হোম মেইড পণ্যের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়া - Adda Post


Md Daloare Hossain ▶ ‎Women and e-Commerce forum ( WE )

আড্ডা পোস্ট ২৪ অক্টোবর ২০১৯।

বিষয়: হোম মেইড কি কি পণ্য হতে পারে? এর ফলে গৃহিণীরা কিভাবে তাদের সৃজনশীল মেধা কাজে লাগিয়ে সাবলম্বী হতে পারে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করুন।

সবাইকে আড্ডা পোস্টে স্বাগতম।

 — with Razib Ahmed and 2 others.

October 24 at 10:00 PM · 

Public

Sarmeen Layla Rahman

১.খাবার
২.চটের ব্যাগ
৩.গহনা
৪.শো পিস
৫.কাগজের ব্যাগ
৬.বক্স
৭.ফ্রোজেন খাবার
৮.বাচ্চাদের সিরিয়াল/সেরেল্যাক
৯.রুপ চর্চার বিভিন্ন অরগানিক প্রোডাক্ট
১০.হ্যান্ড মেইড পেপার
১১.কাঠের তৈরী জিনিস
১১.ব্লক
১২.মাশরুম 
১৩.গুড়া মশলা।
১৪.অরগানিক স্লিমিং ফুড।

Moni Akter

অনেকেই গয়না নিয়ে কাজ করে,,,
মেটারিয়াল গুলো কিনে এনে বাসায় বসে গয়না তৈরীর কাজ কিন্তু এখন অনেক প্রসার পেয়েছে,,
বিশেষ করে গায়ে হলুদের গয়নার খুব প্রচলন ঘটেছে,

Urmi Rumana

বিছানার চাদর, বালিশে ব্লকের কাজও খুব স্ট্যান্ডার্ড লাগে, এটা করতেও খুব বেশী মেধা বা কষ্ট করতে হয়না যদি না অনেক বেশী তৈরি করে।
Barna Tabreez

হোমমেইড পণ্য হতে পারে অনেক কিছুই। আমি কাজ করি হোমমেইড কেক নিয়ে। আজকাল দোকানের এত ভেজাল খাবারের ভিড়ে মানুষ বুঝতে পারে না কি খাবে আর কি খাবে না। সেক্ষেত্রে ঘরে তৈরী খাবার নিয়ে অন্যকিছু ভাবার অবকাশ নেই। ঘরে খাবার বানানোর জন্য উপকরণগুলো অর্ডার পাওয়ার পর কেনা হয় এবং তা দিয়েই রান্না করা হয়, আর আমার কেক বানানো হয়। আজকাল মানুষ হোমমেড খাবারের দিকে ঝুঁকছে, এতে ভেজালের ভীড়ে ফ্রেশ খাবার নিয়ে চিন্তাও যেমন কমে আসছে তেমনি যারা সেল করছেন তারাও অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

Raju Dev Nath

বাড়িতে যা বানায় তাই তু হোম মেইড। অনেক কিছুই তু আছে , কিন্তু হোম মেইড জিনিস গুলো ব্যবসায় আনার উদ্যোগ নেওয়া টায় হচ্ছে বড় বিষয়। কিন্তু আমি তেমন কিছু বানাতে পারি না।

Santa Mondal

আমি হোমমেইড ফুড নিয়ে কাজ করছি ২ বছর ধরে। নাড়ু,সন্দেশ, বিভিন্ন ডেজার্টস আইটর।আর কার্ভিং এখন নতুন ভালো লাগা

Eshita Akter Tania

কাঠের গয়না,হোম ডেকরের জিনিসপত্র 
পুতির গয়না, ব্যাগ,শো পিস।
পাটের ব্যাগ,গয়না,
আচার
পিঠা
ফ্রোজেন স্ন্যাকস
ব্লক বাটিক শাড়ূ,ড্রেস,চাদর
নকশী কাঁথা
ককশীট দিয়ে বিয়ে বাড়ির সাজানোর জিনিসপত্র 
কেক,
কুশি কাটার ড্রেস,গয়না।
কাগজের কার্ড, বুক মার্ক
হোমমেড রূপচর্চার প্রোডাক্ট 
মশলা।

