Razib Ahmed ▶ Women and e-Commerce forum ( WE )
আড্ডা পোস্ট ১৫ অক্টোবর ২০১৯
আজকের টপিকঃ দেশি পন্য প্রচারে ফেইসবুকের ভুমিকা
Yesterday at 10:31 PM ·
Public
Sourav Ahammed II
সবাই এখন বলা যায় অনলাইন থেকে কিছু না কিছু কেনা কাটা করে থাকে। আর ফেসবুক ব্যবহার কারীর তো সারা বিশ্ব জুড়ে। তাই আমরা চাইলেই আমাদের দেশিয় পন্যকে ফেসবুকের মাধ্যমে সবার কাছে তুলে ধরতে পারি। এতে করে সবাই আমাদের দেশকে ও দেশের পন্যকে ব্যবহার করবে।
আফ রোজ
ফেইসবুল হলো নোকিয়া ১১০০ সেটের মত। পড়াশোনা যে ভালো করে জানে না তার ও একটা আইডি আছে। তাই এখানে মার্কেটিং টা স্ট্রং!
Jesmin Sultana Mukti
অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে ফেসবুক। ফেসবুকে দেশীয় পন্যের ছবি তুলে, পন্যর বিবরন দিয়ে পোস্ট করে পন্য সম্পর্কে আলোচনা করা যায়।
Amirul Islam Shepon
আমাদের দেশিও পন্যের গ্লোবাল মার্কেটে বাজারকরনের প্রধান অন্তরায় "পন্যের প্রচার"যেটা ফেসবুকের মাধ্যেমে খুব দ্রুত এবং সুন্দর ভাবে সম্ভব,দরকার শুধু সম্মিলিত প্লাটর্ফম
Kazi Anisa
অসামান্য ভুমিকা। আগে মাটির কোন পণ্য কিনতে হয় মেলায় যেতে হত নয়তো দোয়েল চত্বর। এখন ঘরে বসেই এই পণ্য কিনা যায়। তবে দেশী পণ্য নিয়ে কাজ করতে অনেক ধৈর্য লাগে। কারিগরের কারখানাগুলো তে যেতে হয়, তাদের সাথে আত্মার একটা সম্পর্ক গড়তে হবে।
আলী বাবা
বর্তমানে সারাবিশ্বেই ফেসবুক হচ্ছে সব চেয়ে শক্তিশালী এবং দ্রুতগতির মিডিয়া তার ব্যতিক্রম নয় আমাদের দেশেও তাই এখন সময় হচ্ছে যদি দ্রুত এবং অল্প সময়ে অনেকের নিকট প্রচার করতে চাও তাহলে ফেসবুকে প্রচার কর,তাই আমি মনে করে দেশি পণ্য প্রচার করার সব চেয়ে উত্তম মাধ্যম এখন ফেসবুক।
Nahid Manwar
সবচেয়ে বড় কথা দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা ই কাজ করা যায়,যেখান থেকে ইচছা,তাই দেশের আনাচে কানাচে থেকে উঠে আসছে উদ্দোক্তা।জেনে বুঝে কাজ করতে পারলে ফেজবুকের কল্যানেই ছড়িয়ে পড়বে বিশ্ব ব্যাপী।
Kakoly Russell Talokder
পণ্যের প্রচার এর জন্য ফেসবুক একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আপনি,আমি চাই বা না চাই সব ধরনের নিউজ মানুষের ওয়ালে ওয়ালে শেয়ার হয়ে আমাদের হোম পেজে এসে পৌছায়। এভাবে মিনিটে সারা পৃথিবীতে প্রচার হয়ে যায় পণ্যের পিক/নিউজ/ গুনাবলী। সাধারণত ই-কমার্সের সাইটগুলোতে পণ্যের প্রচার- প্রসার এর কাজে যতটা না ইউজ হয়।তার চাইতে হাজার গুন কাজে লাগে ফেসবুক।কারণ সাইটগুলোতে সবার ইন্টারেস্ট থাকেনা।তাই ইচ্ছে করলেই যে কেউ ইগ্নোর করতে পারে।কিন্তু ফেসবুক অলমোস্ট সবাই এক্সেস করে। তাই প্রচারও বেশি হয়
Farhana Mukta
আমার তো মনে হয় ,এর কোনও বিকল্প নেই , বেশি না .... ৪০% শক্ত সেলার বা উদ্যোক্তা যদি এর পিছনে কঠিন ভাবে লেগে যাই ..... ক্রেতাদের ৮০% আকৃষ্ট করতে পারবো 👍......
