Razib Ahmed ▶ Digital Skills for Bangladesh
আড্ডা পোস্ট ১ জুন ২০২০।
বিষয়ঃ যোগাযোগ দক্ষতা।
যোগাযোগ দক্ষতা কী? একজন উদ্যোক্তার জন্য এর প্রয়োজনীয়তা বা গুরুত্ব কতটুকু? যোগাযোগ দক্ষতা উন্নত বা বৃদ্ধি করার উপায়, এই দক্ষতাকে ব্যবসায় কাজে লাগিয়ে কিভাবে সফল বা লাভবান হওয়া যায়, ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করুন।
আড্ডা পোস্টে সবাইকে শুভেচ্ছা ও স্বাগতম।
— with Razib Ahmed and 2 others.
June 1 at 9:56 PM ·
সুমাইয়া সিমি
যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে হলে -
🍁বিভিন্ন ধরন সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে।
🍁পড়তে হবে অনেক,পড়ার বিকল্প নেই।
🍁যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে হলে -
🍁বিভিন্ন ধরন সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে।
🍁পড়তে হবে অনেক,পড়ার বিকল্প নেই।
🍁বিখ্যাত ব্যক্তির কৌশলগুলো সহজে অনুসরণ করতে হবে।
🍁ট্রেনিং বা কোর্স করতে হবে।
🍁চর্চা করতে হবে প্রতিনিয়ত
🍁ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে।
🍁পরামর্শ নেয়া যেতে পারে
🍁নেতৃত্ব বিকাশ করতে হবে
🍁সুযোগ সবসময় আসে না,সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে
Emi Khan
ভাল যোগাযোগর দক্ষতা মানেই তো একজন ভাল উদ্যোক্তা। ব্যাবসা যেমন ই হোক না কেন সবক্ষেত্রে কমিউনিশেন বাড়ানো,ক্রেতাদের ইম্প্রেস করা,মূলধন কই থেকে আসবে সে ক্ষেত্রে ব্যংকের সাথে সম্পর্ক তৈরি করা,টিম মেম্বার ম্যানেজ করা কিংবা কর্মীদের থেকে সেরাটা বের করে আনা সবই তো যোগাযোগর দক্ষতার ভিতরেই পড়ে।
যে কোন মানুষের সাথে যে কোন পরিস্থিতে কথা বলতে পারার ক্ষমতা রাখা,নিজের কথা দিয়ে অন্যকে ধরে রাখা এবং কাস্টমারকে বুঝানোর ক্ষমতা রাখা,কিংবা কাস্টমারকে ধরে রাখাও যোগাযোগর দক্ষতা।এর সাথে ঠিক কোন জাইগাতে থামতে হবে সেটা জানাও কমিউনিশেন স্কিলের অংশ।
শুধুমাত্র মুখের মিস্টি কথা, মিস্টিভাষী আর সদালাপী হয়ে মানুশের মন সহযেই জয় করা সম্ভব।
Sunanda Mazumder
আমার যোগাযোগ দক্ষতা পারে আমার পণ্যের প্রসার ঘটাতে। কিন্তু সেই প্রসার হওয়া চাই পণ্য এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ যেমন-দুঃখজনক হলেও সত্যি যে,আমাদের দেশীয় এমন কতিপয় কিছু এড আছে যেগুলো পণ্যের সাথে যায় না।একটা দেড় মিনিটের এড এর স্টোরির সাথে তাঁদের পণ্যের কোন মিলই পাই না।মাঝে মাঝে ভাবি ওরা কি বুঝাতে চাইলো আর পণ্য ছিলো কি???
তাই সেই এড যত বারই দেখি না কেন, সেটা আমার মনকে অতটা ছুঁতে পারে না।আদতে তাঁদের যোগাযোগ দক্ষতা সেই ক্ষেত্রে আমাকে অনুপ্রাণিত করে না, সেই জিনিস কিনতে।
Popy Sarker
communication...
অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যক্তাদের জন্য। কমিউনিকেশন ডেভেলপ এর মাধ্যমেই আমরা উদ্যক্তা হওয়ার পথ অনেকটা পাড়ি দিতে পারি।
একজন উদ্যক্তা শুধুমাত্র ভালো কমিউনিকেশন বিল্ড আপ এর মাধ্যমে কাস্টমার কে আপন করে নিতে পারে। কাস্টমার হ্যান্ডলিং এ এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শুধু মাত্র কাস্টমার না তার অধীনস্হ কর্মচারী দের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করাও অন্যতম কোয়ালিফিকেশন একজন উদ্যক্তার। একজন ভাল উদ্যক্তা যেমন তার কর্মচারীর ভেতরের প্রতিভা বের করে আনতে সক্ষম তেমনি সেই প্রতিভাকে কজে লাগিয়ে কাকে কোন কাজে নিয়োজিত করতে হবে সব ই যোগাযোগ এর মাঝেই পড়ে।
অবশ্যই যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির মাঝেই পড়ে বিনা জড়তায় কথা বলে সবাইকে ইন্সপায়ার করা, যা তাকে যে কোন পরিস্থিতি সামলে নিতে সাহায্য করে
Amina Binte Zia
দ্বিতীয়তঃ আমি আমার প্রডাক্টিভ পরিষ্কার ছবি তুলি যাতে সহজে বুঝতে পারে যে আমি তাকে কি দিচ্ছি সব সময় অরিজিনাল ছবি ব্যবহার করি এবং সেই ছবিতে যা দেয়া হচ্ছে তার একটা সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে
Sabrina Anni
যোগাযোগের মাধ্যমেও একজন ক্রেতা বিক্রেতার কাছে তিনির পণ্যের প্রচার করতে পারে।।। যেমন আমি পোশাক নিয়ে কাজ করছি এখন আমার কলেজ ফ্রেন্ডের সাথে আমার যোগাযোগ হতো ফোনে একদিন সে আমার ড্রেসের ছবি দেখে তারপর অডার করে।।। তার জামা দেখে আরো কয়জন অডার করে ফেলে তাতে করে আমার প্রচার হয়ে যাচ্ছে আমি যে এই ধরণের কাজ করি প্রায় সবাই জানতে পারলো।।।
আজকে যদি আমার ফ্রেন্ডের সাথে আমার কোনো যোগাযোগই না থাকতো আমার পণ্যের কিন্তু প্রচার হতো না।। তাই যোগাযোগ ও হচ্ছে পণ্য প্রচারের মাধ্যম
Aloka Yesmin Jyoti
ব্যবসা ক্ষেত্রে যোগাযোগ মানে এই নয় যে, সব সময় নিজের প্রশংসা করতে হবে সবার কাছে। আমি এই সেই ব্লা ব্লা ব্লা। যোগাযোগ বলতে আপনি কোন প্রডাক্ট নিয়ে কাজ করছে তার পরিচিত র সাথে আপনার পরিচিত। আপনার পরিচিত সাথে প্রডাক্টস এর পরিচিত না।
Aara Zobaer Ahmed
একজন উদ্যোগতার জন্য তার কাস্টমার এর সাথে যোগাযোগ রাখা টা সবচেয়ে জরুরি। কারন যোগাযোগ ছাড়া সে কখনোই তার ক্লাইন্ট এর সমস্যা সুবিধা বুঝতে পারবে না। এছাড়া বিজনেস এর ক্ষেত্রে টিম মেম্বার, কাচামালের যোগান যারা দেয় তাদের সাথে ও সমান ভাবে যোগাযোগ মেইনটেইন করতে হয়। তাহলেই ব্যবসায় উন্নতি সাধন হবে।
Kanta Chakraborty
যোগাযোগের দক্ষতা বৃদ্ধির উপায়ঃ
দ্বিতীয়ত, আমাদেরকে বডি ল্যাংগুয়েজ এর দিকে খেয়াল রাখতে হবে। যখন আমরা অফলাইনে বা অনলাইনে ভিডিওতে কথা বলি তখন শোনার পাশাপাশি দেখার ব্যাপারটাও চলে আসে। তাই আমাদেরকে বক্তার কথা শোনার পাশাপাশি তার অঙ্গভঙ্গি এবং মুখের ভঙ্গীমার দিকে খেয়াল রাখতে হবে,বোঝার চেষ্টা করতে হবে।
Shetu Rs
কাষ্টমার কে ধরে রাখতে হলে অবশ্যই যোগাযোগ দক্ষতা থাকতে হবে,যেমন আপনাকে নক দিলো/আপনার পেইজে কোন কিছু সম্পর্কে জানতে চাইল কিন্তু আপনি সেটা দেখলেন ৪/৫ ঘন্টা পর(রাতের হিসেবে ভিন্ন) এক্ষেত্রে কি যোগাযোগের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে!?
