Md Daloare Hossain ▶ Women and e-Commerce forum ( WE )
আড্ডা পোস্ট ৫ ডিসেম্বের ২০১৯।
বিষয়ঃ অনলাইনে উপহার দেওয়া নেওয়ার সুবিধা ও অসুবিধা। তা কিভাবে জনপ্রিয় করা যায় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করুন।
আজকের আড্ডায় সবাইকে স্বাগতম।
— with Razib Ahmed and S M Mehdi Hassan.
December 5 at 9:30 PM ·
Md. Rabiul Islam
অনলাইনে উপহার দেওয়ার অনেক সুবিধা আছে। ঘরে বসে এক জায়গা থেকে উপহার কিনে অন্য জায়গায় পাঠানোর ব্যবস্থা আছে। বিষয়টি দারুন। যেমন আমি এখন আছি ঢাকা । এখন যদি রাজশাহী আমার বন্ধুর কাছে কোনো উপহার দিতে চাই তাহলে অনলাইনে কিনে শুধু সেই বন্ধুর ঠিকানা দিয়ে দিলেই সে উপহার টা পেয়ে যাবে। তবে মাঝেমধ্যে সাক্ষাত্কারে উপহার দেওয়া বেশি ভাল।
Mehjabin Tanny
অনলাইনে কেনাকাটা বর্তমানে আধুনিক ফ্যাশনে পরিনত হচ্ছে।তাই অনলাইনে যেকোন অকেশানে দুরে থেকেও প্রিয় জনদের কাছে খুব সহজেই উপহার পাঠানো যায়।
Sabrina Siraji
দূরে থেকে প্রিয়জনকে কিছু দিতে ইচ্ছে এমন অবস্থায় অনলাইন একমাত্র ভরসা৷ আর তার সারপ্রাইজটা সবচেয়ে সুখের৷
Razib Ahmed
Robin Khan ভাইয়ের সাথে এ নিয়ে কথা হচ্ছে।MH Maruf ভাইয়ের সোয়াবিকসের মাধ্যমে আমরা গ্রুপের একটিভ মেম্বারদের বই পাঠাতে চাই উপহার হিসেবে। রবিন ভাই, আমি সহ আরো কয়েকজন যোগ দেব এই ধান্দাতে
Kashema Reme
উপহার হিসেবে আমার প্রথম পছন্দ বই।এর বাইরে বিভিন্ন দেশীয় জিনিসের শো-পিস ও পোশাক। আর এগুলো এখন অনলাইন পেইজগুলোতে খুব সহজেই পাওয়া যাচ্ছে।
Md Daloare Hossain
সরাসরি উপস্থিত না হয়েও টেনশন বিহিন উপহার পাঠানোর জন্য অনলাইন খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।
Munia Sabrina
দেশীয় বিভিন্ন জিনিস নিজের পরিবার কিংবা অন্য আত্নীয় স্বজন কে গিপ্ট দিলে তারা জানতে পারবে কোন জায়গা থেকে পন্য আসচে এটা উই সম্পর্কে জানতে চাইবে
Salma Alam
আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া। আমার বোন কুয়েতে থাকে ও সবসময়ই অনলাইন শপিং করে ও গিফট দেয় আমাদের যা আমাদের পরিবারের সবাইকে সারপ্রাইজ দেয়। আমিও করি এতে সময় বাচেও বন্ধু ও আত্মীয় সাথে সম্পর্ক ভালো থাকে।
Ashadul Haque
অনলাইনে উপহার সামগ্রী পাঠানোর সুবিধা অনেক,, দাঁড়ান একটু একটু করে বলি,,,
আপনি অনলাইনে গিফট পাঠালে কি কি সুবিধা পাবেন, তা হলো ঃ
*কায়িক পরিশ্রম কমলো,,,
* যাতায়াত বাবদ অর্থ অপচয় রোধ হলো
* অন্য কাজের জন্য সময় বৃদ্ধি পেল
* সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো,, উপহার দেওয়া হয় গ্রহিতাকে কিছুটা সারপ্রাইজ হিসেবে, তাই অনলাইনে দিলে গ্রহিতা এত এত বেশি অভিভূত হয় যে আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ বেশি ই হয়।
* দাতা ও গ্রহিতার মাঝে সম্পর্ক সুসংহত হয়।
আমার এই কথাগুলোর ভিত্তি কি...? আপনি বাস্তব প্রমান চাইলে আমাকে উপহার পাঠাতে পারেন,, আমি আমার সকল নিকট আত্বীয়,বন্ধুূের বলে বেড়াবো,, এবং একটা হুলোস্হুলো কান্ড করে ফেলবো... তখন দেখবেন অনলাইনে উপহার সামগ্রী পাঠানোর সুবিধা কি....?