ভালো ভালো কাজ করতে হবে আমাদের ।
Rowshan Ika
সত্তিই ফেসবুকের জন্য ইংল্যান্ডে থাকা আপুও কেমন সরল বিশ্বাসে বিকাশ করে দেন দেশী পণ্যের জন্য!
এটা কি কম এচিভমেন্ট!!
Nafia Sultana
দেশি পন্যের প্রচার এবং প্রসারের ক্ষেত্রে ফেসবুকের ভুমিকা অনেক। এই ফেসবুকের মার্কেটিং সাপোর্ট এর কল্যাণে, আজ আমাদের দেশের অনেক রকম ঐতিহ্যবাহী পণ্য থেকে শুরু করে খাবার পর্যন্ত বিক্রি হওয়ার সুযোগ হয়েছে এবং তা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে।
Rahima Akter
জি স্যার আমি মনে করি, দেশি পন্য প্রচারের জন্য ফেইসবুক একটি অসাধারণ জায়গা।কারণ এখন অনেকে ফেইসবুকের মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করে। এবং অনেকে দেশি পন্য সামগ্রিই অনেক পছন্দ করেন।তাই ফেইসবুকে মাধ্যমে অনেক দেশি পন্য সামগ্রি বিদেশের মধ্যেও প্রচার করা অবশ্যই যাবে। যদি সবার আগ্যহ থাকে। কারণ ফেইসবুকের মাধ্যমে পৃথিবীর যে কোন স্তান থেকে পন্য পাঠানো যায়।
Gallant Jishan
দেশি পন্য প্রচারে ফেইসবুক অনেক বড় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে ! দেশি পন্য প্রচারে মধ্যে আমরা অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারছি,যা আমাদের অর্থনিতি কে অনেক শক্তিশালী করছে!
Rukiya Jannat
আমার মনে হয় এটা একটা বড় জায়গা দেশি পণ্য প্রচার ও প্রসারের জন্য।সোসিয়াল সাইটগুলোর মধ্যে এর ব্যবহার ও ব্যাপক এবং তুলনামূলক সবার জন্য সহজলভ্য।
যদিও আমার ধারণা কম দেশি পণ্য প্রচার ও কেনাকাটার ক্ষেত্রে ভালো একটা প্লাটফর্ম ফেসবুক।কারণ এখানে সকল স্তরের মানুষের বিচরন।
Barna Tabreez
আমার খাজুরী পিঠা আমেরিকা, সুইডেন এর মত জায়গায় পৌঁছেছে এটা তো একমাত্র ফেসবুকের কল্যাণেই!
আঞ্চলিক খাবার দেখেই সাথে সাথে এতদূর থেকেও দেশের আত্মীয়দের সহায়তায় পুরো বিকাশ করে দিয়েছেন, ভাবা যায়! চমৎকার অভিজ্ঞতা যাকে বলে।🙂🙂
Sanzida Rahman
ফেসবুক এখন সারা বিশ্বে ব্যবহৃত সবথেকে জনপ্রিয় সোস্যাল সাইট। এর মাধ্যমে খুব দ্রুত কোন পণ্যের প্রচার করা যায়। কারণ বড় প্লাটফর্ম। এতে দেশীয় পণ্যের প্রচার করলে শুধু দেশের নয় বরং বিদেশের মানুষও জানতে পারবে এবং আগ্রহী হবে।
Nusrat Jahan Ima
বর্তমানে বাংলাদেশি রা ফেবু কেন্দ্রিক। তাই ফেবু তে দেশি পন্য প্রচারে ফেবু অগ্রগন্য ভুমিকা আছে। বাট - যত দিন যাবে নতুন নতুন সোশ্যাল মিডিয়া আসবে। আর কয়েক বছর হয়তো ফেসবুক বাদে অন্য কোন মিডিয়াতে মানুষ বেশি এক্টিভ হতে পারে। যেমন ইতমধ্যে ইন্সটাগ্রামে মানুষ একটিভ হচ্ছে, আর ইন্সটার সুবিধা হচ্ছে এখানে দেশী বিদেশী সব ধরনের কাস্টোমার রা থাকে। সেখানে কথা কম ছবি আর ভিডিও বেশি। আর কদিন পর মানুষের এত টাইম থাকবে না কথা বলার, ছবি দেখবে পছন্দ করবে অর্ডার দিবে। সো সব ধরনের সোশ্যাল মিডিয়াতে এখন থেকেই একটিভ থাকা, কাস্টোমার রিচ করা, যাতে কখনো ফেবু বন্ধ হলে, কিংবা ফেবুর বাজার না চললে দেশী পন্যের বাজার যাতে বন্ধ না হয়। আর ব্যাবসা ফেবু নির্ভর না হয়ে আস্তে আস্তে সকল অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়াতে যোগ দেয়াটাই বুদ্ধিমান হবে। আর যদি দেশীয় পন্য কে বাইরে পরিচিত করতে চাই সেক্ষেত্রে, ওয়েবসাইট থাকা জরুরী। For a time being Facebook is a perfect market place nowadays. But ফেসবুক কে যে কেউ ডিফিট করবে না কে জানে? 