হ্যান্ড মেইড পন্যের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, অর্থনীতিতে অবদান


বিষয়ঃ হ্যান্ড মেইড পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাস, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, অর্থনীতিতে অবদান এবং দেশি ঐতিহ্যকে লালন করতে বর্তমান প্রজন্মের দায়িত্ব ও ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করুন।

আড্ডা পোস্টে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও স্বাগতম।

 — with Razib Ahmed and 2 others.
Abdur Razzak

অামাদের গ্রামের মা-বোনেরা অনেক ধরণের হোম মেড জিনিস বানায় যেমনঃ
১.নকসি কাঁথা।
২.অামের অাচার
৩.শাড়ি চাদরে হাতের কাজ
৪.বিভিন্ন প্রকার পিঠা পুরি

কিন্তু এগুলোর ভাল মার্কেট না থাকার কারণে বাণিজ্যিক ভাতে শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।

Md Daloare Hossain

আগে হ্যান্ড মেইড আচার বিক্রি করতে শুনিনি এ গ্রুপের কারণে হ্যান্ড মেইড আচারের মার্কেট সম্পর্কে ধারনা বেলাম

ফাতেমা-তুজ-জহুরা রজনী

হ্যান্ডমেইড পন্য উৎপাদনে তৃণমূলের নারীরা খুবই দক্ষ। প্রয়োজন সঠিক প্রচারনা আর মার্কেটিং এর

Md Daloare Hossain

আগে কেক শুধু বেকারি গুলোতেই পাওয়া যেতো আর জন্মদিনে কাটা হতো এখন তা আপুরা তৈরি করে কাস্টমাইজ করে এবং তা প্রায় সকল উদ্বোধনি অনুষ্ঠানেই কাটা হয়

Razib Ahmed

উইতে সময় দিয়ে কারো সেল কম বা বেশি হয়তো হয়েছে কিন্তু তাদের আমরা খুব ভাল করে চিনি। মানে তারা বিশাল পরিচিতি পেয়ে গেছেন অনেক অল্প সময়ের মধ্যে।

Md Daloare Hossain

হোগলা আমরাদের কুমিল্লায় প্রচুর জন্মায় কিন্তু হোগলা দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয় তা আগে জানতাম না। মেহেদি ভাইয়ের কমেন্টের কারণে জানতে পারছি। https://www.youtube.com/watch?time_continue=21&v=7P7auKAOHpo
Rabeya Akter

হাতের তৈরি যেকোন জিনিস ভালো লাগে। আমার ঘরের সাজানোর জিনিস গুলোও গ্রামীন জানিস যেমন: বেতের পালকি, কুলা, মাছ ধরার জিনিস বাঁশের তৈরি, ইত্যাদি । আমার খুব ভালো লাগে। সোনারগা থেকে কিনেছি।

Kakoly Russell Talokder

নিজের হাতের পণ্য তৈরিতে যেটা প্রথম পজিটিভ দিক তা হলো মেন্টাল স্যাটিসফেকশান।পণ্য সেল হলো কি হলনা তার চাইতেও বেশি আত্নতৃপ্তি কাজ করে।মনে হয় এই পণ্যটির জনক আমি।হাতে তৈরি জিনিস নিয়ে কাজ করলে নিজের সম্পূর্ণ মেধা এবং ক্রিয়েটিভিটি কাজে লাগানো যায়।নিজের জিনিস সম্পর্কে ডিটেইলস জানা থাকে বলে আত্নবিশ্বাস আসে এবং পণ্য বাজারজাতকরণ করে আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হওয়া যায়।পণ্যের মান উন্নয়ন করে দেশের বাইরে রপ্তানি করে দেশের জিডিপিতে ভূমিকা রাখা যায়।
Sharjana Poly

আমি আমার মা,খালা, রিলেটিভদের দেখেছি অনেক সুন্দর করে হাতের কাজ করতে, নিজে ও শখের বশে তাদের দেখে অনেক কিছু করেছি।কিন্তু এই শিল্প কে পরিচিত করতে হলে অনেক বেশি প্রচার প্রয়োজন

Md Daloare Hossain

টুপি প্রায় প্রতিটি ঘরেই আছে। বগুড়ার শেরপুরে আমাদের মায়েরা নানা ডিজাইনের টুপি হাতের তৈরি করে
Saikat Hasan Kabbo

বাড়িতে তৈরী পণ্য নিয়ে ব্যবসায় করলে আলাদা সুবিধা পাওয়া যায়।এতে করে দোকান ভাড়া ছাড়াও অন্যান্য খরচ কম হয়।এতে করে নারীদের সুবিধা বেশী।যেহেতু তাঁরা বাজারে দোকান নিয়ে ব্যবসায় করতে আনইজি ফিল করে তাই বাসায় নিজের সুবিধা মতো,মনের আন্দনে ব্যবসায় কার্য পরিচালনা করতে পারে।এতে করে একদিনে বেকার সংখ্যা কমছে অন্যদিকে নিজের জীর্বিকাসহ জাতীয় আয়ে অবদান রাখতে পারছে।
Md Daloare Hossain

