Kamrul Hasan > Digital Skills for Bangladesh
আড্ডা পোস্ট ২৭ জুন ২০১৯।
বিষয়ঃ কনটেন্ট মার্কেটিং
নিয়ে আলোচনা করুন।
আড্ডা পোস্টে সবাইকে শুভেচ্ছা
ও স্বাগতম।
Razib Ahmed S M Mehdi Hassan Biplob
Kishore Deb
Ñâ Shrèè Ñîtû
কনটেন্ট মার্কেটিং হলো ডিজিটাল
মার্কেটিং এর প্রাণ
P S PriTom
কনটেন্ট- (Content) মানে
হলো বিষয়বস্তু । কনটেন্ট বা বিষয়বস্তু হলো এমন কিছু মাধ্যম যা দিয়ে কোনো কিছুকে প্রকাশ
করা যায় । কোনো কিছুর অবস্থা হতে পারে কোনো চিত্র ও শব্দও হতে পারে । এগুলো সরাসরি
প্রকাশ করা যায় আবার সংরক্ষিত রেখে সরবরাহ ও বিতরণ করা যায় ।
MD Zahid Hossain
সুন্দর টপিক। ভাইয়াকে অনেক
ধন্যবাদ খুব গুরুত্বপূর্ণ এই টপিকটি নিবর্বাচনের জন্য। সবাইকে স্বাগতম। এ বিষয়ে কিছুই
জানি না। কমেন্ট পড়ে অনেক কিছুই জানতে পারব ইনশাআল্লাহ।☺
Ataur Rahman
কন্টেন্ট বলতে সাধারণত আমরা
বুঝি আমাদের প্রেজেন্টেশন অথবা আমরা যদি কোনো বিষয়ের প্রতি একটি ভিডিও অথবা নাটক, শর্টফ্লিম
তৈরি করি তখন ওই ভিডিও অথবা নাটকের চরিত্র গুলো যেভাবে করানোর জন্য একজন লেখক থাকে
আর ওই বিষয় লিখা টা ই হলো কন্টেন্ট রাইটিং,
অর্থাৎ আমরা যে লেখক বলি
অথবা রাইটার বলি
তিনি ই হলো মূলত কন্টেন্ট
রাইটার
Afsana Aftab
কন্টেন্ট মানেতো লিখালিখি
মনে হয় এমন কোন মার্কেট হবে🤔
Rover
Ratan
কনটেন্ট মার্কেটিং বলতে আমি যা বুঝি
ধরেন আপনি একটি বাইক কিনবেন। আপনি তো হুট করে শো-রুমে গিয়ে কিনে
নিবেন না।
বাইকের ব্যাপারে সব কিছু খোজ খবর নিবেন বা ইন্টারনেট এ রিভিউ
দেখবেন, আসলেই প্রোডাক্ট টি ভাল কি না তা
যাচাই করা।
তারপর আপনি বাইক কিনবেন।
কনটেন্ট মার্কেটিং এর উদাহরণ এ বলতে গেলে যেমন টিভিটে এ্যাড, দেওয়া,
Rakibul
Hassan
কন্টেন্ট মার্কেটিং এর আরেক নাম হচ্ছে আর্টিকেল মার্কেটিং
Mojidul
Islam
মুলত কন্টেন্ট হলো কয়েক প্রকার তার মধ্যে হতে লেখা কন্টেন্ট
হলো সবচেয়ে ভালো কন্টেন্ট
Röwshön
Ârâ
Content
marketing is a from of marketing focused on creating , publishing ,
distributing a targeted audience in online
দিপালি রাবেয়া
কয়েকটি পত্রিকার সাংবাদিকরা যখন আর র্টিকেল লিখেন তখন তাদের
প্রত্যেকের লিখার মাঝে অনেক পাথ্যর্ক আছে যা ভিন্ন ভিন্ন পাঠকের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।।
এর জন্য কোন আর্টিকেল লিখার আগে অনেক রির্সাচ করে লিখা উচিয়।।
মুহাম্মদ ইয়াছিন আরফাত
কন্টেন রাইটিং কি?
এগুলা কিভাবে লিখে?
কোথায় এগুলা লিখে?
মার্কেটিং ব্যবস্থা কি রকম?
MD
Saim Hossain Sohel
বাংলাদেশে অনলাইনভিত্তিক ব্যবসাগুলো দিন দিন জনপ্রিয়টা লাভ করছে।এখন
স্থানীয় ব্যবসার চাইতে অনলাইনভিত্তিক ব্যবসার জনপ্রিয়তার অন্যতম কারন হচ্ছে অনলাইনভিত্তিক
ব্যবসার ক্ষেত্রে তেমন কোন পুজি ব্যয় করতে হয় না। যেমন দোকান ভাড়া ডেকারেশন ভাড়া ইত্যাদি
ভাড়া ব্যয় করতে হয় না।আর প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে সহজ থেকে আরো সহজতর করে তুলেছে।
এখন মানুষ ঘরে বসেই সবকিছুই করতে পারে। তাই এখন মানুষ অনলাইন এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন
দিয়ে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে খুব সহজভাবে।অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ্যে ফেসবুক
অন্যতম তাছাড়া ফেসবুক বাদেও অনেক অনলাইনভিত্তিক মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেগুলোতে কিনা খুব
সহজেই বিজ্ঞাপন দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে নেয়া সম্ভব। যেমন গুগোল, ইয়াহু এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইট গুলোতে বিজ্ঞাপন
দিয়ে কম খরচে ব্যবসা চালিয়ে নেওয়া যায়।বাংলাদেশ প্রযুক্তির বিশ্বে এখন অনেক এগিয়ে যাচ্ছে।
অনলাইন মার্কেটগুলোতে অনেক কলাকৌশল অবলম্বন করতে হয় তার মধ্যে
কন্টেন্ট মার্কেটিং অনেক জনপ্রিয়।কারন ব্যবসার ভাবমূর্তি ধরে রাখতে,ব্যবসা বাড়াতে, ক্রেতা
ধরে রাখতে,অন্য যেকোনো পদ্ধতির চাইতে কন্টেন্ট মার্কেটিং অনেক
বেশী কার্যকর। কনটেন্ট মার্কেটিং করতে ভালো কনটেন্ট প্রয়োজন হবে। পন্য কিংবা সেবাকে
কেন্দ্র করে দরকারী ও গুরত্বপূর্ণ তথ্য সমৃদ্ধ কনটেন্ট তৈরি করে তার বিভিন্ন কৌশলে
পাঠকের কাছে পৌছে দেয়ার পর পাঠকে কন্টেণ্টের সাথে সম্পৃক্ত করাই কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের
উদ্দেশ্য। ভিডিও, ছবি, টুইট, ই-বুক, ইনফোগ্রাফি ইত্যাদি কন্টেন্ট এর মাধ্যমে একজন
ভোক্তাকে সহজে প্রভাবিত করা যায় কন্টেন্ট মার্কেটপ্লেস।
মু.আবদুস সালাম
আড্ডা পোস্টে সবাইকে স্বাগতম।
আমার এলাকায় নেটওয়ার্কের বহু সমস্যা নিয়মিত প্র্যাকটিস করতে
পারছি না।। আশা করি দু একের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে।
আজকের বিষয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ। কন্টেন্ট রাইটিং একটি সুন্দর
পেশা যদি আমরা পারি নিজেকে প্রপার্লি যুক্ত করে এগিয়ে নিতে পারি।
Md Al
Amin Hossen
আজ কমেন্টস পড়বো আর রিপ্লাই দিব
MD
Saim Hossain Sohel
খুবই সহজ এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় এটি
Mojidul
Islam
কোন বিষয়ে বিস্তারিত লিখলে তাকে বলা হয় লেখিত কন্টেন্ট আর এই
লিখিত কন্টেন্ট যারা করে থাকে তাদের কে বলা হয় কন্টেন্ট রাইটার,আর এই কন্টেন্ট রাইটার রা বিভিন্ন সাইটে কাজ
করে থাকে।একজন কন্টেন্ট রাইটার বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় লেখতে পারে।
দিপালি রাবেয়া
এই দিকে ভাল করতে হলে ইংরেজিতে দখল থাকতে হবে।। বাহিরে বিভিন্ন
গবেষনা সাম্প্রতিক বিষয়ের উপর জানতে ও তা নিজের ভাষায় উপস্থাপন করার দক্ষতা থাক তে
হবে।।কোন লিখা চুরি করা যাবে না।।
P S
PriTom
কন্টেন্ট এর দৈর্ঘ কেমন হবে ?