🙂 সো বিদেশে প্রচারনার জন্য সব ধরনের মিডিয়া ব্যাবহার করা। মোস্ট ইম্পর্টেন্ট থিং, সব দেশে ফেসবুকের ব্যাবহার বাংলাদেশের মত মারাত্নক না। সো আজ হচ্ছে, আর ক বছর পর হবে কিনা কে জানে?
আর আমার চাকরি লাইফ থেকেই দেখেছি৷ আমার মোস্ট অফ ফরেন কাস্টোমার, এজেন্ট, বায়ার কেউই খুব একটা ফেসবুক ব্যাবহার করে না। বলতে গেলে একদমই না। চায়না, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, usa এরা বিভিন্ন অনলাইন মার্কেট প্লেস ভিজিট করে রাদার দ্যান ফেসবুক। চাইনিজ রা ফেসবুক ইউজ করে না। ওদের সাথে কমিউনিকেশনের জন্য উইচ্যাট লাগবে। ইন্ডিয়া তে হোয়াটস এপ এর ইউজ বেশি৷ সো দেশি পন্য নিয়ে অনলাইন বেইস মার্কেট প্লেস গুলোতে রিচ করতে হবে। ফেসবুক আগে ছিলো - সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। অর্থাৎ বন্ধুবান্ধব দের নিয়ে আড্ডাবাজীর একটা প্লেস। ২০০৭ এর ফেসবুক আর ২০১৯ এর ফেসবুকে আকাশ পাতাল পার্থক্য৷ তখন হোম পেইজে থাকতো বন্ধুদের ছবি, এখন থাকে অনলাইন পেইজ গুলোর ছবি৷ ফেসবুক যোগাযোগ মাধ্যমকে পরিবর্তন করেছে ব্যাবসায়িক ক্ষেত্রে নিজেদের পরিবর্তন করে। ফেসবুক তার নিজের প্রয়োজনে আজকে যা সহজ সুলভ বলছে আর কদিন পরে সে তা রাখবেও না। ক বছর আগেও বুস্টিং প্রমোশন ব্যাপার গুলো এত ছিলো না। এসব নিয়ে এত মাথা ঘামানোও লাগতো না। ফেবু অটো ব্যাবসায়িক ইস্যু হলেই পেমেন্ট ছাড়া রিচ কমিয়ে দিচ্ছে। গ্রুপ গুলোতে ইনেক্টিভ মেম্বার কে বাদ দিয়ে দিচ্ছে। ফেসবুক নিত্য নতুন তার পলিসি চ্যাঞ্জ করছে। সেই তাদের কেই রাখবে যারা তার জন্য প্রফিটেবল! এজন্যই অনেকে বলে বুস্টিং করে আগের মত মানুষ পাই না। সেল হয় না। Facebook has some alogoridm, has some macanism! সবাই ফেসবুক ইউজ করে বলে অনলি ফেসবুক ডিপেন্ড হওয়াটা ভুল। আর যদি বাইরে ইম্পোর্টের ইচ্ছা থাকে - সেক্ষেত্রে সব ধরনের সোশ্যাল মিডিয়াতে ইনভলভমেন্ট বাড়ানো, মার্কেটিং করা। এবং সেই সাথে একটা সহজ, আকর্ষনীয় ওয়েব সাইট তৈরী করা। যেখানে এক বারে সমস্ত জিনিস পেয়ে যাবে কাস্টোমার। আপনি ভিয়েতনাম, চায়না, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া তে এক্সপোর্ট করার ইচ্ছা থাকলে তাদের সাথে তাল মিলিয়ে চলে তাদের কে সেই প্রোডাক্ট পৌছে দিতে হবে।
বাইরের কান্ট্রি গুলো আমাদের মত এত ফেসবুক ইউজ করে না। and they didnt waste their time in facebooking like us. এদেশের মানুষদের কাছেই বিদেশী পন্যের জায়গায় দেশি পন্যে হাতে হাতে তুলে দিতে এবং অভ্যস্ত করতে ফেসবুকের বাইরেও কাজ করা উচিত।
u never know what they will decide to make their profit. So one should not keep one side business trough facebook.
