাদের কোম্পানিতে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিয়েছিল।

পুরস্কার সমূহ

সচিন বন্সাল পুরস্কার প্রাপ্ত হয়েছিলেন বর্ষ সেরা উদ্যোক্তা 2012-13 সালের জন্য সূত্র ইকনোমিকস টাইমস।
2015 সালের সেপ্টেম্বর মাসে ফ্লিপকার্ট এর 2 জন কো ফাউন্ডার কে নিয়ে Forbes একটি আর্টিকেল প্রকাশ করা হয় এবং তারা সারা পৃথিবী থেকে ধনী উদ্যোক্তাদের সারিতে 86 নাম্বার পলিশন পেয়েছিলেন।

2016 সালের এপ্রিলে সচিন বন্সাল এবং বিনি বন্সাল নাম উঠে এসেছিল পৃথিবীর 100 মানুষ আসলে মানুষ দের তালিকা টাইম ম্যাগাজিনের লিস্টে ।

এই সমস্ত ঘটনা থেকে কোম্পানি সম্পর্কে আমার নিজস্ব কিছু মতামত নিয়ে বলছি।

১) আপনি যখন কোন অনলাইন বিজনেস শুরু করবেন অবশ্যই তার আগে আপনার সেই বিজনেস সম্পর্কে পূর্ব আইডিয়া থাকা ভালো। যেমন এখানকার co-founder দের জীবন চক্র থেকে আমরা জানতে পারি যে তারা আগে অ্যামাজনের সাথে কাজ করেছিলে এবং তাঁর অভিজ্ঞতার পরিপেক্ষিতে তারা ফ্লিপকার্ট এর মত একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস চালু করতে পেরেছিলেন।

২)অবশ্যই আপনার সেবার ভিতরে ইনোভেশন আনতে হবে মানে হচ্ছে নতুনত্ব ।আপনি যতটা নতুনত্ব আনতে পারবেন সময়ের সাথে সাথে ততো আপনার সেবা গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে থাকবে মানুষের নিকট মানে আপনার টার্গেট কাস্টমারদের নিকট।

৩)অবশ্যই আপনার টিম বা কর্মীদের মধ্যে আপনার বন্ডিংটা ভালো হতে হবে। যত বন্ডিংটা ভালো হবে ততো আপনার ব্যবসার জন্য তার সুফল বয়ে নিয়ে আসবে । কারণ টিম হচ্ছে একটি স্টার্ট আপ এর প্রাণ।

৪)আরো একটি কথা হচ্ছে আপনার সেবার মান এবং মার্কেটে যদি আপনার ব্যবসাটি সম্প্রসারণ এবং তাকে কাস্টমার হিসেবে বাড়তে থাকে। তাহলে অবশ্যই আপনাকে পূর্ব পরিকল্পনার দরকার আছে।
হ্যাঁ তবে অবশ্যই সে ক্ষেত্রে আপনার প্রত্যেকটা ধাপে ভালোভাবে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে হবে। মানে হচ্ছে আগামী ১-২ টা বছরের জন্য ইনভেস্টমেন্ট পাওয়ার পর।
আপনি কিভাবে ইনভেসমেন্ট খরচ করবেন তা নিয়ে আপনার প্ল্যানিং কি বা কিভাবে কাজটা করতে পারবেন। সেটা অবশ্য ফাস্ট কোশ্চেন থাকবে আপনার জন্য যে কোন পিচ বা প্রেজেন্টেশনে। এজন্যই আপনাকে প্রতিটি ধাপে পরিকল্পনা মাফিক কাজ করতে হবে।

৫)একটি সেবা গ্রহণ করার পর অবশ্যই আপনাকে কাস্টমার ফিডব্যাক নিতে হবে। কারণ এটাই হচ্ছে আপনার জন্য অন্যতম একটা বড় সম্পদ । এই ডাটা যত আপডেট রাখতে পারবেন কত কাস্টমার ফিডব্যাক সম্পর্কে আপনার ভালো আইডিয়া হবে।
এবং আপনি তো আপনার কোম্পানির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বুঝতে পারবেন এবং ভবিষ্যতে আপনার কি করা প্রয়োজন তা সম্পর্কে আপনি বুঝতে পারবেন।

ধন্যবাদ সবাইকে।
Source-
Flip kart

No comments:

Post a Comment