উদ্যোক্তা কেন হয়েছেন বা হতে চান?

Razib Ahmed > ‎Digital Skills for Bangladesh

আজকের টপিকঃ উদ্যোক্তা কেন হয়েছেন বা হতে চান?

সুনির্দিষ্ট ৫-১০ টি কারন লেখেন। বেশি বড় না হলেও হবে এই পোস্ট। আমার পোষ্টে প্রথমে কমেন্ট করেন তারপর গ্রুপে সেই কমেন্ট পোস্ট আকারে দেন।

Yesterday at 6:03 PM ·

Public


Sabia Sultana

উদ্যোক্তা হওয়ার মূল কারন ছিল আমি কারো অধীনে থাকতে চাইনা।
৯-৫টার গন্ডিতে নিজেকে না বেধে নিজের স্বাধীনতায় জীবন গড়তে চাই।
নিজের ইচ্ছা ও চাওয়াকে প্রাধান্য দিয়েছি এটি বেছে নিয়ে।
আমার এলাকায় মেয়ে উদ্যোক্তা নেই সমাজের খোচার ভয়ে সাহস ও সাপোর্ট নেই তাদের।সেই অসম্ভবকে জয় করে নারীদের পথ তৈরী করতেই আমি এই পেশাকে বেছে নিয়েছি,আজ আমি এলাকার একমাত্র নারী উদ্যোক্তা ।
নিজের মেধাকে কাজে লাগিয়ে দেশের জন্য ক্ষুদ্র কিছু হলেও করতে চাই।
নারীরা পিছিয়ে নেই তারা পুরুষের ন্যায় ব্যবসা পরিচালনার দায়িত্ব পালনে সক্ষম এটা বাবার কাছে প্রমান করতে এসেছি এই পথে।
শুধু নিজের নয় পরিবারেরও একটি নতুন পরিচয় তৈরী করার জেদ ছিল তাই আজ উদ্যোক্তার পথে আমি।
আমার সাথে আরো দশজনকে যেন তার বেকারত্বের অভিশাপ থেকে বের করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারি সেই স্বপ্ন পুরোন করতে উদ্যোক্তা আমি।
দেশের পন্যকে নিজের মেধায় নতুন রুপ দিয়ে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে চাই।
দেশের ঐতিহ্য ধরে রাখতে নাগরিক হিসেবে আমার কর্তব্য পালন করতে এই পথে হাটা।


Tanjila Siddique

উদ্যোক্তা হওয়ার কারনঃ-
আমি আমার বাবার চার সন্তান এর মধ্যে বড় মেয়ে।আমার বাবা সরকারি চাকরি করে তার মানে তার বেতন ছিলো লিমিটেড এবং হিসাব করা। আমি যেহেতু বড় তাই পরিবারের প্রতি একটা দায়িত্ব আছে।ছোট বেলা থেকে ইচ্ছা ছিল আমি আমার বাবার বড় ছেলের মতো বাবাকে যেনো সাপোর্ট করতে পারি কিন্তু বিয়ের পরে আমি আর তা পারিনি।আমার হাসবেন্ড যথেষ্ট হেল্পফুল যতটা পারে দেয়।কিন্তু আমার কাছে এটা খুব খারাপ লাগতো।তার টাকা আমারি টাকা কিন্তু এর কিন্তু ব্যাপারটা থেকেই যায়।আমি শুধু মাত্র আমার বাবাকে সাপোর্ট দেয়ার জন্যই উদ্যোক্তা হয়েছি।এখন আমার মোটামুটি সামর্থ্যের মধ্যে যা আছে আমি চেষ্টা করি সবসময় আমার বাবাকে খুশি করতে।আর প্রথম ইনকামের টাকা দিয়ে বাবাকে তিন হাজার টাকা দিয়ে পাঞ্জাবীর কাপড় কিনে দিয়েছি। এটা ছিলো আমার জীবনের উদ্যোক্তা হওয়ার বড় আনন্দ। ❤❤❤❤💓💓💓💓


Amina Binte Zia

উদ্যোক্তা হওয়ার পিছনে একটা প্রধান কারণ হলো নিজের জীবনটাকে অর্থপূর্ণ করা ।একজন উদ্যোক্তা সমাজে অনেক বড় ইমপ্যাক্ট ফেলতে পারে। তার পরিশ্রম এবং একাগ্রতার কারণে সমাজে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ উপকৃত হতে পারে।একদিকে যেমন অনেকের কর্মসংস্থানের যোগাড় করতে পারে এবং অন্যদিকে সমাজে বিভিন্নভাবে উপকারে আসতে পারে। যেমন ভাল সার্ভিস দিয়ে কাস্টমারকে, সমাজের উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে, অন্যান্য মানুষদেরকে আর্থিকভাবে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে অনেক উৎসাহ দিতে পারে। একজন উদ্যোক্তা সমাজের সম্পদে পরিণত হয় যখন সে সত্যিকারের অর্থে লড়াই করে যায়। যেহেতু নতুন কোন কিছু উদ্যোগ নেওয়া ও একটা সাহসের বিষয় সেই নতুন উদ্যোগের কারণে মানুষ অনেকভাবে সেখান থেকে উপকৃত হতে পারে।
যেমন অনলাইনে মাছ বিক্রি করার মাধ্যমে এখন মানুষ ঘরে বসেই তাজা মাছ কিনতে পারছে বিশ্বস্ত উদ্যোক্তাদের পরিশ্রমের কারণে।

Umaiya Humayra

আসসালামুআলাইকুম স্যার।
আমার উদ্যোক্তা হওয়ার কারণ-
১.সমাজে মেয়ে হয়ে জন্ম নিয়ে অনেক কথা শুনেছি। তাই মেয়েরা ও যে পারে নিজের পরিচয় গড়তে সেটি সমাজের অই মানুষ গুলো কে চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে চাই
২.নিজের একটি আলাদা পরিচয় গড়ে তুলা খুব প্রয়োজন
৩.সমাজের অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো, নিজের কাজের মাধ্যমে অন্যের কর্মসংস্থান এর সুযোগ করে দিয়ে বেকারত্ব দূর করার কিছুটা হলেও চেষ্টা করব সাধ্য মতো
৪.বাবা লাইফের অনেক বড় শক্তি আমার।তাই পরিবারকে সচ্ছ্বল করব।
৫.স্বাধীনতা ভালোবাসি।চ্যালেঞ্জ এর
Minhajul Islam

আমি উদ্যেক্তা হতে চাচ্ছি কারনটা হচ্ছে

>বর্তমান পরিস্থিতিতে চাকুরী পাওয়া অনেক কঠিন সরকারি তো কোন আশায় নেই, কারণ টা হচ্ছে এখানে যোগ্যতার মূলায়ন করা হয় না যার কারনে যোগ্য মানুষেরা চাকুরি পায়না। (যদিও আমি নেগেটিভ না সব সময় পজিটিভ চিন্তা করার চেষ্টা করি এমন করে কখনো ভাবিনা তবে বর্তমান প্রেক্ষাপট এটা।)

> আমি দেশকে ভালবাসি যার কারনে একটু বড় করে ভাবার চেষ্টা করি সব সময়। আমি চাকুরি তৈরি করতে চাই যেখানে শত শত মানুষ কাজ করবে দেশের বেকার সমস্যা দূর হবে। মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হবে। ( চাকুরি করলে শুধু আমার নিজের পরিবার চালাতে পারব আর উদ্যেক্তা হলে আরো দশটা পরিবার চালাতে পারব )

> বর্তমানে চাকুরি সেক্টর তৈরি করা অনেক দরকার কারন চাকুরির চেয়ে চাকুরী প্রার্থী অনেক বেশি।
আরো অনেক কারন আছে যার কারনেই আমি উদ্যেক্তা হতে চাই। এগুলো কারনের জন্য আমি উদ্যেক্তা হতে চাই।
রাজিব আহমেদ স্যারের শিক্ষা নিয়ে একদিন অনেক বড় উদ্যেক্তা হবো ইনশাআল্লাহ।


