Lipi Sd is with Razib Ahmed.
ডিজিটাল স্কিল ওয়ার্কশপ-১৬
গতকাল স্যার এর অসাধারন একটি অয়ার্কশপ করলাম ই-কমার্স সাইট নিয়ে। আজ তার সারসংক্ষেপ তুলে ধরার চেষ্টা করছি ।
ই-কমার্স কি্?
ই-কমার্স হচ্ছে ইলেকট্রনিক কমার্স যা মূলত অনলাইন সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তোলা একটি কোম্পানি । এই সকল কোম্পানির সব কাজ অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় । যেমন আপনি ইমরান ভাইয়ের সাত রং বিডি থেকে পচ্ছন্দ করে একটি ড্রেস অডার করলেন এবং কিনলেন । এ সকল অনলাইন সম্বলিত কোম্পানি গুলো কে মূলত ই- কমার্স ব্যবসায় প্রতিষ্টান.
কেন আসবেন আপনি ই-কমার্সে ?
আমরা কম – বেশি সবাই জানি আগামী দিনের সময়টা হবে ই- কমার্সের । কারন যুগের ও সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগছে । ব্যস্ত সময়ের বাহিরে গিয়ে কেনাকাটা বা কোন তথ্যের জন্য আমাদের এখন আর বসে থাকতে হয় না । বলা যায় সব কিছু এখন হাতের মুঠোয় । এক গবেষণায় দেখা গেছে , ২০২৫ সাল নাগাদ স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারির সংখ্যা হবে প্রায় ১৪ কোটি । এখন বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৭৬ লক্ষ ১৩ হাজার ৫৯ জন ( সূএ : world o meters ) । তাহলে বলা যায় , বাংলাদেশে ই- কমার্সের ভবিষ্যত বেশ উজ্জ্বল । তাছাড়া বাংলাদেশে বিশেষ করে শহর গুলোতে ২২ লক্ষ ফেসবুক এর একটিভ ইউজার রয়েছে । বিশ্বে এক মাসের মোট একটিভ ফেসবুক ইউজার সংখ্যার ১০০% এর মধ্যে বাংলাদেশে ১.১% রয়েছে । তাছাড়া ঢাকা শহর একটিভ ফেসবুক ইউজার ব্যবহারকারী রেঙ্কিকে এ ২য় হয়েছে । উপরোক্ত সকল আলোচনার প্ররিপেক্ষিতে বলা যায় , ই- কমার্সের দুয়ার সামনে শুধু খুলবে ।
আপনি ই-কমার্স নিয়ে এখন বেশ আগ্রহি । তবে কিছু বিষয় মাথায় রেখে আপনাকে প্রস্তুতি নিতে হবে তার জন্য ।
১) টেকনলজি সম্পর্কে যথেষ্ট নলেজ থাকতে হবে । আর কিছু না হলেও প্রাথমিক নলেজ নিয়ে আপনাকে মাঠে নামতে হবে।
২) স্টাডি করতে হবে প্রচুর । ই- কমার্সের বেসিক নলেজ গুলো আপনি ই-ক্যাব ব্লগ পড়ে পেয়ে যাবেন । একটা বছর আপনি আইটির নলেজের সাথে এটা অনায়াসে করতে পারেন ।
৩) এই ধাপে আপনাকে কি প্রোডাক্ট নিয়ে বিজনেস করতে চাচ্ছেন তার সম্পর্কে যথেষ্ট জানার চেস্টা করুন যথা সম্ভব পরিচিত হতে চেস্টা করুন প্রোডাক্ট এর সাথে । এছাড়াও কি ভাবে ও কোন সোর্স থেকে প্রোডাক্ট গুলো নিয়ে আসা হবে । বিকল্প সোর্সের ও খোজ রাখতে হবে বিপদ এড়ানোর জন্য ।
৪)পরিবহন ব্যবস্থা ও বিষয় নিয়ে আপনাকে কাজ করতে হবে ।
৫) ব্যবসায়র সাথে মার্কেটিং বিষয়টি গভীরভাবে জড়িত । এখানে আপনাকে খুঁজে নিতে হবে কোথায় কোথায় মার্কেটিং করা যায় । যথাঃ ফেসবুক পেইজ মার্কেটিং , গুগল বিজনেস মার্কেটিং , ম্যাসেঞ্জার এড ইত্যাদি ।
৬) কন্টেন্ট একটি বিশাল সম্পদ যে কোন ই-কমারস সাইটের জন্য । কারন আপনার প্রোডাক্টইর সকল তথ্য গুলো আপনি কন্টেন্টের মাধ্যমে তুলে ধরতে পারবেন । তাছাড়া আপনার ওয়েব সাইটের ব্লগে নিত্য নতুন কন্টেন্ট আপ করে আপনার ওয়েব সাইটের ভিউ ন্যাচেরালি বাড়াতে পারেন ।
এখন আলোচনা করছি বিজনেসটি ওপেন করার পর আপনার কাজ ।
আপনি বিজনেস রান করে দিয়েছেন , এখানে ও আপনার গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজ আছে । যথা
৭) অংশীদারি ভাবে বিজনেস না করা । ব্যক্তি স্বার্থের জন্য বেশির ভাগ সময় ঝামেলা হয় । তবে আপনি যদি আপনার মতো ডেডিকেটেড লোক পেয়ে যান তা হলে অংশীদারি বিজনেস করতে পারেন ।
৮) কাস্টমার ডেটা সংগ্রহ করা । এটা যে কোন কোম্পানির জন্য বিশাল সম্পদ । কারন আপনার ফিউচার বিজনেস মডেল এর উপর ৮০% নিভ্রর করে ।
৯) অডার পাওয়ার পর কাস্টমারকে ফোন করে ডেলিভারির সময়টি জানিয়ে দেয়া । এখানে সঠিক সময়টি বলুন কাস্টমারকে । যদি সময় মত কাজটি না করতে পারেন কাস্টমারকে জানান ।
১০) কুরিয়ার সার্ভিস টি সম্পর্কে জানুন । এখানে আপনি অধিক কোম্পানির সাথে যুক্ত হতে পারেন ।
১১) সেবা নেয়ার পর কাস্টমার ফিডব্যাক জানুন । এটা আপনার কোম্পানির ভাল বা খারাপ দিক গুলো বুঝতে সাহায্য করবে । সেবা আরোও কি ভাবে ভাল করা যায় তার জন্য বেশ কিছু আইডিয়া পেয়ে যাবেন ।
এই ছিল ওয়ার্কশপের। অনেক ধন্যবাদ স্যার এতো কিছু জানানোর জন্য। —
source -
ই-কমার্স নিয়ে ডিজিটাল স্কিল ওয়ার্কশপ
No comments:
Post a Comment