Md Daloare Hossain ▶ Women and e-Commerce forum ( WE )
আড্ডা পোস্ট ১৭ নভেম্বর ২০১৯।
বিষয়ঃ সেলস বৃদ্ধির জন্য অফার বা ছাড় দেওয়া এবং না দেওয়ার সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করুন।
আজকের আড্ডা পোস্টে সবাইকে আন্তরিক স্বাগতম।
— with Razib Ahmed and 2 others.
19 hrs ·
Public
Mojidul Islam
আপনি যদি ভালো সার্ভিস বা পণ্য সরবরাহ করেন তাহলে কাস্টমার তা অন্যের কাছে শেয়ার করতে পছন্দ করে। তবে শুধু তাদের আশায় বসে থাকলে হবে না। মাঝে মাঝে তাদের অনুপ্রানিত করতে হবে, তাদের বলতে হবে, তারা যেন আপনার পণ্য বা সার্ভিস অন্যদের কাছে শেয়ার করে। তাহলে তা আপনার বিক্রয় বৃদ্ধি করতে গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখবে। কিন্তু এই বলা এর ব্যাপারটাও বুদ্ধিমত্তার সাথে করতে হবে, আপনি তাকে অনুরোধ করতে পারেন, যদি আপনার পণ্য তার ভালো লেগে থাকে তাহলে তিনি যেন তার কাছের মানুষদের সাথে শেয়ার করে এবং সম্ভব হলে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এ শেয়ার করেন।
ফারিয়া আবেদীন রাফা
অফার দিলে ক্রেতা সহজে আকৃষ্ট হয়,
এখনকার সময়ে দেখা যায় পন্যের দাম বেশি দেখিয়ে তারপর অনেক ছাড় দিয়ে সেল এর নাম দিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে!
এইরকম ছাড় দেয়া উচিত নয়,
ক্রেতা বিভ্রান্ত হয়।
যারা রেগুলার+অথেনটিক কাস্টমার তাদের পন্য ক্রয়ের সময় ছাড় দেয়া যেতে পারে যাতে তাদের পাশাপাশি অন্যেরাও।কিনতে উদ্বুদ্ধ হয়।
Suraya Sharmin
পন্য সামগ্রি বিক্রি বাড়াতে অফার বা ছাড় দেওয়ার কিছু সুবিধা যেমন আছে তেমন অসুবিধাও আছে।
★পন্যে ছার দিলে পন্যের দাম টা কমে বলে অনেক নতুন কাস্টমারা পন্যটা কেনে তাতে করে বিক্রি বাড়ে।
★আবার আমাদের দেশে একটা কথা প্রচলিত আছে আগের দাম বাড়িয়ে ছার দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে মানুষ বড় বড় দোকান গুলোকেই বিশ্বাস করে না।
★ আর অনলাইনে বেশির ভাগ পন্যেরই দাম লেখা থাকে না। ইনবক্সে মূল্য জানতে হয়।
★তবে ছাড় দিতে হলে বিক্রেতাকে ক্রেতার আস্তা অর্জন করতে হবে। সে ক্ষেত্রে ছাড় দিলে বিক্রি বাড়বে।
★ তবে আমি মনে করি ২৫% বেশি ছাড় দিলেই মানুষের মনে পন্যের মান নিয়ে সন্দেহ চলে আসে
Mojidul Islam
ভালো সম্পর্ক তৈরি করুন আপনার কাস্টমার এর সাথে।
একজন কাস্টমার বা গ্রাহক শুধু পণ্য বা সার্ভিস ক্রয় করলেই কাজ শেষ হয়ে যায় না। কাস্টমারকে কিভাবে ধরে রাখতে হবে সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ন। সেজন্য সর্বদা কাস্টমারের সাথে সুসম্পর্ক তৈরির দিকে বেশি গুরুত্বদিন। কাস্টমারের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করা গেলে তারা বার বার ফিরে আসে এবং পণ্য ক্রয় করে। এর জন্য নতুন কাস্টমার তৈরির মত মার্কেটিং করতে হয় না। সুসম্পর্ক তৈরি করতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অফার, পূর্বের গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুবিধা ইত্যাদি দিতে পারেন।