Tasmia Karim

আসসালামু আলাইকুম স্যার।আমি এখনো উদ্দোক্তা হতে পারি নাই এখনো আমি ব্যাবসা করছি তবে ইনশাআল্লাহ দেশের অবস্থা ভালো হলে আমার উদ্দোক্তার যাত্রা শুরু করবো।উদ্দক্তা হতে চাই কারন, ১। প্রথমতো নিজে সাবলম্বি হতে চায় ২। আমার খুব ইচ্ছা সমাজের গরিব অসহায় মানুষের পাশে দারানো তাদের জন্য কিছু করা।
৩। সংসার জীবনে কিছু মহিলা আছে যারা ভীষন ভাবে নির্যাতিতো তাদের জন্য কিছু করা।
৪। বৃদ্ধ বয়সে অনেক বাবা মাকে বৃদ্ধা শ্রমে যেতে হয় সেই বাবা মায়ের পাশে দ্বারাতে চায়য়।
৫। এ কারনটা আমার মেয়ে তাসমিয়া তার জন্য যাকে সমাজে আমি একজন সত নিষ্ঠাবান ও সু শিক্ষায় শিক্ষিত করে সমাজের পাশে দেশের পাশে দাড়া করতে চায়।
আর এগুলো সব নিজের টাকায় নিজের ইনকামের টাকায় করতে চায়।আমার মেয়েকে আমার নিজের টাকায় মানুষ করতে চায়।
আমি জানি না স্যার আমি পারবো কি না কারন এই কাজ গলো করার জন্য সবথেকে বেশি দরকার মেধা ও মনে রাখা যার দুটোই আমার শেষ।


Tanjina Tamanna

উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প
ছোটবেলা থেকেই কারও কাছ থেকে হাত পেতে টাকা নিতে সংকোচ লাগত সেটা বাবা,ভাই,মা, স্বামী যেই হোক না কেন। সবসময় ইচ্ছা ছিল জব করব নিজে স্বাবলম্বী হব বাট এমবিএ করা অবস্থায় বিয়ে হল তারপর বেবি হল জব করার সুযোগ হয়ে উঠলনা। মারাত্নক ডিপ্রেশনে পড়ে গেলাম জব করলে বেবি কার কাছে থাকবে কে টেককেয়ার করবে হেল্পিং হেন্ড এর কাছে বেবিকে রেখে যাব মন শায় দিলনা বাদ দিলাম চাকুরির ইচ্ছাটাকে।আবার ডিপ্রেশন কি করব এভাবেই হাজবেন্ড এর উপর ডিপেন্ড করে সারা জিবন চলতে হবে?? ১০ টাকা রিকশাভাড়া লাগলেও হাজবেন্ডের কাছে চাইতে হয় মেনে নিতে পারছিলামনা ডিপ্রেশন মারাত্মক পর্যায়ে। প্রতি রাতে স্লিপিং পিল খেয়ে ঘুমাতে হয় কান্না করি কারন ছাড়াই অসহায় লাগত খুব সময় কাটতনা।তারপর ভাবলাম না এভাবে চলতে পারেনা কিছু একটা আমাকে করতেই হবে।বাবা ছিলেন ইউনানি চিকিৎসক তাই ছোটবেলা থেকেই হার্বাল উপাদান ও ঔষধের সাথে পরিচিত শুরু করলাম অর্গানিক স্কিন কেয়ার হেয়ার কেয়ার প্রোডাক্ট ও আমাদের নিজস্ব বিএসটিআই অনুমোদিত টুথপেস্ট নিয়ে। আলহামদুলিল্লাহ এখন নিজের হাতখরচ নিজে মিটাই নিজের পরিবারের জন্য খরচ করতে পারি।সংসারের খরচে কন্ট্রিবিউশান করতে পারি কারো কাছ থেকে এক টাকাও নিতে হয়না উলটা সবাইকে দিতে পারি আলহামদুলিল্লাহ 😍😍😍বাধা এসেছে অনেক সাহসের সাথে সততার সাথে মোকাবেলা করেছি।আমার বিজনেসের মূলমন্ত্র হল আমার বাবার শেখানো জ্ঞান ও আমার সততা আমার ডেডিকেশান।ইনশাআল্লাহ স্বপ্ন অনেকদূর এগিয়ে যেতে চাই আমার অরগানিক সলিউশান বিডিকে নিয়ে বহদূর।সবাইকে অরগানিক ভালোবাসা💚💚💚


Purobi Rahman

উদ্যোক্তা কেন হতে চাইঃ স্বাধীন ভাবে কাজ করতে চেয়েছি সব সময়। নিজের একান্ত কিছু কাজ থাকবে, যা দেখার সাথে সাথেই মানুষের মনে আমার আর আমার ব্রান্ডের নাম মনে গেঁথে থাকবে। মানুষ তো বাঁচেই তার কর্মে। আর পাটের শতরঞ্জি, আর নকশি হাতের তৈরি বোতাম আমার সিগনেচার কাজ। এই চিন্তা থেকেই আমার উদ্দ্যোক্তা হতে চাওয়া। আমাকে আমার দেশের ঐতিহ্য কে মানুষ মনে রাখবে আজীবন।


Israt Jahan Bonani

আমি কেনো উদ্যোক্তা হলামঃ
★আমি স্বাধীনভাবে কাজ করা পছন্দ করি।
★আমার নিজের একটা আইডেন্টিটি থাকবে এটা আমার চাওয়া।
★আমি আমার পরিবার,সন্তানদের সময় দিয়ে আমার কাজ করবো।
★আমার কাজের মাধ্যমে আমাকে সবাই চিনবে,সবার কাছে পরিচিত হওয়া।
★শুরু থেকেই ইচ্ছা দেশী পন্য নিয়ে কাজ করবো যা আমার দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।
★দেশের তাঁত শিল্পকে বিশ্ববাজারে পরিচিত করবো
★তাঁতীদের কাজের গতিকে বাড়াবো।
★আমার কাজের দ্বারা আরো অনেকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।
এইবিষয়গুলো মাথায় রেখেই আমি আমার উদ্যোগের কাজ শুরু করলাম।


Samroj Sultana

আমি সামরোজ সুলতানা।

প্রতিটি কাজের পিছনে কোননা কোন কারন থাকে। কারন ছাড়া কার্য হয়না।
তেমনি আমার উদ্যোক্তা হওয়ার পিছনেও কিছু কারন বিদ্যমান।

১.মাস্টার্স করার পর জব করতে বাধা দেয়া হয়। যদিও পড়াশোনাটাও করতে হয়েছে অনেক যুদ্ধ করে। কিন্তু আমার বাবা মারা য়াবার আগ পর্যন্ত একটা আশা পোষন করতেন সবসময় যে তার কন্যা নিজের পায়ে দাড়াবে। কিন্তু বিধি বাম তাই নিজের বলতে কিছু অর্জনের প্রত্যাশা ছিলো পড়াশোনা যেটা আমার প্রথম ধাপ।

২.সংসারের নানারকম ঘাত প্রতিঘাত আমাকে এক সময় আভাস দিলো আমার নিজের পায়ের নিচের মাটি শক্ত করা জরুরী ।

৩.নিজের আত্মপরিচয় খোঁজা জরুরী এটা আমাকে হানা দিতে শুরু করলো এবং আমি সেইটা কাজে লাগাতে পথে নামলাম।

৪. শুরু করলাম কোনটায় আমি দক্ষ।সেই দক্ষতা থেকে পেলাম রন্ধন শিল্পটি আমায় টানছে বেশি। সেটাতেই আবার বিশদভাবে জানতে পড়াশোনা শুরু করলাম। একে একে সব লেভেল শেষ করলাম। ইন্টারন্যাশনাল ডিগ্রীও নিয়ে নিলাম। তবে সেটা নিতে গিয়ে অত্যাচারিত কম হইনি। কিন্তু হাল একদমি ছাড়ি নি।
৫. যথাযথ সম্মান, টাকা উপার্জন ও নিজেকে সফল দেখতে চাই তাই সবরকম যুদ্ধ করেছি এখনো করছি।

