কন্টেন্ট রাইটিং বা কন্টেন্ট মার্কেটিং কত প্রকার

Lipi Sd is with Razib Ahmed
কন্টেন্ট রাইটিং এর বেসিক ধারণাটি গত পোস্টে দিয়ে ছিলাম৷ আজকের পোস্টের আলোচ্য বিষয় হচ্ছে কন্টেন্ট রাইটিং এর প্রকারভেদ নিয়ে।

কন্টেন্ট তো অনেক ধরনের পড়ে থাকি আমরা। হয়তো কোনটা গল্প আকারে, কোনটা ইনফরমেশন আকারে বা পয়েন্ট আকারে এবং রিসার্চ ভিওিক।

মূলত কন্টেন্ট রাইটিং কে ৮ টি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। যাকে বলা হয় কন্টেন্ট রাইটিং মার্কেটিং।

তবে চলুন শুরু করা যাক।

১. ব্লগিং ( blogging)

সাধারণত যখন কোন বিষয় নিয়ে গুগল সার্চ করি আমরা, তখন সেই বিষয়ের সাথে রিলেটেড টপিক গুলির ব্লগের পোস্ট গুলো পর্যাক্রমে দেখা থাকে। রিডারের সাথে সংযোগ তৈরি করা সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ব্লগিং। কন্টেন্ট মার্কেটিং এ ব্লগিং- কে রাজা বলা হয়।

২.লংফর্ম বা দীর্ঘ রূপ কন্টেন্ট (longform

এই কন্টেন্ট গুলো মূলত ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ অ্যামাজন তাদের প্রোডাক্ট এর কন্টেন্ট গুলো তৈরি করে থাকে বা টুরিস্য গাইডের কন্টেন্ট গুলো এই ধাচের থাকে।অনলাইন এগুলো অজস্র। সাধারণত এখানে ১০০০ শব্দের না ৫০০০- ১৫০০০ শ্বদের কন্টেন্ট দেখা যায়।

৩.কেস স্টাডি কন্টেন্ট (case study)

এখানে কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর গবেষণা ভিওিক তথ্যগুলো তুলে ধরা হয় বিস্তারিত ভাবে। সমস্যা, কারন, গবেষণা ও ফলাফল। এই ধরনের কন্টেন্ট তৈরিতে প্রচন্ড গবেষণার দরকার হয় এবং বাস্তবিক ঘটনার অভিজ্ঞতা বেশ প্রয়োজন হয়।

৪) হোয়াইট পেপারস ( white papers)

এই ধরনের কন্টেন্ট গুলো গভীর তথ্য দিয়ে সাজানো থাকে। সাধারণত ব্যবসায়িক কোন সমস্যার সমাধান ভিওিক বা তথ্য বহুল ভাবে সাজানো থাকে। আপনি কোন টিমের লিডারশীপ পালন করলে এই ধরনের কন্টেন্ট ব্যবহার করা হয়। ব্যবসায়িক কাজে এই ধরনের কন্টেন্ট ব্যবহার করা হয়।


৫) ই-বুক (e-book)

ই-বুকের সাথে আমরা পরিচিত এই গ্রুপের কল্যাণে। এখানে একটি বই আকারে কন্টেন্ট দেয়া থাকে। একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সাধারণত এক পৃষ্টায় দুইটি কলাম বা অনুচ্ছেদ আকারে কন্টেন্ট দেয়া থাকে। ই-বুক হতে পারে পাঁচ পৃষ্ঠার থেকে এিশ পৃষ্ঠা হতে পারে।

৬.ইনফো গ্রাফিক্স (infograpichs)

ইনফো গ্রাফিক্স এ একটি ছবি বা ডায়াগ্রামের সাহায্যেে নির্দিষ্ট তথ্য তুলে ধরা হয় এবং কন্টেন্ট গুলো কী ওর্য়াড বেসিস সাজানো। যেমনঃ কোন বয়সের লোক স্মার্ট ফোন বেশি ব্যবহার করে। একটি ডায়াগ্রাম এবং কী ওর্য়াড বেসিস কন্টেন্ট গুলো দিয়ে পুরো চিএ তুলে ধরা হয়। এ সকল কন্টন্টে ইনফোরমেশন কে হাইলাইট করা হয়। প্রচন্ড পরিমান স্টাডি করতে হয় এই কন্টেন্ট তৈরি তে।

৭.-টেমপ্লেট এবং চেক লিস্ট (template & checklist)

এখানে কন্টেন্ট গুলো একটা প্রধান পয়েন্ট বল্ড করা থাকে এবং তার নিচে পয়েন্টার ব্যাখা দেয়া থাকে। সূচনা থেকে সমাপ্ত প্রত্যেকটা পয়েন্টর এ ব্যাখা দেয়া থাকে। ছোট একটা লিখনির মাধ্যমে মূল বিষয়টা তুলে ধরা হয়।

৮.ভিডিও (video)

ভিডিও একটি কন্টেন্ট এর প্রকারভেদ। মূলত একটি কন্টেন্ট কে ভয়েস এবং কিছু ছবির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। রিডাররা অনেকেই আছেন পড়ার চেয়ে শুনতে বা দেখতে বেশি পছন্দ করেন না
তারা এই ধরনের কন্টেন্ট বেশি দেখে থাকেন। বর্তমানে এই কন্টেন্ট এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে।

কন্টেন্ট রাইটিং এই ৮ টি ধরন দেখা যায়। প্রয়োজন অনুসারে তা ব্যবহার করা হয়।

source
কন্টেন্ট রাইটিং বা কন্টেন্ট  মার্কেটিং কত প্রকার 




No comments:

Post a Comment