এ জন্য আপনি কাস্টমার রিলেশন ম্যানেজমেন্ট এর কিছু দিক অবলম্বন করতে পারেন, যেমন তাদের ফোন বা ইমেইল এ শুভদিন গুলোর বার্তা পাঠানো।
Mojidul Islam
একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা হল প্রতিষ্ঠানের অন্যতম সম্পদ। এই সম্পদের সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। তাদেরকে সঠিকভাবে প্রশিক্ষন দিন। কিভাবে কাস্টমারের সাথে কথা বলতে হবে, কিভাবে কাস্টমারের সাথে যোগাযোগ করতে হয়, পণ্য বা সার্ভিস সম্পর্কে পরিপূর্ন ধারণা রাখা, কাস্টমারকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা ইত্যাদির জন্য প্রশিক্ষন দিন। মনে রাখতে হবে কাস্টমার কোন প্রশ্ন করলে সেই প্রশ্নের উত্তর যেন সে সঠিকভাবে পায়। সকল ক্ষেত্রে তাদের আত্ববিশ্বাস বৃদ্ধি করার চেষ্টা করুন। কারণ কর্মীদের আত্ববিশ্বাস পণ্য বিক্রয়ে অনেক সহায়তা করে।
Nilufar Jahan Lopa
আমার মনে হয় ডিসকাউন্ট শুধু স্টক ক্লিয়ার করার জন্য দিলেই ভাল। যে প্রোডাক্ট পরে আর আসবেনা। সেল পাওয়ার জন্য একবার ডিসকাউন্ট দিলে সেই প্রোডাক্ট যখন আবার তাত আগের দামে ফেরত আসে সেটা হোক আরও ৬ মাস পর, ক্রেতা সেই ডিসকাউন্ট এর রেফারেন্স দিয়ে ওই দামে প্রোডাক্ট চায়। তাদের যুক্তি ডিসকাউন্ট দিয়েও তো লাভ রেখেই বিক্রি করসেন তাহলে এখন সমস্যা কোথায়। অনলাইন পেইজে তাই ডিসকাউন্ট বুঝেশুনে দেওয়া উচিৎ।
Umme Ishrat Ritul
আসসালামু আলাইকুম,
আমি আমার পেজে ডিসকাউন্ট দেই না যেহেতু আমার পণ্য হাতে তৈরি তাই পণ্য আমার অর্ডারের পর বানিয়ে দিতে হয়, আমি মনে করি আমার প্রডাক্ট এর ডিসকাউন্ট দিলে আমার পণ্য সম্পর্কে ক্রেতার ভুল ধারনা সৃষ্টি হতে পারে,এবং যে ক্রেতা নরমাল সময়ের দামে কিনবে সে আমার প্রতি মন ক্ষুন্ন হতে পারে। তাই আমি আমার ক্রেতাদের পণ্যর সাথে ছোট ছোট গিফট আর চিরকুট দিতেই বেশী সাচ্ছন্দ্য বোধ করি এবং কাস্টমার ও ছোট ছোট গিফট আর চিককুটে ভিশন খুশি হয়। আমার মতে যারা আপনার পণ্য এর টার্গেট কাস্টমার তাদের আপনার ডিসকাউন্ট দিয়ে আকর্ষিত করার কিছু নেই,তারা আপনার প্রডাক্ট এমনেই কিনবে।
ভুল কিছু বল্লে দুঃখিত।
Tasnim Moonmoon
আমার মনে হয় ডিসকাউন্ট না দেয়াই ভালো কারন যে দামে প্রথমে প্রডাক্ট টা দেয়া হয়েছিলো পরে তা কমালে আমার মনে হয় ক্রেতার মনে দাম নিয়ে সংশয় হতে পারে।ভাবতে পারে তাহলে কমে আগে দিলামনা কেন।তবে আমি মনে করি গিফট🎁 দেয়া যায় যার যার বাজেট অনুযায়ী 🙂
Mojidul Islam
