বিরিয়ানি বাই কিলো ব্রান্ডিং থেকে শিক্ষা

বিরিয়ানি বাই কিলো ব্রান্ডিং থেকে শিক্ষা- 

তাদের সিগনেচার ডিশ এক্টাই সেটা হল দম দেয়া বিরিয়ানি। যেটার কারনে সবাই তাদেরকে চিনবে। আর সেই সিগনেচার ডিশের সাথে তাদের স্টার্ট আপের নামকরণ রয়েছে Biriyani by Kilo। বিরিয়ানির সাথে ওজনের হিসাব কিতাব থাকে তাই কিলো নামটি তারা ব্যবহার করেছে।

এক ডিশ নিয়ে তারা থেমে থাকে নি, তারা বিরিয়ানির বিভিন্ন রকম পদ তৈরী করেছে।
ভেজ, নন ভেজ বিরিয়ানি, পনির বিরিয়ানি, প্রোন বিরিয়ানি সহ আরও অনেক ধরনের বিরিয়ানির পদ তৈরী করেছে।

তারা বিরিয়ানি কিভাবে পরিবেশন করে, অর্থাৎ  কিভাবে এটিকে হাড়ির চারিদিকে সুন্দর করে আটা দিয়ে প্যাক আপ করা হয়, যাতে খাবার গরম থাকে তা তারা প্রমোশনে এনেছে। প্রচারে কিছুটা গ্রামিনতার ছোয়া রেখেছে। গুলশানে হান্ডি নামক এক রেস্টুরেন্ট রয়েছে, সেখানেও একই ভাবে বিরিয়ানি বা খাবার সার্ভ করা হয়। 
তারা হাইজেনিক অর্থাৎ বিরিয়ানিতে খাটি মসলা ব্যবহার করেন তা বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করেছেন।

এছাড়া পারসোনাল ব্রান্ডিং হিসেবে, বিরিয়ানি বা রান্না বান্নার সংগে কিভাবে তারা আগে থেকে জড়িত এবং স্টার্ট আপ ব্যবসায় কিভাবে তারা দক্ষ তা তারা উল্লেখ করেছে। অর্থাৎ তারা ছাত্র জিবনে হোটেল ম্যানেজমেন্ট এর ছাত্র ছিলেন। পিজা হাট, কাবাব ফ্যাক্টরিতে ফাউন্ডার জিনডাল কর্মরত ছিলেন।
একই ব্রান্ডিং পরিচিতি আমরা দেখতে পাই, পুরান ঢাকার হাজি বিরিয়ানির সাথে। এটা তাদের বাপ দাদার ব্যবসা, অর্থাৎ স্বাধীনতার পর থেকে তাদের পিতৃ পুরুষ এই হাজির বিরিয়ানি চালু করেন এবং পুরান ঢাকায় বিরিয়ানি বলতে এক নামে হাজির বিরিয়ানিকেই চিনে। এমনকি এখন পর্যন্ত এই বিরিয়ানির মসলা বা রেসিপি কেউ উদঘাটন করতে পারে নি।

No comments:

Post a Comment