Tahmina Tonu
একজন ক্রেতার সাইকোলজি সম্পর্কে যত বেশি স্টাডি করতে পারব। ক্রেতাকে বুঝতে চেষ্টা করব। নিজের কাজটা তে সফলতা আনতে ততটাই সুবিধা হবে
Farin Jahan
যোগাযোগ দক্ষতা আমাদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।চাকুরি বলি আর স্টার্ট-আপ বলি,যোগাযোগের দক্ষতা আমাদের ক্যারিয়ারের জন্য খুবই গুরুত্বপুর্ণ।
♣যোগাযোগ দক্ষতা হলো অন্যের দেয়া তথ্য সঠিকভাবে বুঝতে পারা এবং নিজে যা বলতে চাই তা অন্যকে সঠিকভাবে বোঝাতে পারা।
♣যোগাযোগ দক্ষতার দুটি অংশ:১.অন্যের কথা বুঝতে পারা এবং২.অন্যকে নিজের কথা বোঝাতে পারা।
১.অন্যের কথা বুঝতে পারা:অন্যের কথা বুঝতে পারার জন্য নিছের বিষয় গুলো খেয়াল রাখতে হবে,
♦মনযোগ দিয়ে শোনা
♦বডি ল্যাঙ্গুয়েজ খেয়াল করা
♦বক্তাকে বোঝানো যে তুমি শুনছ।
২.নিজের কথা অন্যকে বোঝাতে পারা:
♦খুব দ্রুত কথা না বলা
♦শ্রোতার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলা
♦বডি ল্যাঙ্গুয়েজের দিকে খেয়াল রাখা
♦কথায় পরিপুর্ণতা থাকা
♦টু দি পয়েন্টে কথা বলা
♦শ্রোতার শিক্ষাগত যোগ্যতা,জাত, ধর্ম ইত্যাদি বিষয়ে বিবেচনা রেখে কথা বলা
♦কথায় স্পষ্টতা থাকা
♦কথায় নির্দিষ্টতা থাকা
♦কথা ভদ্রতা থাকা
♦কথায় শুদ্ধতা থাকা মানে ব্যকরন গত কোন ভুল না থাকা।
Jarin Tajnim
যোগাযোগ দক্ষতা বা communication skill হচ্ছে অন্যের তথ্য ঠিকভাবে বুঝতে পারা এবং নিজে কি বুঝাতে চাইছি তা ঠিকভাবে বুঝাতে পারা
🍁যোগাযোগ দক্ষতার প্রয়োজনীয়তা:
যোগাযোগ দক্ষতায় পারদর্শী হলে নিজের কাজ/বক্তব্য সুন্দর ভাবে সবার কাছে প্রেজেন্ট করা যায়
এর সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে অন্যের সম্পর্কে সে কি চাইছে তা জানা যায়
যেকোন উদ্যেক্তার জন্য যোগাযোগ দক্ষতায় পারদর্শী হওয়া খুবই গুরত্বপুর্ন এর মাধ্যমে অনেকটা এগিয়ে থাকা যায়
যখন আমার প্রডাক্ট সম্পর্কে ১০ মানুষকে জানাতে পারব এবং তাদেরকে ভাল ভাবে বুঝাতে সক্ষম হলে তাদের ভাল ফিডব্যাক এর মাধ্যমে নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়বে। "একটা ভাল রিভিউ পেলে কাজের আগ্রহ বহুগুন বেড়ে যায়,এবং কাজের প্রতি একটা ভাল কনফিডেন্স তৈরি হয়"
বিভিন্ন জটিল পরিস্থিতি সহজেই পার করা যায়
যদি আমি আমার কথা দিয়ে বা কাজ দিয়ে কারো সাথে ভাল সম্পর্ক স্থাপন করতে পারি তাহলে অবশ্যই বিশ্বাস অর্জন করতে পারব। এবং কাজটা করা সহজ হবে।
🍁এখন আসি এটা কিভাবে বৃদ্ধি করা যায়:
প্রথমত ক্লিয়ার থাকতে হবে অর্থাৎ আমি কি বুঝাতে চাইছি তা যেন ক্লিয়ার হয় যাতে সহজেই সবাই বুঝতে পারে-অন্যদের যেন এমন মনে না হয় "যে ধুর এ কি বলছে কিছু বুঝতেই পারছি না"
বেশি করে পড়তে হবে জানতে হবে। যেমন: আমি জুয়েলরী নিয়ে কাজ করি এখন কেউ যদি আমার কাছে জুয়েলরী সম্পর্কে কিছু জানতে চায় এবং আমার যদি জানা না থাকে তাহলে আমি উত্তর দিতে পারব না। অর্থাৎ যা নিয়ে কাজ করছি বা বলছি তার সম্পর্কে যেন পর্যাপ্ত ধারনা থাকে।
নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে কারন আমি নিজেই যদি নিজের প্রডাক্ট বা কাজ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী না হই তাহলে আরেকজন আমাকে কিভাবে বিশ্বাস/ভরসা করবে।
শুধুমাত্র নিজের মতো করে গেলাম বাকিদেরটা বুঝলাম না তাহলে হবে না..মনে রাখতে হবে আমাদের বাজারটা অনেক বড় এবং এখানে বিভিন্ন ধরনের মানুষ আছে সে হিসেবে যোগাযোগ গড়ে তুলতে হবে।
যার সাথে বা যাদের সাথে যোগাযোগ গড়ে তুলতে চাইছি তাদের সাথে অবশ্যই ভাল ব্যবহার করতে হবে, তাদের গুরত্ব দিতে হবে–কাস্টমার খাতির।
নিজে যা জানি তা জানাতে হবে এবং যা জানি না তা অন্যের কাছ থেকে জানতে হবে,এর মাধ্যমেও যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি করা যায়
সংক্ষেপন: যেহেতু সবারই অনেক ব্যস্ত সময় তাই খেয়াল রাখতে হবে যে যত কম সময় ব্যবহার করে আমরা সুন্দর ভাবে আমাদের বক্তব্য অন্যের সামনে রাখতে পারি। যেন একটা কথা ১০টা কথার সমান হয়
🍁যোগাযোগ দক্ষতা কাজে লাগিয়ে যেভাবে ব্যবসায় লাভবান হওয়া যাবে:
যখন আমি সুষ্ঠুভাবে যোগাযোগ করতে পারব তখন মানুষের মধ্যে একটা পজেটিভ ইমেজ তৈরি হবে এবং বিশ্বাস অর্জন করা সম্ভব হবে যা ব্যবসায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ন
নিজের প্রডাক্ট বা কাজ নিয়ে আত্মবিশ্বাস তৈরি হবে
নতুন নতুন জিনিস শেখা যাবে, যেমন আমি যদি নিজের বক্তব্য রাখার পাশাপাশি অপরেরটাও শুনি বুঝি তাহলে তাদের কাছ থেকেও অনেক কিছু শেখা যাবে যা পরবর্তীতে ব্যবসায়ের কাজে লাগবে
শক্তিশালী ক্রেতা সম্পর্ক তৈরি হবে। যেমন: যদি আমার পন্য কোন সমস্যা হয় তাহলে ক্রেতা তার ব্যাড রিভিউ দেয়ার আগে আমাকে জানাবে যে পন্য ত্রুটি ছিল এবং আমি তা বুঝে পরবর্তীতে যেন না হয় তার খেয়াল রাখতে পারব-এখন ক্রেতা আমাকে কেন জানাবে? সে পারত আমাকে আগে না জানিয়ে ব্যাড রিভিউ দিতে কিন্তু এই জানানোর কারন হচ্ছে ভাল যোগাযোগ সম্পর্ক তৈরি করা। যা ব্যবসায়ের জন্য উপযোগী
Amina Binte Zia
