Razib Ahmed ▶ Digital Skills for Bangladesh
আড্ডা পোস্ট ২ জুন ২০২০।
বিষয়ঃ একজন ই-কমার্স উদ্যোক্তার কী ধরনের প্রযুক্তিগত স্কিল থাকা চাই এবং এই স্কিল সে কিভাবে অর্জন করতে পারে?
আড্ডা পোস্টে সবাইকে আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা ও স্বাগতম।
— with Razib Ahmed and 2 others.
Yesterday at 9:59 PM ·
S M Mehdi Hassan
সবাইকে আজকের আড্ডায় স্বাগতম। একজন ই-কমার্স উদ্যোক্তার কি কি ধরণের প্রযুক্তি জ্ঞান থাকা দরকার সে সম্পর্কে জানতে হলে এই লিঙ্কে চলে যান। এটা ই-ক্যাব ব্লগের লিঙ্ক। এই লিঙ্কে কতগুলো আর্টিকেলের তালিকা আছে। ই-কমার্স প্রযুক্তি, ব্যবসা, কাস্টমার সার্ভিস এ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল যেগুলো ই-ক্যাব ব্লগে আছে তার লিঙ্ক দেয়া আছে।
আপনি যদি সিরিয়াসলি ই-কমার্স ব্যবসা শুরুর চিন্তা করেন। তাহলে এই লিস্টের প্রতিটা আর্টিকেল ভালভাবে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়েন, খাতায় সব লিখে রাখেন।
http://blog.e-cab.net/ecommerce-guideline/
Md. Muktar Hossain
আজকের আড্ডা পোষ্টঃ ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনায় কী ধরনের প্রযুক্তিগত স্কিল থাকা দরকার এবং এই স্কিল কিভাবে অর্জন করা যায়?
বর্তমান প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বে কি চাকরী কি ব্যবসা এমনকি ব্যক্তিজীবনেও প্রযুক্তিগত দক্ষতার ভীষণ প্রয়োজন। আজকের আড্ডা যেহেতু ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত দক্ষতা তাই আমি সেই টপিক নিয়ে বলছি।
চাকরীতে একটা নির্দিষ্ট গন্ডি আছে যাকে আমরা ডেস্ক ওয়াইজ কাজ কে বুঝে অর্থাৎ একজন টেলিফোন অপারেটর বা কম্পিউটার অপারেটর শুধু তার নির্ধারিত কাজেই দক্ষ থাকেন কিন্তু একজন ব্যবসায়ীকে নানামুখী দক্ষতা অর্জন ও তার ব্যবসা পরিচালনায় তা কাজে লাগাতে হয়। তাই প্রযুক্তিগত দক্ষতাও ব্যবসা পরিচালনার বাইরে নয়।
ব্যবসা পরিচালনায় যে ধরণের প্রযুক্তিগত দক্ষতা প্রয়োজনীয় আমার স্বল্প ব্রেইনে তা তুলে ধরছি।
কম্পিউটারঃ আজকে বিশ্বে সকল ক্ষেত্রে যত ধরণের প্রযুক্তিগত ব্যবহার রয়েছে তার মুলে কিন্তু কম্পিউটার। ব্যবসা পরিচালনার মুল মাধ্যম এটি বিশেষত ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করতে গেলে কম্পিউটার জ্ঞান না থাকলে কোনভাবেই এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
ইন্টারনেটঃ ই-কমার্স ব্যবসার সার কথা হল অনলাইন ব্যবসা। তো অনলাইনে ব্যবসা করব কিন্তু ইন্টারনেট সম্পর্কে দক্ষতা নেই তাহলে অবস্থা টা কি হবে নিশ্চয় বুঝতে পারছেন। ব্যবসা পরিচালনায় ইন্টারনেট দক্ষতা আবশ্যক।
অনলাইন শপঃ ব্যবসা করব কিন্তু দোকান নাই। ঘরে বসে, প্রিয়জনের সাথে আড্ডা দিতে দিতে ব্যবসা করব সবই ঠিক আছে কিন্তু মানুষ জানবে কেমনে আপনার একটা ব্যবসা। তারজন্য দোকান দরকার। তো দোকান করতে গেলে তো দক্ষতা লাগবে অফলাইনে যেমন হার্ডবোড, লাইটিং ইত্যাদি দিয়ে সাজালেই হয় কিন্তু ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনায় দোকান বলতে আমরা বুঝি ফেসবুক গ্রুপ, পেইজ, নিজস্ব প্রোফাইল, ইমো, হোয়াইটআপ, ব্লগ, ওয়েবসাইট, স্কাইপে, ডোমেইন, হোস্টিং এজাতীয় প্রযুক্তিগত বিষয়গুলির উপর দক্ষতা থাকতে হবে।
