ই-কমার্স ব্র্যান্ড তৈরি করার পক্রিয়া - Adda Post

Md Daloare Hossain ▶ ‎Women and e-Commerce forum ( WE )

আড্ডা পোস্ট ১৬ নভেম্বর ২০১৯।

বিষয়ঃ ই-কমার্স ব্র্যান্ড তৈরি করার পক্রিয়া। একটা ব্র্যান্ড তৈরি করতে কি কি করা দরকার অনুসরণ করা উচিত তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করুন।

আজকের আড্ডা পোস্টে সবাইকে আন্তরিক স্বাগতম।

 — with Razib Ahmed and 2 others.

November 16 at 10:00 PM · 

Taslima Siddika Siddika

কমেন্ট পড়ে যা বুজলাম - ব্রান্ড তৈরী করতে হলে প্রথমে একটি উপযুক্ত নাম নির্বাচন করে তারপর নামের সাথে যায় সেরকম লোগো দিতে হবে। ব্রান্ডের নীতি ঠিক করতে হবে।সবকিছুই করতে হবে পন্য রিলেটেড।নাম এবং লোগোই একটি ব্রান্ডের পরিচয় বহন করে।পন্যের গুনগত মান ঠিক রেখে কাস্টমারের সন্তুষ্টি অর্জনের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।পন্য, নাম, লোগো সেবার নীতি এই সবকিছর উপর ভিত্তি করে ব্রান্ডের ইকটি ট্যাগলাইন ও পারলে থিসসং দিতে হবে।

Munia Sabrina

ব্র্যান্ড এর সুবিধা অনেক তার মধ্যে ১)কাস্টমারের আস্হা তৈরি হয় একটা ব্র্যান্ডের ওপর।২)একই ক্লাসে থাকা অন্য পণ্য থেকে নিজের আলাদা করে যা পরবর্তীতে বিক্রি করতে সহজ হয়
Mahzaben Antu

নামের পিছনে যেন একটা গল্প থাকে,, 
কেন এই নাম, মূলত উদ্দেশ্য কি তা ভাবা।।
Suraya Sharmin

নিজের ব্র্যানড করতে হলো অবশ্যই পন্যটির অন্য দশ-টা পন্য থেকে আলাদা বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে।
Mojidul Islam

সবাইকে স্বাগতম আজকের আড্ডায় আসতে আসতে অনেকটা দেরি এখন তেমন কেহ নেই আড্ডাতে আমি চলে আসলাম আসলে হয়েছে কি কাজের চাপে ছিলাম তাই আজকের আড্ডাতে আমার অনেক কমেন্ট করার ছিল দেলোয়ার ভাই যে বিষয়টি নিয়ে আজকের আড্ডার টপিক দিয়েছে তাতে করে অনেক কমেন্ট করতে পারতাম কিন্ত সময় মত আসতে না পেরে কমেন্ট গুলো করতে পারলাম না ।

Sarmeen Layla Rahman

নাম নিবার্চন করা,যা অশ্যই ব্যাবসা রিলেটেড হলে ভাল হবে।যেমন:সাফরিয়ানা'স টাচ, বুঝা যাচ্ছে মেয়েদের জন্য পণ্য। ট্যাগ লাইন:own your style with comfort, যা দিয়ে বুঝায় আরামদায়ক ও নিজস্ব স্টাইলের পোশাক পাওয়া যায়।সুতরাং যখন কেউ এমন পোশাক খুঁজবেন মনে পড়বে যে নাম-সাফরিয়ানা'স টাচ এটাই ব্র্যান্ডিং।যা ব্যাবসা টিকিয়ে রাখবে যুগ যুগ ধরে।অবশ্যই পণ্য মান সম্পন্ন এবং ভিন্নতার সমাহাররথাকতে হবে।মান ধরে রাখার বিষয়ে সব সময় সচেতন থাকতে হবে।

Mojidul Islam

প্রথমে আমাদের জানতে হবে এই ব্রান্ডিং আসলে কি জিনিস।
তবে আসুন জেনে নেই মুলত ব্র্যান্ডিং একটি স্বতন্ত্র নাম, আইকন, লোগো, জিংল, বা অন্য কোনও বৈশিষ্ট্য যা কোনও ক্রেতাকে আপনার কোম্পানী এবং পণ্য সনাক্ত করতে সহায়তা করে।