ষষ্ঠতঃ যে কোন ব্যক্তি হবু কাস্টমার করতে হলে তার কোন একটা প্রবলেমে যদি আপনি সাহায্য করে তাহলে দেখা যাবে সেই আন্তরিকতা সে মনে রাখবে এবং আপনার কাজ তার চোখে পড়বেতাই সব সময় ক্রেতাদের দিকে মনোযোগ দিলে হবেনা সব ধরনের মানুষকে বিনা শর্তে নিজের যতটুকু সম্ভব সাহায্য করতে হবে এই তো অনেক বড় শক্তিশালী যোগাযোগ মাধ্যম
Jannatul Ferdouse
আমি যেহেতু কিছু পণ্য ঢাকার বাইরে পাঠিয়ে ছিলাম তা একটু ধারণা আছে। যেমন ঢাকা থেকে এস এ পরিবহন বা সুন্দর বন কুরিয়ার করে ছিলাম তা হাতে পাওয়া না পযন্ত যিনি রিসিভ করা পযন্ত যোগাযোগ করা লাগে।সঠিক তারিখ এ পৌঁছাতে পারছে কিনা।কাস্টমার ঠিক টাইমে পাবে কিনা। তাই আমি মনে করি যোগাযোগ এর ভুমিকা অনেক।
Kanta Chakraborty
যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধির উপায়ঃ
চতুর্থত, খুব দ্রুত কথা না বলে আস্তেআস্তে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে হবে। বলার জন্যই বলছি এমন যেন না হয়। তাই খুব সুন্দর করে আবেগ দিয়ে কথা বলতে হবে। তাহলে বিপরীত মানুষটি কথা বলতে কম্ফোর্ট ফিল করবে।
Arefeen Ahmed
আড্ডা পোস্ট ১ জুন ২০২০
বিষয় : যোগাযোগ দক্ষতা ।
একজন উদ্যোগতার প্রথম কাজ নিজেকে অথবা তার পন্য কে পরিচিত করনো।এটা তখন ই সম্ভব যখন একজন উদ্যোগতা তার ক্রেতার সাথে সঠিক ভাবে যোগাযোগ রাখতে পারবে।
যেমন ধরুন কোনো ক্রেতা আমার পেজ এ নক করার পর আমি যত দ্রুত তাকে রেসপন্স করতে পারব সেটাই আমার যোগাযোগ দক্ষতা ।
আবার আমরা যখন কারো পোস্টে কমেন্টস করি তখন স্বভাবতই আমারা চাই যেন পোস্ট দাতা আমার কমেন্ট এর রিপ্লাই দেয় এবং তাতে করে কিন্তু আমরা একে অপরের পরিচিত হতে পারি এবং একটা সম্ভাবনা তৈরী হয় যে হয়তোবা আমরা কখনো একে অপরের ক্রেতা হব।
আবার ধরেন একজন ক্রেতার সাথে কনভারসেসন এর সময় এমন অনেক বার ই হয় যে ক্রেতার একটি পন্য পছন্দ হয়েছে কিন্তু আনলাকিলি সেটা সেল হয়ে গেছে।
এক্ষেত্রে ক্রেতাকে কনভারসেসন এর মাধ্যমে তার পছন্দ কে অন্য পন্যতে ডাইভারট করাও কিন্তু এক ধরনের যোগাযোগ দক্ষতা ।
আমরা যদি আমাদের উদ্যোগতা জীবনের কথাই চিন্তা করি তাহলে এখানে পন্যের মানের থেকে আমার মনে হয় যোগাযোগ দক্ষতা টা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ।
কারন আপনি সঠিক সময়ে আপনার ক্রেতা কে ফিডব্যাক না দিতে পারলে সে কখনোই আপনার পন্য নিবে না সেটা যতই ভালো হোক ।
আর যদি ব্যবসার উন্নতি করতে চাই তাহলে আমকে অবশ্যই আমার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি করতে হবে সেটা নতুন কোনো টেকনোলজি ব্যবহার করে হোক অথবা নিজে সময় দিয়ে হোক।
আমাদের কথার মধ্যে আন্তরিকতা এনে , ক্রেতা কে সম্মান করে,ক্রেতা কে দ্রুত ফিডব্যাক দিয়ে বা বিক্রয়ের পরেও ক্রেতার সাথে মাঝে মাঝে কনভারসেসন করে আমাদের যোগাযোগ দক্ষতা কে বাড়াতে পারি।
Momotaj Jahan
আমার ছোট ছেলে অটিজম স্পেকট্রাম ডিজওর্ডার এর কারনে কথা বলত না।যেহেতু মনের ভাব প্রকাশ করতে পারত না।,তাই ভীষণ রাগ করত। এমনকি কিছু বুঝাতে না পারলে দেয়ালে মাথা ঠোকাতো।তাই যোগাযোগ দক্ষতা মানুষের চলার পথে কতটা দরকারি তা খুব ভালো করে বুঝতে পেরেছি।একজন উদ্যোক্তার জন্য যোগাযোগ দক্ষতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
Md. Muktar Hossain
কোর্স যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ায় যেমন হাইটেক পার্কের ট্রেইনিং কোর্স করার ফলে উই এর কিছু মেম্বারের যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ছে।
Shukrana Talukder
আপনি যখন ক্রেতার আস্থা অর্জন করতে পারবেন তখন একি পন্য আরও দশজনে বিক্রি করলেও ক্রেতা আপনার কাছ থেকেই নিবে।আর ক্রেতার আস্থা বা বিশ্বাস অর্জন করতে হলে ক্রেতার সাথে বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক তৈরী করতে হবে।একটি সম্পর্ক তখনি তৈরী হবে যখন তার সাথে আপনার যোগাযোগ থাকবে।একজন সফল উদ্যোক্তা তার ক্রেতার সাথে মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক দুই সম্পর্ক গড়ে তুলে।তাতে করে ক্রেতা তার সাথে লেনদেন করে আনন্দ ও সাচ্ছন্দ্য বোধ করে।তখন ক্রেতা বিক্রেতা সম্পর্কে ভালো রিভিউ দেই আর দশজনের সাথে। তখন ব্যবসায়ের প্রচার হয় আর প্রচারেই প্রসার আর তাতে বিক্রেতার বিক্রয় অনেক বেরে যায়।
Saleha Begum
অনলাইন ও পত্রিকায় প্রকাশিত মার্কেট রিসার্চ গুলো বিশ্লেষণ করলে আপনি আলাদা আলাদা করে নির্দিষ্ট ধরনের কাস্টোমার গ্রুপ সৃষ্টি করতে পারবেন। এছাড়া এইসব তথ্য আপনাকে ভিন্ন ভিন্ন এলাকার ক্রেতাদের সাথে আলাদা আলাদা ভাবে ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরী করতে সাহায্য করবে।বিশেষ করে আন্তর্জাতিক অনেক প্রতিষ্ঠানই এই তথ্যগুলো কাজে লাগিয়ে আলাদা আলাদা কৌশলে ক্রেতাদের সাথে সম্পর্ক সৃষ্টি করে
Rashedul Momine
যোগাযোগ দক্ষতা একজন উদ্যোক্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার। অনেকেই বলে যোগাযোগ সেতো মামুলী ব্যাপার তার আবার কিসের দক্ষতা???
চলুন জানি কিভাবে একজন উদ্যোক্তার যোগাযোগের উপর কি কি দক্ষতা থাকা দরকার!!!