৬.শরীরে অনেকগুলো ফ্র্যাকচার ও কিছু শারীরিক ও মানসিক সমস্যা ভেদ করে দুর্দম গতিতে এগিয়ে যাচ্ছি । স্মৃতিশক্তিতেও প্রভাব পরেছে। তাই কিচ্ছু মনে থাকেনা। তাই সব নোট করে রাখি যাতে কাজে অসুবিধা না হয়। এতো ভূলোমনা যে এটা নিয়েও অনেক সমস্যার মুখেমুখি হতে হয় প্রতিনিয়ত ।
নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে যেমন চেস্টা করছি তেমনি নিজের বুদ্ধি ও স্মৃতিকে শান দিচ্ছি প্রতিদিন।

৭.বাবা মারা যাবার পর বুঝলাম একটা মেয়ের আত্মনির্ভরশীল হওয়া আতীব জরুরী । কারন মাকে দেখেছিলাম সেই সময় পাগলের মতো দৌড়াতে কিভাবে তার সংসার বাঁচানো যায়, তার সেই যুদ্ধতে আমিও সামিল ছিলাম। সেই থেকেই একটা চাপা কস্ট কাজ করতো যেভাবেই হোক নিজের পায়ে দাড়ানো কতোটা জরুরি। কারন কেউ আমরা জানিনা কি আছে আমাদের ভবিষ্যতে । আর আল্লাহতো বলেছেন তোমরাই চেস্টা করো আমি তোমাদের হতাশ করবেনা। তাই পরিশ্রম , চেস্টা সব অব্যাহত রেখেছি ।

সর্বোপরি ইচ্ছে, চেষ্টা, পরিশ্রম এবং নতুন কিছু জানার আগ্রহ ব্যতিত সফলতা আসেনা তাই এই মূলমন্ত্র সবার মধ্যে গেঁথে রাখতে হবে।


Farah Diba

আমার উদ্যোক্তা হওয়ার অনেক কারন ---

১. আমি আমার আইডেন্টিটি চাই। ২. অস্তিত্বহীনতা একটা অভিশাপ। আমি নিজেকে এমন ভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই যেনো অনেক মেয়েকে এই অভিশাপ থেকে বের হওয়ার পথ দেখাতে পারি।
৩. আমার মেয়েকে যেনো আত্মসম্মান নিয়ে বেঁচে থাকা শেখাতে পারি।
৪. এই সমাজের কিছু ট্যাবু ভাঙতে চাই। অনেক মনে করে জিদ, তা যত সঠিকই হোক না কেন, কেবল পুরুষের জন্য। মেয়েরা জিদ করলে হয়------
৫. আমি যশোরের মেয়ে। বুঝতে শুরুর বয়স থেকে সুই সুতা নিয়ে মাঠে চলে যেতাম। কেউ বিশ্বাস করবেনা, আমাদের একটা ৬/৭ জনের দল ছিল। আমরা তখন ৮/৯ বছরের। আমরা সেলাই শেখা এবং নিজেরা করার একটা সমিতি খুলেছিলাম। এতদিন ওই স্বপ্নটা চোখে মেখে ছিলাম। ওইটা পুরন করে দিয়েছে আমার এই উদ্যোগ। আমার একটা মাঝারি সাইজের কর্মী দল আছে। যারা এই পরিস্থিতিতেও আমার জন্য কাজ করছে। আমি ওদের ভালোবাসি। ওরাও আমাকে ভালোবাসে।
৬. যশোরের হাতের কাজ বলতে যা বোঝায় আমি সেই ভাবনা টাকে বদলে দিতে চাই।
৭. যশোরের হাতের কাজ, সেলাইয়ের ধরন কে মানুষ নতুন করে চিনুক, জানুক সেই ক্ষেত্রটা তৈরি করতে চাই।
৮. অনেক গুলো গ্রাম ঘুরে দেখেছি প্রান্তিক নারীরা কত সমস্যায় আছে। তারা কাজ করতে চায়। কিন্তু পরিবারের জন্য পারেনা। তাদের সমস্যা গুলোকে মাথায় রেখে কাজের পরিবেশ তৈরি করতে চাই। তাকি ওরা কিছু আয় করতে পারে কোনো সমস্যা ছাড়া।
৯. নিথান কে এমন একটা প্ল্যাটফর্ম হিসাবে দাঁড় করতে চাই যেখানে সব ধরনের বুনন শিল্প এবং বুনন সমৃদ্ধ সব পণ্য এক ছাদের নীচে থাকবে।
১০. আমি আমাকে ভালোবাসি। অন্যের অধীনে নয় বরং স্বাধীন ভাবে অনেককে সাথে নিয়ে কাজ করতে চাই।


Nur E Jannat Sonda

আসসালামু আলাইকুম। আমি নুরে জান্নাত ছন্দা। আমি উদ্যোক্তা নই কিন্তু মনে মনে পোষন করি একদিন উদ্যোক্তা হবো।
প্রশ্ন হল কেন উদ্যোক্তা হবো?
কারন আমার নিজের একটা আইডেন্টিটি দরকার। স্টুডেন্ট লাইফ থেকেই টিউশন করতাম, পার্টটাইম জব করতাম।লেখাপড়া শেষে একটা কর্পোরেট জবে জয়েন করি।বাচ্চা হওয়ার পর সেটাতে ইস্তোফা দেই। কিন্তু আমার নিজস্ব আইডেন্টিটির অভাব বোধ করি সব সময়।তাই কিছু একটা করা আমার অনেক দরকার।
আপনার হয়তো মনে হতেই পারে এর জন্য উদ্যোক্তা কেন হতে হবে? কারন আমি দেখেছি বাংলাদেশের মেয়েরা ঘরে ঘরে নির্যাতিত হচ্ছে, তারা মুখ বুজে সব সহ্য করছে। কারন তারা সংসার ছাড়া কিছুই করতে পারে না, এমনকি নিজেদের ভালো চিন্তাটাও করতে পারে না।আসলে পুরুষ শাষিত সমাজে তাদের চিন্তা শক্তিকে বাড়তে দেয় না। আমি নিজে উদ্যোক্তা হতে চাই তাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।তারা যেন আমাকে দেখে নেজেকে এগিয়ে নেওয়ার চিন্তা করতে পারে।
এক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠতেই পারে তাহলে এখনো শুরু করেন নাই কেন?
উদ্যোক্তা হতে গেলে প্রথমে যেটা করতে হবে সেটা হলো পড়াশোনা(প্রচুর জানতে হবে), প্লানিং, র-মেটেরিয়ালস কালেকশন, মুলধন, তারপর এক্সিকিউশান, এছাড়াও অনেক কিছু। এখন আমি ডি এস বি এবং উই গ্রুপ থেকে এ বিষয়ে শিখছি।দেখি আল্লাহ আমাকে কতটা এগিয়ে নিয়ে যান।
আল্লাহ বলেছেন “প্রত্যেকটা কাজ নিয়তের উপর নির্ভরশীল”। নিশ্চয় আমি আমার নিয়তে সফল হবো


Rakimun Zoya

কেন উদ্যোক্তা হলাম বা হতে চাই এই প্রশ্নের কমন উত্তরের পাশাপাশি আমার একটা ভিন্ন উত্তর আছে।
আমার একটা অভ্যাস আছে আমাকে যখন কেউ বলে এই কাজটা তুমি করতে পারবে না বা এই কাজটা তোমার জন্য না তখন সেই কাজটা করার প্রতি আমার নেশা আরো বেড়ে যায়। নিজেকে নিজে চ্যালেঞ্জ করতে বেশি ভালোবাসি। নিজে কিছু করে নিজের পরিচিতি তৈরির জন্য আমি হুট করেই পেইজ খুলেছিলাম। তখন উদ্যোক্তা হওয়া নিয়ে তেমন ধারণা ছিল না। কিন্তু তারপর কিছু মানুষ আমাকে বলা শুরু করলো, সাইন্সের স্টুডেন্ট আর্টসের সাবজেক্টে অনার্স করছো, এখন আবার বিজনেস করবা? পারবা না! বিজনেস কমার্সের স্টুডেন্টদের জন্য। সেই যে পারবো না শব্দটা থেকে চ্যালেঞ্জ নিলাম, এই চ্যালেঞ্জটাই আমার উদ্যোক্তা হওয়ার পিছনে মূল কারণ। আমি কেনো পারবো না! আমাকে পারতে হবে, এই জেদ থেকেই আমি উদ্যোক্তা হওয়াকে বেছে নিলাম। (কাউকে দেখানোর জন্য না। শুধুমাত্র নিজের জন্য।)

