দেশী পণ্যের জয়জয়কার

Razib Ahmed

আমি ব্র্যান্ড এর জিনিশ ছাড়া কিছু কিনি না, ব্যবহার করি না। আমার রিলেটিভ আর ফ্রেন্ড সার্কেলের সবাই একই রকম ব্র্যান্ড মানে বিদেশি ইম্পোর্টেড প্রোডাক্ট। এ নিয়ে আমাদের কত গর্ব, কত অহংকার। দেশী জিনিশ নিয়ে কাউকে পেলে পচাতে ছাড়ি না।

এজন্য রাজিব আহমেদ এর ধান্দাবাজি আমাদের মোটেও পছন্দ না। সে দেশী পণ্যের প্রচারনা দিচ্ছে তো দিচ্ছেই তার উপর আবার নন ব্র্যান্ডের উদ্যোক্তাদের প্রডাক্ট প্রমোট করছে যাদের না আছে দোকান বা ইভেন ওয়েবসাইট।

শুধু তাই না দেশী পণ্যের নামে এসব উদ্যোক্তাদের পণ্য ব্যবহার করাকে গর্বের বলে তুলে ধরছে।

আপনারাই বলেন বিদেশি ব্যান্ডের ড্রেসের সাথে কি কাকলি আপুর ১ হাজার লাইকের পেইজের জামদানী শাড়ির তুলনা হতে পারে? কোথায় আগরতলা কোথায় চোকিরতলা

comments :

Munia Sabrina

স্যার আগে না বুঝলেও এখন বুঝি দেশীয় পণ্যের কদর।কোন ভাবে কম না বরং বেশি কোয়ালিটিফুল হবে দেশের উদ্যোগক্তাদের পণ্য যদি উৎসাহ পায়
MD Mufazzel Hossain Anis

স্যার আমি এখন সব চেয়ে ভালো হিসেবে যেটা দেখি সেটা আমার দেশের খাটি সোনার জিনিস গুলি।

Sheikh Toma

আমাদের দেশীয় পোষাক বিদেশে রপ্তানি করে আর আামরা ছুটি brand এর পিছনে। আমাদের দেশীয় পোষাক অনেক উন্নত

Nabila Anwer

নিজের দেশের জিনিসের সাথে এক অন্য রকম ভালোবাসা মিশে থাকে। বিদেশী জিনিসে সেটা কি করে আসবে ☺️
Tanvir Ahmed

দেশীয় পন্যের ব্র‍্যান্ড তৈরির মূল সমস্যা প্রচারের অভাব। প্রচার বিক্রিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলে আর প্রচারে উদ্যোক্তারা তেমন অর্থ ব্যয় করতে ইচ্ছুক না যা বিদেশি ব্র‍্যান্ডগুলো করে থাকে
Tanvir Ahmed

আরেকটা বিষয় হলো আমরা অনেকে নাম এর পিছনে দৌড়াদৌড়ি করি ঝোকে ।চীনে ইনফ্লুয়েনিসাল মেথড আমাদের দেশে দারুণ সম্ভাবনা আছে। 

আর এটাই হতে পারে মার্কেটিং এর সহজ পদ্ধতি।

Faria Omer Jhumur

ঠিক এই মনোভাবের কারনেই দেশিয় পন্য নিয়ে ব্যবসায়িরা ব্রান্ড গড়ে তুলতে পারেনি।এখন যেভাবে দেশিয় পন্যের চাহিদা + কদর বেড়ে চলছে ,এখন অবশ্যই ব্রান্ড তৈরি হবে।
Oporajita Zeba

আমার চেনাজানা এমন আছে। মাথা উচিয়ে বলবে, "ব্র‍্যান্ডের জিনিস হচ্ছে বেস্ট, আমি কখনো ব্র‍্যান্ড ছাড়া কোনো কিছুই ইউজ করি না"
এতে যে কেবল ঠাট বজায় রাখতে গিয়ে থলে উজার হচ্ছে তা কেউ বোঝে না। নিজেদের দেশের এতো এতো পণ্য অনাদরে পড়ে থাকে আর বিদেশি পণ্যের কদর হুহু করে বাড়ে।
Jinat Jahan

জামদানী শাড়িও ত ব্রান্ডের।আমাদের দেশীয় ব্রান্ড। আর নিজের দেশে থাকা টা যদি লজ্জার না হয় তাহলে নিজের দেশীয় পোশাক পরতে লজ্জা কিসের
Saleha Begum

কাস্টমার যখন শুনে কাপড় দেশি কাপড় তখন ড্রেস বা শাড়ি এর মুল্য কমে যায়।কিন্তু বিদেশি শুনলে দামের কথা চিন্তা করেনা।্মানুষেরএ মানষিকতা পরিবর্তন আনতে হবে।দেশিও পন্য প্রচারের মাধ্যমে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে হবে❤❤
Sirajum Munira

আড়ং ছাড়া আর কোন ব্রান্ড এর দিকে ছোটা হত না। এখন তাও হবে না

Afsana Aftab

এই কদরটা সবাই বুঝতে পারলে আজকে আর আপনাকে এভাবে সবাইকে বুঝাতে হতো না। আমাদের দেশের পণ্যর কোয়ালিটি ভালো শুধু তার প্রচার এবং মানুষের মনমানসিকতা পরিবর্তনের প্রয়োজন যা আপনি করছেন এবং এতে করে অনেকের মনমানসিকতার পরিবর্তন হয়েছে
Raisa Islam

দেশীয় পণ্যের প্রতি আমার দুর্বলতা ছোট থেকেই। খাদি কাপড় আমার সবচেয়ে পছন্দের। আর ঘর সাজাতে আমি সব সময়ই বাশ বেত এসব দেশীয় জিনিসে তৈরী সামগ্রী ব্যবহার করি। উই তে এসে এখন আরো বেশি গর্বিত নিজেকে নিয়ে। 🙂
Sheikh Robi

রাজিব আহমেদ নিজের শিকড় কে আঁকরে ধরছেন, আমাদের বাঙালিসত্ত্বাকে সবার মাঝে মেলে ধরেছেন উই এর মাধ্যমে

Sabrina Siraji

এই মানসিকরা অধিকাংশেরই৷ দেশী পণ্যের মজবুত গাঁথুনী নিয়ে উই যেভাবে মগজে বাসা বানাতে শুরু করেছে ইন শা আল্লাহ কংক্রিটের মত সেই ভিত্তি সব পরিবর্তন করে দেবে, দেবেই।
Anisuzzaman Anis

সঠিকই বলেছেন। কাকলি আপুর জামদানী পেজ এর সাথে কারো তুলনা হবে না। দরকারও নাই। কাকলি আপুর পেজ মানে জামদানীময়। বাংলাদেশময়। দেশীয়ময়। ভালোবাসা। ভালোলাগার জায়গা। গবের জায়গা। কাকলি আপু এবং যারা দেশীয় পন্য নিয়ে কাজ করেন তাদের সকলের প্রতি শ্রদ্ধা। শুভকামনা।

Lipi Sd

ঠিক স্যার। আমরা অনেকেই আছি বিদেশি পন্যের গুন-কীরথন করে বেড়াই যা আমাদের জন্য লজ্জাকর । কিন্তু উইতে আসার পর আমরা সবাই কিছু কিনতে হলে উইএর কথা মাথায় আসে। দেশিয় পন্যের ব্যবহারের ব্যপ্তি আরোও প্রসারিত হবে । উই এর মাধ্যমে তা শুরু হয়ে গেছে।

Source-  we

No comments:

Post a Comment