© যোগাযোগ অবশ্যই পরিপূর্ণ হতে হবে। আমার ক্লাইন্ট বা গ্রাহক যেনো বুঝতে পারে। এইটা আপনার বা প্রতিষ্ঠানের পেশাদারিত্ব ফুটিয়ে তুলে।
মূল কথা খুব সুন্দর ভাবে এবং সহজ ভাবে উপস্থাপন করতে হবে। আপনার উপস্থাপন যদি বড় হয় তবে গ্রাহক বিরক্ত বোধ করতে পারে। সহজ ভাষায় তুলে ধরতে হবে।
© ইনফরমেশন টেকনোলজিতে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো সোস্যাল মিডিয়া। এই মিডিয়ার ভালো দিক গুলো কাজে লাগাতে হবে। ফেসবুক, টুইটার, পিন্টারেস্ট, রেডিট, লিংকড ইন, টাম্বলার ইত্যাদি। তবে আমাদের দেশে ফেসবুকের জনপ্রিয়তা অনেক। তাই ফেসবুকের ব্যাবহার ভালো করে জানতে হবে।
© নিজেকে গ্রাহকের জায়গায় বসিয়ে সব চিন্তা করতে হবে।
© স্পষ্টভাষী হতে হবে।
© সময়ানুবর্তী হতে হবে। মানে কমিটমেন্ট অনুযায়ী কাজ করতে হবে।
© ভদ্রতা বজায় রাখতে হবে। নিজেকে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করতে হবে।
© ফার্স্ট ইম্পেসন বলে একটা কথা আছে। এইটা ধরে কাজ করতে হব। প্রথমেই কাস্টমারের নজরে আসতে হবে।
© পণ্য সম্পর্কে কোনো ভূল তথ্য দেওয়া যাবে না। সঠিক তথ্য তুলে ধরতে হবে। সুবিধা অসুবিধা দুই ই বলতে হবে।
© যেটুকু পারবো সেটুকুই বলবো বাড়িয়ে কোনো কিছু বলবো না।
কিছু পড়াশোনা আর কিছু ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে শেয়ার করেছি। এইভাবে নিজের যোগাযোগ দক্ষতার উপর কাজ করতে পারলে ইনশাআল্লাহ একজন উদ্যোক্তার সফলতা ধরা দিবেই।
S M Mehdi Hassan
সবাইকে আজকের আড্ডায় স্বাগতম। কমেন্ট বড় হয়ে যাওয়াতে দুই পার্টে ভাগ করে দিলাম-
পার্ট-১
যোগাযোগ দক্ষতা কী?
সোজা কথায় বলতে গেলে, যোগাযোগ দক্ষতা বলতে একজন মানুষ সুন্দর করে এবং স্পষ্ট ভাবে তার চিন্তাকে অন্য কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের কাছে তুলে ধরা। এখন এটা করার দুটো উপায় আছে- মুখের কথা দ্বারা বা বা লেখার দ্বারা।
মুখের কথা- মুখোমুখি কথা, আলোচনা, সভা সেমিনারে বক্তৃতা, ইত্যাদি।
লেখা- চিঠি, আর্টিকেল, গল্প, উপন্যাস, কবিতা, ফেসবুকের পোস্ট, কমেন্ট ইত্যাদি।
একজন উদ্যোক্তার জন্য এর প্রয়োজনীয়তা বা গুরুত্ব কতটুকু?
যোগাযোগ দক্ষতা একজন উদ্যোক্তার জন্যে খুবই দরকারি। এই যে উইতে বলা হয়ে থাকে নিজের পণ্য সম্পর্কে সুন্দর করে পোস্ট লিখেন। এটা হচ্ছে এক ধরনের দক্ষতা। এ ধরণের পোস্টের মাধ্যমে উই গ্রুপের উদ্যোক্তারা ক্রেতার সাথে যোগাযোগ করছেন। এরকম প্রচার প্রচারণা মূলক লেখা যেটা বড় বড় কোম্পানিতে মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস ডিপার্টমেন্ট করে থাকে এটা করার জন্যে যোগাযোগ দক্ষতা খুবই জরুরি। নিজের পেইজে পণ্যের সুন্দর ছবির সাথে সুন্দর করে বিবরণ লেখা এটাও যোগাযোগ। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তা তার পণ্যকে সম্ভাব্য ক্রেতার সামনে তুলে ধরছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে এক্টা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নানা ধরনের ভিডিও এবং অডিও কনটেন্ট তৈরি করে তাদের প্রতিষ্ঠান ও পণ্য সম্পর্কে। এগুলো করা হয় ক্রেতার সামনে নিজেদের প্রতিষ্ঠান ও পণ্যকে তুলে ধরতে। ভিডিও ও অডিও কনটেন্ট এর মূল ভিত্তি হচ্ছে স্ক্রিপ্ট যেটা হচ্ছে লেখা।
এরকম আরো অনেক ব্যবসায়িক কাজ আছে যেগুলো ভাল যোগাযোগ দক্ষতা প্রয়োজন।
যোগাযোগ দক্ষতা উন্নত বা বৃদ্ধি করার উপায়।
প্রচুর পরিমাণে পড়া আর লেখা। এটাই হচ্ছে যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধির একমাত্র উপায়। রাজিব আহমেদ ভাই উই গ্রুপ ও ডিএসবি গ্রুপে সবাইকে নিয়মিত পোস্ট পড়ে কমেন্ট করতে বলে, পোস্ট লিখতে বলে কি কারণে? যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে। একটা বিষয় নিয়ে লিখিত পোস্ট পড়ে আপনার কি মনে হলো সেটা সুন্দর করে গুছিয়ে কমেন্ট লেখা বা একটা বিষয়ের উপরে পোস্ট লেখা। ভাল লিখতে হলে প্রচুর পড়তে হয়। ইংরেজিতে যোগাযোগের বেলাতেও একই কথা খাটে। সার্চ ইংলিশে কেউ সিরিয়াসলি নিয়মিত লেখা, পড়া, চর্চা করতে পারে।
S M Mehdi Hassan
পার্ট-২
এই দক্ষতাকে ব্যবসায় কাজে লাগিয়ে কিভাবে সফল বা লাভবান হওয়া যায়
বর্তমানে বাংলাদেশে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তা এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড প্রদান করে থাকে। গত বছর বাংলাদেশ সরকার স্টার্ট-আপ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠানের ঘোষণা দেয় যার আওতায় উদ্যোক্তাদের পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত ফান্ড দেবার কথা বলা হয়। এছাড়াও অনেক বিদেশী প্রতিষ্ঠান আছে যারা এরকম ফান্ড দেয় উদ্যোক্তাদের। এখন কেউ যদি এ ধরণের আর্থিক সহায়তা বা ফান্ডের জন্যে আবেদন করে তাহলে তাকে অনলাইন অ্যাপলিকেশন ফর্ম বা অফলাইন অ্যাপলিকেশন ফর্ম পূরণ করতে হয়। এসব ফর্মে বিভিন্ন ধরণের প্রশ্ন করা হয় তার ব্যবসা সম্পর্কে, তার পণ্য, কেন তারা এই প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ করবে? এর ভবিষ্যৎ কি? এরকম অনেক ধরণের প্রশ্ন থাকে। এখন এই প্রশ্নের উত্তর গুলো সেই আবেদনকারী উদ্যোক্তাকে দিতে হয়। এর ভিত্তিতে একজন উদ্যোক্তা প্রাথমিক পর্বে বাছাই হয়। অনেক প্রতিষ্ঠান বলে যে এসব ফর্মের সাথে ১ মিনিট বা দুই মিনিটের ভিডিও রেকর্ড করে পাঠাতে যার মধ্যে উদ্যোক্তাকে তার প্রতিষ্ঠানের কথা বলতে হবে।প্রতিটা আবেদনে আবার ওয়ার্ড লিমিট দেয়া থাকে যে ১০০, ১৫০ বা ২০০ শব্দের মধ্যে এই প্রশ্নের উত্তর দিন।