বিশেষজ্ঞদের মতে কন্টেন্ট অবশ্যই ১০০০ থেকে ১২০০ শব্দের হতে
হবে কিন্তু আপনি অবশ্যই আপনার কম্পেটিটরদের কন্টেন্ট দৈর্ঘ দেখে নিবেন। উদাহরণ হিসেবে
আপনার কম্পিটেটর কন্টেন্ট দৈর্ঘ যদি হয় ১০০০ শব্দের তবে আপনার কনটেন্ট অবশই ১১০০ থেকে
১২০০ শব্দের হতে হবে কারণ এইখানে রাঙ্কিং ফ্যাক্টর জড়িত এবং কন্টেন্টকে এসিও’র রাজা
বলা হয়। সাধারণত কন্টেন্ট ব্লগ বা নিশ এ একই ফর্মুলা ব্যবহার করা হয়।
Ñâ
Shrèè Ñîtû
কনটেন্ট মাকেটিং সহজ ভাষায় বলতে গেলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অন্য
প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি বর্গের সামনে লেখালেখির মাধ্যমে নিজের পণ্য উপস্থাপন করাকে বুঝায়
মু.আবদুস সালাম
আমাদের মধ্যে লেখার কোয়ালিটি তখনই ইমপ্রুুভ হয় যখন আমরা প্রতিনিয়ত
লেখতে থাকি।
P S
PriTom
আপনারা চাইলে কন্টেন্ট মার্কেটিং উপর ক্যারিয়ার গড়তে পারেন
Rakibul
Hassan
কন্টেন্ট মার্কেটিং হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি পদ্ধতি।এ
পদ্ধতিতে বিভিন্ন মার্কেটে ব্লগে ফেসবুকে পেজে বা পত্রিকাতে কিংবা ম্যাগাজিনে কোন প্রোডাক্টের
কোন প্রোডাক্ট সম্পর্কিত তথ্য ফ্রি দিয়ে তাদেরকে পন্যটি আপনার কাছ থেক কিংবা আপনার
ক্লায়েন্টের কোম্পানীর পণ্য সাজেস্ট করার মাধ্যমে কাস্টমার তৈরী করা।মোটকথা আর্টিকেল
লিখার মাধ্যমে কোন পণ্যের প্রচারণা করাই কন্টেন্ট মার্কেটিং।
ক্যামপাসের সেই দুষ্ট ছেলে
কনটেন্ট মার্কেটিং কি? শুরু করার
আগে যা আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে
বাংলাদেশে অনলাইনভিত্তিক ব্যবসাগুলো দিন দিন জনপ্রিয়টা লাভ করছে।এখন
স্থানীয় ব্যবসার চাইতে অনলাইনভিত্তিক ব্যবসার জনপ্রিয়তার অন্যতম কারন হচ্ছে অনলাইনভিত্তিক
ব্যবসার ক্ষেত্রে তেমন কোন পুজি ব্যয় করতে হয় না। যেমন দোকান ভাড়া ডেকারেশন ভাড়া ইত্যাদি
ভাড়া ব্যয় করতে হয় না।আর প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে সহজ থেকে আরো সহজতর করে তুলেছে।
এখন মানুষ ঘরে বসেই সবকিছুই করতে পারে। তাই এখন মানুষ অনলাইন এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন
দিয়ে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে খুব সহজভাবে।অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ্যে ফেসবুক
অন্যতম তাছাড়া ফেসবুক বাদেও অনেক অনলাইনভিত্তিক মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেগুলোতে কিনা খুব
সহজেই বিজ্ঞাপন দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে নেয়া সম্ভব। যেমন গুগোল, ইয়াহু এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইট গুলোতে বিজ্ঞাপন
দিয়ে কম খরচে ব্যবসা চালিয়ে নেওয়া যায়।বাংলাদেশ প্রযুক্তির বিশ্বে এখন অনেক এগিয়ে যাচ্ছে।
অনলাইন মার্কেটগুলোতে অনেক কলাকৌশল অবলম্বন করতে হয় তার মধ্যে
কন্টেন্ট মার্কেটিং অনেক জনপ্রিয়।কারন ব্যবসার ভাবমূর্তি ধরে রাখতে,ব্যবসা বাড়াতে, ক্রেতা
ধরে রাখতে,অন্য যেকোনো পদ্ধতির চাইতে কন্টেন্ট মার্কেটিং অনেক
বেশী কার্যকর। কনটেন্ট মার্কেটিং করতে ভালো কনটেন্ট প্রয়োজন হবে। পন্য কিংবা সেবাকে
কেন্দ্র করে দরকারী ও গুরত্বপূর্ণ তথ্য সমৃদ্ধ কনটেন্ট তৈরি করে তার বিভিন্ন কৌশলে
পাঠকের কাছে পৌছে দেয়ার পর পাঠকে কন্টেণ্টের সাথে সম্পৃক্ত করাই কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের
উদ্দেশ্য। ভিডিও, ছবি, টুইট, ই-বুক, ইনফোগ্রাফি ইত্যাদি কন্টেন্ট এর মাধ্যমে একজন
ভোক্তাকে সহজে প্রভাবিত করা যায় কন্টেন্ট মার্কেটপ্লেস।
Sabbir
Ahmad Mamun
ভাইয়া ও আপুরা,,,
যাদের সময় আছে তারা অন্যের কমেন্টর রিপ্লাই দেয়ার চেষ্টা করুন।।।
তাতে আপনার লেখার স্পিড বাড়বে এবং পড়ার স্পিড ও বাড়বে।।।
শুভকামনা রইলো সবার জন্য।।।
Rover
Ratan
♦ কনটেন্ট
মার্কেটিং এ আপনার যে প্রোডাক্ট টি বিক্রয় করতে চাইবেন। সেই প্রোডাক্ট এর গুনাবলি সাধারণ
ক্রেতার কাছে পৌঁছাতে হবে। আর অনলাইন কনটেন্ট এর মাধ্যমে তা সহজ হয়ে ঊঠে।
যেমন ঃ ফেশবুক টুইটার, এসব পোষ্ট
করে, ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে হবে। ক্রেতা আকৃষ্টি হলেই তখন কাষ্টমার
আপঅনার আছে আসবে।
Mojidul
Islam
এরকম কন্টেন্ট রাইটার হতে গেলে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। সেই সাথে
অনেক বিষয়ে পড়তে হয় আর নিয়মিত লেখার চর্চা করতে হয় আপনি চাইলেও একদিনে কন্টেন্ট রাইটার
হতে পারবেন না।নিয়মিত লিখতে লিখতে হতে পারবেন।ইতি পূর্বে যারা কন্টেন্ট রাইটার হয়েছে
তাদেরকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে মুখ দেখে তারা কন্টেন্ট রাইটার হয়নি
Röwshön
Ârâ
মানুষ এখন আর এ্যাড দেখতে চায় না । তথ্য ভিত্তিক কন্টেন্ট মার্কেটিং
এর তাই এখন প্রচুর চাহিদা রয়েছে।
Tasfia
Tasfia
আমার ফোনের চার্জ ১% আছে । তাই শেয়ার করে রেখেছি । চার্জ হলে
