বাংলাদেশের শাড়ির গুনাগুন নিয়ে আলোচনা


আড্ডা পোস্ট ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯।

বিষয়ঃ শাড়ী। বাংলাদেশে উৎপাদিত সকল শাড়ি। কার কোন শাড়ি পছন্দ? কোন শাড়ির কি গুণ, কোন শাড়ি ক্রয় করতে চান? ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করুন।

আড্ডা পোস্টে সবাইকে স্বাগতম।

 — with Razib Ahmed.

December 9 at 9:31 PM · 

সিদরাত ফারজানা অাঁখি

অামার সব শাড়ি পছন্দ, তবে কমফোর্টেবল তো অবশ্যই সুতির যে শাড়িগুলো, সেগুলো। মণিপুরী, খেশ শাড়ি, এন্ডিকটন এগুলো পরতে খুব অারাম লাগে। ইদানিং জুম শাড়িগুলোও খুব ভাল্লাগে। 
হ্যান্ড পেইন্টেড মসলিন, জামদানি, রাজশাহী সিল্ক তো জান কেড়ে নেয়!

Sadia Islam

আমার সব শাড়ীই এত ভাল লাগে বলার মত না। তবুও বলছি
ভালর চেয়েও ভাল লাগে মনিপুরী, জামদানি, হাতে বোনা যে কোন নরম শাড়ী, জুম শাড়ী, খেশ শাড়ী, খাদি, খাদি স্ট্রাইপ। আমি এক রঙা শাড়ী বেশী পছন্দ করি।

সিদরাত ফারজানা অাঁখি

যেসব শাড়ি কিনতে চাইঃ
জামদানিঃ লাল, নীল, কফি, মেরুন, পেস্ট, সাদা অার একটা গোলাপী।

মণিপুরীঃ এশ কালারে লাল পাড় একটা, হলুদে গোলাপি পাড় একটা, পেস্ট কালারে সাদা পাড় একটা।

রাজশাহী সিল্কঃ লাল সবুজ কম্বিনেশনে একটা।

বেনারসি কাতানঃ পার্পল কালারে গোল্ডেন কালার কাজ, কালোতে সিলভার জরির কাজ।

খেশ শাড়িঃ একটা পেঁয়াজ কালার, একটা পেস্ট কালার।

অার তাঁতের শাড়িঃ শিবলী ভাইয়ার কাছে যা অাছে, সব কালারের একটা করে।🙄

জুম শাড়িঃ সব কালারের একটা করে।

ঝড়না শাড়িঃ এশ কালারে লাল পাড়ের একটা

হ্যান্ড পেইন্ট মসলিন শাড়িঃ সাদাতে বাগানা বিলাস ফুল অাঁকা একটা, সবুজে শিউলি ফুল অাঁকা একটা, অাকাশিতে কাঠগোলাপ ফুল অাঁকা একটা।

অার হাতের সুতার কাজ করা একটা নেভী ব্লু শাড়ি। গ্রুপে একজন অাপু বেচেন।🙄
Arifa Khanam

আমার যেহেতু রেগুলার শাড়ি পরা হয় না তাই যে কোনো উৎসব বেজ শাড়িই আমার পছন্দ ।আর পছন্দের ফেবব্রিকের মাঝে সিল্ক ,কাতান এগিয়ে।কারণ পড়তে সুবিধা হয় আর সুন্দর পরে থাকে।সুতিও পরি কিন্তু খুব কম।
Raju Dev Nath

আমার কোন শাড়ি পছন্দ জানি না কিন্তুু কালার বলতে পাড়ি। যেমন নীল শাড়ি, সবুজ কিন্তু পার ও আচল লাল তারপর গায়ে হলুদে যেই শাড়ি পরে এইগুলাতে মেয়ের আমার কাছে মেয়েদের সুন্দর লাগে। কিন্তু বধু সাজে লাল ছাড়া অন্য শাড়িতে মানায় না।

Taslima Siddika Siddika

আমি জামদানি, বেনারসি, মনিপুরি, রাজশাহী সিল্ক, গাদোয়ান কাতান, ঝুম শাড়ী, তাদের কয়েকটি আমার পছন্দে কালারের শাড়ী আমার কালেক্টে রাখতে চাই। কিন্তু না জানি কখন এই সব শাড়ী আমি কালেক্ট করতে পারবো।কারন আমকর শপিং উনি করে।ইনশাআল্লাহ একটি একটি করে সব কিনার চেষ্টা করবো।

