বড় মুলধন কোন ভাবেই ব্যবসায়ের সক্ষমতা নয়।
~ Aman Ullah Sarker
আমার এক ক্লাইন্ট দেশের বড় একটা প্রতিস্টানের বড় পোস্টে চাকুরী করতেন। স্বামী স্রী দুইজন মিলে বছরে প্রায় দের কোটি টাকা আয় করেন। ফ্ল্যাট গাড়ী, প্লট, ফিনান্সিয়াল ইনভেস্টমেন্ট মোটামোটি কম্পলিট হবার পর ব্যাংকে কয়েক কোটি টাকা অলস। এমন অবস্থায় সিদ্ধান্ত নিলেন ব্যবসা করবেন। নিজের ব্যাকগ্রাউন্ড একাউন্টিং এবং বিজনেস স্টাডিজ তাই সিদ্ধান্ত নিতে তেমন কারো সহায়তা নিতে হয় নি। আমাকে দিয়ে ৫ কোটি ১০ কোটি অনুমোদিত মুলধন নিয়ে ২ টি কোম্পানি গঠন করালেন। প্রথমেই গার্মেন্টস স্টক লট এর ব্যবসায় নামলেন। স্টক লট নিজেই বিক্রয় এর জন্য ঢাকায় ৩টি এবং ঢাকার বাহিরে ২ টি লাক্সারি শো রুম করেন। কিছু বিদেশি বায়ারও পেয়ে গেলেন। ৬ মাস খুভ রেস্পন্সিভ অগ্রগতি দেখা গেল। ৬ মাস পর শুরু হল ভিন্ন চিত্র, প্রচুর স্টক জমে গেল শো রুম এবং গোডাউন এ আইডেল স্টক, মডেল এর কারনে বাজারে চাহিদা পরে যেতে থাকল। শীতের প্রোডাক্ট গরম চলে আসল, সব কিছু মিলিয়ে ক্রাইসিস শুরু হয়ে গেল। নেক্সট ৪ মাসে উনি ব্যবসা গুটিয়ে ফেলেছেন।
ব্যবসা শুরুর ১১ মাস পর উনি আবার নতুন একটা জবে ফিরে গেলেন। গুলশান নর্থ এন্ডে বসে উনার হতাশার গল্প শোনছিলাম।
উনার শেষ কথা গুলো :
১. বিজনেস ক্যাটাগরি সিলেকশন সবচাইতে ইম্পরট্যান্ট।
২. প্ল্যান এপ্লাই করার জন্য লম্বা সময় দেয়া উচিৎ।৩.ক্যাপিটালকে মিনিমাম ৩ স্টেজে বাজারে ছাড়া উচিৎ।
৪. অনেক কিছু শিখলাম কিন্তু বাট টু কস্টলি
৫.এইযে কফির বিজনেস হিউজ স্টক এর প্রয়োজন নেই চাইলে প্রতিদিন আইটেম কালেক্ট সম্ভব।
৬.ক্যাপিটাল কম থাকলে শর্ট ডিসিশান নেয়া উচিৎ নয় হুট করেই শুন্য হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৭. গার্মেন্টস আইটেম এ প্রচুর ডিজাইন কাস্টমার এর ভিন্ন চাহিদা এবং ভিন্ন রুচি তাই হিউজ স্টক রাখতে হবে অন্য দিকে খাবার এর ব্যবসায় নিত্য বাজার এর মাধ্যমে চালিয়ে দেয়া সম্ভব।
উনি এখন কানাডা তে চাকুরি করছেন আর সপ্ন দেখছেন একটা ফুডকোড ব্যবসা শুরু করবেন।
source - kowork
No comments:
Post a Comment