সব কমেন্ট পড়ব।
Mehadi
Hasan
Content
marketing বুঝতে হলে আগে কন্টেন্ট টি কি বিষয়ের উপর লেখা এবং লেখার
ধরনের কেমন সেটি বুঝতে হবে। আপনার কন্টেন্ট যদি ইনফরমেটিভ হয় তাহলে সেটি খুব সম্ভব
কাস্টমার কে ডাইরেক্ট কিনতে বলার জন্য বর্ণনা করা হতে পারে। তাহলে সেটি কিন্তু কন্টেন্ট
মার্কেটিং হবে না। কন্টেন্ট মার্কেটিং গল্পঃ বলার একটি আর্ট। প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ
গল্পঃ শুনতে আগ্রহী, সেই আগ্রহ আজও আছে। কন্টেন্ট মার্কেটিং ঠিক
তাই গল্পঃ বলার ছলে কাউকে কোনো বিষয় সম্পর্কে অবহিত করা বা উৎসাহিত করা।
Rimon
Deb Nath
যদিও আজকের টপিকটা একটু কঠিন তবুও যতটুকু সম্ভব তুলে ধরা যায়।
মার্কেটিং মানেই হচ্ছে প্রসার, যত বেশী
মানুষের কাছে যত বেশী পণ্য প্রসার করা যায় সেটাই হচ্ছে মার্কেটিং। মূলত মার্কেটিং তা
নয়। অবশ্যই মার্কেটিং এ প্রচার এবং প্রসার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তবে আপনি ডিজিটাল
মার্কেটিং করুন আর ট্রেডিশনাল, একজন মার্কেটার হিসাবে আপনার দ্বায়িত্ব
হচ্ছে যথাযথ রিসার্চ, এনালাইসিস করে সঠিক মানুষের কাছে সঠিকভাবে
আপনার পণ্যের প্রচার এবং প্রসার করা। আর এই কাজটা শুরু হয় মূলত কোন একটি পণ্য বাজারে
বা মার্কেটে আসার পরে নয় বরং আগে থেকে যখন রিসার্চ করে দেখতে হয় আদো মার্কেটে পণ্যটির
চাহিদা আছে কিনা, থাকলে কিরকম চাহিদা, কতজন
পণ্যটা কিনতে পারে, কারা বর্তমানে একই ধরণের পণ্য দিচ্ছি,
কিভাবে দিচ্ছে, মার্কেটে কিসের ঘাটতি রয়েছে যা
দিয়ে আপনি আপনার কম্পটিটিটরদের পিছনে ফেলে আপনার কাস্টমারকে বোঝাতে সক্ষম হবেন যে আপনার
পণ্যটিই হচ্ছে তাদের জন্য উপযুক্ত।
Rodela
Dopur Sorna Chy
অাজকের অাড্ডায় সমপূর্ন নতুন টপিকস। কিন্তু কাল পরীক্ষা তাই
অাজ অাড্ডায় থাকতে পারচি না সবাই দোয়া করেন যেন পরীক্ষা টা ভালো হয়।
P S
PriTom
আর্টিকেল রাইটিং কি
আর্টিকেল রাইটিং বা কন্টেন্ট রাইটিং হচ্ছে একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে
অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে রয়েছে বিশাল সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র।
যাদের ইংরেজীতে রয়েছে অগাধ দক্ষতা তারাই নিজেদেরকে রাইটার হিসেবে
প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন অনায়াসে। বিভিন্ন ওয়েব সাইটে বিভিন্ন উদ্দেশে আর্টিকেল লিখা
হয়। ব্লগ আর্টিকেল ছাড়াও প্রোডাক্টের রিভিউ, সার্ভিসের
সেলস পেজ, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য রিসোর্স বই, ব্রশিউর, লিফলেট বা অন্যান্য প্রচারনার কাজে রাইটারদের
আরটিকেল লিখার প্রয়োজন হয়।
Jainul
Abedin
কন্টেন্ট মার্কেটিং এর মান ভাল হলে এর ডিমান্ড প্রচুর
Forkan
Ramim
আগে কোন কিছু মানুষ বিজ্ঞাপন দেখে কিনতো। কিন্তু এখন সবাই সার্চ
করে রিভিউ দেখে কিনে। আস্তে আস্তে এটা অনেক দ্রুতগতীতে বাড়ছে। তাই কন্টেন্ট মার্কেটিং
এর চাহিদা ও অনেক ব্যপক।
Rakibul
Hassan
কন্টেণ্ট মার্কেটিং এর একটি জনপ্রিয় এবং ফলপ্রসু উপায় হচ্ছে
ইমেইল নিউজ লেটার।সাইন আপ করার পর রিডারদের কাস্টমারে পরিণত করার অনেক সুযোগ থাকে।এক্ষেত্রে
আপনাকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে তথ্যের দিকে মার্কেটং করবেন অল্প পরিমাণে।
Mehadi
Hasan
Content
marketing এমন একটি আর্ট যার মাধ্যমে আপনার টার্গেট কাস্টমারকে গল্পঃ
বলার ছলে তাকে আপনার প্রোডাক্ট বা পণ্যের ব্যাপারে উৎসাহিত করতে পারেন।
P S
PriTom
আর্টিকেল রাইটিং এর প্রকারভেদ
আর্টিকেল রাইটিংয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজের সুযোগ থাকলেও এই লেখায়
চার ধরনের কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। প্রথম দুই ধরনের কাজ কম পারিশ্রমিকের। বাকি দু’টি
বেশি পারিশ্রমিকের। স্বাভাবিকভাবেই আপনার ভাষাজ্ঞান কম হলে, যোগ্যতা কম থাকলে পরের দু’টি কাজ পাবেন না।
কম পারিশ্রমিকের কাজ দু’টি হলো :
০১. Rewriting এবং
০২. Snippet বা Short Article Writing।
Mehadi
Hasan
Content
marketing আপনার কন্টেন্ট যত ভালো হবে, আপনার টার্গেট অডিয়েন্স এর সাথে তত আপনার ভালো
রেলেশনশিপ গড়ে উঠবে।
9 · Like · React ·
Reply · More · Jun 27
6
replies
Amuly
Chandra Barmon
আজকের আড্ডা পোস্টের সবাইকে স্বাগতম। আজকের আলোচনার বিষয়টি অনলাইনে
যারা লেখালেখি করার অভ্যেস আছে তাদের জন্য। এ কাজিট করতে হলে প্রচুর স্টাডি করতে হবে।
আপনি যে বিষয়ে লেখতে বেশী পছন্দ করেন সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে তা নিজের ভাষায় লিখতে
হবে। কোন বিষয়ে কপি পেস্ট করা যাবে না।
কোন পণ্যের বিজ্ঞাপন দিয়েও মাকেটিং করা যায়।
10 · Like · React ·
Reply · More · Jun 27
6
replies
Mehadi
Hasan
কন্টেন্ট মার্কেটিং শর্ট টার্ম কোনো প্রসেস নয় এটি long term process.