ডিজিটাল মার্কেটিংঃ
ব্যবসা পরিচালনায় দোকান তো হয়ে গেল। বিক্রি তো করতে হবে নইলে সব চেষ্টাই লাটে উঠবে। তাই ব্যবসা পরিচালনায় মার্কেটিং জোরদার করতে হবে। তার জন্য চাই দক্ষতা। ব্যবসা পরিচালনায় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, অনলাইন এ্যাডভারটাইজিং, সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং, এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, কন্টেন্ট রাইটিং, স্টোরি টেলিং, পডকাস্ট, ভিডিও গ্রাফি, ফটোগ্রাফি রেডিও, টিভি বিজ্ঞাপন, বাল্ক এসএমএস, ডিজিটাল স্কীন বিলবোর্ড ইত্যাদি বিষয়ে দক্ষতা থাকতে হবে।
Amina Binte Zia
আঠারো তম আমরা আমাদের বিজনেসের একাউন্টিং ম্যানেজমেন্ট আমরা নিজেরাই করতে পারি।আমার 60 বছরের বাবা কখনো বিজনেস ফিল্ডে পড়াশোনা করেনি কিন্তু সে ইউটিউব দেখে দেখে একাউন্টিং ম্যানেজমেন্ট শিখে ফেলেছে তার অনেক বড় বড় বিজনেস গুলো হ্যান্ডেল করছে খুবই দক্ষতার সাথে এই একাউন্টিং গুলো নিজেই করে সে এখন অনেক ভালো ভালো ডিগ্রিধারী মানুষ থেকে একাউন্টিং বেশি ভালো পারে কারণ একটাই স্বশিক্ষায় হলো মূল শিক্ষা।তাই আমাদেরকে ইচ্ছা থাকতে হবে যেকোনো স্কিল বাড়ানোর জন্য এটার জন্য কোন সার্টিফিকেট লাগে না।আব্বু বিজনেসে বলতে গেলে বেশিদিন না হলেও সে অনেক দূর চলে গিয়েছে শুধুমাত্র তার শিক্ষার অদম্য ইচ্ছার কারণে যে কোন কিছু শিখতে হলে সেই ইউটিউব থেকে মোটামুটি পিএইচডি করে ফেলে সেই বিষয়ে তো সে যদি এই বয়সে প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এতদূর যেতে পারে তাহলে আমরা কেন পারব না
Amina Binte Zia
উনিশতম ই-কমার্স বিজনেস এর ক্ষেত্রে একটা জিনিস আমার প্রতিদিন কাজে লাগে এইটা ছাড়া আমি চলতে পারি না। তাহলো গুগোল ড্রাইভ।গুগল ড্রাইভে আমি আমার এক্সেল এর যাবতীয় কাজগুলো করি এবং তোকে আমার ইম্পরট্যান্ট ইনফরমেশন গুলো রেখে দেই। গুগল ড্রাইভে আমার যাবতীয় শব্দ অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো থাকে যেমন ইনভেন্টরি ডাটাবেজ, কাস্টমার ডাটাবেজ, আমার গোল্ডেন রেসিপি' প্রত্যেকটা ওয়েট মেপে উপকরণগুলো সুন্দর করে গুছিয়ে রাখার ডাটাবেজ।গুগোল ড্রাইভ ব্যবহার করার কারণে আমি যে কোন যায়গায় যেকোন ডিভাইস তে আমি আমার কাজ করতে পারি। গুগোল ড্রাইভ আমার ফ্লেক্সিবল অফিস। ই-কমার্সে প্রত্যেকেরই গুগোল ড্রাইভ সম্বন্ধে জানা অবশ্য কর্তব্য।
Saleha Begum
ই-কমার্স হচ্ছে, কোন বানিজ্যের ইলেক্ট্রিকিকরন মানে প্রযুক্তির ব্যবহার সংমিশ্রিতি করে বানিজ্যের প্রসেসকে সহজীকরনের পাশাপাশি প্রসারও বৃদ্ধি করা।
মূলত ই-কমার্স একটি টুলস। এই টুলসের মাধ্যমে আপনি আপনার যে কোন ব্যবসাতে প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতকরনের মাধ্যমে আপনার ব্যবসার প্রসেস ও প্রসারকে বৃদ্ধি করতে পারেন। পাশাপাশি অভ্যান্তরীন ব্যবস্থাপনা ও ভোক্তার জন্যে পণ্য বা সেবা প্রাপ্তির নিশ্চয়তাকে সহজতর করে তুলতে পারেন।