এ ধরণের ক্ষেত্রে যোগাযোগ দক্ষতা খুব কাজে আসে। একজন উদ্যোক্তা সুন্দর করে তার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে, পণ্য সম্পর্কে যে ওয়ার্ড লিমিট দেয়া আছে তার মধ্যেই সুন্দর করে লিখতে হবে।
এছাড়াও বিভিন্ন অ্যাকসেলারেটর প্রোগ্রামে বিনিয়োগকারীদের সামনে সুন্দর ভাবে ইংরেজিতে বা বাংলায় নিজের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বলতে হয়। ২০১৮ সালে জিপি অ্যাকসেলারেটর প্রোগ্রামে সার্চ ইংলিশ নির্বাচিত হয়। সার্চ ইংলিশের মতো এরকম আরো চারটা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়। তারা অনুষ্ঠানে নিজেদের প্রতিষ্ঠান ও পণ্য সম্পর্কে সবার সামনে এভাবে কথা বলে। এই জন্যে ভাল যোগাযোগ দক্ষতা সফল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ভিডিও লিঙ্কঃ
https://www.facebook.com/watch/live/?v=2269941556354619&ref=watch_permalink
Monoara Khatun
ব্যবসায়ের জন্য যোগাযোগ অনেকক বেশি গুরুত্বপূর্ণ- সাধারন জীবনে যেসব দোকানে আমরা সহজেই যেতে পারি তা থেকেই ক্রয় করি, বাজারের ওলি গলি দিয়ে শেষের দোকানে যাবার ইচ্ছা কারোর ই হয় না।। তারমানে আমরা বুঝলাম ক্রেতারা সহজ পথ খুঁজে/(দোকান কাছে সময় কম লাগছে,কষ্ট কম) এটাও একটা যোগাযোগ মাধ্যম মানে হলো ক্রেতারা সহজ যোগাযোগ মাধ্যম খুঁজে
আচ্ছা আমরা যদি বাজার থেকে কিছু ক্রয় করি ধরলাম--জিনিস টা খারাপ হলো, বিক্রেতার কার্ডে যদি নাম্বার দেয়া থাকে/ব্যাগে নাম্বার দেয়া/প্রোডাক্ট এর প্যাকেজ এ নাম্বার দেয়া তখন আমরা সাথে সাথে যোগাযোগ করতে পারবো, তাকে জানাতে পারবো, দেন তার কথা শুনতে পারবো,,,,,,,_____ মনে করি নাম্বার কোথাও দেয়া থাকলো না আমরা আবার কষ্ট করে দোকানে গেলাম জিনিস ফেরত দিতে গিয়ে দেখলাম কোনো কারন বসত দোকান বন্ধ, তখন!!!! তখন কার কী মনে চাইবে যানিনা আমি তো দোকানদারকে মনে মনে সম্পূর্ণ পৃথিবীর বকা দেবো ঐ লোকরে পরে পাইলে 😤😤#তার মানে দাড়ালো তার কার্ড/প্যেকেজ তার যোগাযোগ মাধ্যম দিয়ে দেয়া অনেকককক ভালো তাহলে অনন্ত দোকান বন্ধ থাকলে গিয়ে ঘুরে আসতে হবে না
এতোখন দৈনন্দিন জীবনের কথা বল্লাম
এখন পোস্ট নিয়ে বলি- প্রথম কথা যোগাযোগ দক্ষতা কী ভূলে গেছি😁 দুঃখিত 😓😓
ক্রেতা বিক্রেতার মাঝে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ ও সুন্দর করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
আর উদ্যাক্তাদের জন্যে ও অনেক প্রয়োজনীয়
১-সাধারন জীবনে--- আমি একজন নতুন উদ্যক্তা আমার পণ্য তো আর সরাসরি ভোক্তা পাবে না, তাই আমাকে->পাইকার->এজেন্ট->মধ্যম ব্যবসায়ী->খুচরা ব্যবসায়ী এদের সাথে অনেক সুন্দর ভাবে যোগাযোগ করতে হবে যাতে তারা আমার জিনিস ক্রেতাদের নিকট পৌঁছে দেয়
২-অনলাইন উদ্যক্তা--- আমি পেজ/গ্রুপের মাধ্যমে কাজ করছি তাই আমি সব সময় সতর্ক থাকতে হবে, কেউ কিছু জানতে চাইলে খুব সুন্দর ভাবে তার সাথেযোগাযোগ করতে হবে,,, কেউ একটা কিছু জানতে চাইলো আমি বললাম আমি ব্যস্ত শেষ ব্যবসা লাটে😔 ক্রেতা কে ধীরে সুস্থে অনেকটা সময় দিতে হবে, আরেকটা কথা- অফলাইনে মানুষ একজন ঠকলে না হয় তার পরিবার আর ঐ দোকান থেকে ক্রয় করে না কিন্তুউউউউউউউ অনলাইনে একজনের বেড রিভিউ (ব্যবহার/পণ্য সম্পর্কে) কতো জন ক্রেতা যে হারাতে হবে তার হিসেব নেই
(ম্যানেজমেন্ট আর মার্কেটিং এ এসব পড়তে পড়তে জীবন শেষ এতো বড় রচনা কখন লিখছি নিজে ও জানিনা😅😅 টপিকস এর আরো পার্ট তো বাকী😓😓)
Md. Muktar Hossain
রাজিব স্যার আমি ই-কমার্স ভালবাসি ই-কমার্স খাই পড়ি ইত্যাদি বলে প্রতিদিন ব্রেইন ঠুকি ডিস ওয়াস ফুল ওয়াশ আই ওয়াশ হাই ওয়াশ ব্রেইনওয়াশ হয়ে গেছি বলে মত প্রকাশ করি। কিন্তু আমি সহ কত জন ই-কমার্স যোগাযোগ এর সব গুলো মাধ্যম যেমন ইমেইল জিমেইল হট মেইল, স্কাইপ, ব্লগ, হোয়াইটসআপ, ওয়েবসাইট ইত্যাদির পূর্ণ ব্যবহার করি। আমি তো করি না। আপনি কি করেন। আমি কিছু মাধ্যমে করি ব্যক্তিগত যোগাযোগ, ব্যবসায়ীক না, বাকিগুলোতেও করব পর্যায়ক্রমে ইনশাআল্লাহ। ই-কমার্সে পূর্ণ দক্ষতা তৈরীর জন্য সকল মাধ্যমে যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। তাই বলে আবার সেলের চিন্তা বা উই গ্রুপ রেখে অন্য গ্রুপে গিয়ে কইরেন না নিশ্চিত পস্তাইবেন। আপনার উদ্যোগে ইমেইল, জিমেইল, ওয়েবসাইট, হটমেইল, ব্লগ, স্কাইপে ইত্যাদি এ্যাড করুন সেখানে কেউ নক দিলে বা আপনার ক্রেতা শুভাকাঙ্ক্ষী দের সাথে যোগাযোগ করুন এসব ব্যবহার করে
Ra Prity
আজকের কমেন্ট আড্ডায় আমার ব্যক্তিগত কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করব:
১. ২০০৮/০৯ এ আমি একটি সুনামধন্য লিজিং কোং তে টেলি মার্কেটং পদে ছিলাম।আমার কাজ ছিল ওভার ফোন ক্লাইন্টকে ডিপোজিট রাখার ব্যাপারে ইনফ্লুয়েন্স করা।তো ফোনের অপরপ্রান্তের মানুষকে না দেখে তার পারিপার্শ্বিক অবস্থা না জেনে হুট করে টাকা রাখেন বলা খুব টাফ।
তাই আমি আগে ফোন করার একটা উপযুক্ত সময় নির্ধারণ করতাম।তারপর ক্লায়েন্ট ফোন ধরলে কন্ঠে তার ব্যস্ততা,মুড বোঝার চেষ্টা করতাম।কিছু ক্লায়েন্ট হয়ত তখন ব্যস্ত থাকত।তাই সপ্তাহ খানেক পরে আবার নক করতাম এবং খুব আন্তরিকতার সাথে তার ব্যস্ততা জিজ্ঞেস করতাম।ক্লায়েন্ট তখন কি ব্যাপারে ফোন দিয়েছি তা শুনতো এবং মনে রাখতো। পরবর্তীতে আমি ফোন দিলে উনারা কন্ঠতেই চিনতে পারতেন।অনেকসময় ব্যস্ত থাকলে উনারাই ফোন ব্যক করতেন।
Saleha Begum