Ñâ
Shrèè Ñîtû
যা বুঝলাম কনটেন্ট মার্কেটিং হলো ভিবিন্ন বিজ্ঞাপনের মতো।মানে
আপনার পন্য অন্যের কাছে তুলে ধরবেন খুব সহজ ভাষায়,যাতে করে ক্রেতারা খুব সহজেই সব কিছু বুঝতে পারে।
Forkan
Ramim
আর্টিকেল বা কন্টেন্ট কে কপি করার দিন শেষ! কারণ সার্চ রেংকিং
এ গুগল ইউনিক কন্টেন্ট গুলোকেই প্রধান্য দেয়। 😇
Mojidul
Islam
আপনি আপনার মত করে যেকোনো বিষয়ে লিখতে পারে তবে সেটাকে নিজের
ভাষায় ও বিষয়ে ভাষায় ফুটিয়ে তুলতে হবে এবং সহজ ভাষায় উপস্থাপন করতে হবে যাতে করে পাটকের
পড়তে কোন রকম কষ্ট না হয়
P S
PriTom
বেশি পারিশ্রমিকের কাজ দু’টি হলো :
০১. আর্টিকেল রাইটিং বা কনটেন্ট রাইটিং এবং
০২. প্রুফরিডিং ও এডিটিং।
এক কথায় আর্টিকেল রাইটিং বা কনটেন্ট রাইটিং হলো কোনো বিষয়ে ৪০০-৬০০
শব্দের লেখা তৈরি করা, যা কোনোভাবেই কোথাও থেকে হুবহু
নিয়ে তুলে দেয়া যাবে না। এটি ধরা পড়লে এক্ষেত্রে ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে। আর Proof
reading হলো কোনো লেখার বানান, গ্রামার,
স্টাইল ইত্যাদির ভুল শুধরে দেয়া। এর সাথে এডিটিং হলো লেখাটিকে আরো আকর্ষণীয়
ও শুদ্ধ করে তোলা।
Afsana
Aftab
অজুহাত দিতে চাচ্ছি না কিন্তু মোবাইলে সমস্যা অনেক হেং খাচ্ছে
😔😔
Tasmin
Bhuiyan
কন্টেন্ট মার্কেটিং:
আপনার প্রোডাক্ট বা অফার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে কন্টেন্ট
তৈরি করে বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে টার্গেট অডিয়েন্সকে এঙ্গেজ করাকেই কন্টেন্ট মার্কেটিং
বলে।
MD
Saim Hossain Sohel
আপনার কন্টেন্ট যদি অন্যরা ইউজফুল মনে করে, তারাই সেটা অন্যদের মাঝে শেয়ার করে বিলিয়ে
দেয়। এটা ট্র্যাডিশনাল মার্কেটিং এর চেয়ে বেশি কার্যকর।
যদি আপনার কন্টেন্ট কমও শেয়ার হয়, সেটা নিয়ে নতুন কাস্টমার পেতে সুবিধা হয়।
কেন? কারণ মানুষ আপনার কন্টেন্ট শেয়ার করছে এর মানে হচ্ছে আপনার
ব্যবসার উপর তাদের ট্রাস্ট আছে। এর ফলে তারা আপনারকে নতুন কাস্টমার খুঁজে পেতে সহায়তা
করছে।
Mojidul
Islam
আমাদের গ্রুপের Razib Ahmed স্যার, SM Mehedi hasan, Mehadi Hasan ভাই কন্টেন্ট,
ও আর্টিকেল রাইটার
MD
Saim Hossain Sohel
এটি অডিও ভিডিও এবং রাইটিং ও হতে পারে
Forkan
Ramim
আপনি রকমারি তে গেলে দেখবেন প্রত্যক বইয়ের একটা শর্ট রিভিউ তারা
দিয়ে দেয়। এটাই একধরনের কন্টেন্ট মার্কেটিং
P S
PriTom
আর্টিকেল রাইটিং কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন
APA
Style, MLA, Chicago style proofreading জানাটা জরুরি। APA হলো American Psychological Association এবং MLA
হলো Modern Languages Association. এছাড়া ব্রিটিশ
ইংরেজির জন্য অক্সফোর্ড স্টাইলের Proof reading ও Editing
জানলেও ভালো কাজ দেবে।
এসব প্রুফরিডিং বিষয়ে অনলাইন থেকে অনেক সাহায্য পাবেন। নীলক্ষেতেও
বই পাবেন আশা করি। তবে নিয়মগুলো বেশ ভালোভাবে রপ্ত করতে হবে। আপওয়ার্ক এগুলোর পরীক্ষা
আছে। পরীক্ষাগুলোয় প্রথম ১০ শতাংশ বা ২০ শতাংশের মধ্যে থাকলে এ ধরনের কাজ পাওয়াটা সহজ
হয়ে যায়।
Atiqul
Islam
ডিজিটাল কনটেন্ট বলতে শুধু আর্টিকেল বুঝায় না। ডিজিটাল কনটেন্ট
বলতে ছবি, ভিডিও, অডিও,
টেক্সট ইত্যাদি বুঝায়। অর্থাৎ ইন্টারনেটে আপনার যা দেখেন সবই ডিজিটাল
কনটেন্ট। আর এই কনটেন্ট হলো আপনার ব্যবসার মূল হাতিয়ার। বিভিন্ন উপায়ে আপনার কনটেন্ট
মার্কেটিং করতে পারেন, যেমন ফেসবুক, ইউটিউব,
গুগল, ইয়াহু, বিং,
ইমেইল, ও আরও বিভিন্ন উপায়ে।
Tasmin
Bhuiyan
কন্টেন্ট মার্কেটিং এর মূল লক্ষ্যই হলো আপনার অডিয়েন্সকে মজার
ও গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন দিয়ে তাদের মনে ব্র্যান্ড/প্রোডাক্টের জায়গা করে নেয়া।
আহাম্মেদ সালাহ
আজ অনেক গুরুত্ত্বপূর্ণ আড্ডা।কমেন্ট পড়বো আর জানবো।তবে আমার
ছোট ভাই আর্কিটেল রাইটার।এবং একটা সাইট ও আছে। Sportingbd.com
SPORTING
BD | All Sports In One Shadow
sportingbd.com
Mojidul
Islam
আপনি চাইলে অন্যর আর্টিকেল কে কপি করে পোস্ট বা এটি শেয়ার বা
মার্কেটিং করতে পারবেন না।কারন যদি সে জানতে পারে তবে আপনার নামে আইসিটি মামলা দিতে
পারে।তাই কপি করে কন্টেন্ট রাইটার হওয়া যায় না পরিশ্রম করেই রাইটার হতে হয়।
Röwshön
Ârâ
কন্টেন্ট মার্কেটিং এর লক্ষ্য
➡️নতুন পাঠক সৃষ্টি
➡️বিশ্বাস স্থাপন করা
➡️ ক্রেতার সমস্যার সমাধান
Sanzida
Rahman
কনটেন্ট মার্কেটিং করার জন্য কি কি লাগবে?