Fatema Khanam

জামদানী এবং মনিপুরি শাড়ি সবচেয়ে বেশি পছন্দ। আমার কাছে জামদানী শাড়ীকে আভিজাত্যের প্রতিক বলে মনে হয়।আর মনিপুরী শাড়ি ক্যারি করতে অনেক সুবিধা ।দেখতেও সুন্দর। আমার ক্লোজেট এ যদিও মনিপুরী শাড়ি নেই। ইচ্ছে আছে কেনার ।

Nishat Sultana Chowdhury

এন্ডি কটন আর টাঙ্গাইলের হাফ সিল্ক শাড়ি আমার খুবই পছন্দ।যে কোন জায়গায় খুব সহজেই পরা যায়এবং comfortable ও লাগে। সিল্ক ভালো লাগে শুধু হচ্ছে হাতের কাজের শাড়ির জন্য।

Tanzil Ahsan

আমি শাড়ি পছন্দ। শুধু পছন্দ বল্লে ভুল হবে, ভয়াবহ টাইপ পছন্দ।।। দেশীয় সব রকম শাড়ির প্রতি আমার বুভুক্ষা জাগানোর মেয়েটার নাম Israt Jahan Tatia। তার কালেকশন, শাড়ির কালার কম্বিনেশন আর প্রাইস সবকিছুই এতোই ওয়েল কম্বাইন্ড যে আমি খুব নির্দিধায় ওর থেকে শাড়ি নেই। টাংগাইলের শাড়ির ভান্ডার বলি আমি ওকে।

আর একজন হলেন Monalisa Alam। তার শাড়ির কালেকশন ও যাস্ট ওয়াও। এক্টু পার্টি লুকের শাড়ি আর রিজনেবল প্রাইসের জন্য সে পারফেক্ট।

Eshita Akter Tania

গুন হলো আরামদায়ক ভীষণ। 
দেখতে তো মাশাল্লাহ চোখ জুড়ানো। 
সব দেশী শাড়ী একটা হলেও আমার আলমারীতে রাখতে চাই।
বেনারসী,সিল্ক,জামদানী যেকোন গর্জিয়াস পার্টিতে পরার জন্য পারফেক্ট।
আর মনিপুরী, জামদানী, তাঁত,টাঙ্গাইল,খেশ শাড়ী,খাদি শাড়ী,ব্লক,বাটিক শাড়ী ডেইলী ওয়্যার, ওয়ার্কিং ডে তে ওয়্যার এর জন্য পারফেক্ট।

Jesmin Sultana Mukti

আমি তাত,বাটিক আর জামদানি ছাড়া চোখে দেখি কম।😎
রেগুলার ওয়ার এর জন্য তাত আর বাটিক বেস্ট।যে কোন অনুষ্ঠানে জামদানি,কাটান বেস্ট
Naheed Sultana

রাজশাহী সিল্ক আমার প্রথম প্রেম, মসলিন আমার ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক, জামদানী আমার আভিজাত্যের প্রকাশ, টাংগা্ইল তাঁতের শাড়ী আমার আটপৌরে জীবনের সংগী আর মনিপুরী সেতো রুচিশীলতার বহি:প্রকাশ।

Rozina Nupur

বেশি পছন্দ টাঙ্গাইল এর শাড়ী ! টাঙ্গাইল এর শাড়ী নকশা, বুনন ও রঙের ক্ষেত্রে বৈচিত্রময়। বিশেষ করে সুতির পাশাপাশি টাঙ্গাইলের সফ্ট সিল্ক ও হাফ সিল্ক শাড়ি পরতে যেমন আরামদায়ক তেমনি দৃষ্টিনন্দন

Barna Tabreez

আহা শাড়ী! আমার বাল্যকালের সময় থেকে এখন পর্যন্ত তীব্র ভালবাসার অংশ, শাড়ী! মনে পড়ে গেল সেসময়ের করে কিছু পাগলামির কথা, নবম কিংবা দশম শ্রেণীতে পড়ি,কতই বা বয়স আর, চট্টগ্রামে নানাবাড়িতে থাকতে, রাত বিরাতে যখন তখন শাড়ী পরে বসে থাকতাম আর পা নাচাতাম। মাঝরাতে নানীর ঘুম ভেঙে গেলে যখন দেখে আমি পাশে নাই, ড্রইংরুমে এসে দেখে আমি লাল পাড় সাদা শাড়ী পরে আধো আধো আলোতে, সেন্টার টেবিলে বসে বসে পা নাচাচ্ছি। সেদিন নানী নির্ঘাত মনে করেছিল আমাকে ভুতে ধরেছে🤣🤣
ইস,আড্ডার টপিক দেখে কত শত শত টুকরো টুকরো স্মৃতি মনে পড়ে গেল! আহা, আমার ছেলেবেলা, আমার নানাবাড়ি, মহাখালীতে আমার শৈশব কাটা দাদাবাড়ী! সবখানেই শাড়ী নিয়ে আমার কিছু না কিছু স্মৃতি আছে! অনেক অনেক ধন্যবাদ এমন একটা টপিক বেছে নেওয়ার জন্য। মাঝে মাঝে তীব্র নস্টালজিক হতে ইচ্ছা করে যে!