সহজ উদাহরণ দেই। আমি ড্রেস গুলো তৈরী করি । এখন আমি ছোট একটি কারখানা সেটাপ করলাম । কারখানায় উৎপাদন হয়। আমি বিভিন্ন জায়গায় অর্ডার সরবারহ করি। আমি চাইছি আমার ব্যবসার আরেকটা সেলস উইন্ডো ওপেন হোক। আরো কিছু কাস্টোমার আমার পণ্য ঘরে বসেই কিনতে পারুক। অথবা অন্য একজন উৎপাদনকারীর পণ্য নিয়ে আমি একটি টার্গেট গ্রুপের কাছে সেলস করতে চাইছি তো, আমি কি করবো- একটি স্টোর খুলবো। সেখানে পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসবো। অনলাইনে পেমেন্টের ব্যবস্থা রাখবো। ক্রেতা পণ্যের অর্ডার করলে হোম ডেলিভারী দেয়ার ব্যবস্থা রাখবো।
এখানে দেখুন - আমার ব্যবসা কি ? ড়্রেস তৈরী বা ড্রেস সেলস করা। সেটা আমি ঘরে বসে পেয়ে যাচ্ছি অনলাইন গিয়ে এই যে কাস্টোমারের ওয়েব সাইটে গিয়ে পণ্য দেখা, পণ্যের অর্ডার করা, পেমেন্ট করা, উৎপাদনকারী বা সরবারহকারী হিসেবে আমি সেই পন্য আবার লজিষ্টিক সার্ভিস প্রোভাইডারের কাছে দিচ্ছেন সে আবার ক্রেতার ঠিকানায় পণ্য পৌছে দিচ্ছি, এই অর্ডার, পেমেন্ট কালেকশন, পণ্য ডেলিভারী নিশ্চিত করার পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হচ্ছে ডিজিটালি অর্থাৎ ইলেক্টনিক্স টেকনোলজির মাধ্যমে বানিজ্য বা লেনদেনটি সম্পন্ন হয়েছে বলেই এটিকে ই-কমার্স বলা হচ্ছে।
নতুন উদ্যোক্তারা এখন কোন ব্যবসা শুরু করার আগে সেই ব্যবসার মডেলটি ডেভলপ করে নিবেন এবং ই-কমার্স টুলসের মাধ্যমে সেলস করতে চাইলে - টার্গেট কাস্টোমার, মার্কেট সাইজ, মার্কটে সেগমেন্টেশন, প্রোডাক্ট ভ্যালু প্রপোজিশন, ইউনিক সেলস পয়েন্ট, মার্কেট একসেসিং প্ল্যান, মার্কেটিং সব কিছু প্রযুক্তি গত স্কীল থাকা জরুরী
Ruma Neshi
একজন উদ্যোক্তার অবশ্যই নিম্নলিখিত বিষয় সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে -ঃ
🌸 একজন ই-কমার্স উদ্যোক্তাকে ফেইসবুক পেইজ পরিচালনায় পারদর্শী হতে হবে।
🌸প্রোডাক্ট ফটোগ্রাপি এবং কনটেন্ট রাইটিং এ দক্ষ হতে হবে।
🌸ডোমেইন হোস্টিং এবং ওয়েবসাইট সম্পর্কে স্পস্ট ধারণা থাকতে হবে।
🌸ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে ভালো ধারনা থাকতে হবে।
🌸ইউটিউব এবং গুগল সার্চ করে যেকোন আইডিয়া নিতে জানতে হবে।
🌸স্টোরি টেলিং জানতে হবে।
এম এস ওয়ার্ড ও ডাটাবেইজ সম্পর্কে জানতে হবে।
🌸সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুক, ইনস্ট্রগ্রাম এবং স্ন্যাপচ্যাটের ব্যবহার সম্পর্কে জানতে হবে।
Rahima Akter
প্রযুক্তি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনলাইন ব্যবসার ক্ষেএে,আর যথাযথ প্রযুক্তি জ্ঞান না থাকলে ঝামেলায় পড়ার সম্ভাবনা বেশি ।ই মেইল ব্যবহার সঠিক ভাবে জানতে হবে ।ফেইসবুক পেজের টুলস ব্যবহারে দক্ষতা থাকতে হবে ।গুগল ব্যবহার অর্থাৎ সার্চ করা জানতে হবে ।টেকনিকাল যে কোন ফর্ম পূর্ন করা জানতে হবে ।বিকাশ ,নগদ ,ভাইবার হোয়ার্টস আপ এরকম অর্থ পরিশোধের পরিসেবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে ব্যবসায় কিভাবে কাজে লাগানো যায় ।ডোমেইন ,হোষ্টিং নিয়ে মোটামুটি জ্ঞান থাকতে হবে ।ব্যবসার ওয়েবসাইট বা অ্যাপ থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।ওয়েবসাইট বা অ্যাপ অন্য কাউকে দিয়ে বা হোষ্টিং কোম্পানি দিয়ে বানানো হলে ওয়েবসাইট বা অ্যাপ চালানোর জ্ঞান থাকতে হবে ,ওয়ার্ডপ্রেস কি ,ব্যবহার বিধি নিয়ে বেসিক জ্ঞান থাকতে হবে যাতে কোন সমস্যা হলে নিজে নিজে সমস্যার সমাধান করতে পারি ,অন্যের জন্য বসে থাকতে না হয় ।ওয়েবসাইট ট্র্যাফিক কি ,কিভাবে এড়ানো যাবে সেই বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হবে ।