সবার প্রথমেই আপনাকে কিছু প্রশ্নের উত্তর সঠিক ভাবে জেনে নিতে হবে। পণ্যের কোন দিকটি সবচেয়ে ভালো? কাস্টমার বা গ্রাহক আপনার পণ্যের বা সার্ভিসের কোন দিকটি বেশি পছন্দ করে, আপনার পণ্যের জন্য তারা কত ব্যয় করতে ইচ্ছুক ইত্যাদি। এই প্রশ্নগুলোর পরিষ্কার উত্তর যদি আপনার কাছে না থাকে তাহলে আপনি আপনার পণ্যের বা সার্ভিস সঠিক ভাবে তাদের সামনে তুলে ধরতে পারবেন না এবং সেটা প্রভাব পরবে আপনার বিক্রয় এ।
Mojidul Islam
আপনাকে বুজতে হবে ক্রেতার প্রয়োজন কোন জিসিস সেটি আপনাকে বিক্রয় করতে হবে।
আপনি যা বিক্রয় করবেন তা যেন হয় ক্রেতার প্রয়োজন। কোন অপ্রয়োজনীয় পণ্য বা সার্ভিস কেউ কিনবে না। তাই কাস্টমার বা গ্রাহকের প্রয়োজন কোন সার্ভিসটি তা খুজে বের করুন। তার সেই প্রয়োজনের উপর সর্বোচ্চ গুরুত্বদিন এবং প্রয়োজনকে বিক্রয় করুন। একটু ভেবে দেখুন তাহলে দেখা যাবে যে চাহিদা সম্পুন্ন পন্য গুলো দ্রুত বিক্রি হবে।
Mojidul Islam
প্রতিটি পণ্য বিক্রয়ের জন্য মূল্য একটি গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়। মূল্যের উপর নির্ভর করে পণ্য বিক্রয় বৃদ্ধি পায় আবার হ্রাসও পায়। অনেকে মনে করে পণ্যের মূল্য কমিয়ে দিলে বিক্রয় বৃদ্ধি পাবে, এটা ঠিক নয়। অনেক পণ্যের মূল্য বেশি থাকার পরও তাদের বিক্রয় বেশি হয়। এখানে কোয়ালিটি অনেক প্রভাব ফেলে। আপনি বেশি মূল্যেও অনেক বিক্রয় করতে পারবেন যদি সেই কাস্টমারা যতটুকু প্রত্যশা নিয়ে আপনার উচ্চ মূল্যের পণ্য কিনবে সেই প্রত্যাশা পূরন হয়। তাই মূল্যের সাথে কোয়ালিটির সম্বনয় করে মূল্য নির্ধারন করতে হয়। যখনই কোন পণ্যের উচ্চ মূল্য নির্ধারন করবেন অবশ্যই কাস্টমারের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে নিবেন। একটা বিষয় এসে যায় যে, অনেকে উচ্চ মূল্য দেখেই চলে যান বা হ্রাস মূল্য দেখে নিজেই ভেবে নেন যে পণ্য এর কোয়ালিটি হয়ত ভালো না, এ অবস্থায় বলে রাখা ভালো হয়ত পণ্য এর কোয়ালিটি অনেক ভালো হওয়ায় আপনি উচ্চ মূল্য দিয়েছেন বা আপনার বিক্রয় বৃদ্ধি বা ব্রান্ডিং এর জন্য হয়ত হ্রাস মূল্য দিয়ে ছিলেন এবং তা না বুঝেই ক্রেতা চলে গিয়েছেন, এমন অবস্থায় আপনি একটু শেয়ার করবেন তাদের সাথে কেনো উচ্চ মূল্য বা কেনো হ্রাস মূল্য, আশা করি ক্রেতা বিষয়টি বুজবেন এবং আপনাকে প্রাধান্য দিবে
Mojidul Islam
প্রতিটি মার্কেটারের সফলতার পিছনে ৩টি ম্যাজিক পদক্ষেপ থাকতেই হয়, তা হল জিজ্ঞাসা করুন, শুনুন এবং পদক্ষেপ গ্রহন করুন। আপনি যদি আপনার ব্যবসায়ে এই ৩টি পদক্ষেপ এর প্রয়োগ না করেন তাহলে আপনার সেল বৃদ্ধি পাবে না। তাই প্রথমে জিজ্ঞাসা করুন আপনার গ্রাহক বা কাস্টমারকে তার প্রয়োজন কি? তিনি আপনার থেকে কি চান? কাস্টমার বা গ্রাহক আপনার কাছে সকল কিছু বললেও অনেক কিছু বাকি থেকে যায় বা সঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারে না। সেই বিষয় গুলো আপনাকে জিজ্ঞাসা করে জানতে হবে তাদের কথা ভালোভাবে শুনতে হবে এবং তার অনুসারে কাজ করতে হবে। তাহলেই কাস্টমারকে সঠিক সার্ভিস দিতে পারবেন এবং সন্তুষ্ট করতে পারবেন। যা আপনার বিক্রয় বৃদ্ধি করবে।