উদাহরণস্বরূপ, আপনার লোগো আপনার কোম্পানির পরিচয়। এটা আপনার ব্র্যান্ড। যখন কোনও নতুন বিক্রেতা আপনার ওয়েবসাইটে আসে, তখন সে আপনার পণ্যটির লোগো, নকশা, প্রতীক, ক্যাচলাইন, বা তারা দেখেছেন এমন কোনও রোমাঞ্চকর টুকরা দ্বারা সমর্থিত পণ্যের ধারণা নিয়ে ফিরে আসবে।
Mehjabin Tanny

নিজের ব্যবসায়ের ব্র্যান্ড টা ইউনিক হতে হবে যেন সহজেই গ্রাহক কে আকৃষ্ট করতে পারে।
Mojidul Islam

ব্রান্ডিং কিভাবে কাজ করে?
আপনার পণ্যের জন্য একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড তৈরি এবং বাস্তবায়ন করতে, আপনাকে একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড কৌশল রাখতে হবে। এই ব্র্যান্ড কৌশল আপনাকে আপনার ব্র্যান্ডটি তৈরি করতে চান এমন ব্র্যান্ড এবং এটি তৈরি করার জন্য আপনি কীভাবে যেতে পারেন তার সাথে সামঞ্জস্য করতে সহায়তা করে।

Mehjabin Tanny

ব্র্যান্ডে ব্যবসায়ের পন্যের প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তুলতে পারলে আরো বেশি গ্রহনযোগ্যতা পাবে গ্রাহকের কাছে।
Mojidul Islam

সর্বদা মনে রাখবেন, ব্র্যান্ড বিল্ডিং এক সময় কাজ নয়। আপনি তৈরি ব্র্যান্ড বজায় রাখা এবং উন্নীত করার জন্য, আপনি সময় সঙ্গে উন্নতি এবং উদ্ভাবনের প্রয়োজন হবে। হ্যাঁ, আপনার ব্র্যান্ডকে ভিত্তি করে থাকা প্রাথমিক মানগুলি অনেকগুলি পরিবর্তন করে না, তবে গ্রাহকের মনের মধ্যে তাজাতা বজায় রাখার জন্য চাক্ষুষ এবং সংবেদনশীল দিকগুলি তৈরি করা উচিত।

Mehjabin Tanny

ভিন্ন আঙ্গিকে ভিন্ন বৈচিত্র থাকতে হবে ব্যান্ডে নিজের পরিচিতি ব্যবসায়িক পরিচিতি বাড়াতে।গ্রাহকেরআস্হা বাড়াতে।
Ahasan Al Azad

আমার মতে ব্র‍্যান্ড তৈরি করতে যা লাগবে তা হল; সঠিক ও গুনগত মান ঠিক রাখা, একটা ভালো মার্কেটিং পলিসি এবং সর্বপরি ক্রেতার দিক বিবেচনা করে তাকে সাপোর্ট দেয়া।
Farida Yasmin

Common 1/2 টা শব্দ brand detail এ থাকা চাই, যাতে search engine a top posts এ থাকে। আড্ডা পোস্ট এ আমার 1st comment, ভুল থাকলে ধরিয়ে দিবেন।

ফারিয়া আবেদীন রাফা

ব্র‍্যান্ড করতে হলে মার্কেট রিসার্চ করে এমন পণ্য/সেবা দিতে হবে যা অন্য কেউ দিচ্ছে না।
তাহলে সহজেই মানুষের মনে জায়গা করে নেয়া যায়।
এই জায়গাটায় অনেক ঘাটতি আছে আমার মনে হয়

Sanaul Sani

১. একটা ইউনিক নাম 
২.রুচিশীল একটা লোগো 
৩.যে পণ্য নিয়ে কাজ করবেন এর মান ও কোয়ালিটি ভালো হতে হবে। 
৪.মার্কেটিং পলিসি ব্যতিক্রম হতে হবে।

Alamin Muttaque

আমাদের পণ্য পেয়ে যেন সবাই হ্যাপি হয়। আর তখনি ব্রান্ড ইমেজ তৈরী হবে। আর ই-কমার্স হবে ব্রান্ড ❤️💞💕
Nabila Anwer

প্রথমে ব্র্যান্ডের মূল বিষয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ন একটি নাম রাখতে হবে। তারপর একটি লোগো। লোগো ব্র্যান্ডের প্রচার ও পরিচয়ের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ। এরপর সব পণ্য বা সার্ভিস ঠিক হয়ে গেলে সবাইকে সে ব্যাপারে জানাতে হবে।

