ই-কমার্সে পণ্যে এবং অনলাইন লেনদেনে কিভাবে ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করা যায়- Adda Post

Kamrul Hasan ▶ ‎Women and e-Commerce forum ( WE )

আড্ডা পোস্ট ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯।

বিষয়ঃ ই-কমার্সে পণ্যের গুণগত মানের প্রশ্নে এবং অনলাইন লেনদেনে কিভাবে ক্রেতাদের আস্থা বা বিশ্বাস অর্জন করা যায় কিংবা বাড়ানো যায়, এই নিয়ে আলোচনা করুন।

আড্ডা পোস্টে সবাইকে শুভেচ্ছা ও স্বাগতম।

 — with Razib Ahmed.
Sharmin Shakila

পন্য রির্টান করার অপশন অবশ্যই থাকতে হবে।যেহেতু ক্রেতা এখানে সরাসরি পন্য দেখার সুযোগ পায় না এবং কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তাদের কথা ও কাজে মিল রাখে না।মূলত এই ব্যবস্থা যদি কার্যকরী থাকে তাহলে বিক্রেতা পন্য সরবারাহের ক্ষেত্রে সচেতন হবে।যা তাকে ক্রেতার আস্থা অর্জনে সাহায্য অর্জনে সাহায্য করবে
Josna Akter

ক্রেতারা অনলাইনে পন্য ক্রয় করতে ভয় পায়।অনেক সময় দেখা যায় একটি পন্য অর্ডার করলে নিম্নমানের পন‍্য দিয়ে যায় ।এ ক্ষেত্রে পরবর্তীতে ক্রেতারা অনলাইনে পন্য কিনতে চায় না।
Josna Akter

ক্রেতারা অনলাইনে পন্য ক্রয় করতে ভয় পায়।অনেক সময় দেখা যায় একটি পন্য অর্ডার করলে নিম্নমানের পন‍্য দিয়ে যায় ।এ ক্ষেত্রে পরবর্তীতে ক্রেতারা অনলাইনে পন্য কিনতে চায় না।
শেষ প্রহর

ই-কমার্স ব্যবসায়ী কে পণ্যে আকর্ষণীয় মোড়ক,, এবং গুণগত মানের পন্যের দিকে খেয়াল রাখতে হবে
Mohsin Ali

ক্রেতাকে অবশ্যই আসল পন্য সরবরাহ করতে হবে। পণ্যের ছবিতো কোন ইডিট করা যাবে না। বিজ্ঞাপন কৃত পণ্যের সাথে সরবরাহ কৃত পণ্যের মিল রাখতে হবে। লেনদেনের ক্ষেত্রে মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক একাউন্ট ব্যবহার করতে হবে। ক্রেতা যেন পণ্য হাতে পেয়ে লেনদেন সম্পন্ন করতে পারে।

Biplob Kishore Deb

পণ্যের গুনগত মান ঠিক রাখা এবং ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে একটি আস্থার সম্পর্ক তৈরি হওয়া যেকোনো ব্যবসায়ের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। ই-কমার্সের জন্য বিষয়টি আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ কারন এখানে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে যোগাযোগ হয় মূলত অনলাইনে। ই-কমার্স বাংলাদেশের একটি উঠতি ইন্ডাস্ট্রি যেটি বেশ দ্রুত গতিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সারা দেশে। নতুন যেকোনো কিছুতেই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে কিছুটা সময় লাগে, ই-কমার্সও তার ব্যতিক্রম নয়। আর সেজন্যই ই-কমার্সের বাজার দুর্দান্ত গতিতে বৃদ্ধি পেলেও, প্রায় ৯০ শতাংশ পেমেন্ট এখনও ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’ (Cash on Delivery) মেথডে সম্পন্ন হয়।
এর পেছনে কারন মূলত দুটি। আমাদের দেশে অনলাইন পেমেন্ট সেবা চালু হয়েছে মাত্র ১০ বছর আগে, তাই এখনও অনেকেই অনলাইন লেনদেনে পুরোপুরি আস্থা রাখতে পারেন না। উপরন্তু আমাদের দেশে সাধারণ মানুষ ঐতিহ্যগতভাবেই ‘দেখে-কিনব’ সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী, ফলে তারা পণ্য হাতে পেয়ে সন্তুষ্ট হয়ে পেমেন্ট করত আগ্রহী, তার আগে নয়। তবে এই অবস্থার উন্নতিকল্পে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানও আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ক্রেতাদেরকে ডিজিটাল পেমেন্টে আকর্ষণীয় উপহার বা মূল্যছাড় দিচ্ছেন। কারন বিক্রেতার দিক থেকেও ক্রেতার প্রতি আস্থা অর্জন গুরুত্বপূর্ণ এবং এক্ষেত্রে ডিজিটাল পেমেন্ট সেরা সমাধান। আমার মনে আছে কয়েক বছর আগে পর্যন্ত অ্যামাজন কয়েকটি অপ্রীতিকর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলে ৫০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের পণ্যে ক্যাশ অন ডেলিভারি’র অপশনটি অফার করতো না। ই-কমার্স ব্যবসায়ীর জন্য ডিজিটাল পেমেন্টের আরেকটি সুবিধা হলো এক্ষেত্রে উক্ত পেমেন্টকৃত অর্থ সরাসরি তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে যায়, যেখানে ‘ক্যাশ অন ডেলিভার’ পেমেন্টে টাকাটা বিক্রাতার হতে পৌছতে কয়েক দিন সময় লেগে যায়। ব্যাংকসহ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোওনতুন নতুন অফার ও অ্যাপ-ভিত্তিক সেবা প্রদান করার মাধ্যমে ক্রেতাদেরকে ডিজিটাল পেমেন্টে উৎসাহিত করছেন। 
ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা নিজেদের দিক থেকে পণ্যের গুণগতমান রক্ষার্থে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। পণ্যের গুণগত মান রক্ষার পাশাপাশি ক্রেতা সন্তুষ্টির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পণ্যটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্রেতার নিকট পৌছে দেয়া। উভয় ক্ষেত্রেই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ডেলিভারি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রামের মতো বড় শহরগুলোর বাইরে জেলা শহরগুলোতে ই-কমার্স জনপ্রিয় হলে শক্তিশালী ডেলিভারি নেটওয়ার্ক তৈরিতে তা দারুনভাবে সহায়ক হবে, এবং এর পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতে তখন অনেকেই ওয়্যারহাউজ তৈরিতে আগ্রহী হয়ে উঠবেন- যার মাধ্যমে পণ্য ডেলিভারিতে সার্বিক উন্নয়ন সাধিত হবে।
ই-কমার্সে ডিজিটাল পেমেন্টের পরিমাণ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে এমনটাই আশা করা হচ্ছে এবং এক সময় ডিজিটাল পেমেন্টই সবচেয়ে জনপ্রিয় পেমেন্ট মেথড হয়ে উঠবে। এখন যে সকল প্রতিষ্ঠান আন্তরিকভাবে ক্রেতা সন্তুষ্টি নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন, ডিজিটাল পেমেন্ট জনপ্রিয় হবার পর সাধারণ ক্রেতারা তাদের উপরই সবচেয়ে বেশি আস্থা রাখবেন এমনটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।

part 2 2 sep

Sayka Jabin

অনলাইন ব্যাবসায় ক্রেতার বিশ্বাস বা আস্থা অর্জন করা প্রধান কাজ। একবার যদি ক্রেতার আস্থা অর্জন করা সম্ভব হয় তহলে ব্যবসায়ের এই দিকটার চিন্তা দূর হয়ে গেলো।
Ashik Hossain

অনেক বিক্রেতা দেওয়ার সময় বলে একটা আর যখন পণ্যটি কুরিয়ার করে গ্রাহকের কাছে আসে পার্সেলের লোক কোনো ক্রমেই পণ্য খুলে দেখতে দেয়না। পরে টাকা দিয়ে পণ্য কিনে দেখা যায় অর্জিনালের সাথে মিলে না। এ ক্ষেত্রে গ্রাহক কমে যায় আর বিক্রেতা কাস্টমার হারায় অসাধু ব্যবসায়ীদের জন্য।।
Sayka Jabin

