ফেসবুক পেজ নিয়ে ওয়ার্কশপ

ডিজিটাল স্কিল গ্রুপ ওর্য়াকশপ- ১১

গত অর্য়াকশপের বিষয় ছিল পার্সোনাল আইডি।

আজকের অর্য়াকশপের বিষয় ছিল ফেসবুক পেইজ।

আচ্ছা ফেসবুক পেইজ বলে আপনার সর্বপ্রথম মাথায় কি আসে আগে?

আমার কিন্তু কোন অনলাইন পেইজ এর কথায় সর্ব প্রথম মাথায় আসে। যেমনঃ কোন অনলাইন বুটিক শপের সুন্দর সুন্দর ড্রেসের ছবি। যারা প্রতিদিন ক্রমাগত ড্রেসের আপডেট দিয়ে থাকে সাথে লাইফ স্টাইল টিপস্।

কিন্তু বিষয়টি মোটেও তা নয়।
ফেসবুক পেইজ সাধারনত দুই প্রকার।

#)বিজনেস পেইজ
#)পার্সনাল পেইজ

#.বিজনেস পেইজ
সাধারণত আমাদের দেশে বিজনেস ফেসবুক পেইজের ব্যবহার পন্যের অর্ডার গ্রহণ বিক্রয় আর ডেলিভারি। সাথে পন্যের এড তো রয়েছে। কিন্তু এতে করে আপনি বেশি দিন আপনার কাস্টমারের সাথে এঙ্গেজ থাকতে পারবেন না। কারণ বর্তমানে বিক্রয়কে কখনই লাভ বাড়ানোর মাধ্যম হিসেবে দেখা হয় না। বিজনেস পেইজের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে অনেক কিছুই করা সম্ভব।

তবে চলুন ধাপ গুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

১) পেইজটি ওপেন নিয়ে অবশ্যই একটি সঠিক পরিকল্পনা থাকতে হবে। কারণ কি উদ্দেশ্যে বা কেন পেইজটি খোলা হচ্ছে তা পয়েন্ট আউট করা।

২)নিয়মিত কারা কারা পোস্ট করবেন তা ঠিক করে রাখা। কারন একক ব্যক্তির পক্ষে একা পরিচালনা বেশ কষ্ট সাধ্য।

৩) এডমিন একজন থাকা। অধিক এডমিন ঝামেলা বা ভেজাল করার সম্ভবনা বেশি থাকে। একক কে তা এড়ানো যায় অনায়াসে।

৪)পেইজটির নামের ক্ষেএে অবশ্যই সহজবোধ্য ও ইউনিকনেস রাখবে। নামটাই কিন্তু পরিচিতির একটি মাধ্যম।যেমনঃ সার্চ ইংলিশ গ্রুপের নামের ব্যাপতি প্রচন্ড। ইংলিশ শিক্ষার গ্রুপ মানেই সার্চ ইংলিশ।

৫)পেইজের সাথে একটি ওয়েবসাইট থাকা ভালো। কারণ এতে আপনার প্রতিটি কাজ নিরাপদ থাকবে।

৬)ওয়েব সাইটে এবং ফেসবুক পেইজের নাম একই থাকা ভাল। এতে কাস্টমার সহজেই খুজে পেতে সমস্যা হয়না।

৭)পেইজটি ওপেন পর কভার ও প্রোফাইল ছবি যেন অর্থপূন হয়। কারণ কভার ফটোই সবার চোখে আগে পড়ে এবং আপনার পেইজটি সম্পর্কে ধারনা তৈরি হয়।

৮)পেইজ ওপেনের পর আপনি কোন শ্রেনীর লোকদের ইনভাইট করবেন তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ আপনার যদি ফ্যাশন রিলেটেড পেইজ হয় অবশ্যই টিনএজারদের টার্গেট করতে হবে। ৩০ উর্ধ্ব লোকদের দিয়ে আপনি সেই ফিড বেক পাবেন না।

৯)নিয়মিত পোস্ট করুন। হোক তা ছোট পোস্ট। এটাই আপনাকে কাস্টমারের সাথে এনগেজ রাখবে। সাথে কমেন্টের মাধ্যমে কাস্টমাউরের মনোযোগ সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা পেয়ে যাবেন।

১০)আপনার বিজনেসের বাইরের টপিক নিয়ে আলোচনা করবেন না। যেমনঃ ভাইরাল কোন টপিক নিয়ে।

১১)ছেলে বা মেয়ে কোন প্রকার শ্রেনী বৈষম্যমূলক পোস্ট বা কমেন্ট না করা। এতে আপনার পেইজের প্রতি কাস্টমারের মনোযোগে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

১২)অবশ্যই পেইজের পরিচিতি বাড়াতে হবে।

এতো গেল বিজনেস পেইজ। এখন আসা যাক পার্সোনাল পেইজে।

#পার্সনাল পেইজ

এখানে পেইজ খোলার ব্যাপারে একই নিয়ম তবে এটা আপনার মতো করে সাজিয়ে নিতে পারবেন।

তবে কিছু বিষয় আগেই নির্দিষ্ট করে নিতে হবে।

১)কি বিষয়ের উপর পেইজটি ওপেন করবেন তা আগে ঠিক করা। কারণ এখন যা শখের বসে করছেন পরে তা আস্তে আস্তে প্রফেশনাল দিকে যাবে।

২)কভার ও প্রোফাইল ফটো অর্থবহ ভাবে নির্বাচন করা।

৩) নিয়মিত পোস্ট দেয়া। এক্ষেত্রে আপনি প্রশ্নওোর পর্ব হিসেবে ভিডিও আপলোড করা। কারণ এতে পরোক্ষভাবে ভাবে মেম্বারদের সাথে নিয়মিত এঙ্গেজ থাকা যায়।

৪)তবে পোস্ট নিয়ে একটা ভালো স্টাডি করা ভালো।এতে নিজেও আপডেট থাকতে পারবেন সাথে মেম্বারদের প্রশ্নের উওর দিতে পারবেন। যেমনঃ ফারিন আপু it's all about diabetes group এ দেখা যায়।

৫) about optionটি যর্থাথ তথ্য দিয়ে সাজানো। বিজনেস বা পার্সনাল দুটো পেজের ক্ষেএে।

এই ছিল আজকের ওর্য়াকশপের সারসংক্ষেপ।

ধন্যবাদ স্যার সুন্দর একটি ওর্য়াকশর্প করানোর জন্য।

শুভ রাএি। —
সোর্স -
 ফেসবুক পেইজ নিয়ে ওয়ার্কশপ 

No comments:

Post a Comment