Mojidul Islam
যেকোনো মার্কেটে যান, একজন বিক্রয় কর্মীর সাথে কথা বলুন, উনি এই ৩টি কাজ করবেন অবশ্যই। কিন্তু আমাদের ফেসবুক পেজে কোন মেসেজ আসলেই আমরা কথা না বলে, একটা কপি পেস্ট মেসেজ দিয়ে দেই যে অর্ডার এর জন্য আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার, ঠিকানা ইত্যাদি দিন। কিন্তু আপনি যদি কথা বলেন ভালভাবে এবং একটু সময় দিন তাহলে একটা সম্পর্কও তৈরি হতে পারে যার মাধ্যমে পরবর্তীতে কাস্টমার প্রথমেই আপনার পেজে আসবেন এবং আপনার কাছে ভালো কি পণ্য আছে তা জানতে চাইতে। এছাড়াও প্রথমবার পণ্য না কেনার পরিকল্পনা থাকলেও সে আপনার কথায় খুশি হয়ে পণ্য কিনে ফেলতে পারেন।
Mojidul Islam
আপনার খারাপ মনোভাব পরিবর্তন করতে হবে
আমাদের দেশের চাকুরী বা ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল এটিটিউট। এই সমস্যা দূর করতে না পারলে বিক্রয় বৃদ্ধি করা যাবে না। যেমনঃ নেতিবাচক মনোভাব, কনফিডেন্সের অভাব, আগ্রহের অভাব, কাস্টমারের রিয়েকশনকে ইতিবাচকভাবে না নেওয়া, বিক্রিত পণ্য ফেরত না নেওয়া, কাস্টমারের প্রতি অল্পতেই বিরক্ত হওয়া, কাস্টমারকে সম্মান না দেয়া, অনলাইন এ চ্যাটিং হচ্ছে তাই নিজেই ভাব নিয়ে কথা বলা ইত্যাদি। এই ধরণের মনোভাব কাস্টমার থেকে আপনাকে দূরে রাখবে, আপনি কাস্টমারের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে পারবেন না। নিজেকে এই ধরণের সমস্যা থেকে মুক্ত করুন এবং ব্যবসায়ের বিক্রয় বৃদ্ধি করুন।
Kashema Reme
পন্যের গুণগত মান উন্নত হলে অফার মাঝে মাঝে দেয়া যেতে পারে কিন্তু মান খারাপ হলে অফার দিলে সেটা ব্যবসার জন্য আরো খারাপ।
মুহাম্মদ ইয়াছিন আরফাত
একটু নিজের অবস্থান থেকে চিন্তা করলে দেখা যাবে,আমরা এখনো ই-কমার্সে কত পিছিয়ে।
তাই আমরা এখনো চিটার বাটপারের কবলে পড়ছি, অর্ডার হচ্ছে না ডিস্কাউন্ট দিয়েও।
আমাদের এই বিষয় গুলি নিয়ে খুব সিরিয়াস ও পজেটিভ ভাবতে হবে
Md. Rabiul Islam
পণ্যের ছাড় দেওয়া হয় সাধারণত কয়েকটি কারণে। তাহলো
মজুদ শেষ করার জন্য ।
যখন কোনও পণ্যের উত্তীর্ণ ডেট এর কাছাকাছি চলে আসে তখন বিক্রেতারা পণ্যে ছাড় দেয়। অথবা নতুন পণ্য উৎপাদন হয়েছে কিন্তু টার্গেট অনুযায়ী সেল না হওয়ায় গোডাউন এখনো খালি হয়নি । এমন পরিস্থিতিতেও অনেক সময় ছাড় দেয়। এ সময় একটার সাথে একটা ফ্রি টাইপের ছাড় দেওয়া হয়।
বিক্রি বৃদ্ধির জন্য ।
বিক্রি বৃদ্ধির জন্য অনেক সময় ছাড় দেওয়া হয় ।
প্রচারণার জন্য ।