Be update & upgrade!
নিশীতা মিতু
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বলতে ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম আরও অনেক প্লাটফর্ম থাকলেও আমরা ফেসবুকে সরব বেশি। এখানে দেশীয় পণ্য নিয়ে যত আলোচনা হবে তত তার প্রসার ঘটবে। অন্তত মানুষ জানবে৷
Shahana Islam
আসসালামু আলায়কুম স্যার, আজকের টপিক টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ৷
আমাদের দেশে অনেক উন্নতমানের পন্য উৎপাদন হয়, বা এর মান আরও ভালো করা যায়, যা ফেইসবুক এর মাধ্যমে প্রচার করে বিশ্ব বাজারে তুলে ধরা সম্ভব
Sash Kabbo
রাইমার বাবা রাইমাকে বলল তুই সারাদিন কি করিস আব্বু ফেইজবুক।
রাইমা একদিন দেখলো ফেইজবুকে ভাল কিছু করা যায়।
রাইমার বাবার ফলমুল গুলি ছবি তুলে সে ফেইজবুক পেইজে দিলো এই সুবাধে সিটির একজন ব্যবসায়ী রাইমার বাবার থেকে সে পন্য বুজে ন্যাজ মুল্য দিলো
Md Ali Akbar
দেশীয় পণ্য প্রচারে ফেসবুকের ভুমিকা :
বর্তমানের আধুনিক যুব সমাজ আমাদের দেশীয় ঐতিহ্য থেকে ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে, এবং তারা যন্ত্র নির্ভর হয়ে যাচ্ছে। আর এই ফেসবুকের যুগে যদি ফেসবুক কে ই কাজে লাগানো হয় দেশীয় পণ্য প্রচারে তা খুবই দারুন হবে।
কারন এখন কার ছেলেমেয়েরা আর যাই করুন ফেসবুক ইউস করেই।
তাই ফেসবুক ই হতে পারে সেরা প্লাটপর্ম দেশীয় পণ্য প্রচারে।
Jashim Uddin
বিগত মাসে আমি মতিঝিলে পাট মন্ত্রনালয়ের অফিসে গিয়েছিলাম
সেখানে পাট মন্ত্রনালয় থেকে পাট হতে উৎপাদিত পণ্যের মেলা হয়েছে,
কিন্তু দেখলাম, ওখানে মানুষের উপস্থিতি খুবই কম ।।
এই মেলার বিষয় টা যদি ফেসবুকে প্রচারিত হতো
তাহলে অনেক মানুষ আসতো মেলায় ,
আর সবাই দেখতে পেত পাট দিয়ে কি কি পণ্য
আমাদের দেশে তৈরি হচ্ছে , সোশাল মিডিয়া এমন একটা জায়গা যেখানে মানুষের কাছে
মেসেজ পৌছাঁনো কতো সহজ ও দ্রুততর হয়।
এখন যদি উই গ্রুপ টা লিংকডইন কিংবা টুইটারে হতো,
তাহলে মানুষের সংখ্যা হত হাতে গোনা কয়েকজন।
কিন্তু ফেসবুক সেই ক্ষেত্রে ওদের থেকেও এগিয়ে আছে
Taslima Siddika Siddika
বর্তমান প্রজন্ম বেশির ভাগ সময়ই ফেসবুকে দেয়।তাই ফেসবুক এর মাধ্যমে খুব সজজেই তাদের কাছে দেশীয় পন্যের গ্রহনযোগ্যতা তুলে ধরা য়ায়। তবে ফ্যাশনে ফিউশন আনতে হবে
Diba Jerin Shraboni
বেশ বড় ভূমিকা রেখেছে স্যার। ফেইসকুকের মাধ্যমে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তর পন্য সম্পর্কে জানতে পারছি।।শুধু দেশে নয় দেশের বাইরেও আমাদের দেশীয় পন্য পৌঁছে যাচ্ছে।এতে অনেক উদ্যোক্তা উপকৃত হচ্ছে।
Tanzeela Omi
অনেক বড় মাধ্যম।কারন ফেসবুক আমাদের এখন খাওয়া দাওয়া ঘুম বাথ্রুম এর পর পরেই।😁 তাই ফেসবুকে যদি দেশীয় পন্যের প্রচার করা যায়।খুব দ্রুত সবার কাছে পৌছাবে।মানে ভাইরাল হবে আর কি
