Md Daloare Hossain ▶ Women and e-Commerce forum ( WE )
আড্ডা পোস্ট ২ জানুয়ারী ২০২০।
বিষয়ঃ নিজের পণ্য নিয়ে গ্রুপে লেখালেখি করা।
আড্ডা পোস্টে সবাইকে স্বাগতম।
— with Razib Ahmed and S M Mehdi Hassan.
January 2 at 10:47 PM ·
Public
Shawkat Ara Mow
অনেক গ্রুতপুরন বিষয় এইটা ভাইয়া, কারন নিজের পণ্য সম্পর্কে জত বেশি মানুষকে জানানো যাবে, তত বশি মার্কেটিং ভ্যলু বারবে! কিন্তু সবচেয়ে বড় ব্যপার, আগে ভাল করে নিজের প্রোডাক্ট সম্পর্কে আগে নিজেকে ভাল করে জানতে হবে! তাওহ্লেই অন্যকে জানানো যাবে! আর পণ্যের গুণগত মানটাও ভাল থাকা উচিত,
সিদরাত ফারজানা অাঁখি
পণ্যকে পরিচিত করাতে হলে অবশ্যই অাগে, নিজের পণ্য সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকতে হবে, এবং তার জন্য অালাদা পড়াশোনারও দরকার অাছে।
Farhan Sarmin
ব্যাবসা করতে হলে অবশ্যই নিজের পণ্যকে পরিচিত করতে হবে আর নিজের পণ্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকতে হবে।শুধু বাই সেল করলে হবেনা
Jannatul Ferdus Nipa
অন্যকে জানানোর আগে নিজেকে ভালো করে জানতে হবে পন্য সম্পর্কে। যেমন আমি Green Tea নিয়ে কাজ করি আজকে আমি এই চা নিয়ে পড়াশুনা করতে গিয়ে এত তথ্য জানলাম যা আগে জানতাম ই না। তখন মাথাশ আসলো তাহলে তো এসব তথ্য আমি সবাইকে জানাতে পাড়ি।
Rockshana Ashrafy
আমি এপ্লিক এর বিছানার চাদর সেল করি।চাদর এর পিক সহ কয়েকটি পোস্ট ও দিয়েছি।কিন্তু লাইক,কমেন্ট খুব কম দেখলাম।পোস্ট গুলো মনে হয় খব তারাতাড়ি পিছনে পড়ে যায়।
Moni Akter
নিজের পন্য নিয়ে গ্রুপে লেখালেখি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ,,,
কারন গ্রুপে লেখালেখির মাধ্যমেই নিজের পন্যকে সবার মাঝে পরিচয় করিয়ে দেয়ার অন্যতম সুযোগ রয়েছে
সঠিক ভাবে পন্যের উপস্থাপন করতে পারলে পন্য সম্পর্কে সবাই বুঝতে পারবে জানতে পারবে এবং সাথে ব্যক্তি নিজে ও গ্রুপের সবার সাথে সহজেই পরিচিত হতে পারবে।
তবে পন্য সম্পর্কে লেখালেখির আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখলে ভালো হয়
*অবশ্যই পন্য সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান থাকতে হবে
*পন্য নিয়ে একেক দিন পন্যের একেক টি দিক নিয়ে লেখা
*কেউ পন্য সম্পর্কে জানতে চাইলে অবশ্যই চেষ্টা করা তাকে উত্তর দেয়া
*লেখার সাথে পন্যের উপযুক্ত ছবি দিলে সবচেয়ে বেশি ভালো হয়
*তাছাড়া শুধু পন্যের ছবি ও ২/১ লাইনের পোস্ট না দিয়ে একটু বিস্তারিত লিখলে ভালো হবে
লেখালেখির সাথে অন্যদের প্রয়োজনীয় পোস্টে কমেন্ট করে নিজেকে গ্রুপে এক্টিভ রাখা
Titly Tasnim
প্রথম যখন বিজনেসটা শুরু করি শুধু টাংগাইলের তাতের শাড়ি নিয়ে শুরু করেছিলাম। কিন্তু কয়েকমাস পরেও যখন তেমন কোন রেসপন্স পাই নি, তাতের শাড়ি বলে মানুষ দাম জিগেস করে চলে যেত আর অবজ্ঞা করত তখন বাধ্য হয়ে কিছু বিদেশি পণ্য এড করি। কিন্তু এখন আবার শুরু করব ইনশাআল্লাহ শুধু টাংগাইলের সব শাড়ি থাকবে
Sakhawat Hossain
আম পেয়ারা বরই যাবতীয় কৃষি পণ্য নিয়ে কাজ করে থাকি ৷ we গ্রুপে এর মাধ্যমে এই পণ্য গুলো কে তুলে ধরছি৷ইনস আল্লাহ এই বছর ভালো কিছু হবে৷
Raju Ahmed
দেশি পন্য নিয়ে সবাই ভালই লিখতে পারবে। তবে এই জন্য প্রতিদিন কিছু না কিছু লেখা। বাংলাদেশের জন্য বাংলা এবং ইংরেজি ফোকাস থাকলে ইংরেজিতে লিখলে ভালই হবে। ইংরেজিতে দুর্বল হলে সার্চ ইংলিশ হাতের নাগালে ফ্রি পাবে৷ সেখান থেকে শিখে নিতে পারবে। কি দরকার থাকা আর?