উদ্যোক্তা হওয়ার পর উদ্যোক্তা হিসেবেই থাকার কারণ-

১) আমাদের দেশের পারিপার্শ্বিকতাসহ বিভিন্ন দিক বিবেচনা করলে মেয়েদের জন্য তুলনামূলক সুবিধাজনক ও নিরাপদ কাজ উদ্যোক্তা হওয়া।

২) নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে, নিজের স্বাধীনতায় কাজ করতে পারবো।

৩) একটা তৈরি পদের মাধ্যমে নয় বরং নিজের যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে নিজের পরিচিতি তৈরি করতে পারবো ।

৪) কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবো


Najnin Sultana

উদ্যোক্তা হওয়ার কারণঃ
আমার উদ্যোগটা হলো হোম মেড ফুড নিয়ে।

১. মেয়ে ছোট বাইরে গিয়ে অফিসিয়াল কাজ করা অসম্ভব। তাই ঘরে বসে এই সময়টাকে কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যেই আমার উদ্যোক্তা হওয়া।
২. কিছু দিন আগে রাজধানীর বিভিন্ন হোটেল গুলোতে ভেজাল নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন টিভিতে দেখি। এসব দেখে বাইরে খেতে যাওয়া বন্ধ করে দেই। নিজে ভালো খাবো অন্যকে ভালো খাওয়াবো এই উদ্দেশ্যেই আমার এই উদ্যোগ নেওয়া।
৩.নিজের একটা সুন্দর পরিচয় তৈরি করা।
৪. ছোট থেকেই আমার একটা ইচ্ছা স্বপ্ন আছে একদিন আমার একটা রেষ্টুরেন্ট হবে। আমার সেই ইচ্ছা স্বপ্নটাকে পূরণ করার পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে আমার হোম মেড ফুডের উদ্যোগটা।
৫. আমার একটা উদ্যোগ থেকে কিছু মানুষের একদিন কর্মসংস্থান তৈরি হবে।
৬. বাবার, জামাইয়ের যতোই টাকা থাক আমার হাতে আমার উপার্জন করা কিছু টাকা থাকবে।
৭. কাজের পাশাপাশি আমার সন্তান আমার সামনে ভালো ভাবে বড় হবে এই জন্য ই ঘরে বসে আমার এই উদ্যোগ শুরু করা।


Rebeka Sultana

আমি কেন উদ্যোক্তা হতে চাই :
🌲 বাবার বাড়ি এবং শ্বশুরবাড়ি দু'জায়গাতেই প্রতিনিয়ত মেয়ে বলে ছোট থেকে ছোট হচ্ছি নিজের একটা সম্মান দরকার তাই চাই।
🌲শিক্ষিত আজ্ঞাবহ কাজের বুয়া হয়ে তো অনেক খাটলাম, এবার আমার নিজের একটা পরিচয় দরকার।
🌲মাস্টার্স করে, বি.এড. করে মোটামুটি কিছুতো জ্ঞান অর্জন করেছি, সেই জ্ঞানের পরিধিটাকে আরো বিস্তৃত করার জন্য তো একটা ক্ষেত্র দরকার তাই উদ্যোক্তা হলাম।
🌲 ছোটবেলা থেকে এত ছবি এঁকেছি আর সেটার জন্য প্রতিনিয়ত বকা ও খেয়েছি সেই সৃজনশীলতাকে বিকশিত করার জন্য।
🌲আমাকে যেনো আমার প্রয়োজন গুলোতে কারো কাছে হাত পাততে না হয় সেজন্য।
🌲আমার মত যারা জীবনে বারবার অবহেলিত হয়েছে তাদের কাজ করার জন্য একটা কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করার জন্য।
🌲জানি উদ্যোক্তা হওয়া কষ্টের কাজ কিন্তু তারপরও সফল হয়ে সবাইকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য পৃথিবীতে কেউ অবহেলিত নয় একেক জনের মেধা একেক দিকে বিকশিত হয়।
🌲যারা আমাকে প্রত্যেক পদে পদে ছোট করেছে তাদেরকে আমার সফলতা দিয়ে একদিন গর্বিত করার জন্য।
🌲বাংলাদেশের পণ্যকে পৃথিবীর বুকে সম্মানের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য।


Hena Rahman

আমি উদ্যোগতা হতে চাই কারণ
* আমি স্বনির্ভর হতে চাই।
*পরিবার কে সাপোর্ট দিতে চাই।
*নিজের পরিচিতি বাড়িয়ে নিজের একটা যোগ্যতা তৈরি করতে চাই।
*"তুমি কি ছেলে? যে এতো পড়াশোনা করে সংসার এর হাল ধরবে?" এসব বলা মানুষের মুখে তালা লাগাতে চাই।
*সমাজে নিজের অবস্থান তৈরি করতে চাই।
*কিছু মানুষের কর্মসংস্থান এর সুযোগ করতে চাই
*চাকরির নেশা টা কমে গেছে,তাই অন্যের গোলামি করার চেয়ে নিজের প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে উদ্যোগতা হতে চাই।
*নিজের একটি বুটিক এবং ব্র‍্যান্ড করতে চাই।


Farzana Mitu

আসসালামু আলাইকুম।
আমি উদ্যক্তা কেন হতে চাই।
১) নিজের পরিচয় নিজেই বহন করার জন্য।
২) মা কে সাহায্য করার জন্য।
৩) নিজের টাকায় এম এস সি + পি এইচ ডি করার জন্য।
৪) কেউ যাতে উপহাস না করে আমাকে।
৫) সবাই যাতে সম্মান করে আমাকে
৬) সবাই যাতে বলে আমি সাহসী মেয়ে।
৭) সবাই কে জানাতে চাই দেশি জিনিস নিয়ে।দেশি কাপরের মুল্য অনেক।
৮) দেশের শিল্প যাতে টিকে থাকে।অন্য দিকে ঝুকে না যায়।
৯) নিজের মেধা কে কাজে লাগাতে চাই।নিজে কিছু পারি এইটা বহন করতে চাই।
১০) নিজে কিছু করে অন্যদের সাহসী বানাতে চাই।
১১) কারোর মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে চাই না।
১২) সাধিন থাকতে চাই।
১৩) ই-কমার্স কে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।
১৪) নিজের প্রতিষঠান হলে অন্যদের কাজের ব্যবস্থা করে দেয়া।
১৫) নিজের বাচ্চার কাছে বলতে পারা তার মা নিজেই কিছু করে যা একান্ত নিজের।কারোর অধিনে কাজ করে না।কারোর উপর নির্ভরশিল নয়।


Jannatul Nayem

উদ্দ্যোক্তা কেন হতে চায়ঃ
প্রথমত উদ্দ্যোক্তা এবং ব্যবসা এ দুইটা শব্দকে একি মনে করতাম।
একদিন একটা পোস্টে দেখলাম তরমুজ কিনে তরমুজ বিক্রি করা হলো ব্যবসা আর তরমুজের জুস বিক্রি করা হলো উদ্দ্যোক্তা।
সেদিন দুটি শব্দের পার্থক্য মাথায় গেথে গিয়েছিল।
তখন দেখলাম আমি যা করছি তা ব্যবসা বলা যায় আরেকজনের প্রতিষ্ঠান কে বড় করতে সহযোগিতা করছি। কিন্তু আমার কি?
সে থেকে নিজের একটা আলাদা সত্ত্বার খোজে আছি।পেয়েও গিয়েছি এখনো শিখছি।প্রচুর পড়ে শিখেই মাঠে নামতে চায়।


