December 25, 2018 at 8:24 PM · Public
#মাদারবোর্ড_এর_বিভিন্ন_অংশ_সমূহঃ #এক্সপানশন স্লটঃ প্রথমে উল্লেখ করা যেতে পারে বাস স্লটে বা এক্সপানশন পোর্টে কথা। একটি এক্সপানশন স্লট হচ্ছে কম্পিউটারের মাদারবোর্ড বা উত্থানকারী বোর্ডের ভিতরে অবস্থিত একটি স্লট, যার মাধ্যমে অতিরিক্ত বোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্তকরা সম্ভব হবে। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, যদি আপনি কম্পিউটারে একটি নতুন ভিডিও কার্ড ইনস্টল করতে চান, তবে আপনাকে একটি ভিডিও এক্সপানশন কার্ড কিনতে হবে এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ এক্সপানশন স্লট এর মধ্যে সেই কার্ড ইনস্টল করতে হবে। নিচে কিছু এক্সপানশন স্লটের নাম দেওয়া হল যা সাধারণত আইবিএম ওঅন্যান্য ব্র্যান্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কম্পিউটারে পাওয়া যায়- #কম্পিউটার এক্সপানশন স্লট • এ জি পি কার্ড (AGP) – ভিডিও কার্ড • এ এম আর (AMR) – মডেম , সাউন্ড কার্ড • সি এন আর (CNR) – মডেম , নেটওয়ার্ক কার্ড, সাউন্ড কার্ড • ই আই এস এ (EISA) – এস সি এস আই (SCSI) , নেটওয়ার্ক কার্ড , ভিডিও কার্ড • আই এস এ (ISA) – নেটওয়ার্ক কার্ড, সাউন্ড কার্ড , ভিডিও কার্ড • পি সি আই (PCI) – নেটওয়ার্ক কার্ড, এস সি এস আই (SCSI) , সাউন্ড কার্ড , ভিডিও কার্ড • পি সি আই ই (PCIe) – ভিডিও কার্ড • ভি ই এস এ (VESA) – ভিডিও কার্ড উপরে এক্সপানশন কার্ড স্লট গুলোর অনেক গুলোই এখন অপ্রচলিত তবে আপনি আজকের কম্পিউটারে শুধুমাত্র এ জি পি , পি সি আই , এবং পি সি আই ই (PCIe) কার্ড গুলোর দেখাই বেশি পাবেন। #প্রসেসর সকেট, প্রসেসর পাওয়ার, প্রসেসর ফ্যান পাওয়ারঃ এটা মাদারবোর্ডে থাকা একটি সকেট যাতে প্রসেসর কোনো ঝামেলা বা ক্ষতি ছাড়াই বসানো যায় ও খোলা যায়। বিভিন্ন মডেলের প্রসেসরের জন্য বিভিন্ন সকেট রয়েছে। দুই ধরণের সকেট রয়েছে। একটা হল ZIF আর আরেকটি হল LGA. LGA সকেট সবাই চেনেন। Land Grid Array কে LGA বলা হয়। Zero Insertion Force কে ZIF বলে। দুইধরণের সকেটের ছবি দেখেই বুঝবেন কোনটা কেমন। এখন LGA সকেট সবচেয়ে বেশিব্যাবহৃত হয়। বিভিন্ন প্রসেসরের জন্য বিভিন্ন সকেট আছে। যেমন পেন্টিয়াম প্রসেসরের সকেট হল LGA 771. কোর টু ডুও এর সকেট LGA 775. আর কোর সিরিজের প্রসেসর বসানো হয় LGA 1156 সকেটে। বিভিন্ন সকেটের বাস স্পীড আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। #চিপসেটঃ চিপসেট হল যে পেরিফেরাল প্রসেসর এবং অন্যান্য ডিভাইস এর সাথে সামঞ্জস্য রক্ষা করে চলে। আধুনিক আর্কিটেকচার অনুযায়ী মাদারবোর্ড চিপকে দুইটি অংশে ভাগ করা হয়। একটাকে বলা হয় নর্থব্রিজ আরেকটা সাউথব্রিজ। #নর্থব্রিজঃ এটা মাদারবোর্ড এর হাই-স্পীড ডিভাইসগুলোকে কন্ট্রোল করে। অর্থাৎ প্রসেসর, র্যাম, ভিডিও প্রসেসর এর সাথে যুক্ত থাকে। একে অনেক সময় ‘মেমরি কন্ট্রোলার হাব’ও বলা হয়। আপনারা মাদারবোর্ডে যে হিটসিঙ্ক দেখতে পান তার নিচের চিপটাই নর্থব্রিজ। এটা একই সাথে প্রসেসর, ভিডিও আর র্যামকে কন্ট্রোল করে। বিল্ট-ইন