Fatima Tuz Zahura
আমাদের "ভিন্নতা"য় আছে টাংগাইলের সবধরনের শাড়ি, থ্রীপিস, রাজশাহী, যশোর, জামালপুরের হাতের কাজের ড্রেস, বিছানার চাদর, নকশীকাঁথা,কটি, সিলেটের মনিপুরী শাড়ি, ড্রেস, রাঙামাটির আদিবাসীদের হাতেবোনা শাড়ি, ড্রেস, রংপুরের শতরঞ্জি, শ্রীমঙ্গলের বাগান সেরা চাপাতা..... মোট কথা, আমরা ভিন্নতা"র একছাদের নীচে বাংলাদেশের সব ঐতিহ্যকে একত্র করতে চেষ্টা করে যাচ্ছি, আলহামদুলিল্লাহ ❤️❤️❤️
Shakila Rahman
আমি ঘরে তইরি খাবার নিয়ে কাজ করছি। প্রতিদিন সংবাদে ভেজাল খাদ্য দেখে খুব হতাশ হয়ে উঠি। নিজের বাচ্চাদের আর ভালবাসার মানুষের জন্য তাই সব বিশুদ্ধ আর সাস্থ্যস ম্মোত খাবার দিতে আমার এই প্রচেষ্টা
নাদিয়া রওশন
আসলে লিখতে চাই কিন্তু নিয়মিত হতে পারছি না, মজার ব্যাপার হলো অনেকগুলো গ্রুপে আগে পোস্ট দিতাম, সেল পোস্ট দেওয়ার রেজিস্ট্রেশন ও করিনি, এই গ্রুপে একটিভ হবো বলে
Humaira Anzum
আসসালামু আলাইকুম। সবাইকে আড্ডা পোস্টে স্বাগতম। নিজের পণ্য নিয়ে লেখালেখি করাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমি একটা পণ্যের সেল পোস্ট দিলে সেখানে হয়ত শুধু পণ্যের দাম লেখা থাকবে। কিন্তু পণ্য নিয়ে লেখালেখি করলে পণ্যের উপাদান, ব্যবহারের সুবিধা-অসুবিধা, ব্যবহারবিধি এসব সম্পর্কিত সকল তথ্য একজন ক্রেতা পেয়ে যায়। কেনার ইচ্ছা না থাকলেও কৌতূহলী হয়ে অনেকে লেখাটা পড়বে। এতে একসময় না একসময় কিনবেই। আবার উৎপাদনের প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু তথ্য থাকলে পণ্যের দাম নিয়ে ক্রেতার দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকেনা।
Sharmin Mustafa
আমি জুয়েলারি নিয়ে কাজ করি,এবং আমার রান্নার একটা পেইজ আছে।হোম মেইড ফুড এর। we গ্রুপে আমি এই ১ম একটা কমেন্ট করলাম।কারন আমি নিউ।আশা করছি এই গ্রুপ থেকে ভাল অনেক কিছু পাবো।
Raju Dev Nath
যারা কোনো ব্যবসায়ি বা উদ্যোগতা না। তারা কি নিয়ে লিখালিখি করা উচিত? যেমন আমি?