Asma Akhtar
এখন বলতে গেলে সবাই ফেসবুক চালাতে জানে।
আমরা যদি আমাদের আশেপাশের সাধারণ মানুষদের সাথে কমিউনিকেট করে জানতে পারি যে কে কি পারে তা ভালোভাবে প্রেজেন্ট করলে আমাদের দেশের জন্য ভালো হবে
Mojidul Islam
ফেনবুকে টার্গেটেড ক্রেতার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব, সম্ভাব্য ক্রেতারা কিছু কেনার আগে পণ্যের মালিকের কাছ থেকে আরও কিছু বিষয় জেনে নেওয়ার সুযোগ পান এবং সবশেষে নিশ্চিত হয়ে কিনতে পারেন।
Mohammed Abdullah Al Mamun
বিদেশী পণ্যের অাড়ালে দেশীয় পণ্যগুলো দেখা যায় না।তাই ফেসবুকে দেশীয় পণ্য প্রচার করলে সবার নজর কেড়ে নিবে এগুলো।ফলে এর কদর কিছুটা হলেও বাড়বে।
মিতা রায়
বর্তমান সময়ে দেশি পন্য কেনা বেচার উপযুক্ত মাধ্যম হলো ফেসবুক। তা,ছাড়া বেশিরভাগ ক্রেতা,ফেসবুকের সাথে যুক্ত তাই দেশি পন্য নিয়ে আলোচনা করা,গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো ফেসবুক
Mojidul Islam
বর্তমানে ফেসবুক হলো বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী এই ফেসবুক নিয়মিত ব্যবহার করে। ফেসবুকের অফিসিয়াল হিসেব অনুযায়ী, বর্তমানে ৯০০ মিলিয়ন মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করেন এবং গড়ে প্রতি ইউজার প্রতি মাসে ৪০৫ মিনিট ফেসবুকে ব্যয় করেন। এতো মানুষের কাছে নিজের পণ্যকে পৌঁছানোর জন্য এটি সবচাইতে ভালো উপায়।
Tuhin Ahmed
এতজোড়া জুতা আমার পছন্দ হয়েছিল ফেইসবুকে। কমেন্ট করলাম আমি নিতে চাই। মেসেজ দিয়ে নাম নাম্বার আর কোথায় থাকি জিজ্ঞেস করলো পরের দিন দুপুরে জুতা আমার পায়ে। তাহলে বুঝা উচিত কত সহজে ফেইসবুকে বিক্রি সম্ভব।
Iqbal Hossain Hasan
আমাদের দেশে বেশির ভাগ তরুণ তরুণীরা ফেইসবুকে সময় কাটায় অধিকাংশ এরা অনেকেই দেশি পন্যের শুবিদা অসুবিধা যানে না । ফেইসবুকে ছবি সহ ছোট আকারে দুই কলম লিখে । যদি আমাদের দেশি পন্য গুলো বিজ্ঞাপন দেয় । অনেক ভালো চলবে আসা করি ।
Moontasir Haque Moon
ফেসবুক বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ একটা প্লাটফর্ম যার মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপ বা নিজের বিভিন্ন আইডিয়ার মাধ্যমে নিজের কাজ খুব তাড়াতাড়ি মানুষের সামনে স্বল্প সময়ে তুলে ধরা যায়। তুলে ধরা যায় সবকিছুই আর সব ধরনের শিল্পই।
এটার জন্য বর্তমানে অনেক উদ্যোক্তা সহ অনেকেই নিজেই সৃষ্টিশীল কাজের মাধ্যমে অন্যের কাছেও নিজেকে তুলে ধরতে পারছে।
শুধু তাই না।কর্মসংস্থান ও সৃষ্টি হচ্ছে।
Mojidul Islam
আপনার ব্যবসায় দেশি পন্য সম্পর্কিত কোনো ব্লগি কিংবা কোনো আর্টিকেল লিখে থাকলে সেটায় আরও বেশি পাঠক পাবার সবচেয়ে ভালো মাধ্যম ফেসবুক