Md Nazir Uddin

আমি কেন উদ্যোক্তা হতে চাইঃ
বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। সেই তুলনায় আমাদের দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ সীমিত এবং সরকারের একার পক্ষে এই সীমিত সম্পদ ব্যবহার করে দেশের প্রান্তিক জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব না। যার কারণে স্বাধীনতার পরে ঘরে উঠে দেশে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। তারপরও আমাদের দেশের বেকার সমস্যা একটা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। আমি ১০ বছর ধরে একটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে আসছি। নিজের চোখে দেখে আসছি কোথায় কি ধরনের সমস্যা এবং স্বাধীনতার অভাব সর্বত্রই।

নিজের মতো করে নিজের কাজ বা কর্মে অনেক সময় তুলে ধরা সম্ভব হতো না।

সেই বঞ্জনা বা স্বাধীনতা অভাব থেকে আমার উদ্যোক্তা জীবনের স্বপ্ন দেখা। আর আমার এই স্বপ্নের পথ চলা পূর্ণতা পায় শ্রদ্ধ্যায় Razib Ahmed স্যারের হাত ধরে।
এবার আসা যাক আমার
উদ্যোক্তা হওয়ার কারণ ঃ
১। Md. Nazir Uddin নামকে একটা ব্র‍্যান্ড হিসেবে তৈরী করার
২। আমার উদ্যোগ দইওয়ালার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দেশের বেকার সমস্যা দুর করণে স্বল্প পর্যায়ে সাহায্য করা।
৩। দেশের মানুষকে খাটি খাবার পৌছে দেওয়ার মাধ্যমে মানুষের খাবারের অভাব পূরনে আংশিক সহযোগিতা করা।
৪। নিজের অধিনস্তদের সহকর্মী হিসেবে ব্যবহার দিয়ে তাদের দক্ষ করে ঘরে তুলা।
৫। নিজের উদ্যোগ দইওয়ালা কে ব্র‍্যান্ড হিসেবে পরিচিত করা।


Umme Salma

১.উদ্যোক্তা হয়েছি কারন চাকরিতে থাকাকালিন সময়ে শুধু নিজের জন্য, পরিবারের জন্য কিছু করতে পেরেছি, ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও অন্যদের জন্য তেমন কিছু করা যায় নি।
2. নিজের দেশজ পণ্য নিয়ে নিজের পছন্দ মতো মানসম্পন্ন কিছু করতে পারছি।
৩. বেশ কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্হা আল্লাহর রহমতে করতে পেরেছি।
৪.'শূন্য ' আমার প্রতিষ্ঠান কে প্রোপার দেশীয় প্রোডাক্ট নিয়ে বিশ্ব মানের ব্র্যান্ডিং এ উন্নিত করার প্রয়াশে কাজ করছি।
৫. সারাজীবন ইচ্ছে ছিলো তৃনমূল মানুষদের নিয়ে কিছু করার, সে ইচ্ছে বৃহদাকারে না হলেও ক্ষুদ্র পরিসরে কিছুটা শুরু করতে পেরেছি।
৬.উদ্যোক্তা হয়ে দেশের অর্থনীতিতে অংশীদারত্বের প্রয়াশে কাজ করছি।
৭.দেশীয় পণ্য নিয়ে মানুষের মনে এক ধরনের দৈন্যতা আছে, সেটা কেনার ক্ষেত্রেই হোক, ব্যবহারের ক্ষেত্রেই হোক। নিজেদের টিমের সবটুকু দক্ষতা, ভালোবাসা দিয়ে দেশীয় পণ্যের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি, সর্বসাধারনের সাধ্যের মধ্যে মানসম্পন্ন পণ্য বিপণন করতে চাই।
৮.সবার কাছে ব্যবসা মানেই স্বাধীনতা, সেটা অবশ্যই কিন্তু আমার কাছে ব্যবসা মানে সুশৃঙ্খল জীবন বিন্যাস, গনযোগাযোগের সবচেয়ে বড় মাধ্যম।
৯. উদ্যোক্তা হয়েছি কারণ আমি, জানতে, শিখতে ভালোবাসি। আমার কাজ আমাকে প্রতিমুহূর্তে নিজেকে নতুন ভাবে তৈরী হওয়ার ক্ষেত্র প্রস্তুত করে দিচ্ছে।
১০.আমার কর্মক্ষেত্র প্রতিটি সময় আমার মনের জানালা দরজা খোলা রাখে। কাজের ভালোলাগা, বাধাবিপত্তি নিজেকে আরও একটু প্রস্তুত করে আগামীর জন্য।
পরিবার কে অর্থনৈতিক সহায়তা দেয়ার আনন্দটাও অনেক তৃপ্তির। প্রচন্ড ভালোবাসা এবং আন্তরিকতার জন্যই আমি একজন উদ্যোক্তা।


Marjia Rashid Maria

উদ্যোক্তা কেন হতে চাই?

আমি একজন ডেন্টাল সার্জন। তবুও আমি কেন উদ্যোক্তা হতে চাইবো? সাধারণ মানুষ তো ভাবে ডাক্তার মানেই টাকার গাছ!!! তাদের ঝাঁকি দিলেই টাকা পড়বে 🤣

১/ জ্বী ভাই, আমি টাকার গাছ হতে চাই। আমি ইয়ং, এনার্জেটিক। আমি চুল পাকিয়ে আর দশজন ডাক্তারের মতো মধ্যবয়সে টাকা চাইনা। ডাক্তার হয়ে জনগণের সেবা তখনই করা যায়, যখন আমার নিজের পেটে ভাত থাকবে। সুতরাং এটা একটা মূল কারণ।

২/ বিজনেস ওম্যান কিংবা৷ উদ্যোক্তা হওয়ার একটা গোপন স্বপ্ন মনে ছিলো। মাল্টি টাস্কিং হওয়া দোষের কিছু নয়।

৩/ সেবা। যে পন্য নিয়ে আমি উদ্যোক্তা হতে চাই, সেটি সেবার উদ্দেশ্যেই। শীঘ্রই সেটা আমি উন্মোচন করবো ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি আমি নিজেই আমার কাস্টমারদের সমস্যা নিয়ে কাউন্সেলিং করতে পারবো।

৪/ কিছুটা ফ্যামিলি ক্রাইসিস। (সাময়িক সমস্যা)

৫/ বেশ কিছু মানুষের কর্মসংস্থান করতে চাই।

৬/ নিজের চেম্বারের মূলধন নিজেই জোগাতে চাই। প্রচন্ড সেল্ফ ডিপেন্ডেন্ট আমি।। 😊


সায়মা বেগম

টপিক - ২
উদ্যোক্তা কেন হয়েছি

আমি কাপড়ের ব্যবসা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম। নিজে রিসেলার হিসেবে কিনে এনে বিক্রি করে শান্তি পেতাম না। তাই খাবার নিয়ে কাজ শুরু করি। উদ্যেক্তা হয়েছি কারণ
১. চাকরি আমার ভালো লাগেনা৷ নিজের নিজস্বতার কোন সুযোগ নেই চাকরিতে।
২. আমার নিজের একটা পরিচয় দরকার।
৩. আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্য।
৪. মেয়েরা সংসার করার জন্য তৈরি এই চিন্তার বাহিরে বের করতে চাই অন্ততঃ আমার পরিবার কে।
৫. আমার বাবা গর্ব করে পরিচয় দিবে সে আমার বাবা। এই দিনটা খুব করে চাই। আমার বাবা আমার জীবনের সুপার হিরো। সে আমাকে বাঁচতে শিখিয়েছে যোদ্ধার মতো। আমি মেয়ে তাই চুপচাপ সব সহ্য করবো তা হবেনা। আব্বু সব সময় বলতো অন্যায় সহ্য করবা না,প্রতিবাদ করবা। তারপর কি হয় আমি দেখবো।আমি আমার বাবার গর্বের কারণ হতে চাই।
৬. আমার বাবার বাসার দিকের সব আত্নীয়দের মেয়েরা সংসার কেন্দ্রিক জীবন যাপন করছে। আমাকে দেখে তারা যেন শুরু করার সাহস পায়৷
স্বপ্ন গুলো বুনতে শুরু করে।
৭. মুখে মুখে না বাস্তবায়ন করতে চাই নারী পুরুষ সমান অধিকার। একটা ছেলে রিস্ক নিয়ে ব্যবসা করতে পারে একটা মেয়ে করলে তোমাকে দিয়ে হবেনা তুমি মেয়ে। এই ধারণার পরিবর্তন করতে চাই।
৮. আমার উদ্যোগের মাধ্যমে আরও কিছু নারীর কর্মসংস্থান এর সুযোগ তৈরি করতে চাই।
৯. আমার উদ্যোগ কে একটা ব্রান্ড হিসেবে দেখতে চাই।
১০.দেশীয় খাবার বিশ্ব বাজারে তুলে ধরতে চাই।
১১. আমি একজন মানুষ হিসেবে বাঁচতে চাই মেয়ে মানুষ হিসেবে না।


Farzana Munni

🔵🔵 টপিক ২ ঃ
উদ্যোক্তা কেন হয়েছেন বা হতে চান?