Humaira Anzum
Raju Dev Nath ব্যবসায়িক ভাবনা থাকলে সেটা নিয়ে লেখা যায়। ক্রেতা হলে প্রচলিত পণ্য নিয়ে কেমন ধারনা বা চাহিদা নিয়ে লেখা যায়।
Tamanna Rahman
Raju Dev Nath ভাইয়া যেকোন দেশী প্রোডাক্ট এর সাথে পরিচয় করাতে পারেন ।।কারণ এখনে অনেক জেলার লোক থাকে,,।।জেলা ভেদে অনেক জিনিস অজানা।।তাই এগিয়ে আসুন দেশকে জানাতে ।।।আর আপনি ক্রেতা হিসেবে আপনার চাহিদা, অভিজ্ঞতা ইত্যাদি শেয়ার করতে পারেন।।
রাজিয়া কবির
আমরা ঢাকায় নিজেদের খামারের গরুর দুধ সরবরাহ করছি। সাথে আছে সরিষার তেল আর শীঘ্র ই ঘি বাজারজাত করতে যাচ্ছি। আমি কি লিখবো পণ্য নিয়ে ঠিক বুঝতে পারছি না। আর তাই কিছু লিখাও হচ্ছে না 😣😣😣
Moni Akter
রাজিয়া কবির আপু আপনি যে কাজ করছেন সেটি নিয়েই লেখা শুরু করে দেন
যে পন্য নিয়ে কাজ করছেন তার উপকারিতা লিখতে পারেন,
ব্যবসা শুরুর গল্প লিখতে পারেন
এই ব্যবসাতে কি কি প্রতিবন্ধকতা পেয়েছেন পাচ্ছেন তা লিখতে পারেন সফলতা নিয়ে ও লিখতে পারেন 🤗🤗
Farhana Kanan Lucky
আমি নতুন করে নকশী কাঁথার কাজ শুরু করবো । চেষ্টা করছি নকশী কাঁথা নিয়ে লেখার ।সবাই যত নকশী কাঁথা সম্পর্কে জানবে তার এই প্রোডাক্ট এর প্রতি আগ্রহ বাড়বে । সাথে আমার নাম ও পরিচিত হবে । যখন সেই ব্যক্তি নকশী কাঁথা কেনার কথা ভাববে তখন প্রথমেই তার আমার নামটি মাথায় আসবে আর এই স্ট্র্যাটেজি নিয়ে কিন্তু রাজিব স্যার WE পরিচালনা করছেন
S M Mehdi Hassan
সবাইকে আজকের আড্ডায় স্বাগতম। বড় কমেন্ট হয়ে গিয়েছে বিধায় দুইভাগে ভাগ করে দিচ্ছি।
প্রথম ভাগ-
ফেসবুকের মাধ্যমে বাংলাদেশের অনলাইন ব্যবসায়ীরা সহজে অনেক লোকের কাছে রিচ করতে কিন্তু বাস্তবতা সামান্য কয়েকজন লোক তাদের কাছে থেকে শেষ পর্যন্ত পণ্য ক্রয় করবে এবং অনেকে হয়তো একবার পণ্য ক্রয় করে আর কিনবেও না। তার চেয়েও ভয়ানক কথা হচ্ছে কোন ক্রেতার যদি বাজে অভিজ্ঞতা হয় সে হয়তো সেটা কোন গ্রুপে বা তার প্রোফাইলে লিখলে তার পরিচিত জনের কাছে সেই ব্যবসায়ীর দূর্নাম ছড়িয়ে পড়বে এবং এটাই হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। সেই ব্যবসায়ী হয়তোবা ইচ্ছাকৃতভাবে ভুলটা করেন নি। কিন্তু কিছু বোঝার আগেই তার ব্যবসা এবং তার পণ্যের সম্পর্কে দ্রুত দূর্নাম ছড়িয়ে পড়বে। এটাই হচ্ছে ফেসবুকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ফেসবুক অনেকটা দুইধারী তলোয়ারের মতো। একে যদি ঠিক মতো ব্যবহার করা না যায় তাহলে সেটাই সবচেয়ে বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। ফেসবুকের মাধ্যমে মানুষের কাছে প্রচার করা সহজ কিন্তু একজন ক্রেতা তৈরি করা এবং সেই ক্রেতাকে ধরে রাখা মানে রিপিট কাস্টমার বানানো আরো অনেক চ্যালেঞ্জিং।