Umme Ishrat Ritul
আজকাল সবাই খুব ব্যস্ত জীবন কাটায় স্পেশাল দিন মনে থাকলেও গিফট কিনতে যাওয়া, প্যাকিং করে গিফট পাঠানো এসব করার সময়ই হয়ে উঠে না, যার জন্য ইচ্ছা থাকলেও গিফট পাঠানো হয় না,সেই সুযোগটাই অনলাইন উদ্দোক্তারা কাজে লাগালে সুন্দর করে গিফট প্যাকিং করে পাঠালে অবশ্যই আস্তে আস্তে এটা জনপ্রিয় হয়ে যাবে
Md Daloare Hossain
প্যাকিং ঝামেলা থেকে বাচা যাবে।
Shahana Islam
ধন্যবাদ ভাইয়া, আজকের বিষয়টি সময় উপযোগী, আমরা এখন অনলাইনে উপহার কিনে খুব সহজেই সময় বাচাতে পারি৷ এক স্থান থেকে উপহার কিনে খুব সহজেই বন্ধু ও পরিবার কে সারপেরাইজ করতে পারি৷
বাসায় হুট করে গেস্ট আসলেও আমাদের লজ্জায় পরতে হয়না, কারন যে কোন ফুড এখন অনলাইনে পাওয়া যায়৷
S M Mehdi Hassan
সবাইকে আড্ডা পোস্টে স্বাগতম। ২০০০ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে অনলাইনে লেনদেন বেআইনি ছিল। তখন যাদের অনলাইন স্টোরের অবস্থাটা ছিল এরকম। যারা অনলাইন স্টোর চালাতো তাদের আত্মীয়-স্বজনরা বিদেশে থাকত। তো ঐ প্রবাসী আত্মীয়দের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে পেমেন্ট প্রসেস করতে হতো। তো এসব স্টোরের একটা বড় অংশ ছিল উপহার দেবার। বাইরে কেউ থাকে। এখন সে দেশে তার মা-বাবা অথবা আত্মীয়-স্বজনকে উপহার দেবে। তখন তারা এসব স্টোরের মাধ্যমে উপহার দিত এবং বিদেশ থেকে পেমেন্ট ক্লিয়ার করে দিত। https://www.upoharbd.com/ এরকমই একটা স্টোর।
তাই হ্যা অনলাইনে উপহার দেয়া ও নেওয়ার অনেক সুবিধা আছে এবং এটা দারুণ একটা ব্যবসা হতে পারে।
আর অসুবিধার কথা যদি বলতেই হয় তাহলে আস্থা। অনেকের হয়তো ভয় থাকে যে একটা জিনিস অর্ডার করার পরে ঠিক মতো দিল না বা যেটা দিল সেটা যদি খারাপ হয় তাহলে মান ইজ্জতের ১২টা। ব্যাপারটা ঐ ঘুরে ফিরে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের।
Rahima Akter
আজকের আড্ডা পোস্টে সবাই অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও স্বাগতম। আমি মনে করি অনলাইনে একজন অন্য আরেক জনকে গিফট দেয়। এটি খুবই আনন্দের অনুভূতি। এবং এতে দুজনের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে উঠে।
Suborna Das
ভাই উপহার দেওয়ার কোনো অসুবিধা নেই,, কিছুদিন আগে আমার বান্ধবীর বিয়েতে আমি ঢাকা থেকে উপহার পাঠিয়ে দিয়েছি শারীরিকভাবে উপস্থিত না হয়েও
MD Saim Hossain Sohel