আসসালামু আলাইকুম।
আজ প্রথমবার আমি এই প্রশ্নের উত্তর লিখছি। এর আগে লেখা হয় নাই কখনো।
টপিক নিয়ে লিখতে গিয়ে ডিরেক্টলি পয়েন্ট আকারে যেতে পারছি না। হয়ত পরের বার পারব।

কেন হয়েছি উদ্দোক্তা আমি?

🍁 অনেকদিন শিক্ষকতা পেশায় থেকে দেখেছি নিজের স্বাধীনতা বলে কিছুই নাই।
সম্মান আছে, ভালোবাসা আছে তবুও দিনশেষে আমি পরাধীন।চাকরি নামক শব্দটার মাঝে আগ্রহ কমে যায়।

🍁 আমি লেখাপড়া শিখেছি, মাস্টার্স কমপ্লিট করেছি। তবুও হঠাত করে আমার পরিচয় হয়ে যায় শুধু কারো বউ, কারো মা,কারো চাচী।

🍁আমার আলাদা কোন পরিচয় নাই। নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম এই সংসারে। কারন ও ছিল অনেক।
নতুন করে চাকরিতে জয়েন করা সম্ভব হয়না।
কোন সাপোর্ট নাই। শশুর ও দেবরের স্ত্রী মারা যায় ৪০ দিনের মাঝে। তার ৭/৮ মাস পরেই দুই মাসের মাযেই আব্বু, আম্মু ও আমার শাশুড়ী মারা যান।
এক মৃতু্্যর মিছিল চলছিল আমার জীবনে।

আর তার মাঝে আমার দুই মেয়ে ও দেবরের ছেলেকে
নিয়ে আমার যুদ্ধ।
অন্য কিছু শুরু করার মতো মানসিক অবস্থায় ছিলাম না।
এর কিছুদিন পরে আমি আর নিজেকে খুঁজে পাই না।
আমার পরিচয় কি?
শুধু স্ত্রী, মা, চাচী, ভাবী এই?
তারপর থেকে শুরু করি আমার এই নতুন জীবন।

উপরের অংশটুকু থেকে এখন লিখছি নিজের কথাগুলো ঃ

🔸নিজের সৃজনশীলতাকে দিয়ে নিজের একটা পরিচয় তৈরি করতে চেয়েছি।

🔸আমার মেয়েদের কাছে, পরিবারের কাছে সর্বোপরি
আমার চারপাশে একটা নিজস্ব পরিচয় তৈরির
জন্য।
🔸 সন্তান ও পরিবারকে সাথে নিয়েই আমি এই কাজ করতে পারার সুবিধার জন্য।

🔸অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্য

🔸নিজের পাশাপাশি অন্যের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।

🔸দেশীয় কাপড়কে রঙের খেলায় সাজিয়ে সবার কাছে পরিচিত করানোর তাগিদ।


Fatema Reza

টপিক 2: উদ্যোক্তা কেন হয়েছি?
আমার মনে হয় প্রতিটি মেয়ের নিজের কিছু করা উচিত। আর সেটা যদি হয় নিজের ব্যবসা তাহলে তো কোন কথাই নেই। তার মধ্যে আবার নিজের দেশের পণ্য নিয়ে যদি কাজ করা যায় তাহলে তো আগ্রহটা আরো বেশি বেড়ে যায়। কেননা আমরা চাই দেশের টাকা দেশে থাকুক।

মোটামুটি সব ধরনের দেশীয় পণ্য উইতে পাওয়া যায়। তো আমি ভাবলাম চকলেট আমরা কিনে খাই বিদেশি ব্র্যান্ডের। ঠিক সেম চকলেট যদি বাসায় বানানো যায় তাহলে মন্দ হয় না। আমি এমনিতেই অনেক আগে থেকেই চকলেট বানাই। ভাবলাম এটা দিয়ে কিছু করা যায় কিনা যেহেতু আমার চকলেট বানাতে খুব ভালো লাগে। যেই ভাবা সেই কাজ, আমার বানানো চকলেটের ছবি দিলাম উই তে। অনেক রেসপন্স পেলাম আগ্রহটা আরো বেড়ে গেল।

যখন অনেক গুলো চকলেট সেল হলো আর কাস্টমাররা অনেক ভালো রিভিউ দিল আমাকে জানালো বিদেশি ব্র্যান্ডের তুলনা আমার চকলেট কোন অংশে কম নয়। এবং তারা অনেকেই পরবর্তীতে রিপিট কাস্টমার হয়ে গেছে। দেশীয় চকলেট ও এবার সবাই খাবে। বাচ্চা থেকে বড় সবাই।

আমার বিজনেস এর বয়স মাত্র দুই মাস। এই দুই মাসে আমি অনেক কিছু পেয়েছি উই থেকে। যা হয়তো আমি দুই বছরেও পেতাম না।
এইতো আমার উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প।


ফারিয়া আবেদীন রাফা

টপিক ২ঃ
কেন উদ্যোক্তা হতে চাই?

১. আমার মেয়ের ঠান্ডা লাগে ১০মাসে, ৩/৪রকম ওষুধ খাওয়ানোর পরেও ভালো হয় না, তারপরে আমি বাসায় ঠান্ডার লজেন্স আর সিরাপ বানিয়ে দেয়ার পরে আলহামদুলিল্লাহ ভালো হয়ে যায়। আমার মেইন উদ্যেশ্য হারবাল উপাদানের প্রতি সবার আস্থা,বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সবার জন্যেই দরকার, খাবারের মাধ্যমে সবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চাই

৩. খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ হলেও, আমাদের দেশে অনেক খাবার পচে যায় ঠিকমতো প্রসেসিং না করার ফলে। এই দিক দিয়ে কাজ করতে চাই

৪. লেফটওভার ফুড নিয়ে কাজ করতে চাই যাতে খাবার সঠিকভাবে গ্রহণ নিশ্চিত হয়

৫. বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধে বাসায় হোমমেড মেডিসিনের পরিচিতি করাতে চাই, এইজন্য চাই প্রত্যকের বাসায় যেন ঔষধি গাছ থাকে সেটা নিশ্চিত করতে।

অনেক ধন্যবাদ নিজের স্বপ্নগুলো নিয়ে চিন্তা করতে হয়, সেটা আমাদের শেখানোর জন্যে..