P S
PriTom
কন্টেন্ট রাইটিং আপনার প্রয়োজন মূল দু’টি দক্ষতা :
০১. ইংরেজি শুনে বোঝা এবং
০২. দ্রুত টাইপিং দক্ষতা।
Mariya
Islam
কমেন্টগুলো পড়তেছি ।
Rimon
Deb Nath
কন্টেন্ট মার্কেটিং একটু অন্যরকম। এটা লংটার্ম মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি।
এখানে কাস্টমার আপনার কাছে পাওয়া তথ্য থেকে বুঝতে পারবে আপনার সার্ভিসের কোয়ালিটি, ফলে সে আপনার কাস্টমার হতে আগ্রহী হবে। কন্টেন্ট
মার্কেটিং এর একটি জনপ্রিয় উপায় হচ্ছে ইমেইল নিউজলেটার। ভাই সোজা হিসাব হলো আপনার
তথ্যের উপর ভিত্তি করে কাস্টমার বুঝতে পারবে আপনার পন্যের গুনগত মান সম্পর্কে।
Forkan
Ramim
বর্তমানে একটা কোম্পানি তাদের মেইন প্রোডাক্টসের জন্য খরচ করে
২৩% আর বাকী ৭৭% খরচ করে মার্কেটিং এর জন্য। ব্যপারটা সত্যিই অনেক মজার!
Röwshön
Ârâ
কন্টেন্ট মার্কেটিং বেঞ্চমার্ক জরিপ অনুযায়ী ৮৬% বিজনেস কন্টেন্ট
মার্কেটিং করে। এর মানে হচ্ছে মার্কেটে প্রতিযোগিতা অনেক বেশি।
Tasmin
Bhuiyan
কন্টেন্ট মার্কেটিং এ সরাসরি প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রির কথা
বলা হয় না, তাই এটা খুব সহজেই বিক্রি বাট্টা
দেয় না।
এটা বলতে গেলে একটা চলমান প্রক্রিয়া। সবসময় আপনাকে রিসার্চ করতে
হবে কোন ধরণের কন্টেন্ট আপনার অডিয়েন্স পছন্দ করে এবং সেটার সাথে আপনি কিভাবে আপনার
প্রোডাক্টকে রিলেট করবেন।
P S
PriTom
আর্টিকেল রাইটিং এর প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার
*Dupe free Pro
software
* Word
web.
* Note
pad.
* MS
Word.
* File
Format Converter
Kawcher
Habib
কমেন্ট পড়ে কন্টেন্ট রাইটিং সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম।
সবাইকে ধন্যবাদ।।
P S
PriTom
কোথায় কাজ পাবেন
এই সাইট গুলোয় মুলত ভাল মানের কাজ পাবেন।তবে এছাড়াও আছে অনেক
গুলো মাধ্যম।
Upwork
| Hire Freelancers. Make things happen.
upwork.com
Rimon
Deb Nath
আমি মনে করি মার্কেটিং এর প্রধান ৪ টি ক্ষেত্র প্রত্যেকের জানা
খুব প্রয়োজন। যেমন:
প্রোডাক্ট – যে পণ্যটি নিয়ে আপনি মার্কেটিং করতে চান।
প্রাইস – যে দামে পণ্যটি আপনি ক্রেতার কাছে বিক্রয় করতে চান।
প্লেস – যে স্থান থেকে ক্রেতা পণ্যটি কিনতে পারবে এবং
প্রমোশন – যেভাবে আপনি আপনার পণ্যের প্রচার এবং প্রসার করতে
চান।
Nisat
Tasnim Nishu
সাথে আছি
Tasmin
Bhuiyan
কন্টেন্টের মাধ্যমেই কমিউনিকেট এবং ইন্ট্যারাকশন তৈরি করবেন
অডিয়েন্সের সাথে। আবার আপনাকে আপনার কম্পিটিটরদের কন্টেন্ট এনালাইসিস করে ইউনিক ইনফো
খুঁজে বের করতে হবে।
Röwshön
Ârâ
কন্টেন্ট মার্কেটিং করার উপায় অনেক। নিচে কয়েকটি উপায়ের লিস্ট
দেয়া হলঃ
,➡️ব্লগিং
➡️অডিও পডকাস্ট
➡️ইউটিউবে ভিডিও
➡️সোশ্যাল মিডিয়া ফলোয়ার
➡️ইনফোগ্রাফিক
➡️অন্যান্য পপুলার ব্লগে গেস্ট পোস্ট
➡️বই বা হোয়াইট পেপার লেখা
➡️ওয়েবিনার করা
মু.আবদুস সালাম
সবকিছু ই আসে পরিশ্রম মানে কঠোর পরিশ্রম দ্বারা।। অনেক গবেষণা
টিচার্স করে দীর্ঘদিন কাজ করলে ইনশাআল্লাহ আমরা যেটি চাই সেটি পাওয়া অসম্ভব নয়।
Tasmin
Bhuiyan
অ্যাডভারটাইজমেন্টের মত দ্রুত কোনো কনভার্সনের সু্যোগ না এলেও, অন্য যে বড় সুযোগ আছে সেটা হচ্ছে, লং টাইমের জন্য আপনার একটা লয়াল কমিউনিটি তৈরি হবে, যারা
পরবর্তীতে অন্যদের কাছে আপনার প্রোডাক্ট বা ব্র্যান্ডকে রেফার করবে।
P S
PriTom
Helium
হিলিয়াম হচ্ছে আরেকটি জনপ্রিয় সাইট যেখানে আর্টিকেল লিখে আপনি
অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এখানে আপনি আপনার নিজের পছন্দ অনুসারে টপিক বা বিষয়বস্তু
বেছে নিয়ে লিখতে পারেন অখবা হিলিয়ামের ক্লায়েন্টদের জন্য তাদের এসাইনমেন্ট ড্যাশবোর্ড
অনুসারে লিখতে পারেন। হিলিয়ামে অর্থ উপার্জন হয় মূলত এসব ”এসাইনমেন্ট-বেসড আর্টিকেলগুলি”র
মাধ্যমে যেগুলি বিভিন্ন পাবলিশার বা ব্র্যান্ড কোম্পানী কিনে নেয যাদের ওয়েবসাইট বা
প্রোডাক্টের জন্য কনটেন্ট প্রয়োজন।
Nuri
Nur
আমার এ ব্যাপারে জানা নেই
আইরিন আক্তার
কন্টেন্ট মার্কেটিং হচ্ছে একটি প্রসারতা বা বিস্তার।মার্কেটি
ইউজফুল তথ্য ফ্রি দিয়ে কাস্টমারকে নিজের কন্টেন্ট এর দিকে ধাবিত করাকে কন্টেন্ট মার্কেটিং
বলা হয়।
Tasmin
Bhuiyan
২০১৯ সালে বেশ কিছু বড় এজেন্সি আছে যারা দুনিয়াব্যাপি কন্টেন্ট
মার্কেটিং সার্ভিস দিচ্ছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, Location3, Digivate, Leverage Marketing, 97th Floor ইত্যাদি।
মু.আবদুস সালাম
কনটেন্ট মার্কেটিং সম্পর্কে ভাল জ্ঞান তৈরী করে নিজেকে প্রফেশনাল
করা যাবে যদি ইচ্ছা থাকে
কাজ করার মনমানসিকতা থাকে।
Shahibur
Rahman
গুরুত্বপূর্ণ টোপিক!! খুব ভালো লাগছে!! "
আইরিন আক্তার
এটি একটা লংটাইম স্ট্রাটেজি। এখানে কাস্টমার আপনার কাছপ পাওয়া
তথ্য দেখে বুঝতে পারবে যে আপনার পন্যটি কতটুকু কোয়ালিটি সম্পন্ন আর কতটুকু গ্রহনযোগ্য।তার
পরেই না মানুষ আপনার কাস্টমারর হতে আগ্রগী হবে।
P S
PriTom
Constant
Content
আপনি কনস্ট্যান্ট কনটেন্ট সাইটে আর্টিকেল লিখে আয় করতে পারেন।
এই সাইটে লেখকগন তার কোন কন্টেন্ট একাধিক গ্রাহকের কাছে বিক্রয় করতে পারে। এছাড়াও এখানে
“পাবলিক রিকুয়েস্ট সিস্টেম” নামে আরো একটি অপশন আছে যেখানে লেখক তার কোন কনটেন্ট সাবমিট
করতে পারেন। এ কন্টেন্টগুলি মুলত সেসব ক্রেতাদের উদ্দেশ্যে সাবমিট করা যারা কোন নির্দিষ্ট
বিষয়ের উপর কন্টেন্ট খুঁজছেন।
Mehadi
Hasan
কন্টেন্ট মার্কেটিং এর মূল উদ্দেশ্য কি? মূল উদ্দেশ্য হলো টার্গেট অডিয়েন্সের কাছে
পৌঁছানো, লিড জেনারেট করা, ব্র্যান্ড সম্পর্কে
সচেতনতা তৈরি করা ইত্যাদি।
Khondokar
Najnin Nahar
A
content controller should have strong management knowledge to make clear the customer
about the products services.