উম্মে খুবাইব
অবশ্যই কিছু ইংলিশ পড়তে ও বুঝতে জানতে হবে। আর যদি ভালো ভাবে ইংলিশে পারদর্শী হয় তাহলে আরো ভালো।
কারন অনলাইনে প্রতিটা কাজেই ইংরেজির দরকার হয়ে থাকে।যদি ইংলিশ এ একদম জানা না থাকে তাহলে খুব সমস্যায় পরতে হয়।
তারপর,মার্কেটিং সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে।কিভাবে মার্কেটিং করা যায়,অর্গানিক ভাবে ও পেইড ভাবে সবটাই জানতে হবে। সেটা হোক ফেসবুক পেইজ বা ওয়েবসাইট।
ওয়েবসাইট কি জিনিশ কিভাবে এটাকে ইউজ করতে হয় ওয়েবসাইট সম্পর্কে খুব ভালো ভাবে জানা প্রয়োজন।
ডোমেইন হোস্টিং সম্পর্কে অনেকেই বোঝেনা। তবে বর্তমানে অনলাইনে পার্সোনাল ব্রান্ডিং এর জন্য,নিজের ব্যাবসা টাকে সুন্দর ভাবে হ্যান্ডেল করার জন্য একটা ওয়েবসাইট খুব প্রয়োজন।
কন্টেন্ট রাইটিং এ এক্সপার্ট হতে হবে। এক্সপার্ট না হলেও, অবশ্যই নিজের পেইজ ও ওয়েবসাইটে নিজের লেখা কন্টেন্ট থাকতে হবে।
আর অবশ্যই ভালো আচরনকারি হতে হবে।
ইমেইল চেক করতে জানতে হবে। ইমেইল ব্যাবহার শিখতে হবে।
পণ্যের ফটোগ্রাফি সম্পর্কে খুব ভালো ধারনা থাকা চাই।কারন অনলাইন বিজনেস এ ছবি ও কন্টেন্ট এই দুটা দেখেই মানুষ ট্রাস্ট করে।তাই অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে যাতে পণ্যের ছবি ভালো আসে।
Goury Saha Misty
ধন্যবাদ ভাইয়া
ই কমার্স মানে ইলেকট্রনিক কর্মাস । এই কর্মাস পুরোপুরি ইন্টারনেট অর্থাৎ প্রযুক্তি নির্ভর।
এখানে ভালো করার উপায় হলো প্রযুক্তি গত উন্নতি।
একজন উদ্যোক্তার কী কী প্রযুক্তিগত স্কীল থাকা দরকারঃ
১) ফেসবুক আইডি সম্পূর্ণরূপে সাজানো।
২) পন্য সম্পর্কিত তথ্য সার্চের নিয়মাবলি।
৩)পেজ সাজানো।
৪)এমএস ওয়ার্ড , এমএস এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে ।
৫) ডোমেইন ও হোস্টিং সম্পর্কে জানতে হবে।
৬) কন্টেন্ট রাইটিং ও পডকাস্ট তৈরি সম্পর্কে জানতে হবে।
৭) ইংরেজিতে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
৮) ফট্টোগ্রাফি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।
স্কীল অর্জন করার জন্য সবচেয়ে ভালো হলে কোন কমিউনিটি বা গ্রুপ।
একজন উদ্যোক্তা পন্য সম্পর্কে জানতে ও ফট্টোগ্রাফি সম্পর্কে জানার জন্য উই বেস্ট গ্রুপ।
২) ফেসবুক আইডি, পেজ সাজানো, ডোমেইন, হোস্টিং, কন্টেন্ট রাইটিং পডকাস্ট তৈরি এর জন্য ডিজিটাল স্কিল বাংলাদেশ খুব ভালো গ্রুপ।
আর ইংরেজিতে দক্ষতা বাড়ানোর জন্য সার্চ ইংলিশ।
পরিশেষে বলি স্কীল ডেভিলপড ছাড়া ই কমার্স জগতে টিকে থাকা মুশকিল।
ধন্যবাদ সকলকে কষ্ট করে পরার জন্য।
Ruksana Akter
একজন ই-কমার্স উদ্যোক্তার জন্য কী ধরনের প্রযুক্তিগত স্কিল থাকা চাই এবং এই স্কিল সে কিভাবে অর্জন করতে পারে?
