আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং -
ডিজিটাল মার্কেটিং একটা প্রশাখা বলতে পারেন আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং। অনেকগুলো মার্কেটিং পন্থা অবলম্বন করে আপনেও আ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন। সবার আগে জেনে নেয়া যাক ;
আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং কি?
কোন পন্যে বা সেবা বিক্রি করে একটা নিদিষ্ট পরিমানে কমিশন নেয়াকে আ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলে। সাধারনত মোট মূল্যের ৭%, ৮% বা অন্য কোন শতকরার কমিশন নেয়া।
যেমন - ক্লিকব্যাংক, আমাজন, আলিবাবা ইত্যাদিতে আ্যাফিলিয়েট করতে পারবেন।
আ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবেন -?
আ্যাফিলিয়েট যেহেতু একটা ডিজিটাল মার্কেটিং, সেহেতু মার্কেটিং বিষয়ে ধারনা থাকা বাধ্যতামূলক। অনেকের ধারনা ওয়েবসাইট ছাড়া আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং করা যায় না। ওয়েবসাইট ছাড়াও আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং করা যায়।
ফেসবুকে আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং -
ফেসবুকে বিভিন্ন ব্যানার, ভিডিও ইত্যাদি বিজ্ঞাপমের মাধ্যমে পন্য বিক্রি করতে পারবেন। বজ্ঞাপন ছাড়াও আপনে মার্কেটিং করতে পারবেন তবে সেটা সময় সাপেক্ষ।
ইউটিউব আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং -
ইউটিউব এখন সার্চ ইঞ্জিনের মধ্যে দিত্বীয় স্থানে আছে। সুতারাইং ইউটিউব ভাল ট্রাফিক র্সোস। ভাল কন্টেন্ট সরবরাহের মাধ্যমে ভিজিটর নেয়া সম্ভব। আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং যারা করছেন তাদের অনেকেই ইউটিউবকে প্রধান ট্রাফিক উৎস মনে করছেন।
ইন্সটাগ্রাম -
ইন্সটাগ্রাম ভাল একটা ট্রাফিক সোর্স। ২০১০ প্রতিষ্টিত কোম্পানি। ২০১২ সালে ফেসবুক কিনে নিয়েছে। এখান থেকে ভাল ট্রাফিক পাওয়া যায়। ইন্সটাগ্রামে মার্কেটিং অনেকটা সহজ এবং আপনে #ট্যাগ ব্যবহার করে আপনার ফলোয়ার বাড়িয়ে সেলা বাড়াতে পারবেন।
উপরের কিছু মার্কেটিং প্লাটফর্মের কথা বললাম। আপনে ইচ্ছা করলে টাকা পেইড করেও আ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন।
-সিপিসি মার্কেটিং (cpc-Cost-per-click)
-পেইড ফরাম পস্টিং
-পেইড ইমেইল মার্কেটিং (udimi)
-ইউটিউব মার্কেটিং (পেইড)
এই রকম আরো কিছু সোসাল মিডিয়া আছে যেগুলো থেকে আপনে আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন।
এইগুলোতে মার্কেতিং করা ছাড়াও কিছু বিষয়ে জ্ঞান থাকা বাধ্যতামূলক যেমন -অটোরেস্পন্ডিং, ই-মেইল মার্কেটিং, ব্যাসিক এসইও, ওয়েবসাইট মেইনটেইন, মার্কেটপ্লেস পলিসি, মার্কেটিং টুলস ইত্যাদি।
আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং এ সফলতার হার ৩%, ব্যর্থতার হার ৯৭%।
source
No comments:
Post a Comment