বর্তমান বাস্তবতায় আমাদের দেশে অনলাইনে ক্রয়কৃত পণ্য ডেলিভারি দেয়া খুবই চ্যালেঞ্জিং একটা বিষয়। এই অবস্থায় অনলাইনে পণ্য বিক্রি করার একমাত্র উপায় হচ্ছে ক্রেতার সাথে ভাল বোঝাপড়া গড়ে তোলা। একজন লোক পেইজে এসে পণ্য দেখছে, সে কিনুক আর না কিনুক পেজ সম্পর্কে বা পণ্য সম্পর্কে তার যেন নেতিবাচক ধারণা না হয় সেটা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি।
এই বিচারে সেরা উপায় হচ্ছে পণ্য নিয়ে উই গ্রুপে নিয়মিত পোস্ট দেয়া, অন্যদের পোস্টে কমেন্ট করা, এবং সকলের কমেন্টের সাথে সাথে রিপ্লাই দেয়া। যদি এটা করা যায় তাহলে ক্রেতার মধ্যে বিক্রেতা ও তার পণ্য সম্পর্কে সহজেই আস্থা তৈরি হবে।
S M Mehdi Hassan
দ্বিতীয় ভাগ-
২০১৪ সালে ই-ক্যাব ফেসবুক গ্রুপ শুরু হয়। প্রাথমিক অবস্থায় গ্রুপকে কেউ সিরিয়াসলি নিত না। সেভাবে লোক আসত না গ্রুপে, আসলেও সেভাবে কেউ সিরিয়াস ছিল না। কিন্তু ভায়া প্রতিদিন গ্রুপে সময় দিয়েছেন, প্রথম ১৮ মাস ভায়া নিজেই নিয়মিত পোস্ট দিয়েছেন, যারাই পোস্টের কমেন্ট করেছেন, তাদের সাথে সাথে রিপ্লাই দিয়েছেন। এমনকি ভায়াকে ব্যক্তিগতভাবে মেসেঞ্জারে যেই নক দিত ভায়া সাথে সাথে রিপ্লাই দিতেন। এই পুরো ব্যাপারটাই খুবই এক ঘেয়ে এবং বিরক্তিকর। কিন্তু ই-ক্যাব অফিস সামলে, ভায়া দিনের পর দিন এই কাজ করে গিয়েছেন।
এর ফল যেটা হয়েছে ই-ক্যাব গ্রুপের সবাই Razib Ahmed ভায়ার সম্পর্কে এবং ই-ক্যাব সম্পর্কে ভাল একটা ধারণা তৈরি হয়েছে। আমার এখনো মনে আছে, একবার বাড্ডাতে এক অফিসে গিয়েছিলাম ভায়ার সাথে মিটিঙয়ে। মিটিং শেষ করে বের হবার সময়ে একজন বলছে, "রাজিব ভাই কি করে? সারাদিন দেখি লোকটা ফেসবুকে থাকে। দিন নাই, রাত নাই, যখনি কমেন্ট করি তখনি রিপ্লাই দেয়।" আমি তার পাশে দাঁড়িয়ে চুপচাপ কথা শুনছিলাম।
ভায়া এভাবে নিয়মিত গ্রুপে পোস্ট করা এবং কমেন্ট করার ফলে লোকজনের মধ্যে নিজের সম্পর্কে এবং ই-ক্যাব সম্পর্কে আস্থা তৈরি করতে পেরেছিলেন। এরপরে ইতিহাস কি হয়েছে তা সবার জানা। বাংলাদেশের আর কোন ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের এত শক্তিশালী গ্রুপ ছিল না।
ঠিক একই ভাবে একজন ফেসবুক ব্যবসায়ী মানে উইয়ের যারা ব্যবসায়ী আছেন তারা যদি উই ফেসবুক গ্রুপকে সিরিয়াসলি নেন এবং নিয়মিত তাদের পণ্য ও সেবা সম্পর্কে গ্রুপে পোস্ট করেন তাহলে সেটা সম্ভাব্য ক্রেতাদের মধ্যে সেই ব্যবসায়ী সম্পর্কে একটা আস্থা ও বিশ্বাস তৈরি করবে। এটা করা গেলে বাকি কাজটা অনেক সহজ হয়ে যাবে।