Farha Raha

▪প্রথমত আমি নিজের একটি পরিচয় তৈরি করতে চাই। আমি কারো পরিচয়ে না, কারো মেয়ে, কারো স্ত্রী বা কারো মা হিসেবে না নিজের নামে পরিচিত হতে চাই।

▪আমার নিজের ভেতরে যে ইনোভেটিভ প্রতিভা টি আছে, তা কাজে লাগাতে চাই। যেহেতু ছোটবেলা থেকেই আমি নিজে ডিজাইন করে কিছু তৈরি করতে খুব পছন্দ করি। তাই আমি আমার এই গুণটি কে কাজে লাগাতে চেয়েছি। আর এজন্যই আমার উদ্যোক্তা হওয়া।

▪আমাদের দেশে নারী উদ্যোক্তাদের সংখ্যা এখনো খুবই কম। মেয়েরা যে বিজনেস করতে পারে একথা এখনো কেউ ভাবতে পারে না। সেজন্য একজন নারী হিসেবে দেশের ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেক্টরে ভূমিকা রাখতে চাই। এটা প্রমাণ করার জন্য যে, মেয়েরাও ছেলেদের মতো একটা প্রতিষ্ঠান চালাতে পারে, নিজেরা কিছু করতে পারে।

▪আমার মত আরো মেয়েরা আছে আমাদের দেশে, তাদের অনেকেই খুব অসহায় এবং নিজেকে উপস্থাপন করার মতো অবস্থায় নেই। তাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য এবং তাদের মধ্যে যে গুন গুলো আছে সে গুলোকে বিকশিত করতে তাদের জন্য একটি ব্যবস্থা করতে চাই।

▪যেহেতু আমার কাজ পোশাক নিয়ে তাই আমি চেয়েছি। আমাদের দেশি পোশাক নিয়ে কাজ করতে। যাতে করে আমাদের দেশের বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্য গুলো হারিয়ে না যায়। আমাদের দেশের তাতীদের হাতে তৈরি কিছু পোশাক, যেগুলো আজ বিলুপ্ত প্রায়, সেগুলো ধরে রাখার জন্য, সে গুলোকে আরেকটু আধুনিকতার ছোঁয়া দিয়ে, ঐতিহ্য আর আধুনিকতার সমন্বয় ঘটিয়ে বিলুপ্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে চাই।

▪পোশাকশিল্পে আমাদের দেশ চায়নার পরে অর্থাৎ পৃথিবীতে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে। তাই আমি চাই আমাদের দেশের পোশাকের কোন ঐতিহ্য যেন হারিয়ে না যায়। আর আমাদের দেশ যেন এ অবস্থান ধরে রাখতে পারে। তাই পোশাকশিল্পে কিছু করতে চাওয়া থেকেই মূলত উদ্যোক্তা হওয়ার ইচ্ছা।

▪বাংলাদেশের বেকার সমস্যা সমাধানে এবং বহু বেকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আমি কাজ করতে চাই। আর এই চিন্তাধারা থেকেই আমি একজন উদ্যোক্তা হতে চাই।

▪একজন উদ্যোক্তা তার সৃষ্টিশীল কাজের মাধ্যমে প্রাকৃতিক অনেক বিষয় থেকে নতুন কিছু উদ্ভাবনের মাধ্যমে প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যা একজন চাকরিজীবী করতে পারেনা। তাই আমি চাকরি করার চেয়ে উদ্যোক্তা হওয়াকেই আমার সবচেয়ে পছন্দের পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছি।

▪যেহেতু আমার কাজ পোশাক নিয়ে, তাই পোশাকশিল্পে নিত্যনতুন ফিউশন আনার মাধ্যমে এবং যুগের সাথে ফ্যাশন ও স্টাইল ধরে রাখতে আমাদের ঐতিহ্যবাহী দেশী পণ্য কিভাবে কাজে লাগানো যায় তা নিয়ে আমি কাজ করতে চাই। আর যেহেতু আমাদের দেশের বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন ধরনের কাপড় গুলো তে নতুনত্ব না আনলে তা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে না এবং বিলুপ্ত হয়ে যেতে থাকবে, তাই এই শিল্পকে রক্ষা করার জন্য আমি উদ্যোক্তা হতে চাই।

তাই আমি এই পেশাটিকে সবচেয়ে সেরা মনে করি। সেরা মনে করি বলেই এটার প্রতি আমার আগ্রহ বেশি। আর একজন নারী উদ্যোক্তাই পারে এ সমাজে নারীদের ভিত্তি মজবুত করতে যা নারীর ক্ষমতায়নে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারে।


Habiba Ontora

উদ্যোক্তা হতে চাওয়ার কারন,1) আমার কাছে প্রথম কারন নিজে স্বাবলম্বি হওয়ার যেন হাত পেতে কারো কাছে টাকা নিতে না হয়.2) যেহেতু চাকুরি করতে বাধা সেহেতু ঘরে বসে থেকে কাজ করতে পারবো উদ্যোক্তা হলে.3) নিজের ভবিষ্যৎ অন্যনের উপর নির্ভর করতে হবে না যেকোনো পরিস্থিতিতে দাড়িয়ে থাকতে পারবো.4) অনলাইনে দেখেছি অনেক মেয়েরা পাইকারি পণ্য কিনতে হয় আমাদের এখানকার খুচরা দামের দাম দিয়ে.কারন আমি আছি দেশের সবচেয়ে বেশি যেখানে কাপড় উৎপাদন হয় সেখানে নরসিংদী তে .তাই আমার লক্ষ্য ছিলো অল্প দামে পাইকারি জিনিস ওই সব মেয়েদের কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার . অনেকটা সফল ও এই কাজে.


Sujon Kumar

টপিক ২ঃ কেন আমি উদ্যোক্তা হতে চাই?
১. আমার প্রথম থেকেই টার্গেট ছিল চাকরির পিছনে না ছুটে কিভাবে আরো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যায়। সবাই যদি চাকরির পিছনেই ছুটবে তবে চাকরিটা দিবে কে? চাকরির তো ক্ষেত্র বের করতে হবে!
২. একজন উদ্যোক্তাই পারে জীবনের অন্তনির্হিত মর্ম উপলব্ধি করতে আমিও চাই জীবনের সবচেয়ে কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন হতে, যা একমাত্র এই উদ্যোক্তা জীবনেই সম্ভব।
৩. ছোটবেলা থেকেই গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে কিছু করার ইচ্ছা সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোক্তা জীবন।
৪. আমি শুধু নিজের জন্য নয় সমগ্র মানবকূলের জন্য কাজ করে যেতে চাই।
৫. এই পৃথিবীতে এমন কাজ করে রেখে যেতে চাই যেন আমার কর্মই আমাকে অনন্তকাল পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখে।


Orora Rahman Inteha

৯৪.
আমার উদ্যোক্তা হওয়ার কারন--
১..নিজের কর্মসংস্থান তৈরি করা।
২.. নিজেকে আত্ননির্ভরশীল ও আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করা।
৩. কৃষি পণ্য উৎপাদনের সাথে যার জড়িত তারা যেন ন্যায্য মূল্য পেয়ে আর্থিক ভাবে এগিয়ে যাতে পারে।
৪.ন্যায্য মূল্য এবং সঠিক বাজারজাতকরনের অভাবে প্রান্তিক কৃষকেরা দিন দিন কৃষির প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে, আমি চাই তাদের এ সমস্যা সমাধান করতে।
৫.দেশে খাদ্যদ্রব্যে দিন দিন ভেজাল বাড়ছে,তাই মানুষকে খাঁটি খাদ্যদ্রব্য পৌঁছে দিতে চাই।
৬.আমি চাই,দেশের প্রতিটি মানুষ সুস্বাস্থ্যবান হোক এবং আমরা একটি স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও প্রতিভাবান প্রজন্ম যেন পাই।
৭.গর্ববতী মায়েরা যেন খাঁটি দুধ এবং পুষ্টিকর খাবার খেতে পারে এবং সুস্থ সন্তানের জন্ম দিতে পারে।
৮.দেশের প্রতিটি মা যেন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে সঠিক ওজনের সন্তান প্রসব করতে পারে এবং শিশু মৃত্যু হার কমে আসে।
৯. আমি সফল হয়ে আমাদের আশেপাশের মানুষেকে দেখিয়ে দিতে চাই,মেয়েদের গায়ের রং কোন দিনও তার যোগ্যতা বিচারের মাপকাঠি হতে পারে না।
১০.অসহায়,দরিদ্র এবং অসুস্থ নবজাতকদের জন্য একটি NICU করতে চাই,যেখানে বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হবে।


Iffat Sharmin

প্রথমত আমি আমার খরচের জন্যে কারো মুখাপেক্ষী হতে চাইনা!!