Mohammed Abdullah Al Mamun
জামদানী শাড়ী অনেকেই চেনেন না।তারা ফেসবুকে বিদেশী শাড়ী দেখেই অর্ডার করে ফেলে।এখন জামদানী যদি ফেসবুকের মাধ্যমে মানুষের কাছে প্রচার করা হয় তাহলে অনেক মানুষই জামদানির প্রেমে পড়ে যাবে।ফলে দেশীয় পণ্যের ক্রেতা বেড়ে যাবে।
Mojidul Islam
বর্তমান যুগে ফেসবুক কিংবা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে সকল মানুষগুলো প্রচুর পরিমানে উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তার মধ্যে ফেসবুক অন্যতম।
Arfatun Nabila
এই মুহূর্তে ফেসবুককে জানা হচ্ছে ব্যবসায়িক প্রচারে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক মাধ্যম। মুহূর্তেই এক দেশ থেকে আরেক দেশের মানুষের সাথে ছবি দেয়া নেয়া করা যায়। কথা বলা যায় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। লাখ লাখ মানুষকে এক মুহূর্তে একসাথে করে দিচ্ছে এই ফেসবুক।
Sonia Akter
ফেইসবুক এখন এমন একটা মাধ্যম যেখানে এক তৃতীয়াংশ মানুষ ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে গেছে।আর সুযোগটাকেই কাজে লাগাতে হবে
Sumi Sarkar
বাংলাদেশের বেশিরভাগ পন্য এখন ফেসবুকে মাধ্যমে কেনা বেচা হয়। বর্তমানে ফেসবুক একটি সহজ মাধ্যম পন্য কেনা বেচার জন্য সে পন্য দেশী হোক আর বিদেশী হোক
Munia Sabrina
ব্যানার বিল বোর্ড পেপার বা মেগাজিনে বিজ্ঞাপন কিংবা টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন থেকে ফেইসবুকে প্রচা আমার কাছে মনে করে সহজলভ্য ও একসাথে অধিক পরিমাণে গ্রাহক পাওয়ার সম্ভবনা থাকে
আইরিন আক্তার
মানুষ দিনের বেশির ভাগ ফেসবুকে সময় অতিবাহিত করে তাই পন্য বেচা কেনার জন্য এটাই বেশি জনপ্রিয় হিসেবে পরিগনিত হয়।আর সবচেয়ে বড় কথা এখানে পন্য সেল করার জন্য না দরকার হয় কোন দোকানের আর না দরকার হয় কোন সেল্সম্যান এর।
Mohammed Abdullah Al Mamun
ফেসবুক যেহেতু আন্তর্জাতিক কমিউনিটি প্লাটফর্ম,সেহেতু আন্তর্জাতিকভাবে আমাদের দেশীয় প্রোডাক্ট এর অন্যান্য দেশে প্রচার করা যাবে।
Momotaz Fariha
অনেক বেশি ভুমিকা
বর্তমানে প্রচুর মানুষ ফেইসবুকে খুব বেশি একটিভ। সবাই নতুন নতুন জিনিস আর ভালো জিনিসের প্রতি আগ্রহী।
দেশীয় পণ্যগুলো খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরতে পারলে অনেক কিছুই সম্ভব।
এই যেমন উই তেই অনেক দেশী পণ্য প্রেমী আছেন
Mojidul Islam
বর্তমানে প্রায় ৯০০ মিলিয়ন মানুষ নিয়মিত ফেসবুক ব্যবহার করেন। সুতরাং বুঝতে সমস্যা হওয়ার কথা না, যে কোনো ব্যবসাকে প্রচারের জন্য পোস্টার, টিভি বিজ্ঞাপন কিংবা পত্রিকাতে বিজ্ঞাপন দেওয়ার চাইতে ফেসবুকের মাধ্যমে আরও কয়েকগুণ বেশি কার্যকরীভাবে ব্যবসার প্রসার করলে অনেক বড় ভুমিকা পালন করবে
