মার্কেট রিসার্চ নিয়ে কিছু কথা

I am not a professional market researcher. But I am writing about this like others common men. Firstly, it depends on your product whereas it's tranding or seasonal. Such as, you don't need any marketing to sell potato alike seasonal products. It needs place where you can sell as your desired price. This price can be differed from Gulshan Banani to Kawran Bazar.

Secondly, it depends on your ability. Where you can bring out any product from any place, Swapna, Arong can do this easily.

Thirdly, It depends on your strategy, how you could enter the market and take position. Brading prefers in there. Target marketing can save your cost like Software, digital marketing based startup. They try to look out Ecab group as well as other online digital group. Again,  Swapna, Evaly can reach mass people by tv media marketing. It needs much cost in there. 

At last, you step down with the product or not, it depends on you.

An European  thought about his business expansion outside the Europe and took his foot onto Africa. He sent the head regarding the marketing department to analysis the market capture of shoes. But he did not see any possibilities there, because, there nobody put shoes on legs.

That's why company owner depressed and rejected the proposal.

Again, another company sent representatives there. When they saw huge possibilities there,  if they could realize the benefit of shoes. Moreover, people didn't wear shoes in there.

As per this thought, company tried there and at last,  they succeeded.

So, if we think about the mentioned stories, then we see the different angle and
outlook. Keep positive and try your best as your outcome. 

আমি প্রফেশনালি কোনোদিন মার্কেট রিসার্চ করে নি। তবে অন্য দশ জন সাধারণ মানুষের মতন মার্কেট বা কোনো  টপিক্স নিয়ে চিন্তা ভাবনা করার চেস্টা করি। মার্কেট রিসার্চ প্রথমে আপনার পন্যের উপর নির্ভর করে, ট্রেন্ডিং বা সিজনাল পন্য নাকি ইউনিক কোনো পন্য। যেমন,  আলু,  তরকারির বাজারের কোনো মার্কেটিং এর দরকার পড়ে না। বেচতে যান, বেচতে পারবেন না,  কিন্তু এগুলোর চাহিদা বেশি। উতপাদনে খরচ বেশি,  আবার লাভ কম বেশি থাকে। খুচরা জায়গা বা মার্কেট বুঝে দাম হেরফের করে। আপনি ইচ্ছে করলে গুলসানের আবাসিক এলাকায় তরকারি বেচতে পারবেন না, কিন্তু কাওরান বাজারে সহজেই কম দামে পন্যগুলো বিক্রি করতে পারবেন।

দ্বিতীয়ত, আপনার সক্ষমতা বা যোগ্যতার উপর নির্ভর করে। অর্থাৎ আপনি যেখান থেকে পন্য আনতে হিমসিম খান বা প্রায় অসম্ভব সেখানে স্বপ্ন বা মিনা বাজার বা আড়ং সহজেই সেই কাজ করে ফেলতে পারে। 

তারপর আপনি কিভাবে বাজারে ঢুকবেন, তা আপনার কৌশলের উপর নির্ভর করে। ব্রান্ডিং টা এখানে প্রাধান্য পাবে। ইউনিক প্রডাক্ট থাকলে ব্রান্ডিং করা লাগবে। এখন কিভাবে কেমনে করবেন সেটা আপনার উপর নির্ভর করে। অনেকে ক্লায়েন্ট বেইজড মার্কেটিং করে, যেমন,  সফটওয়্যার,  হোস্টিং,  ডেভেলেপার কোম্পানি গুলো  ইক্যাব গ্রপ সহ ডিজিটাল গ্রুপগুলোতে ভিড় করে বেশি। আবার স্বপ্ন,  আড়ং, ইভ্যালি ব্রান্ড করে সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে। অনলাইনে পন্য প্রমোশন করতে খরচ কম লাগে, আবার টিভি মিডিয়ায় ব্রান্ড করতে খরচ বেশি লাগে।
আবার সবশেষে পন্যটি নামাবেন কিনা সেটা নির্ভর করে আপনার দক্ষতা বা দৃস্টিভংগির উপর। এই বিষয়ে একটা গল্প বলি। 

অনেক বছর আগের কথা। আফ্রিকার জনগণ তখনও আধুনিক জীবনযাত্রা সাথে পরিচিত নয়। 

ইউরোপের এক সফল জুতা কোম্পানির মালিক চিন্তা করলেন তিনি তার বিজনেস কে ইউরোপের বাইরে ছড়িয়ে দিবেন। অনেক চিন্তা ভাবনা করে তিনি তার বিজনেস সম্প্রসারনের জন্য আফ্রিকা মহাদেশকে টার্গেট করলেন। আফ্রিকায় জুতার মার্কেট যাচাই করার জন্য তিনি তার হেড অফ মার্কেটিং কে আফ্রিকায় পাঠালেন। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ ঘুরে কয়েক মাস পরে দেশে ফিরে তাঁর হেড অফ মার্কেটিং জানালেন, আফ্রিকায় জুতোর ব্যবসা সম্ভব না। কারণ আফ্রিকার মানুষ জুতাই পরে না।

কোম্পানির মালিক এটা শুনে হতাশ হয়ে আফ্রিকায় ব্যবসা সম্প্রসারণের চিন্তা বাদ দিলেন।

প্রায় একই সময়ে আমেরিকার এক জুতো কোম্পানি একই চিন্তা নিয়ে তাদের প্রতিনিধিকে আফ্রিকায় পাঠালেন। কয়েক মাস পরে তাদের প্রতিনিধি আমেরিকায় ফেরত এসে জানালেন যে, আফ্রিকায় জুতার ব্যবসার ব্যাপক সম্ভাবনা। কারণ আফ্রিকার মানুষ এখন জুতা পরে না। তাই সেই দেশে জুতা ব্যবসার কোন প্রতিদ্বন্দ্বী নাই। 

এখন আফ্রিকার জনগণকে জুতা পরার উপকারিতা যদি বোঝানো যায়, তাহলে সেখানে একচেটিয়া বিজনেসের বিশাল সুযোগ আছে। 

এরপরে সে জুতা কোম্পানি আফ্রিকাতে জুতা পরার উপকারিতা সম্পর্কে বিশাল ক্যাম্পেইন চালিয়ে মানুষকে জুতা পরার ব্যাপারে সচেতন করলো। কয়েক বছরের মধ্যেই সেই কোম্পানি আফ্রিকায় ফুলে-ফেঁপে ওঠে বিলিয়ন ডলারের কোম্পানিতে পরিণত হলো।

সুতরাং আমরা দেখতে পাচ্ছি, একই জায়গায় একই উদ্দেশ্য নিয়ে ২ জন যাওয়ার পরেও শুধুমাত্র দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্যের কারণে একজন সফল হল এবং অন্যজন ব্যর্থ হলো।

তাই সফলতার জন্য সবসময় পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখুন। কোন কিছুকে বাঁধা মনে না করে সুযোগের সন্ধান করতে থাকুন। সফলতা আসবেই।

No comments:

Post a Comment