Md
Daloare Hossain
১. সবাইকে আজকের আড্ডা পোস্টে স্বাগতম। কনটেন্ট বা আর্টিকেল:
কনটেন্ট হলো ডকোমেন্ট কা বিষয় বস্তু। যে বিষয় বস্তু দিতে আমি অন্যেকে ক্লিয়ার ধারনা
দিতে পারি তাকেই কনটেন্ট বলা যায় বলে আমি মনে করি। ছবি, ভিডিও, আর্টিকেল (লিখিত
পোস্ট), অডিও ক্লিপ ইত্যাদি হলো কনটেন্ট অর্থাৎ যা দিয়ে আমি আপনাকে
ক্লিয়ার ধারণা দিতে পারি।
Md Al
Amin Hossen
একজন ভালো কন্টেইনার হতে হলে আগে একজন ভালো পাঠক হতে হবে,ধৈর্যশীল হতে হবে।
আইরিন আক্তার
কন্টেন্ট মার্কেটিং এর সুবিধা। মানে কেন আমরা এটা ব্যবহার করবো।বর্তমান
যুগটা হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তির যুগ।দিন দিন আমরা প্রযুক্তিদ দিকে অগ্রসর হচ্ছি।তাই আমরা
এখন আর আগের মতো টিভি বা রেডিও এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নাই।নতুন নতুন উদ্ভাবনের কারনে আমরা
যে কোন জিনিস হাতের কাছেই পাচ্ছি।তাই আমরা টিভি বা রেডিওতে কোন জিনিসের সম্পর্কে জানার
চেষ্টাও করিনা যা জানার ইচ্ছা তা আমরা মোবাইল বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে জানতে পারতেছি।আর
কন্টেন্ট মার্কেটিং টা কিন্তু ইন্টারনেট ভিত্তিক তাই আমরা সহজে এর সুবিধা নিতে পারি।
Md
Daloare Hossain
২. বর্তমান ডিজিটাল বিশ্ব চলছে কনটেন্টের উপর ভর করে। প্রতিটি
ওয়েবসাইট কোন না কোন কনটেন্টের উপর নির্ভরশীল। ই-কমার্স ওয়েবসাই, নিউজ ওয়েবসাইট, ব্লগ,
জেলা ওয়েবসাইট, এডুকেশন ওয়েবসাইট, সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট ইত্যাদি সবই কনটেন্ট নির্ভর। কনটেন্ট কে বলা হয় ওয়েবসাইটের
প্রাণ। একটা ওয়েবসাইটে যত বেশি কনন্টে আপলোড হবে তত বেশি ভিজিটর আসবে।
আইরিন আক্তার
মানুষ ফ্রি জিনিস পেতে পছন্দ করে আর কন্টেন্ট মার্কেটিং এর সব
তথ্য আমরা ফ্রিতে পাচ্ছি এতে আমাদের একটাকাও দরকার হচ্ছে না
Afrin
Chy
কন্টেন্ট রাইটার হচ্ছে এক ধরনের কাজ।এটা কে আপনারা চাইলে পেশা
হিসাবে ও নিতে পারেন।অনেক অনেক সম্ভবনা ময় একটা কাজ বলতে পারেন।এটা দিন যত যাবে ততো
চাহিদা বাড়বে,কমবে না কিন্তু।অনেকেই বলতে পারেন
আপনি কোন যুক্তিতে বলতেছে।তাইলে শুনেন আজ থেকে ৫০০-৬০০ বছর আগে মানুষ কি করতো।তাদের
জীবন যাপন কেমন ছিল।তারা ফলমূল খেয়ে ক্ষুদে নিবার্ন করতো।তারা আস্তে আস্তে আগুন আবিস্কার
করলো।তারপর তাদের জীবন-যাপন একটু তাদের উন্নয়ন হল।এর থেকে বুঝাযায় মানুষ আস্তে আস্তে
উন্নয়ন হচ্ছে।তখনকার সময় মানুষ একে অপরের উপর নির্ভরশীল ছিল।কিন্তু এখন দেখেন মানুষ
আস্তে আস্তে নিজে নিজে সব কিছু জানতে চাই।তাও আবার ঘরে বসে।এই কাজ টা যারা করে তাদেরকে
বলে আটির্কেল রাইট
Jainul
Abedin
কন্টেন্ট এ পরিপক্ব হতে হলে খুব বেশি পড়তে হবে এবং প্রাক্টিস
করতে হবে,এর তেমন ডিমান্ড ও আছে আজকের বিশ্বে
আইরিন আক্তার
প্রযুক্তি আমাদের এমন সুযোগ সুবিধা দিয়েছে যে আমাদের কষ্ট করে
বাইরে গিয়ে কেনাকাটা বা প্রয়োজনীয় কিছু কিনতে হচ্ছে না।আর কন্টেন্ট মার্কেটিং এর ফলে
কোন জিনিসের কোয়ালিটি ভালো আর কোন জিনিস কিনলে ভালো হবে সেটা সহজে বেছে নিতে পারি।
Md
Daloare Hossain
৩. কনটেন্টের মার্কেট বিশাল, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে। তাই আপনার যদি লেখালেখির হাত ভালো থাকে আর্টিকেল লেখেও
আপনার সংসার চালাতে পারবেন। যদি ভালো ক্যামেরা থাকে তাহলে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ছবি তুলে
দিয়ে আয় করতে পারবেন আবার যদি ভালো পডকাস্ট বা ভিডিও বানাইতে পারেন তাহলে তা থেকেও
প্রচুর আয় করতে পারবেন সবকিছুর প্রচুর মার্কেট রয়েছে।
Md Daloare Hossain
৫. আয় করার জন্য আর্টিকেলের ব্যাপক চাহিদা।
আপনার যদি লেখালেখির হাত সৃজনশীল হয় তাহলে আয় করা বেশি কঠিন কিছু না। মনে করেন “ডিজিটাল
বাংলাদেশ” টাইটেলে ১০০০০ কন্টেন্ট আছে আপনাকে একই টাইটেলে একটা লেখা দিতে হবে একটা
ওয়েবসাইটের জন্য তখন যদি আপনি অন্যর টা কপি করে পোস্ট করেদেন তাহলে আপনারটা গুগলে র্যাংক
হবে না। তাই একদম নিজের মতো করে লিখলে কারো সাথে মিলবে না তখন গুগল র্যাংক করতে পারে।
Md
Daloare Hossain
৬. কনটেন্টে কখনো কাপি করার চেষ্টা করা যাবে না। সব সময় নিজের
মেধা খাটিয়ে সৃজনশীল ভাবে লিখতে হবে এবং প্রচুর পড়ার অভ্যাস থাকতে হবে। পড়া ছাড়া গতি
নেই।
Md Daloare Hossain
৭. বাংলাদেশে জনপ্রিয় আর্টিকেল সেক্টর
গুলো
নিউজ ওয়েবসাই: এখানে মূলত সাংবাদকিতা ছাড়া