ই-কমার্স অর্থ হচ্ছে ইলেকট্রনিক্স কমার্স। ইন্টারনেটকে ব্যবহার করে ব্যবসা করাকেই ই-কমার্স বলে। অর্থাৎ ই-কমার্স হলো প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবসা।
ই-কমার্স উদ্যোক্তার যে ধরনের প্রযুক্তিগত স্কিল থাকা দরকারঃ
↔️ ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনা করা হয় কম্পিউটার অথবা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে। তাই কম্পিউটার এবং মোবাইল অপারেটিং এ সুদক্ষ হতে হবে।
↔️ যেহেতু ইন্টারনেট ভিত্তিক কমার্স তাই ইন্টারনেটের ব্যবহার সম্পর্কে সুস্পষ্ট ভাবে জানতে হবে।
↔️ ই-কমার্স উদ্যোগ যদি ফেসবুক ভিত্তিক হয় তাহলে অবশ্যই একটি পেইজ থাকতে হবে। পেইজ পরিচালনায় দক্ষ হতে হবে। পেইজের ডোমেইন, হোস্টিং সম্পর্কে জানতে হবে ।সেই সাথে ওয়েবসাইট সম্পর্কে ও জানতে হবে।
↔️ উদ্যোক্তা কে যোগাযোগ স্থাপনে দক্ষ হতে হবে। কারণ যোগাযোগের মাধ্যমেই কাজের প্রচার ঘটে আর প্রচারেই প্রসার।
↔️পণ্যের ফটোগ্রাফিতে দক্ষ হতে হবে। লারণ ই-কমার্সে ক্রেতা পণ্যের ফটোগ্রাফি দেখেই আকৃষ্ট। তাই ফটোগ্রাফি যেমন সুন্দর হওয়া চাই তেমনি পণ্যের সাথে মিল থাকতে হবে।
↔️ পণ্যের মার্কেটিং এ দক্ষ হতে হবে। এজন্য পডকাস্ট, কন্টেন্ট রাইটিং , ভালো কাজে দেয়।তাই এসব বিষয়ে দক্ষ হতে হবে।
এছাড়াও মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট সহ বিভিন্ন সফটওয়্যার এর কাজ জানা থাকতে হবে। কারণ এসব সফটওয়্যার এর কাজ প্রায় সময়ই করতে হয়।
যেভাবে এসব স্কিল অর্জন করা সম্ভবঃ
প্রযুক্তিগত সকল তথ্যের ভাণ্ডার নিয়ে বসে আছে গুগল। তাই প্রযুক্তি গত নিষয়ে দক্ষ হওয়ার প্রথম ও প্রধান মাধ্যম হিসেবে গুগলই আমার প্রথম পছন্দ। এছাড়াও হাতে কলমে শিখার সুযোগ দিচ্ছে ইউটিউব। গুগল এবং ইউটিউব এর সমন্বয়ে কোমো বিষয়ে ব্যসিক দক্ষতা অর্জন করা সহ নিজেকে সুদক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব।
এছাড়াও বর্তমানে অফলাইনে ও এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, সেখান থেকেও শেখার সুযোগ আছে।
হাতের কাছে কেউ একজন ভালো দক্ষ থাকলে তার কাছ থেকেও শিখে নেওয়া যায়। তবে প্রথম চেষ্টা গুগল এবং ইউটিউব ই হওয়া উচিত। এর জন্য শুধু প্রয়োজন সার্চ করার অভ্যাস। সার্চ করার অভ্যাস থাকলে যে কোনো সময় যে কোনো সমাধান পাওয়া সহজ হয়ে যায়।
Mst Arzumand Any
♻আড্ডা পোস্ট ২ জুন ২০২০।
বিষয়ঃ একজন ই-কমার্স উদ্যোক্তার কী ধরনের প্রযুক্তিগত স্কিল থাকতে হবেএবং এই স্কিল সে কিভাবে অর্জন করতে পারে?