নিজেদের মতো করে শিশুদের কাজ করার সুযোগ যদি নিশ্চিত করতে পারলে তাদের মেধা বিকাশে দারুণ ভাবে সহায়ক হবে।

Nushrat Farjana

কটন বাড, ধান, মসুর ডাল এই সব দিয়ে দারুন ওয়ালমেট বানানো যায়

Tahura Eti

নওগাঁ - আদিবাসী মেয়েরা কাজ করছে। তারা আর মাঠে আর কাজ করতে চায় না সে কারনে আমার ছোট্ট প্রয়াস মাত্র।

Md. Rabiul Islam

আমি হাতে একটি জিনিস বানানোর জন্য মেটেরিয়াল এনেছি কিন্তু কাজটি করার জন্য একজনের সাহায্য খুব দরকার । কিন্তু সাহায্য করার মতো কেউ নেই। তাই একটু ভিন্ন আঙিকে নিজেই করতেছি। যদি শেষ করতে পারি তাহলে দেখাব।

Khadiza Akter

কোন কিছু তৈরি করালে নিজের মনে অনেক আনন্দ উপভোগ করি... কিছু তৈরি করলে চিন্তা শক্তি বৃদ্ধি পায়..বাজে চিন্তাভাবনা থেকে দূরে থাকা যায়।

Farhan Sarmin

আমি যশোর এর হাতের কাজের বিভিন্ন শারি জামা ব্যাগ নিয়ে কাজ করাচ্ছি।র এই গ্রুপে যোগ দিয়ে সবার উৎসাহ দেখে খুব ভাল লাগছে।

Urmi Rumana

প্রথমে জানতে হবে কি কি প্রোডাক্ট অলরেডি মার্কেটে আছে আর নতুন আর কি কি করা যায়, সেটা করতে পারবে কিনা, পারলে কি কি শিখতে ও জানতে হবে তারপর বিজনেস শুরু করতে হবে। আর অনলাইনে বিজনেস করতে হলে কি কি জানা প্রয়োজন সেটাও বুঝতে হবে। তারপর তা বাসা থেকেই তৈরি ও বিক্রি করার মাধ্যমে বেকারত্ত দূর করা সম্ভব

Sonia Akter

হ্যান্ড মেইড পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাস,কর্মসংস্থান বৃদ্ধি অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবে যদি বর্তমান প্রজন্মকে যথাযথভাবে প্রশিক্ষণ এবং ভিবিন্ন ঋণের আওতাধীন আনা হয় তাহলে অনেক কার্যকর হবে অর্থনীতিতে

Tamalika Toma

হ্যান্ড মেইড মানেই হলো আমাকে একজন উদ্যোক্তা হতে হবে। আর তার জন্য প্রয়োজন দৃঢ় মনোবল। মনোবল না হলে ঝুঁকি গ্রহন করা যাবে না, ধৈর্য্য রাখা যাবেনা, কাজ নিয়ে স্টাডি বা গবেষণা করা যাবে না। তাই আগে স্থির করতে হবে আমি কি এক জন সফল উদ্যোক্তা হবো কিনা এই মনোবল। আর নিঃসন্দেহে এক জন সফল উদ্যোক্তা অর্থনীতি তে অনেক বিরাট অবদান রাখে। আমার কাছে মনে হচ্ছে গ্রুপে যত বেশি উদ্যোক্তাদের সম্পর্কে জানতে পারছি তত বেশি এ সম্পর্কে জানার আগ্রহ পাচ্ছি। এর বিশালতা অনেক।

Ahlia'z Boson Bangla

অনেক বড় দায়িত্ব আছে বলে মনে করি। বিশেষ করে গ্রামের মহিলা দের অনেক সময় অবহেলায় নষ্ট হয়, তাদের অনেক প্রতিভা আছে। নতুন প্রজন্ম যদি তাদের নিয়ে কাজ করে তাহলে সেটা আমাদের অর্থনীতিতে ও অনেক অবদান রাখবে।

Razib Ahmed

বর্তমান প্রজন্ম তাদের ভুমিকা ঠিক মত পালন করতে আগ্রহী। সমস্যা অন্যখানে। হাতে তৈরি পণ্যের কোন ভাল মার্কেট প্লেস নেই অনলাইনে। অমি আপুকে না চিনলে এত বড় জগত আমার নিজের কাছেই অজানা ছিল।