Farjana Fatiha

কেমিক্যাল এর দুনিয়ায় আসলে হোম মেড পন্যের কোনো তুলোনা হয় না। বাড়িতেে যা বানানো হয় তাইতো হোম মেড। অনেক রকমের হতে পারে এই হোম মেড পণ্য,,,
এটা ব্যক্তির মেধা ও ইচ্ছাশক্তির উপর নির্ভর করে😊😊 
আমাদের দেশে হোমমেড পন্যের কথা ভাবলে সবার আগে মাথায় আসে খাবারের কথা,,,
এই খাবার হতে পারে বিভিন্ন আইটেমের,,,কেক,পিঠা,পুডিং, বিস্কুট,আচার,পিজ্জা,বারগার,মিষ্টি,পায়েস,দই... ইত্যাদি অনেক কিছু যার আসলে কোনো তুলনা হয় নাহ। এসব আইটেম নিয়ে কাজ করা যেতে পারে।।
এছাড়াও ভিন্ন রকম শিল্প নিয়ে ও কাজ করা যায় 
যেমন নকশী কাথা,বিভিন্ন রকম হস্তশিল্প বাটিক, টাইডাই, ঘরে তৈরি বিভিন্ন সোপিচ, ওয়াল ম্যাট, টেবিল ক্লোথ,, হাতে করা গহনা,পোশাক ইত্যাদি ইত্যাদি,,
এছাড়া ও এখনে হোম মেড অনেক প্রসাধনী /রুপচর্চা জাতীয় পন্য নিয়ে ও কাজ করতে দেখা যায় খুব ।
কেমিক্যাল এর যুগে যদি ন্যাচারাল পন্য পায় তাহলে কিন্তু সবাই সহজে আকৃষ্ট হয় আজকাল মানুষ হোমমেড খাবার এর দিকেই বেশি ঝুঁকছে।

কামরুন নাহার সেতু

এখন বর্তমানে গুড়া মসলায় অনেক ভেজাল, আমার মনে হয় মসলা গুড়া করে সেল করলে ভালো রেসপন্স পাওয়া যাবে, এখন সবাই নির্ভেজাল খাবার চায়।

Flora Ahmed

বাচ্চাদের খাবার
ফ্রোজেন ফুড
হোম ডেকর
এমন খাবার যা একবার বানালে অনেক দিন থাকে যেমন আচার সস
হোম মেড গয়না
হোম মেড বেকিং আইটেম
আসলে হোম মেড জিনিসের কোন লিমিটেশন নাই

Kaniz Ilma

সব মেয়ে এবং গৃহিনী কিছু না কিছু পারে। রান্না করা খাবার বিক্রি করাকেই আমরা হোমমেড বলে থাকি
Kaniz Ilma

কেক, আচার, পিঠা, ফ্রোজেন আইটেম এগুলো খুব জনপ্রিয়

Moriom Akther Sadhdhy

আমি হোম মেইড অর্গানিক প্রোডাক্টস নিয়ে কাজ করছি। যেমন ১০০% খাঁটি নারিকেল তেল, হোম মেইড হারবাল হেয়ার অয়েল, হেয়ার প্রোটিন প্যাক,হোম মেইড সোপ,ওয়েট লুস পাউডার। আপাতত এগুলো নিয়ে ছোট পরিসরে কাজ করছি।

Momotaz Fariha

হোমমেইড আচারটা আমার মনে হয় একটু বেশিই চলবে কারণ দেশের পাশাপাশি বিদেশিরাও আচার বেশ পছন্দ করেন এবং নিয়ে যান। দেশের বাইরে রপ্তানির চিন্তাও করা যেতে পারে এই নিয়ে। হোমমড ফুড বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়, পাশাপাশি হোমমেড ফ্রোজেন ফুড ও চকলেট। হোমমেড ফুড নিয়ে সরকারি কিছু ট্রেনিংয়েরও সুবিধা আছে তাই কেউ চাইলে কাজ করতে পারেন। গৃহিণীরা নিজের সংসারের পাশাপাশি নিজের একটা পরিচয় গড়ে তুলতে পারবেন