ক্রেতার কাছে প্রডাক্ট বিক্রি করা মানেই শেষ নয়। আফটার সেল সার্ভিস টাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ । এতে করে ক্রেতার বিশ্বাস অর্জন করা যায় দ্রুত।
Md. Rabiul Islam

ই-কমার্সে পণ্য গুণগত মান অবশ্যই ভাল হতে হবে। এখন পর্যন্ত অনলাইনে শুধু কিছু নিম্নমধ্যবিত্ত,মধ্যবিত্ত এবং বেশিরভাগ উচ্চমধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্তরাই কেনাকাটা করে। আর তাঁরা সস্তা পণ্য না খুঁজে বরং পণ্যের গুণগত মানের দিকে নজর দেন। গুণগত মান ভাল নয়, এমন পণ্য ই-কমার্সে নিয়ে আসার সময় এখনো হয়নি।
Md. Rabiul Islam

টাকা বেশি খরচ হলেও পণ্যের গুণগত মান ভাল হলে মনের ভেতরে এক ধরনের শান্তি আসে। আর যত কম টাকাতেই কিনি যদি পণ্যের মান খারাপ হয় তাহলে মনের শান্তি নষ্ট হয়ে যাবে
S A Ayesha

কথা অনুযায়ী কাজ...যেমন আমি যদি অনলাইনে একটা জামা এক রকম রঙ দেখি আর কিনার পর অন্য রকম দেখি তা হলেবকিন্তু আমার আস্থা উঠে যাবে অই অনলাইন শপ থেকে
অনন্য আকাশ আহমেদ

পণ্যের গুনগত মান এবং ডেলিবারি দেবার সময় দুই নাম্বারি প্রোডাক্ট না দিয়ে ভালো এবং সেরা প্রোডাক্ট দিলে ক্রেতাদের আকর্ষণের সাথে তাদের অনলাইনের প্রোডাক্টের ওপর সমপূর্ণ আস্তা থাকবে বলে বিবেচনা করা যায়। তবে, পণ্য টেকসই হতে হবে

Md. Rabiul Islam

আগে দর্শনধারী তারপর গুণবিচারী । এই কথাটি ই-কমার্সের ক্ষেত্রে খুব বেশি মান্য করা হয়। অর্থাৎ আপনার পণ্যের ছবি ভাল হতে হবে। তারপর পণ্যের মান। কিন্তু আমি এই ক্ষেত্রে অতিরঞ্জিত করা পছন্দ করি না এবং মনে করি এটি ব্যবসায়ের জন্য খারাপ । আপনার পণ্য অবশ্যই দর্শনধারী হতে হবে এবং সেই অনুযায়ী গুণগত মানও থাকতে হবে। পণ্যের বর্ণনায় কোনো কিছু বারিয়ে বলা যাবেনা । এক কথায় কোন অসৎ মানসিকতা, দ্রুত বড়লোক হওয়া, এসব ধান্দা নিয়ে ই-কমার্স করা যবেনা।

অনন্য আকাশ আহমেদ

ই-কমার্সে পণ্যের গুণগত মান এবং অনলাইন লেনদেনে যেভাবে ক্রেতাদের আস্হা বা বিশ্বাস অর্জন করা যায় কিংবা বাড়ানো যায় তাহলো বিক্রেতাদের মানে যারা পণ্য ডেলিভারি দেয় তাদের কে কতগুলো বিষয়ের উপর সমপূর্ণ গুরুত্ব দিতে হবে। 
প্রথমত হলো, পণ্য অর্ডার করা পর ক্রেতা বিকাশের মাধ্যমে প্রেমেন্ট করার সময় বিক্রেতার ওয়েবসাইট বা যেকোনো মাধ্যমে থেকে তাকে জানিয়ে দিতে হবে আপনার প্রেমেন্ট সাকসেস হয়েছে, যদি না জানানো হয়, তাহলে বিভিন্ন সমস্যার সাথে ক্রেতাকে চিন্তাসহ ডাবল প্রে করার প্রয়োজন হয়। এতে ক্রেতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যেই পণ্য টা ক্রেতা বাছাই অথবা পছন্দ করেছে তাকে সেটা ডেলিভারি করা, এক পণ্য দেখিয়ে আরেক পণ্য না দেওয়া। উপরোক্ত পদক্ষেপ গুলোর ব্যবস্হা থাকলে ক্রেতাদের সমপূর্ণ বিশ্বাস থাকবে অনলাইন ইর্কমার্সের উপর

Sayka Jabin

আমরা অনেক সময় একধরনের পণ্য অনলাইনে দেখতে পাই কিন্ত পণ্য কিনে আনার পর তা দেখে হতাশ হই। এটা অনলাইন বিজনেস এর জন্য সবথেকে খারাপ একটা দিক৷ তাই এই দিকটায় নজর রাখতে হবে।
Sayka Jabin

প্যাকিং বা পণ্য কে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করাও ক্রেতা আকৃষ্ট করার একটা কৌশল৷ কারন আপনার পণ্যের প্যাকেট টা যদি নজর কাড়া হয় ক্রেতা এমনিতেই আপনার থেকে পণ্য কিনতে স্বাছন্দ বোধ করবে।

Kakoly Russell Talokder

অনলাইন বিজনেসটা দীর্ঘস্থায়ী করতে গুনগত ভাল মানের পন্যের কোন বিকল্প নেই। আমাদের দেশে অনলাইন কেনাকাটাই ক্রেতাদের মাঝে সাধারণত কমদামে জিনিস কেনার প্রবনতা দেখা যায়। তাদেরকে উদ্দেশ্য করে যদি আমি সাময়িক ব্যবসার জন্য মানহীন পণ্য নিয়ে কাজ করি তাহলে সেটার মেয়াদকাল যেমন আস্থায়ী তেমনি আমার বিজনেসও আস্থায়ী কালের জন্য ই হবে। তাই তাৎখনিক প্রফিট লাভ এর আশা না করে ধৈয্যের সাথে ভালো মানের পণ্য নিয়ে কাজ করাই উত্তম। কারন দিন শেষে ভাল মানের পণ্য ই মার্কেটে টিকে থাকে।

Reza Ur Rahman

সবার আগে আপনার নিজেকে কনভিন্সড হতে হবে যে আপনি কেন আসল বা গুনগত মান সম্পন্ন প্রডাক্টটি সেল করার জন্য বেছে নেবেন। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই একটা থিওরি মাথায় রাখতে হবে, আর সেটা হলো আপনার সেল যতই হোক, আপনি যদি রিটার্ন কাস্টমার না পান তাহলে বুঝে নিন আপনার ব্যবসার স্থায়িত্ব দীর্ঘমেয়াদি নয়। তাই অল্প সেল হোক, লাভ কম হোক, প্রচার /প্রসার মন্থর হোক তাও অরিজিনাল এবং গুনগত মান সম্পন্ন প্রডাক্ট নিয়ে কাজ করুন। আর আজকাল যেকোন পন্যের মান বা অথেন্টিকেসি চেক করার জন্য গুগল মামা অন্তত রয়েছেন, জানা শোনা থাকলে গ্রুপের মেম্বাররাও সাহায্য করতে পারবেন আশা করি।

2 sep
এম.এ. মেহেরাজ

আমার ল্যাপটপ কিছু হলে ঠিক করার জন্য আমার শহরের একজনের কাছে ই শুধু যাই। 
তার কাছে যাওয়ার কারণঃ
® আমি ছোট হওয়া সত্বেও হাসিখুশি মোডে কথা বলে
®আপনি বলে কথা বলে
® সেবা নিয়ে আসার সময় বলে 'কোন সমস্যা দেখা দিলে নিয়ে আসতে ভুলবেননা(এক কথায় বাজিমাত)
® আমি মাঝেমাঝে বেশ জ্বালাই এটা হয়নি ওটা হয়নি বলে। এবং বলে দেই আমি আর এক্সট্রা টাকা দিতে পারবোনা। 'তিনি বলেন পাগল নাকি কেন আবার টাকা দিবেন?'(ফ্লেভার)
বিঃদ্রঃ -দোকানটি একদম চিপাগল্লিতে হিওয়া সত্বেও সেখানে গ্রাহকের সংখ্যা দিনে কম হওয়া ১০০ + হবে
এম.এ. মেহেরাজ