লেখালেখি কঠিন। তারা সমসাময়ীক গঠনা গুলো মানুষের সামনে তুলে ধরে, দেশের চিত্র তুলে ধরে। এখানে লিখালিখি
করে হয় সম্পূর্ণ নিজের সংগ্রীত তথ্য থেকে।
ব্লগ সাইট: এখানে যেকেহ লিখতে পারে। ব্লগ
হেতে পারে যেকোন বিষয়ের উপর। আমি জেলা ওয়েবসাইটে লেখালেখি করি জেলার প্রতিচ্ছবি নিয়ে, হেলথ নিয়ে লিখা যায়, পর্যটন নিয়ে লেখা যায়, খেলা নিয়ে লেখালেখি করা যায়, শিক্ষা সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখা যায়।
ই-কমার্স ওয়েবসাইট: এসব ওয়েবসাইট গুলোতে
মুটামুটি প্রোডাক্টে বিবরণ লেখা হয়, এ প্রোডাক্ট কেন আপনার প্রয়োজন, অন্য প্রোডাক্টের চেয়ে আলাদা কি কি আছে, কিভাবে ব্যবহার করতে হবে প্রডাক্ট, ইত্যাদি।
আমি যেসব সক্টর নিয়ে আলোচনা করলাম তার
বাহিওে আরও বহুখাত রয়েছে লেখালেখি করার। এসব ওয়েবসাইটে এডমিনদের পক্ষে সব পোস্ট লেখা
সম্ভব নয় তাই তারা ফার্মানান্ট বা আউটসোর্সের মাধ্যমে আর্টিকেল লেখিয়ে থাকেন তাই আপনিও
হতে পারেন একজন লেখালেখির জন্য।
Md Daloare Hossain
৮. আর্টিকেল রাইটিং এ রাতারাতি টাকা আসে
না আাবর আসার শুরু হলে টাকা খরচের জায়গা হয় না মানে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি আসে
Md Al Amin Hossen
কনটেন্ট ও বগ্ল এর মধ্যে পার্থক্য কি?
Khondokar Najnin Nahar
A content writer has to present all
about in a fruitful way that can be easy for all classes of people.
Md Daloare Hossain
১১. তথ্যসমৃদ্ধ কনটেন্ট লিখতে হলে পড়াশুনা
করে লিখতে হবে, সঠিক পরিসংখ্যান, সঠিক গুনাবলি সহ তাহলে মানুষ আগ্রহী হবে
পড়ার জন্য।
Md
Daloare Hossain
১২. আর্টিকেল লিখতে হবে সবসময় অর্ডিয়েনস এবং বিষয় নির্ধারণ করে
তাহলেই সঠিক অর্ডিয়েনস তা গ্রহণ করবে।
Sumaiya
Siddika
কন্টেন্ট রাইটিং আপনি বাংলা এবং ইংরেজি দুই ভাষাতেই করা যায়।
Razib Ahmed
প্রতিদিন অন্তত ৫ ঘণ্টা করে রিডিং পড়তে
হবে যদি কেউ ভাল কন্টেন্ট রাইটার হতে চান।
Sumaiya
Siddika
যখন আপনার লিখার ক্ষমতা বাড়বে তখন আপনি যে কোন বিষয়ে কন্টেন্ট
লিখতে পারবেন।কন্টেন্ট লিখতে পারলে কন্টেন্ট মার্কেটিং নিয়ে একটু চেষ্টা করলেই পারা
যাবে।তবে সফল হতে হলে ধৈর্য ধরে লেগে থাকতে হবে।
Md
Amirul Islam
Content
writing is most valuable, I do not know very well it but I something known
reading comment, so thanks everyone
S M Mehdi Hassan
সবাইকে আজকের আড্ডায় স্বাগতম। আজকের আড্ডার
বিষয় হচ্ছে কনটেন্ট মার্কেটিং। সোজা কথায় বললে কনটেন্ট মার্কেটিং হচ্ছে যে মার্কেটিং
পন্থায় কনটেন্ট ব্যবহার করা হয়। এই কনটেন্ট হতে পারে টেক্সট, অডিও বা অডিও-ভিজ্যুয়াল
ইত্যাদি।
কনটেন্ট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে কোন ব্রান্ড সরাসরি প্রমোট করা
হয় না কিন্তু কোন একটি বিষয় আলোচনার মাধ্যমে সেই বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত বিবিধ পণ্য
ও সেবা তুলে ধরা।
এটা একেবারে বাস্তব উদাহারণ আমার নিজের জীবনে ঘটেছে এবং এই অভিজ্ঞতা
নিয়ে আমি ই-ক্যাব গ্রুপে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি
মাসে একটি পোস্ট দেই। এখানে সেই পোস্টের অংশ বিশেষ তুলে দিলাম আপনাদের জন্যে-
আমার যে ব্যক্তিগত টয়লেট সেখানে ইংলিশ কমোড দেয়া। আমি দীর্ঘদিন
এটা ব্যবহার করতাম। আমি প্রতিদিন ই-কমার্স
নিয়ে লেখাপড়া করি। বিজনেস ইনসাইডার এ আমি প্রায়ই ভিজিট করি। এটা খুবই ভাল একটা নিউজ
ওয়েবসাইট।এই ওয়েবসাইটের একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তাদের কনটেন্ট খুবই আকর্ষণীয়। আমি হয়তো
একটা বিষয় নিয়ে পড়তে ঢুকেছি কিন্তু পাশে অন্য আর্টিকেল বা ভিডিওর লিঙ্ক দেখে আমার সেটা
দেখতে বা পড়তে ইচ্ছে হবে। এমনটা প্রায়ই হয় যে একটা আর্টিকেল পড়তে থাকি কিন্তু আস্তে
আস্তে তিন চারটা ভিডিও দেখা হয়ে যায় বা অন্য আর্টিকেলের লিঙ্কে ক্লিক করে পড়তে থাকি।
তো একদিন কি আমি এরকম একটা আর্টিকেল পড়ছি কিন্তু সাথে সাথে এই লিঙ্কটায় চোখ পড়ল এবং
টাইটেলটা পড়ে আমার কৌতুহল আরো বেড়ে গেল "Scientists have discovered
that we're going to the bathroom the wrong way"।
তো যথারীতি সেই পেইজে ভিজিট করলাম। দেখলাম দুই মিনিটের একটি
ভিডিও আছে। ভিডিওটা মূলত "Squatty
Potty" নামে একটা প্রডাক্টের মার্কেটিং ভিডিও। ভিডিওতে দেখান হয়েছে
যে যারা দীর্ঘদিন ধরে ইংলিশ কমোড ব্যবহার করতে অভ্যস্ত তাদের পেটে পরে কি কি সমস্যা
হতে পারে। স্কোয়াটি পটি ব্যবহার করে এই সমস্যার সমাধান করা যায়।