S M Mehdi Hassan
সবাইকে আজকের আড্ডায় স্বাগতম। বাংলাদেশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সবশেষ হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে মোট ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬ কোটি ৭২ লাখ ৪৫ হাজার। যা দিন দিন বাড়ছে। ২০১৭ সালে কানাডার সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট প্ল্যাটফর্ম হুটস্যুট (Hootsuite) এবং যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক এজেন্সি উই আর সোশ্যাল (We Are Social) এর গবেষণা পত্রে বলা হয় যে সক্রিয় ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যার দিক দিয়ে ঢাকা দ্বিতীয় স্থানে আছে।
সোজা কথা বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ ফেসবুক ব্যবহার করে থাকে যারা শিক্ষিত এবং ইন্টারনেট স্মার্টফোন ব্যবহারে অভ্যস্ত। এদের বড় অংশের বয়স ৪০ এর নীচে। এই বিবেচনায় ফেসবুক একটা বিশাল বাজার। তাই ফেসবুকের মাধ্যমে খুব সহজেই দেশীয় পণ্যকে এই বিশাল পরিমাণ লোকদের কাছে তুলে ধরা সম্ভব।
ফেসবুকের মাধ্যমে পণ্য কেনাবেচা যে শুধু বাংলাদেশেই হয় তা নয়। ভারত, চীন, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম সহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পণ্য কেনাবেচা হয়। এসব দেশেও সোশ্যাল মিডিয়া জনপ্রিয় এবং ব্যবহারকারীরা জিনিসপত্র কেনার ক্ষেত্রে তাদের আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের সাথে অনেক কিছু শেয়ার করে কারণ তাদের মতামতকে তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নেয়। কারো কোন জিনিস ভাল লাগলে বা ব্যবহার করে পছন্দ হলে সে সোশ্যাল মিডিয়াতে অন্যদের সাথে তা শেয়ার করে। অনেকে তখন এটি কিনতে উৎসাহিত হয়। বাংলাদেশেও এই ব্যাপারটি বিদ্যমান। কোন একজন যদি একটা পণ্য ফেসবুকের মাধ্যমে কিনে ভাল লাগে তাহলে সে অন্যদের সাথে শেয়ার করে এবং তারাও কিনতে উৎসাহিত হয়। এই ওয়ার্ড অব মাউথ মার্কেটিং এর বিশাল গুরুত্ব আছে।
Sarmeen Layla Rahman
১.ফেসবুকে যে কোন বিষয় ভাইরাল করা সহজ।
২.সেই সাথে যারা বিক্রেতারা ইচ্ছা করলেই সুন্দর আর্কষনীয় করে পোষ্ট করলে অবশ্যই ক্রেতারা আকৃষ্ট হবেন।
৩.দেশী পণ্যের জন্য মানুষের ভেতরের দেশপ্রেম চেতনাকে জাগ্রতকারী বিষয় প্রয়োগ করা যেতে পারে।
৪.বিভিন্ন পাবলিক প্লেসগুলোতে যেখানে টিভি দেয়া আছে সেখানে বিজ্ঞাপন দিতে হবে এবং সেই জায়গাগুলোতে প্রচারের বিষয় ফেসবুকের মাধ্যমে প্রচার করতে হবে।
৫.দেশীয় পণ্য গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ত্ব,জনপ্রিয় টিভি তারকাদের মাধ্যমে জনপ্রিয় করা সম্ভব।উদাহরণ:মেহজাবীন।যা পরে তাই হিট।
