বি টু বি মানে ভেজাল টু ভেজাল

বি টু বি মানে ভেজাল টু ভেজাল
~ রাজিব আহমেদ

ই-ক্যাব প্রেসিডেন্ট থাকার সময় সবচেয়ে বেশি মাথা নষ্ট করতে হয়েছে বিভিন্ন কোম্পানির মধ্যে ভেজাল। কুরিয়ার সার্ভিস বনাম অনলাইন শপ, অনলাইন শপ বনাম ডোমেইন হোস্টিং, অনলাইন শপ বনাম অনলাইন শপ। এই ব্যপারে আমার যে অভিজ্ঞতা তা বাংলাদেশ তো বটেই সারা বিশ্বে আর কারো আছে কিনা আমার সন্দেহ আছে। হিহিহি

এসব গন্ডগোল নিয়ে এই পোস্ট। কিছু পয়েন্ট উল্লেখ করছি আমার অভিজ্ঞতা নিয়েঃ

১। আপনার গার্ল ফ্রেন্ডের সাথে বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত তার বড় ভাই বা ছোট ভাই আপনার শালা সম্বন্ধী কিছুই না। এমনকি বিয়ের পরে সার্টিফায়েড শালা সম্বন্ধী হলেও তার ডোমেইন হোস্টীং কোম্পানি আছে কিনা তা নিশ্চিত হন আগে। সেই কোম্পানি আবার ই-ক্যাবের মেম্বার কিনা তাও নিশ্চিত হন দয়া করে। না হলে ভেজালে পড়া খুব সহজ।

২। কুরিয়ার সার্ভিসের কাছে ১০ দিনের বেশি টাকা আটকে গেলে তাকে আর নতুন করে পন্য দেবেন না দয়া করে। বেশির ভাগ ঝামেলার শুরু এভাবে।

৩। উই এর ইভেন্ট গুলোতে নিয়মিত আসার চেষ্টা করেন যত কষ্ট হোক না কেন। ছবি তুলেন অন্যদের সাথে, পারলে আমার সাথেও। ইন্ডাস্ট্রির যত বেশি মানুষের সাথে আপনার ছবি থাকবে পরিচিতি থাকবে তত ঝামেলার সম্ভাবনা কমে যাবে। হিহি

৪। গ্রুপে প্রতিদিন একটিভ থাকেন। আমি জানি আপনার নিজের ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত। কিন্তু এই গ্রুপে সময় দেয়াকে ব্যবসার অংশ হিসেবে নিয়ে নেন। দিনে ৩০ মিনিট সময় তো দিতেই পারেন। পারলে ১ ঘণ্টা দেন প্রতিদিন।

৫। শুনেন যে আপনাকে ঠকাবে সে কোন দিন বলবে না, আমি কিন্তু আপনাকে ঠকাবো। সে যতটা সম্ভব মিস্টি কথায় আপনাকে বশ করার চেষ্টা করবে। তাই খুব বেশি লোভনীয় অফার পেলে পাগল হবেন না।

৬। যে কোন লেনদেনের প্রমাণ রাখুন, পারলে সাক্ষী রাখুন।

৭। ব্যক্তিগত প্রফাইলে যারা ছবি দেয় না বা ফেইক নাম দেয় তাদের ব্যপারে সতর্কতা অবলম্বন করুন। তাদের সাথে জড়াতে একদম নিষেধ করছি না। কিন্তু সাবধানে চলুন।

No comments:

Post a Comment