একজন ই-কমার্স উদ্যোক্তারন যে ধরনের প্রযুক্তিগত স্কীল থাকতে হবেঃ-
🌿 ই-কমার্স এ যেহুতু ইন্টারনেট ভিত্তিক কাজ করতে হবে সেখেত্রে মোবাইল/ল্যাপটপ/পিসি/ডেস্কটপ এর ব্যবহার এবং রক্ষানাবেক্ষন সম্পর্কে
দক্ষতা অর্জন করতে হবে।ইন্টারনেটের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার ভালোভাবে জানতে হবে।ব্যবসার হিসাব রক্ষণের জন্য ডেটা সংরক্ষণ সম্পর্কে জানতে হবে।বিশেষভাবে👉মাইক্রোসফট ওয়ার্ড,এক্সেল, এক্সেস।।পাওয়ার পয়েন্ট, এগুলো শিখতে হবে।
🌿সঠিক ইংরেজি এবং বাংলা ভাষায় ভালোভাবে লেখায় দক্ষ হতে হবে। টাইপিং স্কীল দ্রুত ও নির্ভুল হতে হবে।এখেত্রে ডিএসবিতে প্রতিদিন ১০০কমেন্ট করে, ১০০পোস্ট পড়ার অভ্যাস করতে পারেন, অটোমেটিক দক্ষ হওয়া যাবে।
🌿ইমেইল আইডতে তথ্য আদান প্রদান সম্পর্কে স্কীল থাকতে হবে,ডোমেইন,হোস্টিং,কন্টেন রাইটিং বিষয়ে জানতে হবে।
🌿ওয়েবসাইট,পেইজ,গ্রুপ তৈরির খেত্রে নিজে জানলে ভালো নাহলে অন্যের মাধ্যমে সাহায্য নিতে হবে,তবে পরিচালনা এবং নিরাপত্তা সম্পর্কে নিজেকে জানতে হবে।
🌿যেহেতু ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ক্রেতা সরাসরি পন্য দেখতে পারছেনা তাই পণ্যের ছবি,ভিডিও, পডকাস্ট সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে। এখেত্রে ফটোগ্রাফি এবং এডিটিং সম্পর্কে সঠিক ধারনা থাকতে হবে।ফটোশপ সম্পর্কে দক্ষ হলে ভালো কাজে দিবে।
🌿 ফেসবুকের সকল আপডেট ফিচার সম্পর্কে ধারনা রাখতে হবে।
যেমনঃ ফেইসবুকের নতুন ফিচার "শপ" যোগ হয়েছে, অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম যোগ হয়েছে এমন সকল বিষয়ে ধারনা রাখতে হবে।
✅উপরোক্ত স্কীল গুলো যেভাবে অর্জন করা সম্ভবঃ-
🔺কম্পিউটার,ইন্টারনেট ব্রাউজিং শেখার জন্য বিভিন্ন সরকারি,বেসরকারি কোর্স করতে পারেন।বিভিন্ন ওয়ার্কশপ,সেমিনার, ট্রেনিং,গুগল এবং ইউটিউব এর মাধ্যমে জানা যাবে।
🔺পরিবার,বন্ধু-বান্ধব যে কারো সাহায্যে শিখে নিতে পারেন।।
🔺ইন্টারনেট ব্রাউজ করে বিভিন্ন ফিচার,এ্যাপস সম্পর্কে ধারনা নিতে পারেন এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে হবে।যতটা বেশি সময় দেয়া যাবে ততোটাই রপ্ত করা যাবে।সেখেত্রে নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে।কথায় আছে" Practice make a man perfect " তাই এর কোনো বিকল্প নেই।শর্টকাল নয় A to Z জানলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।
No comments:
Post a Comment