এটি অনেক সময় সাপেক্ষ হবে। এর ফলে যে কোন ব্যস্ত ভয় সময়ের মাঝেও প্রিয় মানুষদে মাঝে গিফট পাঠাতে পারি।
Nishat Sultana Chowdhury
আমার কাছে অনলাইনে উপহার দিয়ে দেখে খুবই চমকপ্রদ মনে হয়। সারপ্রাইজ এর একটা দারুণ অনুভূতি পাওয়া যায়
Md. Rabiul Islam
অনলাইনে উপহার দেওয়ার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে যে আপনি যেটা অর্ডার করলেন ঠিক সেই পণ্য পেল কিনা। যদি খারাপ পণ্য পায় তাহলে ইজ্জত থাকবেনা। তাই বিশ্বস্ত সেলারের কাছ থেকে অর্ডার করতে হবে। আর এই বিশ্বাস অর্জনের কাজ করছে উই গ্রুপ । সবার প্রতি অনুরোধ গ্রুপে যারা একটিভ বেশি তাদের থেকে পণ্য কিনবেন
Suborna Das
এই উপহার গুলোর প্রচলন যত বাড়বে ততই আমরা ব্যক্তিগত এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে উপকৃত হব অর্থনৈতিকভাবে
Roshni Sumu
অনলাইন উপহার কিনতে সময় কম লাগে, অন্যদিকে সঠিক পন্যটি দেওয়া হচ্ছে কি না তাই নিয়ে চিন্তা করতে হয়।
Suborna Das
এই সংস্কৃতিটির উত্তরোত্তর যত বৃদ্ধি ঘটতে থাকবে কিছুটা হলেও নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে
Ashadul Haque
পরিবারের প্রতি আপনি কতটা dedicated person তা প্রকাশ পায় ছোট্ট একটা গিফটের মাধ্যমে,, যদিও আপনি পরিবার ছেড়ে একটু দুরে থাকেন তবুও অনলাইনে উপহার পাঠানোর মাধ্যমে তা সম্ভব ।
সিদরাত ফারজানা অাঁখি
অনলাইনে উপহার দেয়ার সুবিধা হচ্ছে, সময় বাঁচে।
কিন্তু অসুবিধা টা অামার মনে অনেক বেশি, সবসময় সব প্রোডাক্ট কিন্তু মনমতো হয়না।
Ashadul Haque
অনলাইনে উপহার পাঠানোর বিষয়টি জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে আমরা বিভিন্ন কাজ করতে পারি,,, সবার মাঝে অনলাইনের পণ্য আনা নেওয়া র বিস্তারিত বিষয় তুলে ধরে,
,, অনলাইনের পণ্য লেন দেনে বিস্বস্ততা সৃষ্টি করার মাধ্যমে,,
একে অপর কে ,, বা বন্ধু বান্ধব কে অনলাইনে উপহার পাঠানোর মাধ্যমে
Kakoly Russell Talokder
আমি অনলাইনে প্রথম গিফট দিলাম আমার মা কে।মুক্তা আপুর কাছে থেকে জামদানী মোটিফে শাল।নারায়ণগঞ্জ থেকে নরসিংদী।
এই গিফট দেয়ার মাধ্যমে বুঝলাম গিফট কিনতে যেতে হয়নি তাই সময় বেচে গিয়েছে,গিফট নিয়ে যেতে হয়নি, তাই আসা যাওয়া খরচ সাথে সময় বেচে গিয়েছে। শপিং মলে গিফট খুজতে গেলে একটা লিমিটেশন থাকে কিন্তু অনলাইন হলো বিশাল মার্কেট তাই অপশন বেশি,অল্প সময়ে অনেক দোকান ঘুরে জিনিস কেনার মতো ব্যাপার হয়েছে,সবচেয়ে বড় কথা আমার মা সারপ্রাইজ পেয়ে, খুশি হয়েছেন।😊