তবে শুধু নিজের পণ্য সম্পর্কে পোস্ট করাই যথেষ্ট নয়। সাথে অন্যদের পোস্টে কমেন্ট করা, কমেন্টের রিপ্লাই দেয়া। এই কাজ গুলোও অত্যন্ত সিরিয়াসলি নিষ্ঠার সাথে করতে হবে।
এই জন্যেই ভায়া বার বার আপনাদের বলেন যে ভালভাবে ইংরেজি ও বাংলা টাইপ করতে শিখুন। নিয়মিত বই পড়তে বলেন। কারণ আপনি যখন নিয়মিত বই পড়বেন এবং সেই বইয়ের রিভিউ দেবেন এটা করার ফলে আপনার নিজের একটা লেখার হাত তৈরি হবে। যখন নিজের পণ্য সম্পর্কে পোস্ট দেবেন তখন এই দক্ষতাটা আপনার খুবই কাজে দেবে। সেদিন উই কালারফুল ফেস্ট এ একজন মহিলা ভায়ার কাছে এসে বলেন তিনি ফেসবুকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করতে চান কিন্তু তিনি কম্পিউটারে টাইপ করতে পারেন না। ভায়া তাকে বললেও আমার মনে হয়েছে সেই মহিলা বিষয়টা সিরিয়াসলি নেয় নি। এরকম অনেকেই আছেন। এরা ফেসবুকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রিতে খুব বেশি ভাল করবেন বলে আমার মনে হয় না।
Tasnia Zahura
★ নিজের পণ্য নিয়ে গ্রুপে আলোচনা করলে সবার আগে আমার নিজের পরিচিতি তৈরী হয়
★ আমি কি পণ্য নিয়ে কাজ করছি এটা সবাই জানতে পারছে
★ আমার পণ্য সম্পর্কে কতটুকু জ্ঞান আছে সেটা সবাই জানতে পারছে
★ আমি আমার কাজে কতটা সিরিয়াস এটা সবাই জানতে পারছে
★ আমার বিজনেস আমার শখ নাকি পেশা এটা সবাই বুঝতে পারছে
★আমিই আমার পণ্যের ব্রান্ড, গ্রুপে আলোচনা করলে এটা সবাই জানতে পারে
Tamanna Rahman
আসলে এই গ্রুপ টাই নিজেকে জায়গা করে নিতে হই।।।কেও জায়গা করে দিবে না।।।এটি সবার জন্য উন্মুক্ত ।।জায়গা কেমন ভাবে করতে হবে??নিজের কাজ ,,কাজের ভালো দিক,মন্দ দিক।।তুলে ধরতে হবে।।১০/১২ বার জখন এক জনের পোস্ট কারও চোখের সামনে আসবে,,প্রোডাক্ট এর ছবি আসবে।।।তখন এমনি পরিচিত মিলবে।।
তাই নিজের পন্য নিয়ে লিখতে হবে।।
ফারিয়া আবেদীন রাফা
আমি খাবার নিয়ে কাজ করছি।
আচার,পিঠা নিয়ে কাজ করেছি,
এখন রিসেন্ট শুরু করেছি কটকটি!
আলহামদুলিল্লাহ রেসপন্স ভাল 😊
খাবার নিয়ে লিখালিখির চেস্টা করছি,
যতটুকু জানি তা জানানোর ইচ্ছা
Shahana Islam
ব্লক নিয়ে কাজ করি,
যেহেতু ব্লক নিয়ে কাজ করি, তাই অনেক কিছুতেই ব্লক করি,বেড শিট,পর্দা, টেবিল রানার, কুসন,
শাড়ি... শাড়ি মূলত এক কালার হেন্ডলুম, তাত, ও হাফ শিল্ক শাড়ি এই শাড়ি গুলোর সাথে অনেকেই কাপল ড্রেস, ও পারিবারিক ড্রেস অর্ডার করেন৷ তাই কাস্টমাইজ করে অর্ডার নেই৷ আলহামদুলিল্লাহ.. ২০১৪ থেকে কাজ শুরু করলেও এখন পরিচিতি বারছে...