আমি ভাবছি অনলাইনে গাছপালা বিক্রি করবো। তবে কেমন হবে সেই ব্যাবসা?
অবশ্যই সতেজ আর সুস্থ গাছপালা বিক্রি করবো। যা দেখে গ্রাহক প্রথম দেখায় ভালোবাসা এমন কিছু যেন হয়।
-
আসল বিষয়টা আসে এখান থেকে যে,
যখন আমরা বন্ধুত্ব করি তখন প্রথমে সুন্দরভাবে নিজেকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা একজন পারফেক্ট মানুষ হিশেবে এরপর কী একি চেষ্টা করি একবছর বা দু বছর পর?
না করিনা তখন মন মতো ব্যাবহার করি।।
এখানেও সেইমটা ইউস করা যায়।
শুরুতে আপনি একদম পারফেক্ট তারপর হেরফের সমস্যা নেই তবে যেমন তেমন ব্যাবহার নয় কিন্তু। জাস্ট বলতে চেয়েছি প্রাথমিক অবস্থাটা বেশ রেয়ার
Ahm Rashed

কাস্টমারকে সম্মান করার মাধ্যেমে আমরা কাস্টমারে বিশ্বাস অর্জন করতে পারবো। কাস্টমারে সাথে ভাল ব্যবহার করতে হবে। কাস্টমারে সময়ের মূল্য দিতে হবে। একটু টেককেয়ার করতে হবে। কাস্টমারে কাছে প্রোডাক্ট ডেলিভারি দেয়ার পর একটু খোজ খবর নিতে হবে। প্রোডাক্ট পছন্দ হয়েছে কিনা সার্ভিস নিয়ে উনি হেপি কিনা এসব কিছু কাস্টমার থেকে ফিডব্যাক নিতে হবে। তাহলে কাস্টমার আমাদের প্রতি পজেটিভ থাকবে।
Shafayet Rasel

লেনদেন এর ক্ষেত্রে কোন প্রতিষ্ঠান যদি পণ্য ফেরত সাপেক্ষে টাকা অথবা অন্য কিছু কিনে নেওয়ার সিস্টেম রাখে তাহলে বিস্বস্ত তা বাড়ে

Farhana Fahomitha

পণ্য সম্পর্কে যথেষ্ট জঙান ,সম্পুন নির্ভরযোগ্য তথ্য উপস্থাপন (সত্য তথ্য উপস্থাপন করা উচিত , সত্য যত অপ্রিয়ই হোক না কেন ,।যেমন কোন কাপর থেকে রং গেলে শুধুমাত্র অর্ডার পাবার জন্য মিথ্যা বলা যাবে না ), যথার্থ মূল্য ,ক্রেতার সব প্রশ্নের যথাযথ উওর দিতে হবে ।সর্বাপরি নিজেকে বিশ্বাসযাগ্য করে উপস্হাপন করা টা জরুরি ।

Shahida Airin

ধন্যবাদ ভাইকে এতো সুন্দর একটা আড্ডা পোস্টের জন্য, আসলে আমি বিক্রেতা লেভেলের না, ক্রেতা লেভেলের সো আসা করি বলতে পারবো কিছু, আসলে জীবনের প্রচন্ড ব্যাস্ততা এবং হাতের কাছের শপিং মলে পছন্দের পন্য না পাওয়ায় আমরা অনলাইন শপিং করতে আগ্রহী হয় তবে সব থেকে বড় যে ভয়টা মনে কাজ করে সেটা হলো পন্যটার গুনগত মান কেমন , অনেক সময় আমরা পিকচার এ যে পন্য দেখা অর্ডার করি ডেলিভারি হবার পর দেখা যায় এটা ভিন্ন, কিংবা মান ভালো না বিশেষ করে কাপড়ের ব্যপারে, লাস্ট ঈদে ও এটা ফেস করেছি,সো আমি মনে করি নিজেদের লয়ালিটি,সময় মতো ডেলিভারি এবং মান ঠিক রাখা অনলাইন বিজনেস এর বড় দিক।
Lipi Sd

আড্ডা পোস্টে সবাই কে স্বাগত।
অনলাইনে পন্যের গুনগত মান সঠিক রাখার কোন বিকল্প নেই। কারণ এখানে শুধুমাএ পন্যের ছবি দেখে ক্রেতা পন্য কিনে থাকে।সেজন্য আপনি যত ভালোমানের পন্য সরবরাহ করবেন তত ক্রেতা বিশ্বাস অর্জন করতে পারবেন। 
আর লেনদেনের ক্ষেত্রে ঢাকার ভিতরে ক্যাশ অন ডেলিভারি হতে পারে। তবে ঢাকার বাইরে এসএসএল কমার্স মাস্ট এতে দুই পক্ষ নিরাপদ থাকে।
Tania Tahsin

আমি কিছুদিন আগে বিক্রেতার হঠকারিতার স্বিকার হয়েছি।।আমি অন্তত উনার কাছ থেকে আর কখনো পন্য কিনব না এবং আমার পরিচিতদের উনার গুণহীন পন্য না কেনার জন্য অনুরোধ করবো।।
উনি একজন নয় এর মাধ্যমে ক্রেতা হারাতেই থাকবে।।এবং তার গুণহীন পন্যের ব্যাবসার অস্তিত্ব বিলিন হবে।।
Sahriar Yasar

WE আড্ডা পোস্ট ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯
এর রিভিউ 

বিষয়ঃ ই-কমার্সে পণ্যের গুণগত মানের প্রশ্নে এবং অনলাইন লেনদেনে কিভাবে ক্রেতাদের আস্থা বা বিশ্বাস অর্জন করা যায় কিংবা বাড়ানো যায়….

# ই-কমার্সে পণ্যের গুণগত মান:
*ছবির সাথে পণ্যের মিল শতভাগ থাকা আবশ্যক..
*ওই প্রোডাক্ট ই প্রমোশন করতে হবে যা বিক্রেতা নিজের জন্য পছন্দ করলে আপত্তি থাকবেনা. .
*পণ্যের মান সম্পর্কিত তথ্য জানতে চাইলে শতভাগ সঠিক তথ্য দিতে হবে.. *পণ্য পাঠানোর পূর্বে অবশ্যই ভালোভাবে যাচাই করে পাঠাতে হবে, ভঙ্গুর জিনিস পণ্য সচেতন ভাবে পাঠাতে হবে… 
*ভালোর সাথে মন্দ মেশানো যাবেনা. *পণ্য এুটিতে পরিবর্তন এর সুযোগ দিতে হবে.. 