Dip Banik
আমি সবসময় উপহার না দিলেও মাঝে মাঝে সারপ্রাইজ দিতে পছন্দ করি,এর ফলে কাস্টমার একটা থেকে আরও ৩/৪ টা নতুন তৈরি হয়
Ashadul Haque
সবাই সুন্দরের পূজারী,, রুচি, আভিজাত্যের পরিবর্তন ঘটার কারনে বিভিন্ন বাহারি রকমের চাহিদা তৈরি হওয়ায়,, অনলাইনের বিভিন্ন সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর পণ্য গুলো দিয়ে ভরপুর,,
যার কারনে অনলাইন উপহার সামগ্রী গুলো সবাই পছন্দ সই কিনতে পারে,, খুব সহজে
Afsana Khan
সারপ্রইজিং দেয়ার জন্য অনলাইন ভালো মাধ্যম, ইউনিক কিছু দিতে চাইলে অনলাইন বেস্ট। যাতায়াত খরচ সময় ২ টাই বাঁচে,কষ্ট কম হয়। কম সময়ে অধিক পন্য দেখা যাচাই করা সম্ভব, পন্যর দাম টাও যাচাই করা যায়। তবে কেনার আগে পেজ রিভিউ যাচাই করা উচিৎ এবং অথেনটিক পেজ থেকে কেনা উচিৎ।
Najmul Karim
অনলাইনে উপহার দেওয়া নেওয়া সারপ্রইজিং এর মত কনসেপ্ট। তবে তা জনপ্রিয় করার জন্য সেলারদের বিস্বাস এবং মার্কেটিং প্রয়োজন।
Humay RA
দেওয়া টা খুব ভালো। আমি একজনকে পাঠিয়েছিলাম তার জন্মদিনে কেক আর ফুল। যদিও আমি ৪০০ কিলোমিটার দুরে ছিলাম
Urmi Rumana
সুবিধা হল - মার্কেটে ঘুরে ঘুরে অনেক সময় নষ্ট করতে হয় না, জ্যামে বসে বিরক্ত হতে হয়না, দামাদামি করার ঝামেলায় পরতে হয় না, অনেক বেশি ঠকে যাওয়ার ভয় থাকে না।
Urmi Rumana
অনেক সময় এমন হয়েছে যে , একটা জিনিসের দাম দোকানদার যা চেয়েছে তার অর্ধেকের কম বলার পরও হাসিমুখে তা দিয়ে দিয়েছে। তার মানে কতটা প্রফিটে সে সেল করে। আবার নকল প্রোডাক্ট চেনাটাও খুব সহজ না। এসব থেকে বাঁচার সহজ উপায় হল অনলাইনে বিশ্বস্ত সেলারকে চিনে রাখা।
Urmi Rumana
আর অসুবিধা হল, যদি বিশ্বস্ত সেলার চেনা নাথাকে তাহলে ঠকার সম্ভাবনা থাকে।
Urmi Rumana
আরেকটা সুবিধা হল, কারো সাথে দেখা না করে বা এক্সট্রা সময় না দিয়েই কাউকে গিফট করা যায়।
Urmi Rumana
তবে আমার কাছে যেটা সুবিধাজনক মনে হচ্ছে আমি দেশের বাইরে সহজেই গিফট পাঠাতে পারবো। কারন যেহেতু ফ্যামিলির সবাই দেশের বাইরে চলে যাবে ইনশাল্লাহ , তাই আমার জন্য এটা জরুরী
Tanzia Shoma
আমি বেশিরভাগ কেনাকাটা অনলাইন থেকে করি।গিফট দেয়া + নিজের জন্যও।ভালো লাগে।ঘরে বসে কেনাকাটার মজাই আলাদা😊।অনলাইন শপিং আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সময় বাচায়
No comments:
Post a Comment