Urmi Rumana

আমাদের দেশে বেশির ভাগ গৃহিণী বাসার সব কাজ শেষ করে এমনিতেই হাতের অনেক কাজ করে সুতার কাজ - কাপরের উপর বিভিন্ন ডিজাইন,ফুল তোলা, নকশি কাথার কাজ, উলের জামা, ফুল, টেবিল ক্লথ, ওভেন কভার তৈরি করে। যদি তারা এগুলো বিক্রি করার একটা ব্যবস্থা করতে পারে তাহলে তাদের অর্থনৈতিক উন্নতি করত পারে।

Urmi Rumana

এছাড়া গৃহিণীরা অনেকেই দেখা যায়, ওয়াল ম্যাট বানায় - কাপরের উপর দৃশ্য বা বিভিন্ন উপকরন ব্য বহার করে ডিজাইন বানায়। সেগুলোও যথেষ্ট সুন্দর হয়, আমি নিজেই এরকম অনেক অয়াল ম্যাট দেখেছি। কিন্তু তারা অনলাইন সেল করার ব্যাপারে কোন ধারণা না থাকায় বিক্রির চিন্তাও করতে পারেনা

Afsana Afrin

দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায় এমন খাবারঃ

১. পিঠা। এতোদিন আমার ধারণা ছিল আজকাল কেউ পিঠা তেমন পছন্দ করেনা। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে ভুল ভাঙলো। ট্র‍্যাডিশনাল খাবারের প্রতি বাঙালির ঝোঁক অনেক বেশি।

২. আচার। এই জিনিস টার চাহিদা মেয়েদের মধ্যে অনেক বেশি। 

৩. ফ্রোজেন খাবার যেমন নাগেটস, কাবাব,রোল,রুটি - এসব সবচেয়ে প্রিয় বাচ্চাদের কাছে। সাথে সাথে কর্মজীবি মায়েদের সময় অনেক বাঁচিয়ে দেয় ফ্রোজেন খাবার। যখন তখন স্ন্যাকস হিসেবে সার্ভ করা যায়।

৪. বিভিন্ন রকম কেক আম্রা সনামধন্য অনেক বেকারিতে পাই।কিন্তু কাস্টমাইজড বিভিন্ন ডিজাইনের ফন্ডেন্ট কেক অনলাইনেই পাকা হাতের আপুরা সার্ভ করে থাকেন।

৫. বিভিন্ন রকম ডেজার্ট ও হোমমেড ই মজার। এমন না যে বাইরে পাওয়া যায়না।তবে তূলনামূলক কম ও দাম বেশি। 

৬. ব্যাচেলর,হোস্টেলবাসী,অফিস যারা করেন তাদের রেগুলার লাঞ্চ করাটা একটা কষ্টকর ব্যাপার।প্রতিদিন হোটেলের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের খাবার খাওয়াটাও ঠিক না।এক্ষেত্রে রেগুলার লাঞ্চ বক্স মিল হিসাব টা খুব কাজে দেয়।

৭. বিরিয়ানি,পোলাও,কাচ্চি,চাইনিজ সেট মেন্যু- সব ই আম্রা রেস্টুরেন্টে খাই। কিন্তু বাসার যে টেস্ট সেটা আসলেই তুলনাহীন। অনেক সময় দেখা যায়, ক্লায়েন্ট ছোট পার্টির জন্য হলেও অনলাইন হোমমেড ফুডের জন্য অর্ডার করেন।
Devilboy Rahen

গ্রামে হোম মেইড পণ্যের সঠিক মূল্য না পাওয়ার কারণে নিরাশাজনকভাবে অনেকেই কাজ ছেড়েদেয়
আলী বাবা

হোম মেইড ম্যাকারদের অনেক জিনিসের সাথে এটাও মাথায় রাখতে হবে নিজের পণ্যের আলাদা একটা বৈশিষ্ট্য তৈরি করতে হবে।

Taslima Siddika Siddika

হাতের তৈরি হরোক রকম পন্য আছে যার সব নিয়েই ব্যবসা করা যায। বেবীদের খেলনাও হতেপারে যা কাপড়ের বা অন্য কোন ভাল ম্যাটেরিয়াল দিয়ে তৈরি,যা হতে হবে সাস্থ্য সম্মতো।