 
Kakoly Russell Talokder

বাংগলাদেশে ঢাকায় জামদানী, মসলিন,টাংগাইলেরতাঁতের শাড়ি,সিলেটের মণিপুরী শাড়ি, রাজশাহীর সিল্ক,মিরপুরের কাতান,সিরাজগঞ্জের জুট কাতান শাড়ি,নরসিংদির শেখেরচর এর প্রিন্টেড কটন ইত্যাদি বাংলাদেশের শাড়ি।শাড়ি বলতেই আমার প্রিয়।জামদানীর গুন হলো জামদানী বুনতে যে সময় লাগে তা অন্য কোনো শাড়িতে লাগেনা এবং প্রতিটি শাড়ি ইউনিক।
মসলিনের গুন এর সুতার সুক্ষতা।
টাংগাইলের তাঁতের শাড়ির গুন হলো পড়তে আরাম।অনেক নরম হয়।
মণিপুরী শাড়ির প্রধান গুন হলো এর রং।চমৎকার টেকসই রং এর প্রধান বৈশিষ্ট।
রাজশাহী সিল্ক এর প্রধানগুন এর কাম্ফোর্টনেস।ইজি টু ক্যারি।
মিরপুরের কাতান এর গুন শাড়ির এলিগ্যান্সি।
সিরাজগঞ্জের জুটকাতান এর গুন হলো এটাতে ইচ্ছেমতো মোটিফ আনা যায়।
নরসিংদির শেখেরচর এর প্রিন্টেড কটন এর গুন রিজেনেবল প্রাইস এবং কম্ফোর্টনেস।
সেটা যেকোনো ধরনের শাড়ি।তবে সবচেয়ে ভালো লাগে জামদানী। তবে জামদানীর বাইরে পার্সোনালি আমি মসলিন,মণিপুরী এবং তাঁতের শাড়ি কিনতে চাই।
ধন্যবাদ।

Labiba Erom

একটু কম জানি তবে শাড়ির প্রতি টানটা জীনগত...! আম্মুর অনেক শাড়ি ছিলো। রাজশাহীতে দীর্ঘদিন থাকার কারনে রাজশাহী সিল্ক ছিলো সুন্দর সুন্দর। তাই এই শারীর উপর একটা ভালো লাগা কাজ করে...! আর জামদানী। অনেক পছন্দ। কিনতে চাই। একটা হলেও বাটিকের শাড়ি...! খুব টানে আমাকে।।

নীলমণি নীলা

টাঙ্গাইলের তাতের সুতি শাড়ি। শাড়ি যেহেতু মাঝে মাঝেই পরি, তাই একটু অারামদায়ক শাড়িই পছন্দ করি। এই টাঙ্গাইল শাড়ির প্রতি দূর্বলতা থেকেই অামি টাঙ্গাইল শাড়ির বিজনেস শুরু করি। গুনিজনের মতে যে যেটা ভালবাসে তার সেটা নিয়েই থাকা উচিৎ। অালহামদুলিল্লাহ, অামিও তাই করছি। ☺
শতাব্দী সোম

আমি যে কোন অনুষ্ঠানে শাড়ি পরার চেষ্টা করি।আমার পছন্দের পোশাক শাড়ি।ব্যক্তিগতভাবে আমি জামদানি আর মিরপুরের কাতান শাড়ি পছন্দ করি।কারণ আমার মনে হয় জামদানির মত অভিজাত আর মার্জিত আর কোন শাড়ি হয়না।তবে কিছু কিছু সময় আবার একটু জমকালো শাড়ি পরতে ইচ্ছা করে।তখন মিরপুরের কাতান শাড়ি বেছে নেই।
আমি জামদানি শাড়ি কিনতে চাই।তাছাড়াও মনিপুরী শাড়ি কিনতে চাই।
Monika Ahmed