S M Mehdi Hassan

সবাইকে আজকের আড্ডায় স্বাগতম। হ্যা, হাতে তৈরি পণ্যের মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাস, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দেশীয় ঐতিহ্যকে তুলে ধরা সম্ভব। তবে একই সাথে মাথায় রাখতে হবে যে এসব কুটিরশিল্পের কারিগরদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, সহ বিভিন্ন ধরণের সহায়তা দিয়ে তাদেরকে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং একই সাথে নতুন লোকদের প্রশিক্ষিত করতে হবে যাতে করে এটা ধরে রাখা যায়। আমাদের দেশের নানা জায়গায় নানা ধরণের পণ্য হয়- এখানে কয়েকটা উদাহরণ তুলে দিলাম- 
================================================
১৯৯৮ সাল। হাতে তৈরি কাগজ বা হ্যান্ডমেড পেপারের তৈরি বিভিন্ন ধরনের কার্ড নিয়ে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় (অ্যাম্বিয়েন্ট)অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের এক তরুণ উদ্যোক্তা। ক্রিয়েশন কাঁচা পাট, পাটের সুতা ও কাপড় হোগলা, চামড়া, কলাগাছের বাকল, কচুরিপানাসহ বিভিন্ন উপাদান ব্যবহার করে নান্দনিক নকশায় গৃহস্থালি, নিত্যপ্রয়োজনীয়, বাসাবাড়িতে বাগান করার সরঞ্জাম, ফ্লোর কাভার, প্যাকেজিং বা মোড়কীকরণ পণ্য, সাজসজ্জার উপকরণ, অফিসের ব্যবহার্য প্রায় ১২ হাজার হস্তজাত পণ্য প্রস্তুত ও রপ্তানি করে। সর্বশেষ গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রায় ৪৫ লাখ ডলারের হস্তশিল্প রপ্তানি করেছে ক্রিয়েশন। সেই পণ্য জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ফ্রান্স, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপানসহ বিশ্বের ৩৯ দেশে রপ্তানি হয়েছে।
=====================================================
স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয় পাট, কুমিল্লা থেকে আসে হোগলা। এ দুই কাঁচামালের মিশেলে তৈরি হচ্ছে ম্যাট, পাপোশ, টুপি, ফুলের টব, ব্যাগসহ নানা ধরনের পণ্য। পরিবেশবান্ধব কারখানা ‘গ্লোবাল গোল্ডেন জুট অ্যান্ড ক্রাফট লিমিটেডের’ তৈরি এসব পণ্য রফতানি হচ্ছে বিশ্বের ২৬টি দেশে।

২০১৪ সালে রাজবাড়ী শহর থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে বরাট ইউনিয়নের ভবদিয়া এলাকায় নিজের তিন একর জমি, জমানো কিছু টাকা এবং ইসলামী ব্যাংকের সহযোগিতায় কারখানাটি গড়ে তোলেন প্রকৌশলী মো. হাকিম আলী সরদার। 
গ্লোবাল গোল্ডেন জুট অ্যান্ড ক্রাফট লিমিটেডের পণ্য বিশ্বের ২৬টি দেশে রফতানি হয় জানিয়ে তিনি বলেন, সবচেয়ে বেশি রফতানি হয় ইউরোপে। জার্মানির নানু-নানা, স্পেনের নিহাউ, যুক্তরাজ্যের ডিজাইনিং কালার ও গ্রিন পাইওনিয়ারের মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানের কাছে পণ্য বিক্রি করে গ্লোবাল গোল্ডেন জুট অ্যান্ড ক্রাফট লিমিটেড।

=======================================
সবশেষে, এখানে এই বছরের বাণিজ্য মেলাতে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদীদের হাতে তৈরি পণ্যের স্টলের একটি ভিডিও দিলাম। এই বছরের বাণিজ্য মেলাতে এই স্টলটি দেয়া হয় যেখানে কয়েদীদের হাতে তৈরি আসবাবপত্র, নকশীকাঁথা, বিক্রি হয়। 
https://www.youtube.com/watch?time_continue=21&v=7P7auKAOHpo

Urmi Rumana

প্রথমেই আসলে জানতে হবে আমাদের দেশে কি কি হ্যান্ড মেইড প্রোডাক্ট তৈরি ও বিক্রি হয়।

Gulam Kibria

নিজের হাতের পণ্য তৈরীতে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন,আপনি নিজেই তারপর যদি সেই কাজ টা কে অথবা বিজনেস টা বড় করা যায় তখন আপনার মাধ্যমে কিছু মানুষের কর্ম সংস্থান হবে এবং তাদের জীবিকা নির্বাহের কারণ আপনি নিজে হবেন। তার সাথে তাদের মধ্যমে আপনি লাভবান হবেন, সর্বপরি সেই হাতের কাজ টা যদি দেশের ঐতিহ্যের সাথে যায় তখন আপনার মাধ্যমে দেশের ঐতিহ্যের অংশ রক্ষা পাবে এবং দেশ হতে দেশের বাহিরে মানুষ জানবে বুঝবে শিখবে। 

তাছাড়া দেশ কে বিশ্বের কাছে প্রেজেন্ট করার সুযোগ থাকবে।

হয়তোবা এমন পর্যায়ে যেতে অনেক কষ্ট এবং দৃঢ় সংকল্প মনোবল দরকার এবং তা নিয়ে এগিয়ে যেতে পারলে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব

No comments:

Post a Comment