তো মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই ভিডিওটা দেখার পরে আমি জিনিসটা কিনি নাই কিন্তু তারপর থেকে আমি আর আমার
টয়লেটের ইংলিশ কমোড ব্যবহার করি না। আমি দেশী টয়লেট ব্যবহার করি।
যাই হোক, আপনাদের
সাথে এই ঘটনাটা আমি এইজন্যেই শেয়ার করলাম যে এই যে ভিডিও কনটেন্টটা সেটা হয়তো আমাকে
পণ্যটা কিনতে উৎসাহিত করে নি কিন্তু অন্যভাবে আমাকে প্রভাবিত করেছে। এই যে প্রভাবিত
করতে পারা এটাই ভাল কনটেন্ট এর মূল শক্তি।
ভাল কনটেন্ট দিলেই যে সাথে সাথে সেলস জেনারেট হবে তা নয়। সেটা
একজন ভোক্তাকে নানাভাবে প্রভাবিত করতে পারে এবং তার জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সাহায্য
করে। হাস্যকর হলেও এই ভিডিও কনটেন্টটি আমার জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে এবং আমি সেই
জন্যে এই সাইটটার কথা মনে রেখেছি। এই যে মানুষের মনে একটা ভাল অবস্থান তৈরি করা আপনার
প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে এটাই আসলে কনটেন্ট এর বড় শক্তি। যেটা অনেক ক্ষেত্রেই পরে সেলসে
কনভার্ট হতে পারে।
Delower
Hossain
কন্টেন্ট রাইটার হতে হলে লিখতে হলে প্রচুর পড়তে হবে সোজা কথা
Delower
Hossain
নিজের চিন্তাশক্তি অনেক প্রখর করতে হবে
Delower
Hossain
আমি যদি একজন দক্ষ কন্টেন্ট রাইটার হতে যাই তাহলে আমাকে পড়াশোনার
পাশাপাশি কোন দিকটায় বেশি ফোকাস করতে হবে
Sumaiya
Siddika
Delower
Hossain পড়ে কতটুকু বুঝতে পারলাম আর কতটুকু প্রকাশ করতে পারব।
Suborna
Ray
very
importent content in complex life
S M
Mehdi Hassan
কনটেন্ট মার্কেটিংয়ের সবচেয়ে ভাল উদাহারণ হচ্ছে ফিটনেস ওয়েবসাইট
বা ফিটনেস ভিডিও ব্লগ। এগুলো যদি আপনি দেখেন তাহলে দেখবেন যে বিভিন্ন ফিটনেস এক্সপার্টরা
তাদের আর্টিকেল বা লেখাতে বিভিন্ন ধরণের ফিটনেস প্রডাক্টের কথা উল্লেখ করেন। তারা এটা
বলে না যে আপনারা এইটা কিনুন। তাদের বলার স্টাইলটা এরকম যে বাজারে এই এই ব্রান্ডের
প্রডাক্ট আছে। আমি ব্যক্তিগত ভাবে এটা ব্যবহার করি বা পছন্দ করি।
কনটেন্ট মার্কেটিংয়ের আরো একটা দারুণ উদাহারণ আমি দেখেছি ব্রিটিশ
পত্রিকা The Daily Mail এ। এরা বিভিন্ন সেলিব্রিটি
বিভিন্ন ক্লাবে বা পার্টিতে যাবার সময় তাদের ছবি তোলে। ছবিতে দেখায় তারা কি কি ড্রেস
পরেছে। আর্টিকেলে তাদের ফ্যাশন বা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। কিন্তু আর্টিকেলের
ঠিক মাঝখানে বা শেষের দিকে সেই ড্রেসটার ছবি দেয়া আছে। যারা ওই সেলিব্রিটির ভক্ত তারা
যদি সেই ড্রেসটা ক্রয় করে।
Ahmad
Mahi
কন্টেন্ট হল যে কোন অনলাইন বিজনেস, ব্লগ, নিউজ পোর্টাল ইত্যাদির
জন্য মূল কান্ড স্বরুপ,কন্টেন্ট ছাড়া এ সব কিছুর কোনই মূল্য নেই।
কন্টেন্ট মার্কেটিং এর কিছু পদ্ধতি হল...
১:ব্লগিং করা
২:অডিও পডকাস্ট
৩:ইউটিউবে ভিডিও
৪:সোশ্যাল মিডিয়া ফলোয়ার
৫:ইনফোগ্রাফিক
৬:অন্যান্য পপুলার ব্লগে গেস্ট
পোস্ট
৭:বই বা হোয়াইট পেপার লেখা
৮:ওয়েবিনার করা
৯:ইমেইল নিউজ লেটার প্রেরণ করা ইত্যাদি
*কন্টেন্ট মার্কেটিং করতে হলে আগে জানতে হবে কন্টেন্ট লেখার
পদ্ধতি, কন্টেন্ট কিভাবে ইউনিক করতে হবে
তা জানতে হবে,অবশ্যই কন্টেন্ট যেন এসইও নির্ভরযোগ্য হয় তাতে করে
গোগলে ranking পাওয়া সহজ হয়ে যায়।
কন্টেন্ট কে এসইও ফ্রেন্ডলি করতে হলে ভাল কী ওয়ার্ড গ্রহন করতে
হবে,সর্ব নিম্ন ১০০০ শব্দের আর্টিকেল হতে হবে লিখিত
কোন কিছুর ক্ষেত্রে।
প্রতি ১০০ শব্দে কী ওয়ার্ড ডেন্সিটি হবে ২ থেকে ৩ টি।
*যদি কারো অনলাইন বিজনেস থাকে তবে গ্রাহক উপকৃত হয় সে জন্য প্রডাক্ট
রিভিউ এর পাশাপাশি ইনফরমেটিভ কন্টেন্ট ও দিতে হবে যাতে করে গ্রাহক নিজেই কন্টেন্ট টি
শেয়ার করতে বাধ্য হয় এবং আপনার সাইট ভিজিট করে সেবা গ্রহন করে।
কন্টেন্ট মার্কেটিং নিয়ে আরো অনেক কিছু শেখার আছে যা শুধু কমেন্ট
এ বলা সম্ভব নয়।
পরবর্তীতে পোস্টে এক সময় চেষ্টা করব লেখার।
ধন্যবাদ।
Saimun
Azad
কন্টেন্টের গ্রহনযোগ্যতা বাড়াতে হলে, কথার উপস্থাপনা অনেক স্মার্ট হতে হবে এবং কন্টেন্ট
লেখার গুনগত মান অনেক উন্নত হতে হবে!
Tajria Mishu
এটা নিয়ে তেমন কিছু বলায় মত নেই।কন্টেন্ট
রাইট হচ্ছে একজন লিখক এর মতো।যেই তার অভিজ্ঞতা থেকে সুন্দর করে প্রোডাষ্ট এর সকল গুনগত
মান,ভালো দিক গুলো তুলে ধরে তার লেখায়
Sanjida
Akter Eti
করেন্ট রাইটার হতে হলে বেশি বেশি পড়তে হবে।পড়লে লেখনি ও তত ভাল
হবে
source-
No comments:
Post a Comment