ইংল্যান্ডে দেশি খাবারের আধিপত্য

Razib Ahmed ▶ ‎Women and e-Commerce forum ( WE )

ব্রিটিশদের সবচেয়ে প্রিয় খাবার হল দক্ষিন এশিয়ার কারি ফুড মানে আমাদের তরকারি বলতে পারেন। ইংল্যান্ডে এর সূচনা জনপ্রিয় করা সবই বাঙালিদের (তখন বাংলাদেশ ভারত পাকিস্তান সব এক সাথে ব্রিটিশ শাসনে ছিল)। এখনো অর্ধেকের একটু বেশি রেস্টুরেন্ট এর মালিক বাংলাদেশি (মূলত সিলেট জেলার) বংশোদ্ভূত ব্রিটিশরা। কিন্তু এসব পরিচিত ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট হিসেবে।

যাই হোক, আপনাদের অনেকেই বলেন যে দেশী পণ্য নিয়ে কাজ করেন বলে অনেকে বাজে কথা বলে লজ্জা দেয়। অথচ দেখেন ব্রিটিশরা সবচেয়ে বেশি খায় বাংলাদেশী রান্না। কি লজ্জার কথা তাই না :D

https://www.telegraph.co.uk/recipes/0/slow-cooked-lamb-neck-curry-recipe/

Comments :

Asma Akhtar

যতই বিদেশি খাই না কেনো দিন শেষে ভাত না খেলে তৃপ্তি মেটেনা

Stecy Hansda

স্যার, খুবই বাস্তব বলেছেন। আমার কর্মসূত্রে সবসময় ইংল্যান্ড এর কর্পরেট ভলেন্টিয়ারদের সাথে কাজ করতে হয়। তারা আমাদের রন্ধনপ্রনালী, তরকারি, বিভিন্ন ধরনের পিঠা ইন্ডিয়ান হিসেবে চেনে। তবে চেষ্টা করি যা একান্তই আমাদের তা তাদেরকে জানিয়ে দিতে, বুঝিয়ে দিতে। তারা আমাদের জামদানি, পাঞ্জাবি, বাটিকের কাপড়, পুলি পিঠা, নারকেলের নাড়ু, সেমাই এই জিনিস গুলো অনেক বেশি পছন্দ করে। 😊

Saiyeda Tahsin

বাঙ্গালি খাবার খেয়ে ইউটিউবে রিভিউ দেয় ওরা.. বাঙ্গালী ফুড সাফারি,😀
Masterchef Australia তেও দেখলাম ইন্ডিয়ান স্টাইল রাইস, কারি.. ☺

Razib Ahmed

এখানে আপনাদের কিছু লোকের কমেন্ট পড়ে চরম বিরক্ত হচ্ছি। এই পোষ্টে ডাল ভাত খেয়ে তৃপ্তির কথা বলিনি। দাম দিয়ে ব্রিটিশ পাউন্ডে মুরগি, খাসির মাংসের বিভিন্ন খাবার কিনে খাওয়ার কথা বলেছি। কারা খায়? ব্রিটিশরা

Afsana Aftab

জ্বি স্যার আর আমরা সেই খাবার প্রচার করতে লজ্জা পাই। আমার কিছু ইন্সটাগ্রামে ফ্রেন্ড আছে অরাও আমাদের দেশের খাবারের খুব ভক্ত 

Sheikh Robi

আমি একবার খামারবাড়ি কেআইবি তে একটি দাওয়াত খেতে গেলাম গতবার বার্মিংহাম এর এক ব্যক্তি ছিলো অতিথি তিনি প্রশংসা করে বলেছেন যে বাংলাদেশী খাবারের টেস্ট সবচেয়ে বেশি

Ibrahim Khalil

রাজিব ভাই, ধন্যবাদ আপনাকে, আমি তার স্বাক্ষী, আমি দশ বছর বৃটেনের শেফ ছিলাম। আমি ইউরোপিয়ান রান্নার পাশাপাশি ইন্ডিয়ান খাবার মানে বাঙালি রান্না করতাম। পাট নিয়ে কাজ করার কারণে আমার ঐ প্রতিভা টা গোপনেই রয়ে গেল

Afrina Sharmin

দারুন একটা উদাহরণ দিয়েছেন স্যার , এখানে আমাদের সংকোচ করার কিছু নেই , দেশি খাবার ও আমাদের ঐতিহ্য, আর ইউরোপ আমেরিকান রা ডলার পাউন্ড দিয়ে আমাদের খাবার কিনছে ।

ঝুমা হোসেন

সিলেটিদের এ ব্যপারে যথেষ্ট অবদান রয়েছে। যেহেতু তাদের মধ্যে একটা সংখ্যা ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত তাই তারা নিজেদের রান্না দিয়ে বাংলাদেশের কারিগুলো প্রমোট করছে।

মৌ মণি

আসলে আমাদের দেশের ফুড কুইজিন অনেক সমৃদ্ধ।রান্নায় বিভিন্ন ধরণের মসলার পরিমাণমত ব্যবহারে যে আলাদা স্বাদ হয়,সেটা র জন্যই মূলত আমাদের রান্নার এত কদর।

Raju Dev Nath

জি স্যার দক্ষিণ এশিয়ান খাবার পৃথিবীর অন্যান্য দেশ গুলোর চেয়ে আলাদা। যারা একবার খায় তারা অবশ্যই মনে রাখে। আর একটি বিশেষ গুন আছে আমাদের খাবারের যেই কোনো দেশের মানুষই আমাদের খাবার খেতে পারে।
আর আমি যেহেতু মধ্য প্রাচ্চে থাকি তাই এখান কার খাবারের ব্যপারে কিছু আইডি আছে। যেমন এখান কার 80% বেশি খাবার স্থানীয়রা ছার অন্য কোনো দেশে মানুষ খেতে পারে না।

Suraya Sharmin

অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই। আমাদের দেশের খাবার যখন বৃটেনের নাগরিকরা পাউনডে কিনে খায়। তখন বুঝতে হবে এই খাবারের চাহিদা আছে। আমাদের খাবার নিয়ে কাজ করার অনেক সুযোগ আছে।ভাই আপনি চাইলে বাংলাদেশি খাবারও অনেক জনপ্রিয় হতে পারে অনলাইনে।

No comments:

Post a Comment