# অনলাইন লেনদেনে কিভাবে ক্রেতাদের আস্থা বা বিশ্বাস অর্জন করা যায়:
*ঢাকার ভিতরে অনডেলিভারি পেমেন্ট ..
*ঢাকার বাইরে এসএসএল কমার্স. 
*বিকাশ বা রকেট এডভান্স পেমেন্ট এর ক্ষেত্রে যদি পণ্য ফেরত বা অর্ডার কানসেল হয় অবশ্যই 24 ঘন্টায় টাকা ফেরতের গেরান্টি দিতে হবে। 
সর্বোপরি কথা হলো কথা ও কাজ এ মিল থাকলে সফলতা অবশ্যই আসবে।
বি:দ্র: যুক্ত বর্ণে মোবাইল টাইপিং এ সমস্যা আমার, ক্ষমা করবেন, আরো কোন বিষয় বাদ পরলে কমেন্টস এ এড করুন।

part 3 2 sep
এম.এ. মেহেরাজ

বাংলাদেশে ই-কমার্সেএ ক্রেতাদের মাঝে ১৪-২৫ র মধ্যে ক্রেতাই দেখা যায় বেশি। এসব তরুণ/যুবক বয়সী ছেলেমেয়েরা টাকা পয়সা জমিয়ে অনলাইনে কেনাকাটা করে। 

তাদের অর্ডার করা পণ্য বা সেবাটি যদি খারাপ হয় তবে প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ ভালো হওয়ার সম্ভাবনা কম। কেননা ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান পপুলারিটি পায় একের থেকে অন্যে এবং অন্যের থেকে অন্যে। 

তাই সবসময় পণ্যের রিয়েল সেবাই দিতে হবে।
Parsa Ahmed

বেশির ভাগ ক্রেতারা বলে থাকেন অনলাইন থেকে পন্য নিলে ঠকতে হয়।অনেক ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের ঠকিয়ে থাকে।আর এমন হলে অনলাইন ভিত্তিক সব ব্যবসায়ীদের উপর থেকে আস্থা উঠে যাবে।তাই সব ব্যবসায়ীদের উচিত পন্যের গুনগত মান বজায় রেখে ক্রেতাদের বিশ্বাস অর্জন করা।
Tania Tahsin

শুধু এইটা ভাবলে চলবে না অর্ডার পেয়ে পৌছে দিলাম কাজ শেষ।বিক্রেতার কথা এবং কাজের মাঝে মিল থাকতে হবে।অনেক সময় পন্য মানসম্মত বলে বিক্রি করা হয় এরপর ইউজ করার পর দেখা যায় তার উল্টো।। এর পর বিক্রেতা কে অভিযোগ প্রদান করলে তাদের প্রতিক্রিয়া থাকে খুবই অপ্রীতিকর।একে ব্যবহার খারাপ করে অন্য দিকে ভিন্ন মন্তব্য পেশ করে।।

আমি মনে করি ই কমার্স ব্যবসায়ের একটি বিশাল বড় প্লাটফর্ম।। এখানে ক্রেতা সন্তুষ্টি অর্জন করে,তাদের নির্দিষ্ট ভ্যালু প্রদান করে, ব্যবসায়ে অগ্রগতি আনা সহ ক্রেতার আস্থা অর্জন করা সম্ভব।।এর জন্য ক্রেতাকে মানসম্মত পন্য প্রদান করতে হবে,পন্য বন্টন ব্যবস্থা আধুনিক হতে হবে,সময় মত ক্রেতাকে পন্য পৌছে দিতে হবে।।।

সবচেয়ে বেশি যেটি প্রয়োজন ক্রেতা সন্তুষ্টি অর্জন করে ক্রেতাকে ধরে রাখা এবং দীর্ঘমেয়াদি ক্রেতা সম্পর্ক তৈরি করা।।
Salahuddin Ratan

যারা অনলাইনে ব্যবসা করেন তাদের সততা দিয়েই পাড়ে গ্রহকদের মন জয়লাভ করতে। যে পন্য বিক্রির জন্য ছবিতে দেখাবে এবং গুনগত মানের যে বর্ণনা দেওয়া হবে তা যদি গ্রহকদের কাছে পৌছনোর পর ঠিক থাকে তাহলে গ্রাহক ফেইসবুক পেইজে তার মতামত প্রকাশ করে তা থেকে অন্য গ্রাহক আকৃষ্ট বা বিমুখ হবে। তাই পন্যের দাম ও মান ঠিক থাকলে একজন গ্রাহক আপনার ব্যবসার প্রচার করে দেবে।
এম.এ. মেহেরাজ

আমরা যদি গুগল বা অন্যান্য সেবাগুলোর দিকে তাকাই। আসলে তারাও তো আমাদের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা দিয়ে থাকে। অর্থ্যাৎ বাড়ার বিনিময়ে তাদের সেবাগুলো ব্যাবহার। 
-
বর্তমানে সার্চ ইঞ্জিনগুলোর মধ্যে প্রথম সারির প্রথম স্থানে অবস্থান করছে গুগল। সেই গুগলে যখন আমরা কোন হেল্প চাই তখন তারা শেষে ফিডব্যাক নেয়। সহজ কথায় যদি দেখি আমাদের দেশের সিম কোম্পানিগুলোও একি কাজ করে। তারা ফিডব্যাক নেয় আপনি কি আপনার সেবাটি পেয়েছেন?
পেলে এটা চাপুন ওটা চাপুন!! ইত্যাদি ইত্যাদি। 

দু'দিন আগে আমাকে রবি থেকে কল দিলো যে, স্যার!
আপনি সিমটি অনেক দিন ধরে ইউস করছেননা, আমরা কি জানতে পারি কেন আপনি সিমটি ইউস করছেননা!
আমি বললাম আপনাদের কোম্পানি ভালো ডাটা প্যাকেজ দেয়না, টাকা পয়সা কেটে নিয়ে যায় ইত্যাদি। তিনি আমার এসব শুনে বললেন "স্যার আমরা আপনার অভিযোগটি নোট করে নিলাম।
-
#এটাই হলো ফ্লেভার। আর ফ্লেভার ইজ অলওয়েজ এক্সট্রাওরডিনারি হতে হবে। যাতে ক্রেতা এক মারেই সন্তুষ্ট হয়ে যায়।

Sahin Sarker

পণ্যের মান ভালো হলে ক্রেতার সংখ্যা বাড়বে কিন্তু পণ্যের মান খারাপ হলে ক্রেতার সংখ্যা কমে যাবে। এখন কথা হলো যারা ই-কমার্স ব্যবসায়ের সাথে জড়িত তাদের ভেবে দেখতে হবে তারাকি ক্রেতার সংখ্যা বাড়াতে চায় নাকি কমাতে চায়। যেহেতু ব্যবসা করতে এসেছে তাহলে অবশ্যই বাড়াতে চাইবে তাহলে তাদেরকে ক্রেতার চাহিদা মাপিক পণ্যার গুনগত মান বজায় রেখে পণ্য ডেলিভারি দিতে হবে
Sahin Sarker

ডেলিভারি চার্জ যদি কিছু ডিসকাউন্ট দেওয়া যায় তাহলে ক্রেতা আপনার কম্পানি থেকে অর্ডার দেওয়ার চেষ্টা করবে
Mohammad Juwel

যার পন্যের গুনগত মান ভালো হবে, যেই প্রডাক্ট এর অর্ডার দ্বিতীয় বার আসবে তখনই আপনি আপনার ব্যাবসায় উন্নতি করছেন তা বুঝে নিতে পারবেন। তাই যেই আইটেম নিয়ে আমরা কাজ করিনা কেন আমাদের পন্যের মান অবশ্যই ভালো হতে হবে। এতে করে আমরা খুব সহজেই কাস্টমার দের আস্থা অর্জন করতে পারব।
Shafin Ahmed

অনলাইনে ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে শুধু ব্যবসা করে লাভ করা নয় ভোক্তাদের সেবা প্রদান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভোক্তা যদি অনাকাঙ্ক্ষিত হয়রানির স্বীকার হয় তবে ব্যবসাতে বিরূপ প্রভাব পড়তে পাড়ে অন্যদিকে ভাল সার্ভিস হয় তাহলে নিশ্চয়ই পরবর্তিতে আরও বেশ রিসপন্স পাওয়া সহজ হবে।

part 4 2 sep
Tasmin Bhuiyan

ক্রেতার পর্যালোচনা বা রিভিউ:

অনলাইনে গ্রাহকসেবার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো গ্রাহকের পর্যালোচনা (রিভিউ)। আপনার ব্যবসায়ের উন্নতিতে ক্রেতাদের মতামত দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে। 
যেমন: পণ্য বা সেবা কেমন হয়েছে? 
সেটা ভালো লেগেছে কি না?
এগুলো জানতে চাইলে ক্রেতা সন্তুষ্ট হন। তাছাড়া ক্রেতার কাছে পরামর্শ চাইবেন, জানতে চাইবেন যে কোন ধরনের পদক্ষেপ নিলে তাদের আরও সুবিধা হয়? 
কীভাবে সেবাকে আরও মানসম্মত করা যায়? ইত্যাদি। এভাবে আপনার জানার আগ্রহ দেখলে ক্রেতা নিজেকে সম্মানিত মনে করবেন।
এতে ক্রেতা বারবার আপনার সাইটে যেতে চাইবেন।

