ডিজিটাল কন্টেন্ট কি? ও এর প্রকারভেদ।

Mojidul Islam is with Razib Ahmed.

আইটি নলেজ
বিষয়ঃ ডিজিটাল কন্টেন্ট কি? ও এর প্রকারভেদ।

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই আশা করি সকলেই আল্লাহর রহমতে অনেক অনেক ভােলা আছেন।আমি আপনাদের সামনে গত আইটি নলেজ পোস্টে ডিজিটাল ক্লাস নিয়ে আলোচনা করেছি।এবং সেই পোস্টে মাধ্যমে আপনাদের কাছে যতটুকু পারছি ততোটুকু তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। যাই হোক আজকের বিষয়ে কথপোকথন করা যাক।আপনারা এতোক্ষনে উপরের বিষয় বস্তু পরার পর হয়তো অনেকেই জানেন এই ডিজিটাল কন্টেন্ট কি। আবার কেউ জানেই না আজ পর্যন্ত যে কি কি ব্যবহার করে এই ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি করা হয়। যাই হোক আমি আজকে আপনাদের সামনে এসব বিষয়ে আলোকপাত করবো ইনশাআল্লাহ।আসুন প্রথমেই জেনে নিব ডিজিটাল কন্টেন্ট কি?

কোনো লেখিত বা আর্ট জাতীয় কন্টেন যা খাতায় ও বইয়ে লিপিবদ্ধ সেই সব কন্টেন্ট গুলোকে যদি ডিজিটাল উপাত্ত আকারে প্রকাশ করা হয়,কিংবা প্রেরিত ও গৃহীত হয় তাহলে সেটিই হলো ডিজিটাল কন্টেন্ট। তবে এটি ডিজিটার ও এনালগ যেকোন পদ্ধতিতে সংরক্ষিত হতে পারে। এসব ডিজিটাল কন্টেন্ট কম্পিউটারের ফাইল আকারে অথবা ডিজিচাল পদ্ধতিতে সম্প্রচারিত হতে পারে। যেকোনো লেখিত তথ্য, ছবি, শব্দ,এমন কি ভিডিও ডিজিটাল কন্টেন্ট হতে পারে। আর এসব ডিজিটাল কন্টেন্ট ব্যবহারের ফলে তথ্য উপস্থাপন ও স্থানান্তর করা সহজতর হয়।

এবারে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্ট এর প্রকারভেদ গুলো কি কি? সে সম্পর্কে জেনে নেই।

ডিজিটাল মাধ্যমে যেকোনো কিছু প্রকাশিত যেমনঃতথ্য,ছবি,শব্দ ইত্যাদি এনালগ কে ডিজিটাল ভাবে উপস্থাপন করাকেই বলা ডিজিটাল কন্টেন্ট।নানা রকম ভাবে এর সংজ্ঞা দেওয়া যায়। ফলে নানা রকমভাবে এই ডিজিটাল কন্টেন্ট কে শ্রেনিভাগ করা যায়।তবে প্রধান চারটি ভাগে এই ডিজিটাল কন্টেন্ট কে ভাগ করা হয়।
১,টেকস্ট বা লেখিত কন্টেন্ট।
২,ছবি বা পিকচার।
৩,শব্দ বা অডিও বা পডকাস্ট।
৪,ভিডিও বা এনিমেশন

১,টেক্সট বা লেখিত কন্টেন্টঃ ডিজিটাল মাধ্যমে বর্তমানে লেখিত তথ্যই পরিমানের সংখ্যা বেশি।আর এসব লেখিত তথ্য গুলোই হলো কন্টেন সে যে বিষয়ের লেখা হোক না করন।এসব লেখিত কন্টেন্ট হলো ব্লগ পোস্ট,পন্য বা সেবার তালিকা ও বর্ণনা,পন্যর মুল্যয়ন,ই-বুক,সংবাদপত্র,ইত্যাদি।

২,ছবি বা পিকচারঃআপনার ক্যামেয়ার ধারনকৃত হোক বা নিজের আঁকা হোক বা কম্পিউটার দ্বারা তৈরিকৃত হোক সব ধরনের ছবি এই ধারার কন্টেন্ট। এর মধ্যে ফটো,নিজের হাতে আঁকা ছবি,অংকনকরন,কার্টুন,ইনফো-গ্রাফিক্স,এনিমেটেড ছবি, ইত্যাদি।

৩,শব্দ বা অডিও অথবা পডকাস্টঃ শব্দ জাতীয় সকল কন্টেন্ট হলো এই ধারার অন্তভুক্ত। যেকোন বিষয়ের অডিও যাকে অডিও কন্টেন্ট বলা হয়।আবার ইন্টারনেটে প্রচারিত ব্রডকাস্ট অডিও কন্টেন্ট মধ্যে ভুক্ত।

৪,ভিডিও ও এনিমেশনঃ অতীতের তুলনায় বর্তমানে ভিডিও কন্টেন্ট এর পরিমান বেশি কারণ আমরা কর্তমানে যেসব মোবাইল ফোন ব্যবহার করি সব গুলোই স্মার্ট ফোন আর প্রত্যেক ফোন পিছনে একটি ও সামনে একটি বা পিছনে দুটি করে ও সামনে একটি করে ক্যামেরার মোবাইল ফোন ব্যবহার করছি আর এর ফলে কর্তমানে ভিডিও কন্টেন্ট এর সংখ্যা অধিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউটুউব বা এরকম ভিডিও শেয়ারিং এর মত সাইট গুলো কারনে বর্তমানে ইন্টারনেটে ভিডিও কন্টেন্ট এর পরিমান দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার বর্তমানে যেকোন বিষয়ে ইন্টারনেটে সরাসরি দেখানো হয় বা প্রচারিত করা হয়। আর সরাসরি ভিডিও প্রচার করাকে বলা স্ট্রিমিং। এসব কন্টেন্ট গুলো হলো ভিডিও কন্টেন্ট এর আওতাভুক্ত।

মুলত এসব কিছু বলা হয় ডিজিটাল কন্টেন্ট আর এসব ডিজিটাল কন্টেন্ট ব্যবহার করার জন্য ডিজিটাল ডিভাইস দরকার হয়। ভিডিও দেখতে হলে আপনাকে মোবাইল ফোন,ল্যাপটপ,কম্পিউটার,ট্যাবলেট এসব ডিভাইস ব্যবহার করেই তবে আপনি এসব ডিজিটাল কন্টেন ব্যবহার বা দেখতে পারবেন।

সোর্স
দিজিতাল 

No comments:

Post a Comment