একজন উদ্যোক্তাদের জন্য ,যোগাযোগ এর দক্ষতার গুরুত্ব অনেক।কাস্টমার ই যখন নিজ থেকে যোগাযোগ করেন তা কিন্তু অনেক বড় প্রাপ্তি, আর সুন্দরভাবে কাস্টমার এর সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা গেলে,অনেক ছোটো খাটো ভুল গুলো বা প্রডাক্টের কোন সমস্যা কাস্টমার দেখে না।আমার ১৪ বছরের উদ্যোক্তা জীবন থেকে এ রকম অনেক দেখেছি তার জন্য বলছি-আমার একটা নিদিষ্ট কাস্টমার বেইস আছে এবং তাদের সাথে, আমার সবসময় যোগাযোগ হয় এমন কি,তারা আমার সাথে, নিজ থেকেই যোগাযোগ করে, খোজ খবর নয়। তারাই উল্টা আমাকে একাবারে পরিবার ও বন্ধুর মত ভাবেন। এ রকম যোগাযোগ ক্ষেএটা আসলে প্রার্সোনাল ব্র্যান্ডিং
Rabeya Bithy
আড্ডা পোস্ট ১ জুন ২০২০
বিষয়ঃ যোগাযোগ দক্ষতা কি এবং এর প্রয়োজনীয়তা -
যোগাযোগ দক্ষতা এমন এক প্রকার দক্ষতাকে বোঝায় যার মাধ্যমে মানুষ তার নিজস্ব চিন্তাধারা বা মনোভাব অন্যের কাছে সুস্পষ্ট ভাবে তুলে ধরতে এবং বোঝাতে সক্ষম হয়।
যোগাযোগ দক্ষতার মাধ্যম দুই প্রকার-
১.সরাসরি কথা বলার মাধ্যমে
২.বিভিন্ন লেখা,আর্টিকেল বা বই পড়ার মাধ্যমে।
একজন উদ্দোক্তার জন্য প্রয়োজনীয়তা -
একজন উদ্দোক্তার জন্য যোগাযোগ দক্ষতা খুবই প্রয়োজনীয়।একজন বিক্রেতা তার ক্রেতাকে তার পণ্যের ব্যাপারে জানানোর জন্য যোগাযোগ দক্ষতা থাকতে হবে।
যেমন - আমি হ্যান্ডলুম পদ্ধতিতে তৈরি শাড়ি এবং জামা নিয়ে কাজ করি।আমার কোনো শোরুম নেই কিন্তু আমার পেইজ আছে এখন আমি অন্য একজন কে আমার পণ্য সম্পর্কে জানাবো আমার কনটেন্ট লেখার মাধ্যমে, আমার পণ্যের সুন্দর ফটোগ্রাফি এবং সঠিক তথ্যের মাধ্যমে।কেউ যখন আমার একটা শাড়ি দেখে আমাকে নক দেয় তখন আগে আমি তার কথা শুনি সে কি বলতে চাচ্ছে তার ডিমান্ড কি এটা বোঝার পর আমি তাকে সেই নিদির্ষ্ট পণ্যটি সম্পর্কে সব তথ্য জানিয়ে থাকি।আর এভাবেই অনেকের সাথেই আমার যোগাযোগ হয়ে থাকে এবং তা অনলাইন ভিত্তিক।
💦 কথা বলার সময় সুন্দর সহজ ও সাবলীল ভাষায় বলতে হবে যাতে অন্যজন সহজেই বুঝতে পারে।নিজের উপর আত্নবিশ্বাসী হতে হবে।সব রকম অবস্থাতে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
সততার সাথে সঠিক ভাবে নিজেকে নিজের পণ্য কে তুলে ধরে সবার সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে একজন উদ্দোক্তার সব সময় উচিত আগে একজন শ্রোতা হয়ে কাস্টমারের কথা শোনা তারপর সুনির্দিষ্ট একটি বিষয়ে তাকে সঠিক ভাবে বোঝানো।
আমার কাছে যোগাযোগ দক্ষতা বলতে এমনটাই মনে হয়েছে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
Aziza Sultana
যেকোনো সম্পর্কের জন্য মনোযোগ হলো অক্সিজেন। যোগাযোগ দক্ষতার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ। যখন ক্রেতা বা অন্য কারও সাথে আলোচনা করবেন তখন তার প্রতি পরিপূর্ণ মনোযোগ দিন।তার কথায় মনোযোগ দিন,প্রশ্ন করুন,উত্তর দিন,তার বডিল্যাংগুয়েজ খেয়াল করুন। তাকে বুঝতে দিন যে তার প্রতি আপনার সম্পুর্ন মনোযোগ আছে। অযথা এদিক সেদিক তাকাবেন না।আপনার চোখের সুব্যবহার করুন।
Ra Prity
৩.অন্য আরেক প্রবাসী ক্লাইন্ট শুধু একবার আমার সাথে কথা বলে এবং অন্য আরেক ক্লাইন্ট যিনি ডিপোজিট রাখেন নি কিন্তু কথা হয়েছিল উনি রেফার্ড করেছিল,অফিসে এসে আমার সাথে দেখা করে ডিপোজিট করেন।
Monika Akter
যোগাযোগ দক্ষতা: যোগাযোগ দক্ষতা বলতে বোঝায় বিভিন্ন পরিস্থিতিতে যথাযথভাবে ভাষা ব্যবহার করার সামর্থ্যকে
একজন উদ্যোক্তার জন্য যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা: একজন উদ্যোক্তার জন্য যোগাযোগ এর প্রয়োজন অপরিসীম
যোগাযোগ হলো ক্রেতা-বিক্রেতার মিলনের সেতু
যোগাযোগের মাধ্যমই বিক্রেতা বুঝতে পারে ক্রেতার কোন পণ্য কি রংয়ের কিভাবে দরকার
ব্যবসা ক্ষেত্রে যোগাযোগ হতে পারে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ দুই ধরনের।
যোগাযোগের দক্ষতা উন্নত বা বৃদ্ধি করার উপায়:
*বিভিন্ন ধরনের সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে
*অলরেডি যারা ব্যবসা করছে তারা কিভাবে তাদের কাস্টমারের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করছে সেগুলো লক্ষ্য করতে হবে
*স্পিকার বা বক্তিতা যারা দেয় তারা যেভাবে উপস্থাপনা করে ওইভাবে উপস্থাপনা করা শিখতে হবে যেন ক্রেতাকে আকৃষ্ট করা যায়
*নিজের কথাগুলো কে সুন্দর ভাবে সহজ ভাষায় ক্রেতা সামনে প্রেজেন্টেশন করতে হবে
*যোগাযোগের সকল মাধ্যম গুলো জানতে হবে
এই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে সফল হওয়া যায়:
যদি ক্রেতার সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যোগাযোগের মাধ্যমে তার নিজ সম্পর্কে জানতে পারি সে কোন ধরনের পণ্য চাচ্ছে কিভাবে চাচ্ছে এগুলা আইডেন্টিফাই করতে পারি তাহলে ব্যবসায় সফল হওয়া যায়। যা যোগাযোগ ছাড়া সম্ভব নয়
যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করা ব্যবসার অন্যতম একটি ধাপ
Arafat Mohammad
কথা হচ্ছিলো কোভিড ১৯ নিয়ে তিনজন এর মাঝে। কিভাবে আরো সতর্ক হওয়া যায়। কিভাবে সামাজিকভাবে আরো বেশি নিরাপদ থাকা যায়। এইসব নিয়ে। মাঝখানে কেউ এসে যদি অমুক নায়কের তমুক সিনেমা বা যাচ্ছেতাই ধরনের কোন টপিক নিয়ে লাফ মেরে বসে। তাহলে তাৎক্ষনিক সকলের মধ্যে একটা ডিসকানেকশান চলে আসে। আর আগন্তুক যদি হয় বেপরোয়া টাইপের, কথা চাপিয়ে দেয়া বা কোন একটা আর্গুমেন্ট এ জিততে চাওয়ার মনোভাব যদি থাকে - তবে তো হলোই। বলা হয়ে থাকে - Communication is all about understanding the other person, Not about winning an argument or forcing your opinion on others.