এম.এ. মেহেরাজ

দু'দিন আগে এক বড় ভাইকে ই-কমার্স নিয়ে বলছিলাম যে ভাই!
ই-কমার্সে গাছপালার ব্যাবসা করবো ভাবছি। তিনি একগাদা হাসলেন আর বললেন এসবে আমার কোন ভরসা নাই।
বললাম কেন? বললেন কয়েকদিন আগের কথা।
অনলাইন অর্ডার করেছে মোবাইল বাসায় এসেছে মোবাইল প্যাকেটিং পেয়াজ।

এখানে কিছু অসততা মানুষের অস্থা অর্জনে বাধা দিচ্ছে। মনে রাখা চাই ই-কমার্স নয় শুধু সর্বত্রই ভালোর সাথে আছে খারাপের দিকটাও। তাই আমাদের এদিকটার কলঙ্ক ঘুচাতে হবে। না হয় ভবিষ্যতে যারা ই-কমার্স করবে তারা ভালো সাড়া পাবেনা।

Raisha Hangug

প্রোডাক্টসের পিক এডিট করা যাবে না।অবশ্যই অবশ্যই কালারের ব্যাপারটা মাথায় রাখতে হবে। তাই অরিজিনাল পিক দিতে হবে।
Taslima Siddika Siddika

স্বাগতম সবাইকে! ই- কমার্সের জন্য আজকের বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ন । ই- কমার্সে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়কেই পন্যের গুনগত মানের দিকে নজর দিতে হবে।এর ফলেই একে অন্যের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস দৃড় হবে।তার সাথে ডেলীভারী ও পেমেন্টেও ক্লিয়ার ও স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন।

Parul Akhtar

পণ্যের মান ঠিক রাখতে হবে। ছবির সাথে বাস্তবে পণ্যের মান মিল থাকতে হবে। ক্রেতা কোনো পণ্য ক্রয় করার পর কোনো সমস্যা হলে তার সমাধান করতে হবে। প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে। ই- কমার্সের ক্ষেত্রে ধৈর্যশীল হওয়া খুব প্রয়োজন। ক্রেতাদের সেবা দানে সচেতন হতে হবে। সততা বজায় রাখতে হবে। ক্রেতার চাহিদার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।
Raisha Hangug

ক্রেতা যদি প্রোডাক্ট ফেরত দিতে চায় তা গ্রহণ করতে হবে। এতে ভবিষ্যতে সে আবার অর্ডার করার ভরসা পাবে।
Suraya Sharmin

ভালো। অনলাইনে বিজনেস করতে হলে এবং এখানে স্হায়ী হতে হলে। পন্যের মান অবশ্যই ভালো রাখতে হবে।কারন এখানে ক্রেতা নিজ হাতে পন্যটি না দেখেই শুধু মাত্র বিশ্বাস করে ক্রয় করে।সে ক্ষেত্রে পন্যটির গুণগত মান ভালো না হলে সে তো তার কাছ থেকে আর পন্য কিনবেই না।অন্যদের অনলাইন ব্যবসারও ক্ষতি হবে।কারণ সেই ক্রেতা অন্যদেরও বলবে অনলাইনে কিছু কিনো না কারন ঠকবে।
Mohammad Juwel

পাশাপাশি ক্রেতাগনের বিশ্বাস এবং আস্থা অর্জন করা এটাও একটি বিশাল ব্যাপার ই কমার্স ব্যবসার জন্য, পন্যের মান ভালো হলে ক্রেতাদের বিশ্বাসভাজন হতে খুব বেশি সময় লাগে না।
Tasmin Bhuiyan

সততা:

কথা আর কাজের সঙ্গে মিল রেখে সততার পরিচয় দিন।
পণ্যের মান ও মূল্য সম্পর্কে নিজের সততা প্রমাণ করুন। আপনার সেবা যে ভালো, তা প্রমাণ করুন। কেননা, আপনার সততাই আপনার ব্যবসাকে এগিয়ে নেবে।
MD Saim Hossain Sohel

যারা ই কমার্স এর নামে অনলাইনে চিটিং করে কন্ডিশন এর মাধ্যমে এক পনন্যার বদলে অন্য পন্য পাঠায় তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে অথবা টাকা উসুল করার কি কোন উপায় আছে?
আলী বাবা

ব্যবসায়ী তার সব পণ্যের বিস্তারিত সব ডিটেইলস কন্টেইট আকারে পণ্যের ছবির সাথে একত্রে প্রকাশ করতে হবে তাহলে ক্রেতা খুব সহজেই বুজতে পারবে এই পণ্যের গুনগত মান কেমন এই পণ্যের রং কেমন হবে এই পণ্যের সেলাই কেমন হবে ইত্যাদি, 
আর যেতো বেশি কন্টেট লেখা যাবে ক্রেতার আস্থা ততোই বাড়বে, যেমনটি আমরা আলী বাবা আমাজনের ক্ষেত্রে দেখতে পাই।
Ahm Rashed

একটা কথা আছে সততা ব্যবসার মূল্ধন। তাই যাই করেন না কেন সততার সাথে করতে হবে। এক প্রোডাক্ট দেখিয়ে অন্য প্রোডাক্ট দিয়ে দিলেন কাস্টমারকে ঠকিয়ে আপনি মার্কেটে বেশিদিন টিকতে পারবেন না।

Tasmin Bhuiyan

বিনা খরচে সরবরাহ:

ক্রেতার আস্থা অর্জনের আরো একটা উপায় বিনা খরচে পণ্য ক্রেতার ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া। এতে ক্রেতা খুশি হয়ে থাকেন। 
এজন্য আপনি আপনার পণ্যের দামের সঙ্গে ডেলিভারি চার্জ আলাদা করে না ধরে পণ্যের দামের সঙ্গে ডেলিভারি চার্জ যোগ করে পুরো দাম একসঙ্গে দেখাতে পারেন। এতে আপনার বিক্রি বাড়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকবে।
Ay Jyoti

পণ্যের গুণগত মান যদি খারাপ হয়। আপনি ইচ্ছা করে সে পণ্য সম্পর্কে বাড়তি বলে ক্রেতাকে আকর্ষন করে বিক্রয় করতে পারবেন। মনে রাখবেন। প্রথম বার বিক্রয় ই শেষ বার। ক্রেতা যখন বুঝতে পারবে পণ্যের মান ভালো না। সে তো আর কিনবেই না।বরং আরও সবাই কে বলবে ঐ পণ্য ক্রয় থেকে দুরে থাকো। তাই পণ্যের মান ভালো হওয়া আবশ্যক। 

পন্যের মান ভালো হলে যত টা না সে পণ্যের নাম ছাড়াই। পণ্যের মান খারাপ হলে হাজার গুণ বেশি সেই পণ্যের নাম ছড়াই।

part 5 2 sep

S M Mehdi Hassan

সবাইকে আড্ডায় স্বাগতম। পণ্যের গুণগত মানের ধরে রাখার ক্ষেত্রে মূল সমস্যা হচ্ছে আমাদের দেশের অবকাঠামো ই-কমার্সের উপযোগী নয় এবং ডেলিভারি সবচেয়ে বড় সমস্যা। ঢাকার বাইরে ডেলিভারি প্রতিষ্ঠান গুলো হোম ডেলিভারি দেয় না। বিভিন্ন পরিবহনের অফিস থেকে অর্ডারকৃত পণ্যটি ক্রেতাকে নিজ দায়িত্বে সংগ্রহ করতে হয়। এখন এসব ডেলিভারি প্রতিষ্ঠান হাজার হাজার পণ্য ডেলিভারি করে এবং অনেক সময়ে পণ্য ঠিক মতো হ্যান্ডল করে না। এই জন্যে দেখা যায়, ক্রেতা হয়তো ত্রুটি পূর্ণ পণ্য পায়। দেখা গেল কেউ ফুলদানি অর্ডার করল। এখন ডেলিভারি দেবার সময়ে একটু সাবধানতার সাথে হ্যান্ডেল করতে হয় কারণ এটা ভেঙ্গে যাবার আশংকা থাকে। কিন্তু সেটা অনেক সময়ে হয় না। তখন দেখা যায়, ক্রেতা শেষমেশ ভাঙ্গা পণ্য পায়। কিন্তু এখন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো এই নিয়ে অনেক চেষ্টা করছে। তারা পণ্য খুব ভালভাবে প্যাকেজিং সেভাবে করে যাতে পণ্যের ক্ষতি না হয়। 