৬.ফেসবুক ইনফ্লুয়েন্সার দের মাধ্যমে সহজে সম্ভব।
৭.ফেসবুকে জনপ্রিয় কিছু গ্রুপ আছে সেসব গ্রুপের সাথে নিয়ে সহজেই প্রচার বাড়ানো সম্ভব।
Jashim Uddin
বিগত মাসে আমি মতিঝিলে পাট মন্ত্রনালয়ের অফিসে গিয়েছিলাম
সেখানে পাট মন্ত্রনালয় থেকে পাট হতে উৎপাদিত পণ্যের মেলা হয়েছে,
কিন্তু দেখলাম, ওখানে মানুষের উপস্থিতি খুবই কম ।।
এই মেলার বিষয় টা যদি ফেসবুকে প্রচারিত হতো
তাহলে অনেক মানুষ আসতো মেলায় ,
আর সবাই দেখতে পেত পাট দিয়ে কি কি পণ্য
আমাদের দেশে তৈরি হচ্ছে , সোশাল মিডিয়া এমন একটা জায়গা যেখানে মানুষের কাছে
মেসেজ পৌছাঁনো কতো সহজ ও দ্রুততর হয়।
এখন যদি উই গ্রুপ টা লিংকডইন কিংবা টুইটারে হতো,
তাহলে মানুষের সংখ্যা হত হাতে গোনা কয়েকজন।
কিন্তু ফেসবুক সেই ক্ষেত্রে ওদের থেকেও এগিয়ে আছে
ঝুমা হোসেন
ধন্যবাদ স্যার।যেহেতু সবকিছুই ফেসবুক কেন্দ্রিক এবং মানুষ একটা বিশাল সময় ফেসবুকে অতিবাহিত করে তাই মানুষের কাছে পন্য নিয়ে মার্কেটিং করা সহজ ফেসবুকের মাধ্যমে।
যদি দেশীয় পন্যের গুনাগুন এবং কোয়ালিটি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করা সম্ভব হয় তবে কাস্টমার রিচ করাও সহজ হবে।
দেশীয় পন্য আমাদের ঐতিহ্য ।যা সম্পর্কে আমাদের দেশের মানুষ সবাই কম বেশী জানে। তাই তাদেরকে এ বিষয়ে বুঝানোটা কঠিন হবে না আশা করছি।
Fardin H Joty
বেশ বড় ভূমিকা রেখেছে স্যার। তবে আমরা যদি একটু বয়ষ্ক এবং আধুনিক অনলাইন মার্কেটিং এর পদ্ধতি গুলো সম্পর্কে জানেন না,তাদের ও যদি এই মাধ্যম গুলো সম্পর্কে ধারণা দিতে পারতাম বা তাদের কাছে গিয়ে তাদের পণ্য গুলো প্রচারের ব্যবস্থা করে দিতাম তাহলে হয়তো আমাদের দেশের অনেক পণ্য আন্তর্জাতিক পর্যায়েও পরিচিতি লাভ করতে পারত। যেমন সেই দিন এক গ্রামের একজন মেয়ে বাঁশ দিয়ে কলম বানিয়েছিল এবং নিজেই ব্যবহার করছিল, এইটাও যে একটা পণ্য হতে পারে বা কেউ টাকা দিয়ে কিনতে পারে তা তারা জানেই না ! এমন অনেক পণ্য এখনো গ্রামের দিকে বানানো হয় যার সম্পর্কে আমাদেরও তেমন ধারণা নেই বললেই চলে
Jashim Uddin
ফেসবুক হলো এখনকার সময়েে সবচে জনপ্রিয় এবং সবচে বেশি ব্যবহ্রত একটি মাধ্যম, আমরা বাংলাদেশি রা ফেসবুক বেশি ব্যবহার করি
তাই ফেসবুকে আমরা দেশীয় পণ্যের একটা বিরাট বাজারের মার্কেটিং ফেসবুক দিয়েই করতে পারি,
সোশাল মার্কেটিং এর যুগে ফেসবুক ই সবচে বেশি প্রচলিত বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ।।
সুতরাং বলতে পারি ফেসবুক আমাদের দেশীয় পণ্যের প্রচারে অগ্রায়ন ভূমিকা পালন করছে ।।
আমরা বাংলাদেশী রা ইতিমধ্যেই ই-কমার্স ব্যবহার শুরু করে দিয়েছি, ফলস্বরুপ আমরা এখন ফেসবুক এ পণ্য দেখে
সেই পণ্য নিজের দ্বারপ্রান্তে পাচ্ছি
No comments:
Post a Comment