স্বধীন ভাবে কাজ করতে চাই।বাচ্চাকে চোখের সামনে বড় হতে দেখতে চাই।নিজের একটা আইডেন্টিটি চাই।এমন কিছু করতে চাই যেখানে নিজের একটা চাপ থাকবে।

এই সকল চাওয়ার সংমিশ্রণে আমি আসলে উদ্যোক্তা হতে চাই।


Lutfunnahar Lina

উদ্যোক্তা হওয়ার কারন-

১. নিজের পরিচয় তৈরি।
২. পরিবারের সন্তান হওয়া।
৩. আর্থিক ভাবে সাবলম্বি হওয়া।
৪. আমরা সাধারণ ঘরের মানুষ চাকরি কে সোনার হরিন ভেবে সারাজিবন তার পিছনে ছুটি। সেই ভুল ভাংগা
৫. হয়তো আমার মাধ্যমে কখনো কারো কর্ম তৈরি হবে।
৬.ঘরে থেকে কাজ করা যাবে।
৭.পারিবারিক সামাজিক সব জায়গায় নিজের অবস্থান তৈরি করতে চাই।
৮.স্বাধিন পেশা এটি।
৯.বাবা মা স্বামী সন্তান সবাই যাতে আমার পরিচয় দিতে পারে।
১০. খুব ছোট কিছু থেকেও বড় কিছু করা যায়।


Tahura Sultana Rekha

টপিকঃ১
উদ্যোক্তা কেন হয়েছেন বা হতে চান??

১/প্রথমেই বলবো নিজের যেই প্রতিভা আছে সেটা অন্যদের মাঝে তুলে ধরার জন্যই হয়েছিলাম।

২/ আমি কিছু সামাজিক সংগঠন এ কাজ করি সো প্রতিটি সংগঠন এর পিছনেও কিছু টুকটাক খরচ আছে সাথে এদিক ওদিক যেতে হয় সেখানেও খরচ আছে। আর প্রতিদিন মানবসেবা (মানে ঘরের খেয়ে বনের মইস চড়ানো) করার জন্য ঘর থেকে তো আর টাকা দিবে না। দিলেও একটা সময় গিয়ে প্রশ্ন উঠবে। তাই নিজের টুকটাক খরচ নিজে বাইর করার জন্য উদ্যোক্তা হয়েছিলাম।

৩/ প্রায় সময় অনলাইনে সময় দেওয়া হতো। তাই অনলাইন জগৎ টাকেই টাকা ইনকাম এর একটা উৎস তৈরি করার জন্যই উদ্যোক্তা হওয়া।

৪/ আধুনিক বিশ্বের সাথে নিজেকে তাল মিলিয়ে নিতে চাওয়াও অন্যতম কারণ ছিলো।


Farhana Afroze

টপিক ২ঃ উদ্যোক্তা কেন হয়েছি বা হতে চেয়েছি?

২০১৮তে মেয়ের জন্মের ৩মাস পর থেকে অনুভব করতে থাকি আমি খুব বেশি হতাশায় পড়ে গিয়েছি এবং আইডেন্টিটি ক্রাইসিস এ ভুগছিলাম। নিজের কোন পরিচয় খুজে পাচ্ছিলাম।বাবার মেয়ে,ভাইয়ের বোন,বর এর বউ, মেয়ের মা ছাড়াও একদম নিজস্ব একটা পরিচয় এর অভাব বোধ থেকেই কিছু করার দরকার অনুভব করতে থাকি।
যেহেতু সদ্য মা হয়েছি, মেয়ের বয়স ৩মাস তখন চাকরি করা সম্ভব নয়।
চাকরির প্রতি ততদিন এ একটা অনাগ্রহ তৈরি হয়। কারন চাকরি মানেই আমার কোন স্বাধিনতা থাকবেনা, আমাকে একটা নিয়ম এ আটকে যেতে হবে। যেহেতু আমার মেয়ে ছোট আমাকে কোন নিয়ম এ জড়িয়ে গেলে মেয়ের যত্ন নিতে সমস্যায় পড়তে হবে। তখন ই সিদ্ধান্ত নি আমি উদ্যোক্তা হবো যাতে নিজের স্বাধিনতায় কাজ করতে পারি।

উদ্যোক্তা হওয়ার পেছনে দ্বিতীয় কারন ঃ
আমার জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী,ঈদ এ আব্বু,ভাই,বর আমাকে উপহার দেয় কিন্তু আমি যদি তাদের কিছু দিতে চাই তবে সেই টাকা টা ও বরের কাছ থেকেই নিতে হবে আমাকে। আমি চেয়েছিলাম আমার নিজের টাকায় আমি আমার প্রিয়জন দের উপহার দিব।

উদোক্তা হওয়ার তৃতীয় কারনঃ
বাংলাদেশে বেকারত্ব একটি অনেক বড় সমস্যা। আমি উদ্যোক্তা হলে কোন এক সময় আমি ও কয়েকজন এর কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারবো এতে বেকারত্ব কমবে।

Ishrat Ishu

উদ্যোক্তা কেন হতে চাই?
🌺 নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করব বলে
🌺 সমাজে নিজের একটা পরিচয়ে পরিচিত পাওয়ার জন্য।
🌺 এসএসসি পরীক্ষার পর থেকে বাবা-মার কাছে টাকা চাইতে খুব লজ্জা লাগতো।
🌺 মায়ের কিছু স্বপ্নকে পূরণ করব বলে।
🌺 অন্যের অধীনে অন্যের কাছে হাত পাতবো না বলে
🌺নিজের খরচ নিজেই বহন করব বলে।
🌺 সমাজে একজন মেয়ে চাইলে অনেক কিছু করতে পারে মেয়েরা অসহায় না এই কথাটা বাস্তবায়ন করবো বলে।
🌺 নিজেকে এমন জায়গায় দাঁড় করানোর লক্ষ্যে যেখান থেকে কোন অসহায় মানুষকে যেন আমার কাছ থেকে খালি হাতে ফিরে যেতে হয়।
এই চিন্তা থেকেই উদ্যোক্তা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া।


Oyshe Tabassum

টপিক : ২ উদ্যোক্তা হতে চাওয়ার কিছু কারণ?

১. নিজের পরিচয় নিজে তৈরি করার জন্য।
২. মেয়ে হিসেবে সাবলম্বী হতে উদ্যোক্তা হতে ।
৩. পড়াশুনার পাশাপাশি মেয়েরা কিছু করতে পারে, এটা সমাজকে বোঝানো।
৪. করো উপর নির্ভরশীল না হতে।
৫. দেশী পণ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।
৬. দেশী গহনায় ফিউশন আনতে।
৭. কাগজ শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
৮. বিখ্যাত রাজশাহী সিল্ককে আবার সবার মাঝে পরিচিত করানোর জন্য।
৯. উদ্যোক্তা হিসেবেও জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায়।
১০. ইচ্ছা থাকলে ঘরে বসেও কাজ করা সম্ভব।
১১. বয়স কোনো ব্যাপার না প্রাপ্ত বয়স্ক হলে যেকোনো মানুষ উদ্যোক্তা হতে পারে।
১২. বাবা মা আমাকে নিয়ে যেনো গর্ববোধ করে তাই।
১৩. আমার মাধ্যমে অনেক নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ হওয়ার জন্য।
১৪. প্রত্যেকটি অভিভাবককে বোঝাতে যে তাদের ও সুযোগ করে দেওয়া উচিত।
১৫. চাকুরীর বাজার অনেক কঠিন তাই নিজে কিছু করার ইচ্ছা থেকে উদ্যোক্তা হয়েছি।

আমি ঐশী রাজশাহীর মেয়ে ।কাজ করছি পেপার ক্রাফট, হাতে বানানো গহনা, শাড়ির প্যাকেজ ও রাজশাহী সিল্ক নিয়ে ।

No comments:

Post a Comment