বাংলাদেশের ই-কমার্সের লেনদেনের বড় অংশ এখনো ক্যাশ অন ডেলিভারিতে হয়। অর্থাৎ পণ্য হাতে পাবার পরে ক্রেতা টাকা দেয়। ভারতেও একই অবস্থা। তাই এখানে ক্রেতার আস্থা হারানোর ভয় নেই। 

প্রয়োজনীয় সব সাবধানতা অবলম্বন করার পরেও যদি কোন সমস্যা হয় বা ক্রেতা ত্রুটিপূর্ণ পণ্য পান সেক্ষেত্রে উক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ক্রেতার সাথে কথা বলে সুন্দর করে দ্রুত সব মিটমাট করে ফেলে এবং যত দ্রুত সম্ভব রিপ্লেসমেন্ট পণ্য পাঠিয়ে দেয়। যারা এখন সিরিয়াসলি ই-কমার্স করছে তারা এভাবেই ক্রেতার আস্থা অর্জন করছে। মেসেঞ্জারে, ফোনে সব সময়ে ক্রেতার সাথে যুক্ত থেকে তার সাথে কথা বলছে। এর ফলে ক্রেতাও বুঝতে পারে যে এই প্রতিষ্ঠানের উপরে নির্ভর করা যায়।
ঝুমা হোসেন

একজন ক্রেতার বিশ্বাস অর্জন করা অনেক সহজ আবার অনেক কঠিন।

এটা ডিপেন্ড করে কিছুটা কাস্টমার এপ্রোচিংয়ের উপর। যখন আপনি কোন প্রডাক্ট কাস্টমারের কাছে তুলে ধরছেন তখন সেটা সম্পর্কে আপনাকে যথেষ্ট পরিমাণ গ্ঞান থাকতে হবে।
তাহলে কাস্টমারের কাছে আপনাকে বিব্রত হতে হবে না। কাস্টমারও আপনার কথার ভাব-ভঙ্গীতে আকৃষ্ট হবে এবং আপনার আর আপনার পণ্যের প্রতি বিশ্বাস জন্মাবে।

এভাবেই ধীরে ধীরে এটি স্থায়ী হবে।
Rahima Akter

আমি মনে করি এখন অনলাইনের মাধ্যমে অনেকে ই- কমার্সে সম্পর্কে ভালো করে জানেন। এবং অনেকে অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করতে পারেন।কিন্তু আগে আপনি ঠিক মতো সব কিছু জানতে হবে। এবং লেনদেন সংক্রান্ত বিশ্বাসটি অর্জন করতে হবে। এবং ক্রেতাদের সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে।
Shamim Ahmed

অবশ্যই অবশ্যই পণ্যের গুনগত মান ঠিক রেখে এগুতে হবে। তারপর সেবা গ্রহিতার ডিমান্ডগুলোকে অবশ্যই পূর্ণ করতে হবে। বিশেষঃত পণ্যের ডেলিভারী কাংক্ষিত সময়ে পৌঁচে দিতে হবে। সেীহার্দপুর্ণ আচরণ করতে হবে যেন গ্রহিতার বিশ্বাস প্রগাড় হয় যে, আসলেই তাকে সেবা দেয়া হচ্ছে।
Titly Tasnim

প্রথমত অবশ্যই পণ্যের গুণগত মান ভাল থাকতে হবে, কাস্টমার কে ক্যাশ ওন ডেলিভারিতে পণ্য পাঠানোর ব্যবস্থা থাকলে কাস্টমার আপনার প্রতি খুশি হবে। কারন এতে কাস্টমার পন্য দেখে প্রোডাক্ট নিতে পারছে।

এম.এ. মেহেরাজ

একটা বিষয় দেখার মতো যে,
ই কমার্সে যারা ব্যাবসায়ী তারা সাধারণত অফলাইনের আলু বিক্রেতার মতো নয়। অর্থ্যাৎ অফলাইনের ব্যাবসায়ীদের মতো তার জ্ঞানের সীমা ছোট নয়। অনলাইনে যেহেতু ব্যাবসা করছে অবশ্যই তার জ্ঞানের পরিধি কিছুটা হলেও বিস্তৃত। তার মানে তার মাঝে শিক্ষার শক্তিটা কিছুটা হলেও আছে। 

ব্যাবসার উদ্দ্যেশ্যে যদি সেবা না হয়ে শুধুমাত্র মুনাফা অর্জন ই হয় তবে সেখানে ক্রেতার উপকারের দিকটি নিগৃহীত হয়। ই-কমার্স ব্যাবসার মূল হওয়া উচিৎ সেবা এবং মূনাফা অর্জনের সমন্বয় তবে সেখানে ব্যাবসায়ী ক্রেতা সম্পর্ক হবে বন্ধুত্বের ন্যায়। ফলে ক্রেতা সহজেই বিক্রেতাকে ফিডব্যাক দিতে পারবে। এবং বিক্রেতা সহজেই গ্রাহকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে।
Saikat Hasan Kabbo

কাস্টমাইজেশনঃকাস্টমাইজেশন হলো ক্রেতার সন্তুষ্টি বিধানে সর্বাত্নক চেষ্টা করা।আর একজন বিক্রেতা যখন এই দিকে অধিক গুরুত্ব দিবে। তখন ক্রেতার বিশ্বাস এমনিতেই বিক্রেতার উপর পড়বে।
Munni Pramanik

আমার একটা ভাইয়া অনেক দিন আগে অনলাইন থেকে একটা ফোন কিনেছিল কিন্তু ফোনটা হাতে পাওয়ার পর সে বুঝতে পেরেছিল যে এটা ভালো নয়। কিন্তু যখন সে আবার ফোনের ব্যপারে বলেছিল তাকে ফোনটা পালটে দেয়ার পরেও আবার সে আশানুরুপ ফোন পেল না যেমনটা সে ফোটতে দেখেছিল.। তারপর থেকে আমার ভাইয়া আর অনলাইনে কেনাকাটা করেনি.।সেজন্য আমি বলতে চাই যে ভালো পন্য সরবরাহ করা এবং ক্রেতার সাথে ভালো আচরন করার মাধ্যমে অনলাইন মার্কটিং কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া

part 6 2 sep
অরণ্যে বহ্নি

ক্রেতাদের আস্থা অর্জনে,,,,,,,
১.গুনগত মান তুলনামূলক ভালো হতে হবে ।
২.পণ্যের ডেকোরেশনের দিকে নজর দিতে হবে ।
কারণ ভোক্তা কিছু পণ্যের বাহ্যিক দিক দেখেই 
প্রথমে আকৃষ্ট হয় ।
৩.অনলাইনে টাকা লেনদেনের জন্য আস্থাশীল 
একটি মাধ্যম থাকা জরুরি ।
৪.সঠিক সময়ে সঠিক তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত 
করতে হবে ।
৫. যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে ।
Md. Imran Sujan

পন্যের সাথে ছবির দেয়া পন্যের মিল 100%থাকা চাই ।
পন্যের কোন ক্ষতি যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতেই হবে ।।
যেহেতু আপনি ডেলিভারি করবেন না সেহেতু চাপ যেন লা লাগে আর লাগলেও যেন ক্ষতি না হয় তার জন্য বাবল পেপার দিয়ে মুড়িয়ে পন্য প্যাক করতে হবে ।।।
মোটকথা পন্যের মান 100% ঠিক রাখতেই হবে ।।
আর পেমেন্ট এর সবচেয়ে ভালো উপায় মোবাইল ব্যাংকিং ।
বিকাশ এবং রকেট ।।
ক্যাশব্যাক অফার থাকে এগুলোতে।।।
আবার যারা বেশী চালাক তারা নগদে বিশ্বাসী তাদের জন্য ক্যাশ অন ডেলিভারি রাখতে হবে ।।।
ধন্যবাদ
Munia Sabrina