বাংলাদেশে উৎপাদিত শাড়ী শুনতেই কেমন জানি অন্য রকম ভালো লাগা কাজ করে।আর আমাদের দেশের জামদানী,তাঁতের শাড়ী,মসলিন,রাজশাহী সিল্ক এগুলো আমাদের দেশের ঐতিহ্য।এই শাড়ীগুলোর মধ্যে আমার জামদানী ও তাঁতের শাড়ী খুবই পছন্দ।এই শাড়ীগুলো নিজে পরলে/অন্য কেউ পরলে দেখতে খুব ভালো লাগে। আমাদের এই দেশীয় শাড়িরগুলোর তো গুনের অভাব নেই।দেখতে সিম্পলের মধ্যে গর্জিয়াস,রিজনেবল প্রাইস,শাড়ী গুলো সুতি সুতায় তৈরী হয় বলে ইকো ফ্রেন্ডলিও বলা যায়।আমি ভিন্ন ডিজাইনের জামদানী ও তাঁতের শাড়ী ক্রয় করতে চাই।এবং সবাই আমাদের দেশীয় এই শাড়ীগুলো বেশি বেশি নিজে কিনুক এবং অন্যকে কিনতে উৎসাহিত করুক এটাই চাই।

Nurun Nahar

কটন সফ্ট শাড়ি ( তাতের, টাঙ্গাইল, মনিপুরী, হাতের কাজের) অনেক কিনি যদিও বছরে এক দুবার পড়া হয়, তবুও অনেক পছন্দ

তাতের শাড়ির বুনন, রং, এবং দেশী ছোঁয়া গায়ে লেগে থাকে।

মনিপুরী শাড়ির সাথে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অসাধারণ মেলবন্ধন হলো এই মনিপুরী শাড়ি। 

হাতের কাজের শাড়িতে পরিশ্রমী, ও সংগ্রামী মানুষের বা নারীর পরম মমতায় পূর্ণতা পেয়ে সাধারণ একটা শাড়ি থেকে মেধা আর নৈপুণ্যে তৈরি হয় অসাধারণ একটা শাড়ি, যে কোন শ্রেণীর মানুষ তা পছন্দ করে।

Farhana Fahomitha

টাঙ্গাইল শারী অনেক পছন্দ । সুতি , মিহি জমিন এক রংয়ের টাঙ্গাইল শারীর প্রতি অন্যরকম ভালবাসা ছোট থেকেই । মা কে বর হতে দেখেছি শারী পরে ।কবে থেকে যে একা একা শারী পরতে পারি নিজে নিজে মনে নেই ।বলতে পারেন বুদ্ধি হবার আগে থেকেই হয়তো পারি । ছোট বেলায় প্রতি শক্রবারে মা/ দাদীর শারী পরতাম শখ করে ।এত ভালবাসা শারীর প্রতি আমার । প্রিয় পোশাক শারী ।

Haji Aftab Haji Aftab

হাতের কাজের শাড়ি আসলেই সুন্দর। আমার পছন্দ মিষ্টি রং এ বুনা শাড়িগুলো ।

রাজশাহীর সিল্ক, জামদানি, কাতান, বেনারসি বিশেষ দিনের হলেও এর প্রতি একটা ভালো লাগা কাজ করে ।

মণিপুরী শাড়ি পড়িনি কিন্তু দেখেছি সুন্দর ।

টাঈলের এর শাড়িও ভালো।

আরো কিছু শাড়ি আছে ইন্ডিয়ান ঐ শাড়িগুলো যা না। আমার খুবই পছন্দের । কিন্তু আমি চাই ঐ আদলের শাড়িগুলো এদেশেও বানানো হোক। তাহলে এগুলো ওখান থেকে মানুষ না কিনে এখানেই পাবে।

ওরাতো আমাদের জামদানিটা বানানোর চেষ্টা করে এতে সমস্যা র কিছু আমি দেখি না । যার যতদূর ক্ষমতা আছে সে ততটাই ভালো বা খারাপ বানাবে কপি করে বানানো শাড়িগুলো। কিন্তু তাই বলে বিক্রি যে হচ্ছে না তা কিন্তু নয়। 

ভারতে সবাই কিনছে ওদের নিজেদের করা জামদানি শাড়িগুলো।

সবাই ঢাকা থেকে এসে নিয়ে যায় না যারা খুব বেশি সৌখিন তারা ছাড়া অন্যরা ওদের বানানো জামদানি শাড়িগুলোই পড়ে । তাই আমরাও পারি ওসব শাড়ি তৈরি করতে এদেশে।

No comments:

Post a Comment