প্রচারণার জন্য অনেক সময় ছাড় দেওয়া হয়। বিশেষ করে নতুন কোম্পানি গুলো
Farhana Khushalid Miti
যদি মাঝে মধ্যেই অফার দেওয়া হয় আর ক্রেতা এ বিষয় টি যদি বুঝতে পারেন তাহলে অফার বা ছাড়ের জন্যই অপেক্ষা করতে থাকেন।
আবার একই পণ্য যারা আগে বেশি দামে নিয়েছে পরে অন্য কেউ তার থেকে কম দামে পেয়ে যায় সেটাতেও অনেক রেগুলার ক্রেতার কষ্ট পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এজন্য সব দিক বুঝে ছাড় বা অফার দেওয়া উচিত।
Barna Tabreez
কোন বিশেষ দিবস উপলক্ষ্যে ছাড় দেওয়া যেতে পারে। এমনিতে আমি অফার ব্যক্তিগত ভাবে পছন্দ করি না, মনে হয় কি না কি দিবে! আর খাবারের ক্ষেত্রে ছাড় তো আরো সন্দেহের উদ্রেক করে মানুষের মনে। তাই খাবারের সাথে আরেকটা প্রমোশনাল আইটেম অল্প করে রাখা যায় যেটা গ্রাহক টেস্ট করে দেখতে পারেন।
Mohammad Abdur Rahman
আমার মতে অফার বা ছাড় না দিয়ে পণ্যের গুণগত মানের বিষয়ে টার্গেট কাষ্টমারের মধ্য প্রচারণা করলে ব্যবসা বাড়ার সম্ভাবনা বেশী।আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো,আমার পণ্য কাষ্টমার কেন কিনবে সেই চাহিদা তৈরীতে জোর দেয়া।
Ayesha Hena
ভাল পণ্যের সেল এমনি হয় তবে সময় লাগে কাস্টমারের বিশ্বাস অর্জন করতে।।বিষেশ বিষেস দিবসে ডিসকাউন্ট দেওয়া যায়।।কোয়ালিটি ধরে রাখতে পারলে সেল বাড়বে।তবে অবশ্যই সবার থেকে আলাদা কিছু উপস্থাপন করতে পারলে ভাল সেল হয়।।
Suborna Das
অনেক সময় দেখা যায় যে একটা ভান্ডিলে অনেকগুলো কালার থাকে দুয়েকটা কালার অনেক সময় থেকে যায় আমি আবার পুনরায় চেঞ্জ করে নিয়ে আসি কিন্তু কখনও কম দামে বিক্রি করি না
Suborna Das
আমি টঙ্গীতে থাকার সুবাদে আমি সব সময় দেখি ছাড়ের সমারোহ কিন্তু পণ্যগুলোর কোয়ালিটি সম্বন্ধে আমি খুবই সন্দিহান
Raju Dev Nath
বিজনেস এ সেইল সব সময় একই রকম হয় না এটা খুবই সাধারণ ব্যপার। তাই অফার বা ডিস্কাউন্ট দিলেই সেল বেড়ে এমন কোনো ব্যপার নেই। কিন্তু অফার দিলে সেল কিছু টা বাড়তে পারে কিন্তু অফার এর পরে এভারেজ এর চেয়ে ও সেল কমে যায়। আবার অফার এর জন্য কাস্টমার নেতিবাচক চিন্তাও করে।
Munia Sabrina
আমার কাছে মনে হয় অফার কিংবা ছাড় দেওয়ার প্রয়োজন নেই এর কারণ আমি আমার পণ্যের প্রাইজটা ঐ ভাবে করি। তারপরও রমজানের ঈদে কিছু এক্সক্লুসিভ অফার থাকে তার মানে এই নয় আমার পণ্যের চলে না বলে দিয়ে দিচ্ছি
Munia Sabrina
আমার টাগেট কাস্টমার যারা তাদের কে যদি ভালো এবং তাদের রিকুয়ারমেন পূরণ করতে পারি তারা অফার না দিলেও আমার কাছে আসবে।
Farida Yasmin
ছাড় দেয়াটা সাময়িক ভালো লাগে, না দিলে ও সাময়িক হয়ত মনে হয় কাষ্টমার আকর্ষিত হচ্ছে না but long term এ ভালো result দেয় -না দেয়াটাই। এটা আমার ভাব- কোয়ালিটি compromise করে না দেখেই হয়তো ছাড় দিতে পারে না।