Kohinoor Kona
কাপড়ের উপর সুই সুতা দিয়ে মনের মধ্যে জমে থাকা নকশা গুলো ফুটিয়ে তোলাই হচ্ছে আমার কাজ।আবার কখনও কাপড়ের উপর ডাইস বা তুলির ছোয়ায় রঙ লাগাই।কখনও কাপড় সুতোয় বেধে, রঙে ডুবাই। আবার তার উপর সুই সুতোর ফোড়ে নকশা স্পষ্ট করে তুলি।এভাবেই প্রতিদিন আমার কাজ শেষে আমার একান্নবর্তী পরিবার "উই"এ কতক্ষন সময় দিই।
Narmin Sultana Upama
উডেন জুয়েলারি নিয়ে কাজ করি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। হলে থাকার কারণে হ্যান্ডপেইন্ডেড ড্রেস নিয়ে কাজ করতে চাইলেও তেমন সুযোগ মিলছে না। মাঝে মাঝে টিশার্টে পেইন্ট করি। উডেন জুয়েলারির সাথে সাথে মেটাল নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে আছে।
Suraya Sharmin
আমার নিজস্ব প্রোডাকট "অমরাবতী হারবাল হেয়ার অয়েল " আমি প্রতিদিন কোন না কোন বিষয় নিয়ে লেখি। আর আমার হারবাল হেয়ার অয়েলের উপাদান গুলোর উপকারী নিয়ে নিয়মিত পোস্ট করি। আমার এই পোস্ট গুলোর দুই টি উদ্দেশ্য আছে ★ এক হারবাল হেয়ার অয়েল কেন উপকারী আর চুলের যত্ন নিয়ে জানানো।
★ আর এই পোস্টেের কারনে আমার বানানো অমরাবতী হারবাল হেয়ার অয়েলের কথাও সবাই জানতে পারছে।
Kakoly Russell Talokder
নিজের পণ্য নিয়ে লিখালিখি করাটা আসলে মার্কেটিং এর একটা অংশ।একটা সেল পোস্ট থেকেও একটা পণ্যের ফিচার নিয়ে আর্টিকেল বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সেল বাড়াতে।পণ্য নিয়ে লিখা যতো বেশি সুন্দর এবং গুছানো হবে ততো বেশি আস্থা তৈরি হবে।একটা সেলার যখন তার পণ্য নিয়ে লিখে তখন কাস্টমার বুঝতে পারে যে ওই সেলার তার পণ্য সম্পর্কে জানে এবং তার কাস্টমার কে জানাতে চায়,সেজন্য কাস্টমার তার উপর ভরসা পায়।আর কাস্টমার এর ভরসা অর্জন অনলাইন বিজনেস এ সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
Nahid Sultana
আসসালামু আলাইকুম। আমি নিজে ডিজাইন করি। ব্লক বাটিক ডলার সুতার কাজ এপ্লিক সব ধরনের হাতের কাজ করে থাকি।একটু ইউনিক আনকমন কিছু করার চেষ্টা করে থাকি।
Rokaiya Sultana
হুট করেই পেজটা খুলেছিলাম, মা খুব পারদর্শী ছিলেন হাতের কাজে আমি কিছুটা জানতাম তবে কোনোদিন ভাবিইনি এটাকে পেশা হিসেবে নিবো আর এখনতো নেশা হয়ে গেছে,বিয়ের পর সাংসারিক কিছু ঝামেলায় হাজব্যাণ্ডের পাশে দাড়ানোর উদ্দেশ্যেই হঠাৎ করে কাজে নামা,কখনোই খরুচে স্বভাবের ছিলামনা আব্বার দেওয়া হাতখরচার টাকাটা তখনো কিছুটা জমানো ছিলো,একদিন এক বন্ধুর সাথে গিয়ে কিনে নিয়ে আসলাম ব্লক,বাটিক,হাতের কাজের বিভিন্ন জিনিষ,কোনো আইডিয়া ছিলোনা কাজের,সারাদিন ধরে ড্রেস আকাতাম ছাপ দিতে পারতাম না অনেকের কাছে সাহায্য চেয়েছি কেউ শিখিয়ে দেয়নি,নিজেই সেলাই করতাম সারারাত ধরেও কাজ করেছি, আর সেল করতে আরো সময় লাগতো,এখন কত কর্মি কত জায়গা থেকে প্রোডাক্ট করিয়ে আনি।সাহস করে কাজ শুরু করাটাই বড় কথা
Sharjana Poly
ছোটবেলা থেকেই হাতের কাজ, পেইন্টিং, জামায় পুতি বসিয়ে ডিজাইন করা, ব্লক করা এগুলোর বেশি ঝোক ছিল আমার মধ্যে। তাই আবার শুরু করলাম নতুন করে। এবার আর শেখের বশে নয় পেশা হিসাবে
No comments:
Post a Comment