প্রোডাক্ট ডেলিভারির সময় কাস্টমারকে খুশি করার জন্য ছোট একটা গ্রিটিং বা পণ্যের সাথে কোন কাড বা গিপ্ট দেওয়া যায় তাহলে কাস্টমার খুশি হয়
ইরা ইনাম

ই-কমার্সে অবশ্যই পন্যের গুনগত মান নিশ্চিত করতে হবে,,, পণ্যের মান ভালো হলে এর চাহিদা বেড়ে যাবে,,,,, অনলাইনে লেনদেনের ব্যপারটা খুবই গুরুত্বপূর্ন,,,অধিকাংশ লোক অনলাইন লেনদেন বিশ্বাস করেন না কারন এদের এ ব্যপারে ভালো ধারনা নেই,,,,,, অনলাইনে ক্রেতাদের আস্থা যোগাতে প্রথমে, সৎ ও কথা মত কাজ করা, ধোকা না দেয়া,,,, ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী ভালো পণ্য সঠিক সময় পৌছে দেয়া,,,এভাবে এগিয়ে যেতে পারলে ক্রেতাদের আস্থা যোগাতে সক্ষম হবে,,,,,,
Bul Bul Ahammed

গুনগত মান বললে, অনেকে বলে থাকেন তারা অনলাইন থেকে পণ্য কিনে অনেক ঠকেছেন, ছবিতে এক রকম আর পণ্য হাতে পাওয়ার পর আরেক রকম দেখায়।
Airin Rahman

ক্রেতাদের সাথে নম্র,ভদ্র, নমনীয়তা আচারণ করতে হবে, তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার বা রাগারাগি করা যাবে না। কথার সাথে কাজে মিল থাকতে হবে। পণ্যের কোয়ালিটির দিকে মনোযোগ দিতে হবে। সঠিক সময়ের মাঝে পণ্য পৌছাতে হবে ক্রেতাদের নিকট।
Afrin Mou

ক্রেতাদের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হলে অবশ্যই পন্যর গুনগত মান নিশ্চিত করতে হবে। কেতারা কোন পন্য সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তা যত দ্রুত সম্ভব উত্তর দেওয়ার চেস্টা করতে হবে , তাদের সাথে ভাল আচরণ করতে হবে, সর্বদা সৎ ভাবে ব্যাবসায় পরিচালনা করতে হবে। কোন পন্য ক্রেতাদের নিকট পাঠানোর পূর্বে যাচাই বাছাই করে পাঠাতে হবে। তারপর ও পন্য সংক্রান্ত কোন সম্মস্যা হলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
KM Hasan

ক্রেতার সাথে যোগাযোগ বাড়ানো।। মাঝে মাঝে সরাসরি ক্রেতা চাহিদা যাচাই করলে ক্রেতার মন জয় করা সহজ
Tanzila Taf

অনলাইনে লেনদেনের ক্ষেত্রে মনোযোগ দেওয়া আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। কারন অনে সময় দেখা যায় যে, পন্য অর্ডার করে ডেলিভারি হওয়ার ঠিক পূর্ব মূহুর্তে এসে অর্ডার বাতিল করে দেয়, এতে আর্থিক ক্ষতি হয়ে যায়, এদিক এবং বিশ্বস্ততার দিক থেকে বলতে গেলে ৫০% অথবা কমপক্ষে ক্ষতির সম্মুখীন যেন না হতে হয় অন্তত ৩০% অগ্রীম পেমেন্ট নেওয়া উচিত৷
Saikat Hasan Kabbo

ব্যবসা করার ক্ষেএে যে বিষয়টা অধিক গুরুত্বপূর্ণ তা হলো ব্যবসায়ের নৈতিকতা।ওজনে কম দেওয়া,খারাপ পণ্য ক্রেতাদের নিকট সরবরাহ করা,পণ্যের গুনগত মান বজায় না রাখা এইসব হলো ব্যবসায়ের নৈতিকতার পরিপন্থী।আর যারা এইসব কাজ করে তারা নৈতিকতা অবক্ষয় করে।ব্যবসায় করতে হলে নৈতিকতার প্রতি অধিক গুরুত্ব দেওয়া উচিত।কারণ,একজন ব্যবসায়ী বা বিক্রেতা শুধু ক্রেতার নিকট দায়বদ্ধ নয়,সে সমাজের নিকট ও দায়বদ্ধ।তাই তার পণ্য ব্যবহার করে ক্রেতার উপর বা সমাজের উপর যেন কোনো ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।আমি ব্যবসা করব কিন্তু ব্যবসায়ের কোনো নিয়মনীতি মেনে চলবো না,ওজনে কম দিয়ে বেশি লাভ করব,খারাপ পণ্য সরবাহ করব,,এমন মন-মানসিকতা থাকলে আপনি কখনোই ক্রেতার বিশ্বাস অর্জন করতে পারবেন না আর সফলতা তা তো অনেক দূরের কথা।আগে নিজের কাজকে সম্মান করতে শিখতে হবে।তারপর ব্যবসায় নৈতিকতা বজায় রাখতে হবে।তাহলে,একজন ব্যবসায়ীর বা বিক্রেতার উপর ক্রেতার বিশ্বাস এমনিতেই চলে আসবে।
Tasmin Bhuiyan

ব্যবহারে আন্তরিকতা:

আমাদের দেশে অনেক বিক্রেতাকে ক্রেতার সঙ্গে খুব একটা ভালো ব্যবহার করতে দেখা যায় না। 
তাছাড়া পণ্য কেনার পর তো ‘চিনি না’—এমন একটা অবস্থা। কিন্তু একটা কথা ভুললে চলবে না যে, একজন ক্রেতাই আপনাকে আরও ২০ জন ক্রেতা তৈরি করে দিতে পারেন।আপনার অমায়িক, ভালো ও আন্তরিক ব্যবহার এবং সুন্দর বাচনভঙ্গিই পারে ক্রেতার আস্থা অর্জনে ভূমিকা রাখতে। 

ক্রেতাকে জিজ্ঞাসা করুন এভাবে, ‘কীভাবে আপনাকে সহায়তা করতে পারি?’
কোনো কারণে সেবা বা পণ্য দিতে না পারলে ‘সরি’ বলুন। এতে আপনার প্রতি ক্রেতার বিশ্বাস আরও বেড়ে যাবে।

part 7 2 sep
Saikat Hasan Kabbo

ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের লেনদেনের ক্ষেএে কিছু দায়বদ্ধতা রয়েছে।যেমন,একজন বিক্রেতার দায়বদ্ধতা হলো গুণগত পণ্য উৎপাদন বা বিক্রি করা এবং ডেলিভারি সঠিক সময়ে দেওয়া।আর একজন ক্রেতার দায়বদ্ধতা হলো পণ্য হাতে পাওয়ার সাথে সাথে বা চুক্তি অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করা।
Saiyeda Tahsin

খারাপ প্রোডাক্টও মানুষ কিনে দরকার পরলে। কিন্তু খারাপ দিক গুলি জেনে যখন কিনে তখন তার মনে আস্থা থাকে
Moni Akter

আজকের টপিক খুবই গুরুত্বপূর্ণ,,
প্রতিটি ব্যবসাতে পন্যের গুনগত মান রক্ষা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ,,, 

