স্টার্ট-আপ পিচ নিয়ে প্রেজেন্টেশন

স্টার্ট-আপ পিচ প্রেজেন্টেশন (পার্ট – ২)
আপনার প্রোডাক্ট নিয়ে নলেজ, প্যাশন, প্ল্যানিং এমনভাবে কনফিডেন্টলি প্রেজেন্ট করতে হবে যাতে পটেনশিয়াল ইনভেস্টরদের মনে দাগ কাটতে পারেন। কনফিডেন্টলি প্রেজেন্ট না করতে পারলে বা কনফিউজড থাকলে তারাও ভরসা পাবেনা। আদৌ সাকসেসফুল হবেন কিনা বা ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন কিনা সেটা নিয়ে তাদের কনফিউশান ক্রিয়েট হবে।
এটাও তাদেরকে বুঝাতে হবে যে, আপনি আপনার টিম কে নিয়ে ডিটেলস বিজনেস প্ল্যান করে রেখেছেন। কোন কারনে যদি এই আইডিয়া ফেইল করে আপনি কি ধরণের স্টেপ নিবেন।
যদি স্লাইড-শো এর মাধ্যমে দেখাতে পারেন তাহলে তো আরও ভাল হয়। তবে স্লাইড শো কম কথায়, মেইন পয়েন্ট বা বুলেট পয়েন্ট দিয়ে সাজাতে হবে। সাধারণত ১২-১৫ টা স্লাইডই যথেষ্ট। অনেক বেশী ডিটেল দেয়ার দরকার নাই। আপনার বিজনেস প্ল্যানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলো হাইলাইট করতে হবে। সব কিছুই প্রেজেন্ট করতে হবে এমন না।
স্লাইডে যদি একটা পয়েন্ট নিয়ে অনেকগুলো লাইন লিখেন, সেক্ষেত্রে কিন্তু ইনভেস্টর সেটা পরবেনা, বরং ভাববে আপনি স্ট্যান্ডার্ড স্লাইড তৈরি করতে জানেন না। কিন্তু আপনি যদি দুই তিন শব্দ লিখেন আই ক্যাচিং স্টাইলে আর সেটা ভারবালি এক্সপ্লেইন করেন তাহলে তা অডিয়েন্সের মনে থাকবে। প্রয়োজনমতো বুলেট পয়েন্ট, ফিনানশিয়াল ডাটার ক্ষেত্রে চার্ট, গ্রাফ, প্রোডাক্টের পিক বা প্রোডাক্ট নিয়ে ৩০-৪০ সেকেন্ডের ভিডিও (যদি সম্ভব হয়) দেখালে খুবই ভাল হবে।
আগে যদি কখনও স্লাইড তৈরি করে না থাকেন তাহলে একটু ভালভাবে শিখে নিয়ে স্ট্যান্ডার্ড স্লাইড তৈরি করলে ভাল হয়। নয়তো এটা একটা ব্যাড ইফেক্ট ফেলতে পারে। বেশী প্যুর স্লাইড শো দেখলে ইনভেস্টরদের মনে হতে পারে আপনি ব্যাপারটা তেমন গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
আপনার প্রোডাক্টের একটা ডেমো বা স্যাম্পল দেখাতে পারলে ভাল হয়।
পিচ দেয়ার আগে অবশ্যই আপনার প্রোডাক্টের মার্কেট ডাটা বা ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে আইডিয়া থাকতে হবে, নয়তো ইনভেস্টরদের প্রশ্নের উত্তর দেয়া কঠিন হয়ে যাবে।
টিম মেম্বারদের মধ্যে ডিসকাস করে কত রকম প্রশ্ন আসতে পারে তার একটা আইডিয়া করে সে অনুযায়ী প্রিপারেশন নিয়ে যাবেন। একজিট রুটের ব্যাপারে প্রশ্ন করলে কি উত্তর দিবেন আগে থেকেই তার প্রিপারেশন নিয়ে রাখতে হবে।

No comments:

Post a Comment