গ্রাফিক্স কার্ডে এটাই ভিডিও প্রসেসর হিসেবে কাজ করে। আধুনিককালে নর্থব্রিজের সবটুকু অংশ প্রসেসরে ইন্টিগ্রেট করা হয়েছে। তাই মাদারবোর্ড এ বাকি যে চিপ থাকে সেটা সাউথব্রিজ। #সাউথ ব্রিজঃ মাদারবোর্ড এর অন্যান্য স্লো-স্পীড ডিভাইস যেমন বায়োস, পিসিআই বাস, ইউএসবি, স্টোরেজ ডিভাইস, ক্লক, অডিও ডিভাইস, এনআইসি ইত্যাদি কন্ট্রোল করে যে চিপসেটা সাউথ ব্রিজ। আপনারা মাদারবোর্ড এ হিটসিঙ্ক ছাড়া আরেকটি যে বড় চিপদেখতে পান সেটাই সাউথ ব্রিজ। #ভোলাটাইল মেমোরীঃ ভোলাটাইল মেমোরী মানে হল যে মেমরি পাওয়ার চলে গেলে মুছে যায়। র্যাম বা র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরী হল ভোলাটাইল মেমোরীঃ র্যাম দুই ধরণের হয়ে থাকে। এখন ডি-র্যাম বা ডাইনামিক র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমরি বেশি ব্যাবহৃত হয়। এটা প্রসেসর এর কার্যক্ষেত্র বা ড্রাফট পেপারের মত কাজ করে। মেমোরী লাগানোর জন্য যে স্লট থাকে তাকে বলে DIMM বা Dual In-line Memory Module. আধুনিক র্যাম বা মেমোরী মডিউলে সার্কিট বোর্ডের দুপাশে মেমোরী চিপ বসানো থাকে বলে এ রকম বলা হয়। #নন-ভোলাটাইল মেমোরীঃ পাওয়ার চলে গেলেও যেসব ডিভাইস স্থায়ীভাবে ডাটা রেখে দিতে পারে তাদের নন-ভোলাটাইল মেমোরী বলে। হার্ডডিস্ক, অপ্টিকাল ড্রাইভ, ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ইত্যাদি হল এরকমমেমরির উদাহরণ। #সিস্টেম ক্লকঃ মাদারবোর্ড এ একটা আইসি থাকে যেটা থেকে নির্দিষ্ট সময় পর পর সিগনাল উৎপন্ন হয়। আপনারা জানেন যে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস গুলো কাজ করে স্পন্দনের সাহায্যে। এই টাইম সিগনাল জেনারেটর পিসি চালু হওয়ার সময় নির্দিষ্ট মানের সিগনাল উৎপন্ন করে দেয়। তবে এই স্পন্দনকে পরিবর্তন করে আরো বেশী পারফরমেন্স পাওয়া সম্ভব যাকে বলে ওভার ক্লকিং। #পাওয়ার কানেক্টরঃ সমস্ত সিস্টেম চালু রাখতে শক্তির দরকার। পাওয়ার কানেক্টরের মাধ্যমে পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট থেকে মাদারবোর্ড ও এর বিভিন্ন অংশ বিদ্যুৎ পায়। সাধারণত ২০পিন বা ২৪ পিন বিশিষ্ট সকেটের মাধ্যমে মাদারবোর্ড পাওয়ার পায়। #সাটাঃ Serial Advanced Technology Attachment থেকেই সাটা এর নামকরণ। খুব দ্রুতগতিসম্পন্ন পোর্ট যার সাথে হার্ডডিস্ক, ডিভিডি বা সিডি ড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোথাকে। #মাদারবোর্ড এর পোর্ট সমুহঃ 1. সিরিয়াল পোর্ট 2. ইউএসবি 3. প্যারালাল পোর্ট 4. HDMI 5. Audio [Speaker, Inline, mictophone] 6. PS2 Port #বাজারে প্রচালিত মাদারবোর্ড এর নাম সমূহঃ ইন্টেল, গিগাবাইট, আসুস, এমএসআই, এসোনিকস ইত্যাদি। .......
সোর্সঃ মাদারবোর্ড এর বিভিন্ন অংশসমূহ
মাদারবোর্ড কি এটা তে সাধারণত কি কি থাকে এর দাম কত কিভাবে কাজ করে সব প্রশ্নের উত্তর এখানে।
ReplyDeleteঅনেক তথ্যবহুল লেখা। অনেক ধন্যবাদ সুন্দর লেখার জন্য।আমি নিজেও এই ধরণে বিষয় নিয়ে লেখালেখি করছি । Visit কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের নাম!
ReplyDelete