Communication শব্দটি আসছে Latin communicat- ‘shared’, থেকে। যেখানে শেয়ারিং এর বিষয়টি পাওয়া যায়। তাই, আসলে কোন কিছু শেয়ার করাই কমিউনিকেশন এর প্রধান উদ্দেশ্য।
একজন এর একটি দৃষ্টিভঙ্গিকে তার জায়গা থেকে Feel করাই কমিউনিকেশন এর অন্যতম একটি শর্ত। যে কোন মত থাকতেই পারে। সেটিকে দেখা দরকার। প্রয়োজন পড়লে ওই ধারনা কে পাশেও রাখা যায়। তখন বাতিলও করা যায়। কিন্তু তাৎক্ষনিক বাতিল না করা ভালো।অনেকে তো শুনতেই(Listen) চায় না। শুধু বলতেই থাকে। এটি Bad Communicator এর বৈশিস্ট্য। Listening একটা বড় গুন। ভাল একজন কমিউনিকেটর নিজে শুনতে আগ্রহী হয়। সে নিরব (silent) হয়ে শুনতেই পছন্দ করে। এখানে Listen এবং Silent একই বর্ন দিয়েই গঠিত। কিন্তু এলোমেলো করে দিলেই হয়। অর্থ্যাৎ এখান থেকে একটি ব্যাপার আসে সেটি হলো মনের সম্পুর্ন মনোযোগ বা Interest কে একটু নতুনভাবে দেখলেই Listen বা শোনার দক্ষতাকে তৈরী করে নেয়া যায়।
নতুন ভাবে দেখা বলতে - Attitude কে পরিবর্তন করে দেখা যায়। যেমন - কেউ একজন শুধু শিখতে চায় বলেই কারো ভাষন শুনছে, Ted Talk দেখছে, অনলাইন আড্ডায় জয়েন করছে, ওয়ার্কশপ এ অংশগ্রহন করছে ইত্যাদি। এতে বোঝা যায়, তার Interest আছে, তার Listening এর দক্ষতা আছে বা সে রপ্ত করছে এবং তার attitude ও পরিবর্তন হয়েছে। সে ভালো কমিউনিকেটর হবার পথে অনেকখানি এগিয়ে যাবে।
আমাদের অনেকের ই মনে হয় , ও আচ্ছা অমুক এটা বলেছে.. তমুক এটা বলেছে। এটা তাহলে মানতে হয়। এটা তাহলে করা যায়। তবে, হুট করে কোন বক্তার খুবই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থেকেও অনেকে শিখতে পারে না। শেখার Attitude নেই। এটি কমিউনিকেশন স্কিল এর জন্য জরুরী। Attitude.
হ্যা অবশ্যই সততা জরুরী। একটি দক্ষতা অর্জন করতে ওটার প্রতি সৎ থাকা খুবই জরুরী। আমি শিখতে না চাইলে আমি ফাকি দিবো। ক্লাস করবো না। কমেন্ট করবো না। তাহলে আমাকেই ফাকি দেওয়া হলো না? কমিউনিকেশন এ সৎ থাকা টাও জরুরী। তাহলে কথায় দম থাকে। আর দম থাকা কথায় উৎসাহ থাকে। ফলে শ্রোতা তৈরী হয়। শ্রোতা তৈরী হলো মানে, কমিউনিকেশন স্কিল এর উন্নয়ন হচ্ছে।
Honesty is one of the foundations of Good Communication Skill.
- ভাব বিনিময় ই তো কমিউনিকেশন? ভাব বিনিময় হওয়া টা জরুরী। ভাব মারতে পারা - তো অবশ্যই না। বিনিময় এর ভিতরে তো গ্রহন এবং প্রদান করা দুটোই থাকে। একটি দিয়ে গ্রহন করা যায়। Listening হলো গ্রহন। আর প্রদান করা বলতে নতুন বাক্য সংযোজন করা বা Context অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কথা বলতে পারা বোঝায়।শ্রোতা তৈরী করা বোঝানো যায়।
তবে দুর্বল কমিউনিকেটর ও থাকে। আমরা যখন শেখার ইচ্ছা নিয়ে কমিউনিকেশন করবো তখন দুর্বলতা থাকে না। এটা এড়ানো যায়।
Ra Prity
৪.লার্জ সুরমা কোং এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে ডিপাজিটের জন্য কথা হত যদিও উনি কখনও ডিপোজিট করেননি (কিন্তু উনার মাধ্যমে পরিচিত অনেকে করেছেন) সনাতন ধর্মের হওয়ায় সাথে আরও যে ক্লায়েন্ট সনাতনধর্মী ছিলেন তাদেরকেও উনাদের সবচেয়ে বড় উৎসব দূর্গাপূজায় গ্রেটিং কার্ড পাঠিয়েছিলাম যা ঐ ক্লায়েন্টকে খুব আবেগী করেছিল তার উপর ঐ স্যার ছিলেন কলকাতার।
Ra Prity
আমার চাকরি জীবন যদিও খুব কম সময় ৩/৪ হবে কিন্তু পুরো সময়টাই ছিল যোগাযোগ দক্ষতার উপর।দেখা গেসে চাকরির ট্রেনিং পিরিয়ডে কথা বলা শিখার জন্য (যেহেতু মার্কেটিং বিষয়টি চলেই কথার উপরে) বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজ বেছে নিয়েছিলাম অনেক ডাক্তার নার্স নিজের প্রডাক্ট সম্পর্কে যা জানি জানাবো,অনেক নতুন প্রশ্ন আসবে সেগুলো অফিস থেকে জেনে ক্লাইন্টকে জানাবো।সেখানে এক ডাক্তার আমার কার্ডটি রেখে ঠিক এক বছর পর( যখন আমি অন্য কোং তে চলে যাই ) আমাকে ফোন করে।আমি এতোটা অবাক হই।আপনার ব্যাবহার আর আন্তরিকতা একটা মানুষ এমনভাবে খেয়াল করেছে যে একবছর পর আপনি সেই কর্মের ফল পেয়েছেন।
Lipi Akter
আড্ডা পোষ্ট ১ জুন ০২০
বিষয়ঃ যোগাযোগ দক্ষতা।
যোগাযোগ দক্ষতা কি? আমরা মানুষ, কোনো একটি নির্দিষ্ট ভাষায় আমরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে থাকি। বর্তমান প্রযোক্তির যোগে আমরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করার ক্ষেত্রে শুধু কথা বলে যোগাযোগ করি তা নয়। আময়া বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে যোগাযোগ করে থাকি যেমন, আমাজিক মাধ্যম,ওয়েবসাইট, মোবাইল ফোন ইত্যাদি। কিন্তু এই প্রত্যেকটা মাধ্যম ব্যবহার আমাদের পর্যাপ্ত দক্ষতার প্রয়োজন যার মাধ্যমে আমরা একে অপরকে সহজে বুঝাতে পারি আমাদের মূল উদ্দেশ্য বা মনের কথা।।
# একজন উদ্দোক্তার জন্য এর প্রয়োজনীয়তা /গুরুত্বঃ একজন উদ্দোক্তার জন্য যোগাযোগ দক্ষতা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ। একজন উদ্দোক্তা প্রতিটা ক্ষেত্রে এবং সময় ক্রেতাদের সাথে যোগাযোগ করতে হয়। তাদের প্রডাক্ট নিয়ে বেশির ভাগ সময় আলাপ আলোচনা করতে হয় তাই যোগাযোগের ক্ষেত্রে একজন উদ্দোক্তা পুরোপুরি দক্ষ হতে হবে।
# যোগাযোগ দক্ষতা উন্নত বা বৃদ্ধির উপায়ঃ
যোগাযোগ দক্ষতা উন্নত বা বৃদ্ধির জন্য বেশি বেশি পড়াশোনা করতে হবে। মানুষের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে এবং সফল ব্যক্তিদের মোটিভেশনাল বক্তব্য শুনলে আরো উপকৃত হওয়া যায়।