Moni Akter

হোম মেড পন্য অনেক রকমের হতে পারে,,,
এটা আসলে আমি মনে করি ব্যক্তির মেধা ও ইচ্ছাশক্তির উপর নির্ভর করে,,, 
আমাদের দেশে অবশ্য হোমমেড পন্যের কথা ভাবলেই সবার আগে খাবারের কথা টাই মাথায় আসে,,
বিভিন্ন রকম খাবার আইটেম,,,আচার ইত্যাদি নিয়ে কাজ করা যেতে পারে,,
তবে বিভিন্ন রকম শিল্প নিয়ে ও কাজ করা যায় 
যেমন নকশী কাথা,,বিভিন্ন রকম হস্তশিল্প 
এছাড়া ও অনেকে হোম মেড প্রসাধনী /রুপচর্চা জাতীয় পন্য নিয়ে ও কাজ করে,, 
ভালো মানের উপাদান নিয়ে কাজ করলে এটি খুব ভালো হতে পারে,,কারন কেমিক্যাল এর যুগে যদি পিউর ন্যাচারাল পন্য পায় তাহলে কিন্তু সবাই সহজে আকৃষ্ট হবে

Razib Ahmed

উই এর কারনে দেশি পণ্যের বিক্রি অনলাইনে অনেক বাড়বে এতে সন্দেহ নেই। তবে হোম মেইড পণ্য নিয়ে যারা কাজ করছেন তাদের অনেক বেশি সিরিয়াস হতে হবে।
Urmi Rumana

প্লাস্টিকের বোতল দিএও অনেক শো পিস তৈরি করা যায়, যা দেখতেও সুন্দর। ফুল বানানো যায়, অন্যান্য দেশে এই জিনিশগুলর অনেক চাহিদা আছে।

Taslima Siddika Siddika

টেবিল ম্যাট রানার সহ, যা হতে পারে পাটের, কাপড়ের বা অন্য নতুন কিছু দিয়ে। ঘরের নিত্য প্রয়োজনীয পন্যের কাবার,
Moni Akter

হোম মেড পন্য গৃহিনীদের জন্য অনেক উত্তম একটি মাধ্যম নিজের মেধাকে বিকাশ করার জন্য,,,
এই রকম পন্য নিয়ে কাজ করতে হলে সব সময় ই অনেক চিন্তা ভাবনা করে কাজ করতে হয়,,মানুষ যদি একই পন্য বাজার থেকে ক্রয় করতে পারে তাহলে কেন আমার থেকে নিবে,,
নতুনত্ব নিয়ে কাজ করতে হয় হোম মেড পন্যের ক্ষেত্রে,,,
এভাবে আস্তে আস্তে অনেক ভেবে কাজ করতে হয় ফলে মেধার বিকাশ ঘটে,,
একটা কাজ করতে গেলে দেখা যায় আরেক চিন্তা মাথায় চলে আসে এভাবেই সৃজনশীলতার সৃষ্টি হয়
Saikat Hasan Kabbo

আমার কাছে কেক অনেক ভালো লাগে।আমার মনে হয় অনেকেরই কেক পছন্দ করে।তাছাড়া বাচ্চাদের জন্মদিনে কেক কাটে।বিশেষ অনুষ্ঠানে কেক কেটে অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ করে।সবাই চায় ভালো মানের কেক।তাই কেক নিয়ে আলাদাভাবে চিন্তা করতে হবে।এর গুনগত মান ঠিক রেখে বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে।
Urmi Rumana

আর খুব সহজে খুব কম টাকায় গৃহিণীরা যে বিজনেস টা শুরু করতে পারে তা হল নিউ বর্ণ বেবিদের কাথা তৈরি। এটা অনেক দামেই বিক্রি করা যায়, যদি সুন্দর ডিজাইন করা যায়। যারা ভাল সেলাইয়ের কাজ জানে তারা এটা ছাড়াও বেবি নিমাতে সুন্দর ডিজাইন করেও বিক্রি করতে পারে।