Naheed Sultana

একটা ব্রান্ড তৈরী করতে গেলে, ১।যে পন্য নিয়ে কাজ করবেন তার সম্পকে ভালোভাবে জানতে হবে, ২। পন্যের কোয়ালিটি ভালো হতে হবে, ৩।পন্যের ডিজাইনে ইনোভেশন থাকতে হবে, ৪। এবং পন্যের বাজারজাতকরন করার ব্যাপারে শুরু থেকে প্লান করতে হবে।

Abdur Razzak

নাম ঠিক করার পর ট্রেড লাইসেন্স টা করে নেয়া উচিত।তারপর খাদ্য দ্রব্য জিনিস কে ব্রান্ড বানাতে চাইলে BSTI থেকে অনুমতি নিতে হবে।

Mohammed Abdullah Al Mamun

পণ্যের ডিজাইন ভালো হতে হবে

Rafiq Islam

সবার আগে একটা ইউনিক লোগো তৈরি করতে হবে
Abdur Razzak

এখন যেহেতু ই-কমার্স ব্যবসায় এগিয়ে যাচ্ছে তাই পণ্যের জন্য একটি ওয়েবসাইট ও পেজ থাকতে হবে। যার মাধ্যমে পরিচিতি ও বিশ্বাস বাড়বে।
Sanzida Sathi

ব্রান্ড হচ্ছে একটি নাম,একটি পরিকল্পনা, একটি নকশা,সব গুলো একসাথে হয়ে একজন বিক্রেতার ও প্রতিষঠানের পরিচয় বহন কর।ব্রান্ড কারনে প্রত্যেক পণ্য অথবা প্রতিষঠান নিজেদেকে আলাদা ভাবে মার্কেট এ উপস্থাপন করে,এটা একটা সমপদ,।
মুহাম্মদ ইয়াছিন আরফাত

ব্র‍্যান্ড তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে আমার মতামত হলো। 
একটি ব্যবসা করতে হলে আমাদের যেমন সব কিছু নিয়ে ভাবতে হয় তেমনি ব্র‍্যান্ড তৈরিতে আমাদের নাম পরিকল্পনা নকশা তৈরি করতে হবে।
Momotaz Fariha

পণ্যের মান ও দাম ঠিক রেখে নিজের পণ্যকে যতটা সুন্দরভাবে উপস্থাপন ও প্রচার করা সম্ভব তা করতে হবে এর কোনো বিকল্প নেই৷ পণ্য,বিবরণ, উপস্থাপনায় যত বেশি নিজস্বতা থাকবে তা ততো বেশি গ্রহনযোগ্যতা পাবে।
আজ অনেকদিন পর আড্ডা পোস্টে অংশ নিতে পারলাম।
Sanzida Sathi

ব্রান্ড হচ্ছে একটি নাম,একটি পরিকল্পনা, একটি নকশা,সব গুলো একসাথে হয়ে একজন বিক্রেতার ও প্রতিষঠানের পরিচয় বহন কর।ব্রান্ড কারনে প্রত্যেক পণ্য অথবা প্রতিষঠান নিজেদেকে আলাদা ভাবে মার্কেট এ উপস্থাপন করে,ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজ ও গ্রুপের মাধ্যমে ই -কমাস ব্রান্ড তৈরি করতে পারি

রিয়াদ হাসান বাদশা

প্রথমে একটি নাম যা মানুষের ব্রেইন সহজেই এক্সেপ্ট করতে পারে,এবং দেখতে হবে ডোমেইন ফ্রী আছে কী না? অবশ্যই সেটা আপনার পণ্য বা সেবা রিলাটেড হতে হবে, তা হলে ভিজিটর এনগেজডমেন্ট বাড়বে, তারপর লিগ্যাল বিষয় নিয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে, তারপর আপনার সেবা বা পণ্যের বেপারে মনোযোগী হতে হবে, সব শেষে এসে মারকেটিং এবং ব্রান্ডিং নিয়ে অফলাইন এবং অনলাইনে পরিকল্পনা অনুযায়ী সময় দিতে হবে।
Sanzida Sathi

আমি করি নাই কিন্তু ডোমেইন, হোস্টিং টেড লাইসেন্স, ওয়েব সাইড,পেমেন্ট গেটওয়ে এগুলো নাম শুনেছি, কখন করব জানি না।এগুলো একটা প্রতিষঠানে ই কমার্স ব্রানড তৈরি করতে সাহায্য করে।

No comments:

Post a Comment