অনিরাজ জামান আয়েশা
আমি প্রায়ই অফার দিই। এতে করে আমার দুইটা লাভ হয় যদিও আপাত দৃষ্টিতে আর্থিক ক্ষতি হয় বলে মনে হয় । আমার লাভগুলো
1. যে একটা কৌটা নিতো সে দুইটা বা তিন কৌটা আচার নিচ্ছে। এতে আমার প্রোডাক্ট এর প্রচার হচ্ছে।
2. যিনি দুই থেকে তিন রকমের আচার নিচ্ছেন তিনি পরবর্তীতে আরো আচার নিচ্ছেন কারণ অফারের সময় তিনি আমার কয়েক রকম আচার টেস্ট করেছিলেন। এতে করে পরবর্তীতে আমার সেল বাড়ছে।
Kakoly Russell Talokder
অফার এ সুবিধা হলো কাস্টমার বাজেট চিন্তা করে কেনাকাটা করতে পারে,সেজন্য সেলস বাড়ে।অসুবিধা হলো যারা পেজের ফ্যান- ফলোয়ার তারা জানে কি কি উপলক্ষে এই পেজে ছাড় দেয়া হয়।সেটা বুঝেই ছাড় এর সময়টার জন্য অপেক্ষা করে থাকে।অন্যসময় আগ্রহ কম দেখায়।
এই ক্ষেত্রে সেলার যদি অফারে ছাড় না দিয়ে অন্যান্য সুবিধা এড করে যেমন সারপ্রাইজ গিফট, ডেলিভারি চার্জ ফ্রী তাহলে এই অসুবিধা টা অনেকটা মিনিমাইজ করা যায়।
Mohammed Abdullah Al Mamun
পণ্যের সাথে অফার দেওয়া বিক্রিতার জন্য বিক্রি বৃদ্ধির একটা সুযোগ বলে মনে করি
Sarmeen Layla Rahman
সেলস বৃদ্ধি জন্য ছাড় দেয়া যুক্তিযুক্ত তবে অবশ্যই লভ্যাংশ রেখে।কেনা দামে সেল করলে সেটা বিজনেসের আওতায় পড়ে না।
এর অসু্বিধা হল পরবতির্তে ক্রেতা কম দামেই পণ্য নিতে আগ্রহী থাকে।
Nabila Anwer
আমার ক্ষেত্রে এটা কখনোই দরকার পড়েনি। জিনিসগুলো ভালো হলে মানুষ সেটা যেভাবেই হউক নিবে। তারপরেও যদি অফার দেই তাহলে হয় তো অর্ডার বেশি আসবে। কিন্তু এতে আমার কাজের মান খারাপ হয়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত চাপ পড়লে কাজ মোটেও ভালো হবে না। এতে কাস্টমারের আস্থা হারাতে পারি। তাই সাময়িক লাভের জন্য অফার দিয়ে সেল বাড়ানোর চেয়ে অফার ছাড়া সেল করাই ভালো আমি মনে করি।
Priscilla Nawshin
beginner হিসেবে সব কিছুই current market price এর চেয়ে কমে দিতে হচ্ছে, but product 100% authentic হলেও মানুষকে বিশ্বাস করানো কঠিন
Mehjabin Tanny
বেশি বেশি ছাড় বা অফার দিলে পণ্যের গ্রহনযোগ্যতা হারানোর সম্ভাবনা থাকে।কারন গ্রাহক ভাবতে পারে পণ্যের গুনগত মান ভালনা বিধায় বিক্রি বাড়াতে ছাড় বা অফার দেয়া হয়েছে।
মুহাম্মদ ইয়াছিন আরফাত
সেলস বৃদ্ধির জন্য অফার দেওয়া জরুরি, কারন হলো অফার ডিস্কাউন্টের দেখলে কাস্টমার বেশি আগ্রহ প্রকাশ করবে
Sanzida Sathi
আমি সেল করতে gift করেছি ডেস, এমন কাউকে করেছি সে আরো ৩০ টা ডেস এর অর্ডার আসছে ২ গুন দামে।
কামরুন নাহার সেতু
আমার মনে হয় অফারটা এখন গ্রাহক এতেটাও গ্রহন করেনা,,কারন আমি নিজেই ভাবি যেখানে অফার দেয় আসলে মনে হয় ভালো না বা চলে না বিদায়
Md Shahin Alam