পন্যের গুনগত মানের মধ্যে ক্রেতা যেই পন্যটি নিতে চায় তাকে ঠিক সেই পন্যই দেয়া,,

পন্যের পরিচ্ছন্না ছবির সাথে তার ম্যাটেরিয়াল..সাইজ,,,ওজন কালার ইত্যাদি উল্লখ করলে ক্রেতার বুঝতে অনেক সুবিধা হবে,,,
যেকোনো পন্যের ম্যাটেরিয়াল খুবই গুরুত্বপূর্ণ,, 
তাই প্রতিটি বিক্রেতার উচিত ভালো মানের ম্যাটেরিয়ালের পন্য ক্রেতা কে দেয়া,,
Sahriar Yasar

লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রোডাক্ট রিসিবের সময় কাস্টমার প্রোডাক্ট যাচাই করে পেমেন্ট করতে পারলে কাস্টমার সাটিসফাইড হবে
Tariqul Islam

পন্যের মান ঠিক রাখতে হবে। কোন অবস্থাতেই খারাপ পণ্য দেওয়া যাবে না। সততার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে।
আদিব হাসান মুহাম্মদ

সবচাইতে বড় দিক হলো ক্রেতা বা অন্য বিক্রেতাকে ঠকানো যাবে না,সবর্দা যা বলা হবে সেটাই দেওয়া উচিত।আর প্রতিযোগিতা করে নিজের পণ্যকে চালানো যাবেনা,তাতে লসের দেখা দিবে এবং বিক্রেতার ক্ষতি হবে প্লাস নিজের লস টিক করার জন্য অন্য ক্রেতার সাথে বেইমানি করা লাগবেই।আর এতে করে সবারই লস হবে।।
Moni Akter

আমাদের দেশের মানুষ অনলাইনে আগে লেনদেন করতে খুবই কম আগ্রহী হয়,,,,কারন অনেক অনেক ফ্রড আছে যারা আগে টাকা নিয়ে পন্য দেয়না বা খারাপ পন্য দেয়,,,,
কিন্তু পন্যের মান ভালো করে ভালো ব্যবহার করে,,কাস্টমার কে দ্রুত রিপ্লে দেয়া,,,দ্রুত সঠিক সময়ে যদি পন্য ডেলিভারি দেয়া যায়,,একবার আস্থা অর্জন করা গেলে তাহলে পরবর্তীতে কাস্টমার রা অনলাইন লেনদেনে আগ্রহী হবে.
Tasmin Bhuiyan

ইন্টারনেটের মাধ্যমে যারা পণ্য বেচা-কেনা করেন, তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ক্রেতার আস্থা অর্জন।

সময়মতো সাড়া দেওয়া:

ক্রেতা যখন ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট অথবা ফোনের মাধ্যমে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইবেন, তখনই আপনাকে সাড়া দিতে হবে। 
এতে করে ক্রেতা আপনার সাইটের প্রতি সন্তুষ্ট থাকবেন।
Sheikh Robi

একজন ব্যবসায়ীকে প্রথম সৎ হতে হবে কারণ সততাই ব্যবসার মূলধন।ক্রেতার চাহিদাকে প্রাধান্য দিতে হবে যাতে সমাজের সকল শ্রেণির মানুষ পণ্য ক্রয়ের মতো উপযোগী হয় সেইদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।লেনদেনের ব্যপারটা সুক্ষ হতে হবে।ব্যবহারে রুচিশীলতা থাকতে হবে।ব্যপক প্রচার ও প্রসার এর স্বার্থে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
Tariqul Islam

পন্যের গুণগত মান ঠিক রাখতে হবে। কাস্টমার এর হাতে পণ্য পৌছানোর পর তার খবর নিতে হবে। কাস্টমার কোন ধরনের অভিযোগ দিলে তা সমাধান করতে হবে দূত।
Tanzila Taf

অনলাইনে পন্যের গুনগত মান ভালো হওয়াটা অত্যন্ত জরুরি । কারণ অনেকেই মনে করেন যে, অনলাইনে কেনা জিনিস ভালো হয় না, অথবা একবার -দুইবার কিনলেও যদি আশানুরূপ পন্য না পায় ক্রেতা হতাশ হয় এবং আস্থা হারিয়ে ফেলে ফলে প্রতিষ্ঠান টি তার খরিদ্দার হারাতে থাকে।এবং এতে করে প্রতিষ্ঠান টি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হতে থাকে । অনেক সময় দেখা যায় যে,ক্ষতি পুষিয়ে না উঠতে পেরে বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান টি বন্ধ হয়ে যায় এরকম অনেক উদাহরণ ই রয়েছে।
আলী বাবা

আমাদের দেশে বর্তমানে ই-কমার্সের লেনদেনে ক্রেতার আস্থা অর্জন করার জন্য কন্ডিশন ডেলিভারির বিকল্প নাই।
Tanzila Taf

অনলাইনে পন্যের গুনগত মান ভালো হওয়াটা অত্যন্ত জরুরি । কারণ অনেকেই মনে করেন যে, অনলাইনে কেনা জিনিস ভালো হয় না, অথবা একবার -দুইবার কিনলেও যদি আশানুরূপ পন্য না পায় ক্রেতা হতাশ হয় এবং আস্থা হারিয়ে ফেলে ফলে প্রতিষ্ঠান টি তার খরিদ্দার হারাতে থাকে।এবং এতে করে প্রতিষ্ঠান টি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হতে থাকে । অনেক সময় দেখা যায় যে,ক্ষতি পুষিয়ে না উঠতে পেরে বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান টি বন্ধ হয়ে যায় এরকম অনেক উদাহরণ ই রয়েছে।

Moni Akter

আস্থা অর্জনের জন্য পন্য হাতে পাওয়ার পর ক্রেতার নিকট হতে খোজ নেয়া যে পন্য ঠিক আছে কিনা,,,
কোন সমস্যা হলে বিনয়ের সাথে সেই সমস্যা সমাধান করা,,
Munni Pramanik

সবচেয়ে বড় কথা হলো ক্রেতার মন মত জীনিস ডেলিভারি করা । কারন ভোক্তারা যদি অনলাইনে কিছু কিনে আর সেটা কেনার পর ভালো না হয় বা সে যেমনি ভেবেছিল তেমনি না হয় তখন কিন্তু সে অনলাইনে কেনাকাটা থেকে আস্তে আস্তে সরে যাবে..।তাই ভালো পন্য প্রদানের মাধ্যমে ই কমার্সের পপুলারিটি অজর্ন করা সম্ভব

part 8 2 sep

Masud Rana

ই-কমার্স বা অনলাইন বিজনেস এর ক্ষেত্রে গুনগুন মান সঠিকভাবে নিশ্চিত না করতে পারলে ব্যবসা বৃদ্ধি হবেনা কখনোই।
আমরা সাধারনত কোন দোকান থেকে কিছু একটা কিনার পর তা যদি যথাযথ সঠিক না পাই তবে সেই দোকানে আর পরবর্তীতে যাইনা।
অনলাইন বিজনেস এর ক্ষেত্রে ও একটি দৃষ্টান্ত।যদি ক্রেতা 
সন্তুষ্ট অর্জন না করা যায় মানের দিক থেকে তবে এ ব্যবসার প্রসার কখনোই হবেনা।
Esrath Pori

ভালো প্রডাক্ট বিক্রির ফলে ক্রেতারা রিভিউ দিয়ে থাকে।
ইভেন আমি নিজেও কয়েকদিন আগে অনলাইন থেকে প্রডাক্ট নিব।ত তাদের রিভিউ গুলো চেক করলাম।বিশ্বস্ত মনে হলো ক্রেতাদের রিভিউ দেখে।সাথে সাথে বিকাশ করেছি। then আমি আমার প্রডাক্ট পেয়ে গেছি সময়মতো।
আর একটা কথা কি ক্রেতারা এত রিভিউ দেয় কেন?
কারণ ভাল পণ্যের বিক্রির ফলেই ক্রেতারা সন্তুষ্ট হয়ে রিভিউ দিয়ে থাকে।
তাই গুনগত মান পণ্যের বিক্রির অনেক সফলতা বয়ে আনে।
এতে করে ক্রেতারা এই পেইজ এর প্রতি বিশ্বাস করে এবং সহজেই সেল ও বাড়ে

No comments:

Post a Comment