# এ দক্ষতাকে ব্যবসার কাজে লাগিয়ে কিভাবে সফল ও লাভবান হওয়া যায়ঃ যোগাযোগ দক্ষতা এমন একটি বিষয় যেটাকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করা কোনো জটিল বিষয় নয়।। একজন ব্যবসায়ীর কথাবার্তার উপর তার ব্যবসার স্থায়িত্ব নির্বর করে। যদি কোনো ব্যবসায়ী ক্রেতার সাথে ভালোভাবে কথা বলতে না পারে তাহলে ব্যবসার সফলতা লাভ করা দূরুহ ব্যপার।। সসর্বোপরি, ব্যবসায় সফল ও লাভবান হতে হলে যোগাযোগ দক্ষতা থাকা আবশ্যক।
Goury Saha Misty
যোগাযোগ দক্ষতা জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গী ও ভাষার মাধ্যমে নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করায় হলো যোগাযোগ।
কর্পোরেট জীবন থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বাড়ছে প্রতিযোগিতা। আর এই প্রতিযোগিতার মধ্যে নিজের অস্তিত্ব কে টিকিয়ে রাখতে চাই যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি করন।
নিজের মনের কথা সাবলীল স্পষ্ট ও সুন্দর ভাবে অপরের সামনে তুলে ধরার জন্য দক্ষতার দরকার হয়
যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষে নিচের বিষয় গুলোর দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
১) শব্দের সমন্বয় ও শারীরিক ভাষাঃ অপরের সামনে নিজে মনের ভাব ফুটিয়ে তোলার জন্য চাই শব্দের সমন্বয় ও শারীরিক ভাষার মধ্যে সম্পর্কে। কথা বলার সময় শ্রোতার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে হবে। এতে কথা শোনার আগ্রহ বৃদ্ধি পায় ।
২)মনোযোগী শ্রবণঃ এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, ঠিক টা না শুনে ঠিক ভাবে উত্তর দেওয়া সম্ভব না। এজন্য আগে কোন কিছু মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ করে নিজের অভিব্যক্তি গুলো সাবলীল ও গুছিয়ে ব্যক্ত করতে হবে।
৩) সঠিক শব্দের ব্যবহারঃ যোগাযোগ দক্ষতার আরেক টি বিষয় হলো সঠিক শব্দের ব্যবহার। কোন শব্দের ব্যবহার ঠিক ভাবে না জানলে তা ব্যবহার না করাই ভালো। সঠিক,উচ্চারণে সঠিক শব্দের ব্যবহার মাধ্যমে যোগাযোগ বৃদ্ধি পায়।
৪) বারংবার অনুশীলনঃ অনুশীলন বা চর্চার কোন বিকল্প নেই। যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বারবার অনুশীলন করে নিজের দক্ষ করে তুলতে হবে।
ভুল হলে মাফ করবেন।
Kanta Kamrun
যোগাযোগ দক্ষতা একজন বিক্রেতার সব থেকে বড় গুন। এ বৈশিষ্ট্যের কারণে প্রয়োজন, কেনার পরিকল্পনা ও ইচ্ছা না থাকা স্বত্তেও একজন ব্যক্তি ক্রেতায় রূপান্তর হতে পারেন এবং রিপিট কাস্টমার হতে পারেন।
আবার এই গুনের অযোগ্যতার দরুন সম্ভাব্য ক্রেতা পণ্য না ক্রয় করে তিক্ততা নিয়ে ফেরত যেতে পারেন।
-ক্রেতার সাথে ধৈর্য ও সহিষ্মুতা রেখে কথা বলতে হবে,
-যত দ্রুত সম্ভব রেসপন্স করতে হবে,
-তাকে ও তার মত ও পছন্দকে সম্মান জানাতে হবে,
- কোন কারণে বিক্রয় সম্পন্ন না হলেও তার সাথে বিনয়ী ব্যবহার করতে হবে,
-অযথা কথা বাড়ানো যেমন ঠিক না, অসহযোগি ও দাম্ভিক আচরণ করাও অনুচিত,
- পণ্যের গুনাগুন ও আপনার সেবা সম্পর্কে আশ্বস্ত করতে হবে,
- তার বিশ্বাসযাগ্যতা অর্জনে চেষ্টা করতে হবে,
-কোন ক্রেতা যদি অল্প মূল্যের পণ্য ক্রয় করে তার জন্য তাকে অবহেলা করা যাবে না, পরবর্তীতে তার মাধ্যমে আপনি বড় পরিমানের বিক্রয় করতে সমর্থ হতে পারেন,
-পণ্য বিক্রয়ে উঠে পরে লেগে ক্রেতাকে বিরক্ত করা উচিত নয়,
- অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে কৌশলে বিতর্কিত পরিস্থিতি এড়িয়ে চলে আসা,
-যে কোন পরিবর্তন পরিমার্জন ঘটলে ক্রেতাকে সবিস্তারে জানিয়ে রাখা ও তার সম্মতি নেয়া,
- ক্রেতা কেমন পণ্য চাইছেন সে ব্যপারে লক্ষ্য রাখা ইত্যাদি।
Sabekun Nahar Shantu
যোগাযোগ দক্ষতা বলতে নিজেকে বা নিজের পণ্যকে অন্যের কাছে উপস্থাপন করা যে প্রকিয়া এবং অন্যকে বুঝতে পারার যে ক্ষমতা তাকে বুজায়। অর্থাৎ অন্যের কথা,, অঙ্গভঙ্গি বা সাইকোলজি বুঝার ক্ষমতা এবং নিজেকে উপস্থাপন করা বা নিজের কথাগুলা বুঝানোর ক্ষমতাকে আমরা যোগাযোগ দক্ষতা বলতে পারি।
একজন উদ্যোক্তার জন্য যোগাযোগ দক্ষতা থাকা অত্যন্ত অপরিহার্য একটি বিষয়।কারণ একজন উদ্যোক্তাকে বিভিন্ন মানুষের সাথে কথা বলতে হয়,, ক্রেতার চাহিদাগুলো বুজতে হয়,, নিজের পন্য সম্পর্কে বলতে এবং এমনভাবে বলা উচিত যাতে বিক্রেতা যা সম্পর্কে বলছে সেটা ক্রেতার মস্তিষ্কে গেথে যায়,, ক্রেতাকে সর্বোক্ষেত্রে প্রোয়োরিটি দেওয়া এতে করে ক্ষেত্রে সম্মানিত বোধ করে এবং নিজেকেও সুন্দর করে উপস্থাপন করে মোট কথা কাস্টমার সাইকোলজি বুঝার জন্য যোগাযোগ দক্ষতা থাকা অপরিহার্য।
যার যোগাযোগ দক্ষতা যত বেশি স্ট্রং হবে সেই উদ্যোক্তা তত বেশি এগিয়ে যাবে। বর্তমান ই-কমার্স যুগে আমরা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক, ইনস্ট্রাগ্রাম,ইমেইল,,ওয়াটসএ্যাপ,,ভাইবার,,ইমো,,ম্যাসেন্জার, এগুলোকে বুজে থাকি তো একজন উদ্যোক্তা যখন এই মাধ্যমগুলো ব্যবহার করবে অবশ্যই থাকে সেই বিষয়ে দক্ষ হতে হবে,, সেই বিষয়ে পড়াশোনা করতে হবে। যে কোনো বিক্রেতার উচিত কুইক রেসপন্স করা এটাও যোগাযোগ দক্ষতা একটি দিক বলা চলে। কুইক রেসপন্সের ফলে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সম্পর্ক মজবুত হয়,, ক্রেতার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়,, ভরসা জায়গা তৈরি হয় ফলে প্রথমবার আশাতীত ফল পেলে সেই ক্রেতা রিপিট হয় এবং ভবিষ্যতে আরো ১০ টা ক্রেতাকে নিয়ে আসে এই থেকে বলতে পারি যার যোগাযোগ দক্ষতা যত স্ট্রং তার সফলতা তত বেশি নিকটে অথবা এতে করে বিক্রেতা অবশ্যই লাভবান হয়
আমি নিজের মতো করে বলার চেষ্টা করলাম ভুল -ত্রুটি ক্ষমার সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং আমাকে বললে আমি সংশোধন করে নিব।
No comments:
Post a Comment