#content_seo_post 07
✓✓একটি আদর্শ সাইট স্ট্রাকচার কেমন হওয়া উচিত?
আদর্শিক একটা সাইট স্ট্রাকচার হওয়া উচিত পিরামাডের মত। পিরামিডের একদম উপরে থাকবে হোমপেজ এবং হোমপেজে থাকবে আরো আনুসাঙ্গিক পেজের লিংক। এই পেজ পরে আবার অন্য পেজের লিংক যুক্ত হবে।
একটি আদর্শিক কন্টেন্ট এসইও স্ট্রাটেজি হচ্ছে, কিভাবে আপনি কী ওয়ার্ড স্ট্রেটেজি এবং সাইট স্ট্রাকচার করবেন। একটি উন্নত কী ওয়ার্ড স্ট্রেটেজি হচ্ছে সার্চ টার্ম অনুযায়ী আপনি ভাববেন কমন এবং প্রতিযোগিতামূলক কী ওয়ার্ড এমনকি দীর্ঘ নিঃশ্বাস সম্পাদক। সাইট স্ট্রাকচারেও এমন দ্বৈতভাব বজায় রাখতে হবে। পেজ ফোকাস হবে কমন সার্চ টার্মের উপর ভিত্তি করে যা থাকবে পিরামিডের সবচেয়ে উপরে অন্যদিকে পেজের বাকি দীর্ঘ কী-ওয়ার্ড থাকবে সাইট স্ট্রাইকারের নিচের দিকে। পিরামিডের নিচের পেজগুলো পিরামিডের উপরের দিকের পেজের সাথে ভালোভাবে লিংক করা থাকবে।
✓✓ সাইট স্ট্রাকচার এর টিপস:
১. মূল কনটেন্ট নির্বাচন করা : আপনার ওয়েবসাইটের মূল লেখাগুলো নির্বাচন করুন। এগুলো হবে সেই আর্টিকেল যেগুলো আপনি পাঠককে পড়াতে চান এবং যা দ্বারা আপনার ওয়েবসাইটের মিশন প্রকাশ পায়। আপনি যে আর্টিকেলের জন্য র্যাংকিং পেতে চান সেইগুলোই হচ্ছে মূল কন্টেন্ট। আপনি যদি এখনও ডিসাইড না করে থাকেন আপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কনটেন্ট কোনগুলো তো চিনি।তা করা শুরু করে দিন। প্রস্তুত করুন ঐআর্টিকেলগুলো সেরা কনটেন্ট হিসেবে।
২. আগা থেকে গোঁড়া অবধি সংযুক্ত করুন : একবার যখন আপনি সেরা আর্টিকেল পেয়ে যাবেন মূল আর্টিকেলে লেজুড় আকৃতির আর্টিকেলগুলো জুড়ে দিন। তাহলে গুগল বুঝতে পারবে কোন আর্টিকেলগুলো র্যাংকিং করতে হবে।
৩. ট্যাগের ব্যবহার (তবে বেশি না) : ট্যাগ ব্যবহারে সাইট কিন্তু অনেক লাভবান হয়। ট্যাগ এবং ট্যাক্সোনোমি সাইটের স্ট্রাকচার তৈরি করে- গুগল এতে ভালো বুঝতে পারে। গুগল আপনার আর্টিকেলকে একই রকম টপিকসের তালিকায় আনে। তবে বেশি করতে যাবেন না তবুও কিছু মানুষ আর্টাকেল থেকে ট্যাগ বেশি ব্যবহার করে। অতিরিক্ত ট্যাগ মানুষকে দুর্বল ও দ্বিধাময় সাইটে টেনে আনে।
৪. ডুপ্লিকেট কনটেন্ট এড়িয়ে চলা : একই এসইও কনটেন্ট আপনার সাইটে অনেক জায়গায় থাকতে পারে , একজন পাঠক হিসেবে ব্যাপারটা আপনার খারাপ নাও লাগতে পারে কারণ আপনি যা চাচ্ছেন তা পেয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু সার্চ ইঞ্জিনকেও তো রেজাল্ট পেজে কিছু না কিছু দেখাতে হবে , আর তা কখনোই একই জিনিস ২বার হবে না। আপনার পন্যের প্রতিযোগী এমন কোন সাইটের ইউআরএল এর সম্ভাবনা থাকে ১ম বা ২য় হবার কিন্তু এই ইউআরএলগুলো যদি একই সাইটের হয় তো আপনার চান্স সবচেয়ে বেশি থাকবে টপ টেনে থাকার।
৫. বাদ দিন পুরোনো এসইও কনটেন্ট : আপনার পুরোনো এসইও কনটেন্ট যদি তা আদ্যিকালের হয়ে থাকে। হতে পারে পেজে কিছু মূল্যবান লিংক আছে , যার ফায়দা আপনি এখনও নিতে চান তো রিডিরেক্ট করুন ইউআরএল গুলো।
৬. সামলান এতিম কনটেন্ট গুলো : এখানে এতিম বলতে ঐ কনটেন্ট গুলো বোঝানো হচ্ছে যেখানে অন্য আর্টিকেল গুলোর লিংক নেই। কারণ ইউজার এবং গুগল উভয়ের পক্ষেই কষ্টকর ঐ লিংকহীন কন্টেন্ট খুজে বের করা। সুতরাং যদি কোন কনটেন্ট আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে তো সেটা গুগল আর ইউজারকে জানান লিংকিং করে।
No comments:
Post a Comment