বেশি বিক্রি হলে কম লাভ হলেও চলবে এতে অল্প অল্প লাভ হলেও দিন শেষে অনেক লাভ হবে। তাই নির্দিষ্ট সময় উপলক্ষ্যে ছাড় দেয়া ভাল
মুহাম্মদ ইয়াছিন আরফাত
সুবিধা
পন্যের গুনগত মান ও সেলস বৃদ্ধির জন্য
যদি পন্যের মান ভাল থাকে তাহলে অফার দেওয়া লাগবেনা।
যদি পন্যের মান ভাল না থাকে তাহলে সেলস বৃদ্ধির জন্য অফার বা ডিস্কাউন্ট গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করে
Md. Rabiul Islam
অফার বা ছাড় মাঝেমধ্যে দেওয়া উচিত । কিন্তু দু নম্বরি ছাড়ের বিপক্ষে আমি। এমন ছাড় দিতে হবে যেন কম লাগে অধিক বিক্রি হয়। দশ টাকার জিনিসে একশো টাকা মূল্য লেখে তার উপর নব্বই পার্সেন্ট ছাড় দেওয়া মানে ভণ্ডামি । এসব করে কেউ বেশি দিন টিকে থাকতে পারবে না।
মুহাম্মদ ইয়াছিন আরফাত
অল্প লাভে বেশি ব্যবসা বা সেল করার জন্য।অফার বা ডিস্কাউন্ট দেওয়া যায়।
কিন্তু আমি মনে করি ভাল কিছু কাস্টমারকে দিয়ে যদি ভাল দাম পাওয়া না যায়। তাহলে কেন সেলসম্যান তার পন্য ডিস্কাউন্ট দিবে
Md Shahin Alam
ভোক্তা অনেক সময দামের সাথে মানের সমোঝোতা করে আবার কেউ মানের সাথে দামের সমোঝোতা করে। যে মানের সাথে দামের সমোঝোতা করে তাকে ছাড় দিলে সেও উপকৃত হয়।
ঝুমা হোসেন
ডিসকাউন্ট অফারটা কম দেওয়া ভালো। পন্যের গ্রহণযোগ্যতা কমে যায়।
গিফট অফার থাকলে সাসপেন্স থাকে কাস্টমার অাগ্রহী হয় বেশি
Farhana Akter Poly
আমার কাছে অফার কেন যেন গ্রহনযোগ্য হয়না কারনা অফার শুনলেই মনে হয় পন্যের মান হয়ত তেমন সুবিধার নয় এছাড়া শুধু ভাবনা থেকেই নয় কিছু কিছু পন্যের উপর ভিত্তি করেই বলছি যে অফার এর পন্য গুলোর গুনগত মান তত ভালো হয়না। তবে সবার পন্য বা সব বিক্রেতার মন মানুষিকতা এক নয়। অনেক ক্ষেত্রে অফারের মাধ্যমেই পন্য সম্পর্কে আইডিয়া পাওয়া। তাই বলব সব কিছুর সুবিধা অসুবিধা দুটোই আছে ।।
Nishat Sultana Chowdhury
মাঝেমধ্যে অফার দেয়া যেতে পারে তবে সেটা বিশেষ ক্ষেত্রে হতে পারে । স্টক ক্লিয়ারেন্স অফার হতে পারে। অথবা কোন বিশেষ দিবসকে কেন্দ্র করে হতে পারে
Farhana Akter Poly
অনেক সময় হয়ত বিক্রেতা তাদের পন্যের প্রচার করতেও অফার দিয়ে থাকেন কিন্তু আমরা কাষ্টমাররা হয়ত সেটা পজিটিভ ভাবে গ্রহন করিনা।
Md. Rabiul Islam
সকল ব্যবসায়ী প্রতিবছর বিজ্ঞাপন এর জন্য একটি বাজেট রাখেন। সেই বাজেটের মধ্যে যদি বছরে দু বার বা তিনবার অথবা বিভিন্ন অকেশনে ছাড় দেওয়া হয় তাহলে এটি খুবই ভাল হবে।
Farhana Akter Poly
যদি পন্যের কুয়ালিটি ভালো থাকে তাহলে তারা কাষ্টমারদের থেকে অনেক রেস্পন্স পাবেন। কাস্টমার যদি উপকৃত হয় তাহলে সবার আগে সেইখান থেকেই ক্রয় করবেন যেখানে পন্যের কুয়ালিটি ভালো পেয়েছে..
অফারের মাধ্যমে যদি আসল পন্যই ভোক্তার জন্য রাখা হয় তাহলে সেখানে অনেক ভালো সেল আশা করা যায়।
No comments:
Post a Comment