Afsana Afrin

পিঠা,আচার,ফ্রোজেন খাবার।
এসব একদিন বানিয়ে প্রায় মাস খানেক সংরক্ষণ করা যায়।
এছাড়া রেগুলার ভাত,সব্জি ভর্তা, চাইনিজ প্যাকেজ,বিরিয়ানি,কেক ও রাখা যায় সুবিধামত।

Tanin Saroare

হোম মেড জিনিসগুলি অনেকটা নিজের জমিতে চাষ করা ফসলের মতো যেটাতে কোনো ফরমালিন নাই,সবাই এটা চায়,চাহিদার কোনো কমতি নাই

Suborna Das

বিশেষ করে বাঁশ এবং বেতের তৈরি অনেক কিছু তৈরি করা যায় গ্রাম এবং শহরের প্রচুর চাহিদা রয়েছে
Arobe Mariam

ঘরে তৈরি খাবার,
ম্যাচের কাঠি, কটনবাড দিয়ে তৈরি ওয়ালম্যাট,
হাতের কাজের পোশাক ও গৃহসজ্জা সামগ্রী,
পেপার ক্রাফ্ট,
হাতে তৈরি গহনা,
কাগজের মন্ডেরতৈরি বিভিন্ন জিনিস,
পুঁথির তৈরি শোপিস ও অনান্য ব্যবহার সামগ্রী,
বেতির তৈরি ব্যাগ,
ক্রুশের কাজের পণ্য,
উলের তৈরি পোশাক,
অর্গানিক প্রসাধনী ইত্যাদি।

Khursheda Ronee

কুকড ফুড, পিঠা, কেক, আচার, ফ্রোজেন ফুড, 
সেমাই, চানাচুর ইত্যাদি। 
হস্তশিল্প পন্য ও কুটিরশিল্প পন্য। 
এপলিক, সুতার কাজের কাপড় বেডকভার কুরুশের বিভিন্ন হোম ডেকোর আইটেম। 
সবই হতে পারে হোমমেইড।
Urmi Rumana

হোম মেইড প্রোডাক্ট - খাবার, ক্রাফটিং, ব্লক, বাটিকের কাজও বাসায় করা যায়, হোম ডেকরেশান প্রোডাক্ট, হ্যান্ড পেইন্ট কাপড় এরকম অনেক কিছুই করা যায়।

Hossain Sumi

হোম মেড খাবার এর কোন শেষ নাই কারণ বাসায় যা বানানো তাই হোমমেড। আচার থেকে শুরু করে বিভিন্ন পিঠা,পায়েস,পুডিং,ভর্তা,খিচুরি ইত্যাদি।

Urmi Rumana

হোম মেইড প্রোডাক্ট বানানোর জন্য মেধা লাগবে এটা যেমন ঠিক তেমনি কিছু টাকাও লাগবে শুরু করার জন্য। টাকা যোগাড় করে ভাল একটা সোর্স বের করে নিজের মেধা এবং ক্রিএটিভিটি কাজে লাগিয়ে নারীরা স্বাবলম্বী হতে পারে। ঘরে বসেই নিজের বিজনেস শুরু করতে পারে। শুধু একটু সাহস আর পরিবারের সাপোর্ট পেলে এদেশের অর্থনৈতিক অবস্থাই পাল্টে যেত।

S M Mehdi Hassan

সবাইকে আজকের আড্ডায় স্বাগতম। হোমমেইড পণ্য অনেক কিছুই হতে পারে। অনেকে অনেক ধরণের কাজ জানে। তারা বাসা থেকে তাদের এসব কাজ করতে পারে। এখন সফল হবেন কি হবেন না সেটা আসলে নির্ভর করে তিনি কতটা সিরিয়াস তার উপরে। যেমন- হাতে বানানো খাবার খুবই জনপ্রিয় একটা পণ্য হতে পারে। ঢাকা শহরে খাবার ছাড়া সেভাবে আর বিনোদনের কোন উৎস নেই লোকের। কেউ যদি ভাল মানের সুস্বাদু ঘরের খাবার বিক্রি করতে পারে অনেক লাভবান হবে।

1 comment:

  1. For more wooden crafts with low price in bangladesh please visit my feriwala facebook page : https://www.facebook.com/feriwalaltd/

    ReplyDelete